শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের রূপার জীবন এবং 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবন্ধুর জীবন সমসূত্রে বাঁধা বলা কতটুকু যৌক্তিক? বিশ্লেষণ করো'।

উত্তর: উদ্দীপকের রূপার জীবন এবং 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর জীবন সমসূত্রে বাঁধা বলা আংশিক যৌক্তিক, পুরোপুরি নয়। 'অন্ধবধূ' কবিতায় অন্ধবধূ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হলেও প্রকৃতির মধ্যে বিচরণ করে। প্রকৃতির উপাদানের সঙ্গে একাত্ম হয়ে এর রূপ-রস-গন্ধে সে অনুভূতিপ্রবণ হয়ে পড়ে। সবাই তাকে অবহেলা ও অবজ্ঞা করে। এজন্য সে প্রকৃতির মধ্যে নিজের সুখ খুঁজে বেড়ায়। ঘরের কোণে সে থাকতে চায় না। 'অন্ধবধূ' কবিতায় বধূটি অন্ধ হলেও নৈরাশ্যবাদী নয়। চোখে দেখতে না পাওয়ার কারণে তার দুঃখবোধ আছে ঠিকই, তাই বলে জীবনের প্রতি মমত্ববোধহীন নয়। পায়ের নিচে নরম বস্তুর অস্তিত্ব, কোকিলের ডাক মানে নতুন ঋতুর আগমন, পুকুরঘাটে শ্যাওলায় পা পিছলে তলিয়ে যাওয়া, নতুন সিঁড়ি জেগে ওঠার কথা সমস্তই সে বোঝে। অন্যদিকে উদ্দীপকের রূপার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতার কারণে ঘরের কোণে দিন কাটে। সুন্দর পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখতে না পাওয়ার ব্যথায় সে ব্যথিত। রূপা এবং অন্ধবধূর জীবনে অন্ধত্বের দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ। অন্ধবধূ রূপার মতো নৈরাশ্যবাদী নয়। সে রূপার মতো ঘরের কোণে বসে থাকে না, বরং নিজের ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপলব্ধি করে। তাই রূপা ও অন্ধবধূর জীবন সমসূত্রে বাঁধা বলাটা পুরোপুরি যৌক্তিক নয়।

SSC বাংলা ১ম পত্র অন্ধবধূ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ১ম পত্র · অন্ধবধূ · সৃজনশীল

উদ্দীপকের রূপার জীবন এবং 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবন্ধুর জীবন সমসূত্রে …

উদ্দীপক

মা-বাবার একমাত্র মেয়ে রূপা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। চাকরিজীবী মা-বাবা অফিসে চলে গেলে রূপাকে সারাদিন ঘরে বন্দি থাকতে হয়। সে অন্যান্য বালক-বালিকার মতো মাঠে দৌড়াদৌড়ি, খেলাধুলা করতে চাইলেও পারে না। সুন্দর পৃথিবী, ঝিঝি ডাকা সন্ধ্যা, জ্যোৎস্নাপ্লাবিত রাত, গাঁয়ের মেঠোপথ সবকিছু তাকে ব্যথিত করে তোলে। এভাবেই রূপার জীবন কাটে ঘরের কোণে।

