উদ্দীপকের শেষ দুটি চরণের সঙ্গে 'রানার' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি কী? ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকের শেষ দুটি চরণের সঙ্গে 'রানার' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি হলো ভীরুতা পিছনে ফেলে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