উত্তর

ইন্দ্রিয়সচেতনতার মাধ্যমে দৃষ্টিহীনদের প্রতিবন্ধিতা দূর করা যায়।

উত্তর

"পায়ের তলায় নরম ঠেকল কী"-বলতে অন্ধবধূর ইন্দ্রিয়সচেতনতার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। অন্ধবধূ দৃষ্টিহীন। কিন্তু তার অনুভবশক্তি প্রবল। প্রকৃতির রূপ-রস-গন্ধ সবকিছুই সে অনুভব করে। পায়ের তলায় নরম কোনোকিছু ঠেকলে সে ঠিকই বুঝতে পারে সেই বস্তুটা আসলে কী। 'অন্ধবধূ' কবিতায় দেখা যায়, পায়ের তলের নরম বস্তুটি যে বকুল ফুল সেটি সে খুব সহজেই বুঝতে পারে। আসলে আলোচ্য চরণটি দ্বারা অন্ধবধূর এই ইন্দিয়সচেতনতাকে বোঝানো হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকটিতে 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর প্রতিবন্ধিতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। 'অন্ধবধূ' কবিতায় শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কঠিন বাস্তবতা ফুটে উঠেছে। অন্ধবধূ চারপাশ বুঝতে পারে শুধু স্পর্শ, শব্দ ও গন্ধে। চলাফেরা থেকে শুরু করে নিরাপত্তা- সব ক্ষেত্রেই সে বিপদের মুখোমুখি হয়। দিঘির সিঁড়ির শেওলায় পিছলে যাওয়ার ভয় তার জীবনকে প্রতিদিন আতঙ্কে রাখে। চোখ থাকলে যা সহজ, তা তার জন্য এক কঠিন সংগ্রাম। 'অন্ধবধূ' কবিতায় অন্ধবধূ দৃষ্টিহীন। এটা নিয়ে সে আক্ষেপ করে। বাড়িতে সে একা, স্বামী পরবাসী। সে অনুভব করে যে, পুকুরে ডুবে মরলে তার অন্ধত্বের অভিশাপ ঘুচে যেত। উদ্দীপকের রূপাও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। ইচ্ছে করলেও অন্যদের সাথে সে খেলাধুলা করতে পারে না। দৃষ্টিহীনতার কারণে প্রকৃতির অনুপম সৌন্দর্য থেকেও সে বঞ্চিত। তার জীবন কাটে একা ঘরের কোণে। এভাবেই উদ্দীপকটিতে 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর প্রতিবন্ধিতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকের রূপার জীবন এবং 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর জীবন সমসূত্রে বাঁধা বলা আংশিক যৌক্তিক, পুরোপুরি নয়। 'অন্ধবধূ' কবিতায় অন্ধবধূ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হলেও প্রকৃতির মধ্যে বিচরণ করে। প্রকৃতির উপাদানের সঙ্গে একাত্ম হয়ে এর রূপ-রস-গন্ধে সে অনুভূতিপ্রবণ হয়ে পড়ে। সবাই তাকে অবহেলা ও অবজ্ঞা করে। এজন্য সে প্রকৃতির মধ্যে নিজের সুখ খুঁজে বেড়ায়। ঘরের কোণে সে থাকতে চায় না। 'অন্ধবধূ' কবিতায় বধূটি অন্ধ হলেও নৈরাশ্যবাদী নয়। চোখে দেখতে না পাওয়ার কারণে তার দুঃখবোধ আছে ঠিকই, তাই বলে জীবনের প্রতি মমত্ববোধহীন নয়। পায়ের নিচে নরম বস্তুর অস্তিত্ব, কোকিলের ডাক মানে নতুন ঋতুর আগমন, পুকুরঘাটে শ্যাওলায় পা পিছলে তলিয়ে যাওয়া, নতুন সিঁড়ি জেগে ওঠার কথা সমস্তই সে বোঝে। অন্যদিকে উদ্দীপকের রূপার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধিতার কারণে ঘরের কোণে দিন কাটে। সুন্দর পৃথিবীর সৌন্দর্য দেখতে না পাওয়ার ব্যথায় সে ব্যথিত। রূপা এবং অন্ধবধূর জীবনে অন্ধত্বের দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ। অন্ধবধূ রূপার মতো নৈরাশ্যবাদী নয়। সে রূপার মতো ঘরের কোণে বসে থাকে না, বরং নিজের ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপলব্ধি করে। তাই রূপা ও অন্ধবধূর জীবন সমসূত্রে বাঁধা বলাটা পুরোপুরি যৌক্তিক নয়।
SSCবাংলা ১ম পত্রঅন্ধবধূ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সদ্য বিবাহিতা ঝিল জন্ম থেকেই বোবা ও বধির। তার স্বামী সঞ্জু কখনো তাকে বুঝতে দেয়নি যে, সে শারীরিকভাবে অন্যদের থেকে ভিন্ন। বরং পরম যত্নে সে ঝিলকে আগলে রাখে। সেদিক থেকে ঝিল নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করে। তার মনে হয় সে অক্ষম বলেই তার স্বামী বেশি ভালোবাসে। তাই জীবনে তার কোনো দুঃখ নেই, কোনো অপূর্ণতা নেই।
দখিনা হাওয়া বন্ধ হলে কী ধরে নিতে হবে?
অন্ধবধূর ইন্দ্রিয়সচেতনতা কীভাবে কাজ করে?
উদ্দীপকের ঝিলের সঙ্গে অন্ধবধূর বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
অন্ধবধূর স্বামী যদি ঝিলের স্বামীর মতো হতো তবে তার জীবনটা অন্যরকম হতো- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সদ্য বিবাহিতা ঝিল জন্ম থেকেই বোবা ও বধির। তার স্বামী সঞ্জু কখনো তাকে বুঝতে দেয়নি যে, সে শারীরিকভাবে অন্যদের থেকে ভিন্ন। বরং পরম যত্নে সে ঝিলকে আগলে রাখে। সেদিক থেকে ঝিল নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করে। তার মনে হয় সে অক্ষম বলেই তার স্বামী বেশি ভালোবাসে। তাই জীবনে তার কোনো দুঃখ নেই, কোনো অপূর্ণতা নেই।
দখিনা হাওয়া বন্ধ হলে কী ধরে নিতে হবে?
অন্ধবধূর ইন্দ্রিয়সচেতনতা কীভাবে কাজ করে?
উদ্দীপকের ঝিলের সঙ্গে অন্ধবধূর বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
অন্ধবধূর স্বামী যদি ঝিলের স্বামীর মতো হতো তবে তার জীবনটা অন্যরকম হতো- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সদ্য বিবাহিতা ঝিল জন্ম থেকেই বোবা ও বধির। তার স্বামী সঞ্জু কখনো তাকে বুঝতে দেয়নি যে, সে শারীরিকভাবে অন্যদের থেকে ভিন্ন। বরং পরম যত্নে সে ঝিলকে আগলে রাখে। সেদিক থেকে ঝিল নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করে। তার মনে হয় সে অক্ষম বলেই তার স্বামী বেশি ভালোবাসে। তাই জীবনে তার কোনো দুঃখ নেই, কোনো অপূর্ণতা নেই।
দখিনা হাওয়া বন্ধ হলে কী ধরে নিতে হবে?
অন্ধবধূর ইন্দ্রিয়সচেতনতা কীভাবে কাজ করে?
উদ্দীপকের ঝিলের সঙ্গে অন্ধবধূর বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
অন্ধবধূর স্বামী যদি ঝিলের স্বামীর মতো হতো তবে তার জীবনটা অন্যরকম হতো- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সদ্য বিবাহিতা ঝিল জন্ম থেকেই বোবা ও বধির। তার স্বামী সঞ্জু কখনো তাকে বুঝতে দেয়নি যে, সে শারীরিকভাবে অন্যদের থেকে ভিন্ন। বরং পরম যত্নে সে ঝিলকে আগলে রাখে। সেদিক থেকে ঝিল নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করে। তার মনে হয় সে অক্ষম বলেই তার স্বামী বেশি ভালোবাসে। তাই জীবনে তার কোনো দুঃখ নেই, কোনো অপূর্ণতা নেই।
দখিনা হাওয়া বন্ধ হলে কী ধরে নিতে হবে?
অন্ধবধূর ইন্দ্রিয়সচেতনতা কীভাবে কাজ করে?
উদ্দীপকের ঝিলের সঙ্গে অন্ধবধূর বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।
অন্ধবধূর স্বামী যদি ঝিলের স্বামীর মতো হতো তবে তার জীবনটা অন্যরকম হতো- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অসীম গত বছর এক দুর্ঘটনায় দুটি চোখই হারায়। এখন সে অন্ধ হয়ে এক দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। তাকে নিয়ে পরিবারের সবাই বড় কষ্টে আছে। এমনকি তার স্ত্রী এখন আর তাকে সহ্য করতে পারে না। মুখ ফুটে কিছু না বললেও তাদের কাজকর্ম তাকে জানিয়ে দেয় যে, সবাই তাকে নিয়ে খুব কষ্টে আছে। এদিকে অসীমও দুর্বিষহ জীবনে হাঁপিয়ে উঠেছে। এখন সে সর্বদা নিজের মৃত্যু কামনা করে।
'অন্ধবধূ' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ আছে?
কীসের পরশ মায়ের স্নেহের মতো?- ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকটিতে 'অন্ধবধূ' কবিতার সমগ্র ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অসীম গত বছর এক দুর্ঘটনায় দুটি চোখই হারায়। এখন সে অন্ধ হয়ে এক দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। তাকে নিয়ে পরিবারের সবাই বড় কষ্টে আছে। এমনকি তার স্ত্রী এখন আর তাকে সহ্য করতে পারে না। মুখ ফুটে কিছু না বললেও তাদের কাজকর্ম তাকে জানিয়ে দেয় যে, সবাই তাকে নিয়ে খুব কষ্টে আছে। এদিকে অসীমও দুর্বিষহ জীবনে হাঁপিয়ে উঠেছে। এখন সে সর্বদা নিজের মৃত্যু কামনা করে।
'অন্ধবধূ' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ আছে?
কীসের পরশ মায়ের স্নেহের মতো?- ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকটিতে 'অন্ধবধূ' কবিতার সমগ্র ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অসীম গত বছর এক দুর্ঘটনায় দুটি চোখই হারায়। এখন সে অন্ধ হয়ে এক দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। তাকে নিয়ে পরিবারের সবাই বড় কষ্টে আছে। এমনকি তার স্ত্রী এখন আর তাকে সহ্য করতে পারে না। মুখ ফুটে কিছু না বললেও তাদের কাজকর্ম তাকে জানিয়ে দেয় যে, সবাই তাকে নিয়ে খুব কষ্টে আছে। এদিকে অসীমও দুর্বিষহ জীবনে হাঁপিয়ে উঠেছে। এখন সে সর্বদা নিজের মৃত্যু কামনা করে।
'অন্ধবধূ' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ আছে?
কীসের পরশ মায়ের স্নেহের মতো?- ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকটিতে 'অন্ধবধূ' কবিতার সমগ্র ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অসীম গত বছর এক দুর্ঘটনায় দুটি চোখই হারায়। এখন সে অন্ধ হয়ে এক দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। তাকে নিয়ে পরিবারের সবাই বড় কষ্টে আছে। এমনকি তার স্ত্রী এখন আর তাকে সহ্য করতে পারে না। মুখ ফুটে কিছু না বললেও তাদের কাজকর্ম তাকে জানিয়ে দেয় যে, সবাই তাকে নিয়ে খুব কষ্টে আছে। এদিকে অসীমও দুর্বিষহ জীবনে হাঁপিয়ে উঠেছে। এখন সে সর্বদা নিজের মৃত্যু কামনা করে।
'অন্ধবধূ' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ আছে?
কীসের পরশ মায়ের স্নেহের মতো?- ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকটিতে 'অন্ধবধূ' কবিতার সমগ্র ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রতিবন্ধীরা জীবনের স্বতঃস্ফূর্ত ধারায় অন্যদের মতো সমতালে পা মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারে না। কিন্তু যথাযথ মনোযোগ, সহযোগিত ও সুযোগ পেলে তারাও দুঃখের অন্ধকার ছেড়ে স্বনির্ভর এক আলোচিত জীবনের অধিকারী হতে পারে, এমনকি হয়ে উঠতে পারে বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব। অন্ধত্বকে অস্বীকার করে যেমন পেয়েছেন 'ইলিয়াড', 'ওডেসি' রচয়িতা মহাকবি হোমার কিংবা বিটোফেন, বি নিজের বধিরতা সত্ত্বেও সৃষ্টি করেছেন অপূর্ব সব সুর। আধুনিককালে সাড়া জাগানো বৈজ্ঞানিক স্টিফেন হকিংও প্রতিবন্ধিতাকে পরাভূ করে বিশ্বব্যাপী শ্রদ্ধা ও সম্মান অর্জন করে নিয়েছেন। এমন উদাহরণ অসংখ্য।
শীতল জল কার স্নেহের মতো?
অন্ধবধূকে কেন অনুভবঋদ্ধ মানুষ বলা যায়?
উদ্দীপকটির সাথে 'অন্ধবধূ' কবিতার বৈসাদৃশ্যমূলক ভাবটি তুলে ধরো
"উদ্দীপক ও 'অন্ধবধূ' কবিতার প্রেক্ষিতে এটি বলা যায়, প্রতিবন্ধীরাও যথার্থ সুযোগ পেলে নিজেদের স্বাভাবিক মানুষের মতোই বিকশিত করে তুলতে পারে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রতিবন্ধীরা জীবনের স্বতঃস্ফূর্ত ধারায় অন্যদের মতো সমতালে পা মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারে না। কিন্তু যথাযথ মনোযোগ, সহযোগিত ও সুযোগ পেলে তারাও দুঃখের অন্ধকার ছেড়ে স্বনির্ভর এক আলোচিত জীবনের অধিকারী হতে পারে, এমনকি হয়ে উঠতে পারে বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব। অন্ধত্বকে অস্বীকার করে যেমন পেয়েছেন 'ইলিয়াড', 'ওডেসি' রচয়িতা মহাকবি হোমার কিংবা বিটোফেন, বি নিজের বধিরতা সত্ত্বেও সৃষ্টি করেছেন অপূর্ব সব সুর। আধুনিককালে সাড়া জাগানো বৈজ্ঞানিক স্টিফেন হকিংও প্রতিবন্ধিতাকে পরাভূ করে বিশ্বব্যাপী শ্রদ্ধা ও সম্মান অর্জন করে নিয়েছেন। এমন উদাহরণ অসংখ্য।
শীতল জল কার স্নেহের মতো?
অন্ধবধূকে কেন অনুভবঋদ্ধ মানুষ বলা যায়?
উদ্দীপকটির সাথে 'অন্ধবধূ' কবিতার বৈসাদৃশ্যমূলক ভাবটি তুলে ধরো
"উদ্দীপক ও 'অন্ধবধূ' কবিতার প্রেক্ষিতে এটি বলা যায়, প্রতিবন্ধীরাও যথার্থ সুযোগ পেলে নিজেদের স্বাভাবিক মানুষের মতোই বিকশিত করে তুলতে পারে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রতিবন্ধীরা জীবনের স্বতঃস্ফূর্ত ধারায় অন্যদের মতো সমতালে পা মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারে না। কিন্তু যথাযথ মনোযোগ, সহযোগিত ও সুযোগ পেলে তারাও দুঃখের অন্ধকার ছেড়ে স্বনির্ভর এক আলোচিত জীবনের অধিকারী হতে পারে, এমনকি হয়ে উঠতে পারে বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব। অন্ধত্বকে অস্বীকার করে যেমন পেয়েছেন 'ইলিয়াড', 'ওডেসি' রচয়িতা মহাকবি হোমার কিংবা বিটোফেন, বি নিজের বধিরতা সত্ত্বেও সৃষ্টি করেছেন অপূর্ব সব সুর। আধুনিককালে সাড়া জাগানো বৈজ্ঞানিক স্টিফেন হকিংও প্রতিবন্ধিতাকে পরাভূ করে বিশ্বব্যাপী শ্রদ্ধা ও সম্মান অর্জন করে নিয়েছেন। এমন উদাহরণ অসংখ্য।
শীতল জল কার স্নেহের মতো?
অন্ধবধূকে কেন অনুভবঋদ্ধ মানুষ বলা যায়?
উদ্দীপকটির সাথে 'অন্ধবধূ' কবিতার বৈসাদৃশ্যমূলক ভাবটি তুলে ধরো
"উদ্দীপক ও 'অন্ধবধূ' কবিতার প্রেক্ষিতে এটি বলা যায়, প্রতিবন্ধীরাও যথার্থ সুযোগ পেলে নিজেদের স্বাভাবিক মানুষের মতোই বিকশিত করে তুলতে পারে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

প্রতিবন্ধীরা জীবনের স্বতঃস্ফূর্ত ধারায় অন্যদের মতো সমতালে পা মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারে না। কিন্তু যথাযথ মনোযোগ, সহযোগিত ও সুযোগ পেলে তারাও দুঃখের অন্ধকার ছেড়ে স্বনির্ভর এক আলোচিত জীবনের অধিকারী হতে পারে, এমনকি হয়ে উঠতে পারে বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব। অন্ধত্বকে অস্বীকার করে যেমন পেয়েছেন 'ইলিয়াড', 'ওডেসি' রচয়িতা মহাকবি হোমার কিংবা বিটোফেন, বি নিজের বধিরতা সত্ত্বেও সৃষ্টি করেছেন অপূর্ব সব সুর। আধুনিককালে সাড়া জাগানো বৈজ্ঞানিক স্টিফেন হকিংও প্রতিবন্ধিতাকে পরাভূ করে বিশ্বব্যাপী শ্রদ্ধা ও সম্মান অর্জন করে নিয়েছেন। এমন উদাহরণ অসংখ্য।
শীতল জল কার স্নেহের মতো?
অন্ধবধূকে কেন অনুভবঋদ্ধ মানুষ বলা যায়?
উদ্দীপকটির সাথে 'অন্ধবধূ' কবিতার বৈসাদৃশ্যমূলক ভাবটি তুলে ধরো
"উদ্দীপক ও 'অন্ধবধূ' কবিতার প্রেক্ষিতে এটি বলা যায়, প্রতিবন্ধীরাও যথার্থ সুযোগ পেলে নিজেদের স্বাভাবিক মানুষের মতোই বিকশিত করে তুলতে পারে।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

অন্ধবধূর স্বামী যদি ঝিলের স্বামীর মতো হতো তবে তার জীবনটা অন্যরকম হতো- মন্তব্যটিরউদ্দীপকের ঝিলের সঙ্গে অন্ধবধূর বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।অন্ধবধূর ইন্দ্রিয়সচেতনতা কীভাবে কাজ করে?দখিনা হাওয়া বন্ধ হলে কী ধরে নিতে হবে?উদ্দীপকটিতে 'অন্ধবধূ' কবিতার সমগ্র ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার উত্তরের পক্ষে উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।কীসের পরশ মায়ের স্নেহের মতো?- ব্যাখ্যা করো।'অন্ধবধূ' কবিতায় কোন ফুলের উল্লেখ আছে?"উদ্দীপক ও 'অন্ধবধূ' কবিতার প্রেক্ষিতে এটি বলা যায়, প্রতিবন্ধীরাও যথার্থ সুযোগ পউদ্দীপকটির সাথে 'অন্ধবধূ' কবিতার বৈসাদৃশ্যমূলক ভাবটি তুলে ধরোঅন্ধবধূকে কেন অনুভবঋদ্ধ মানুষ বলা যায়?শীতল জল কার স্নেহের মতো?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।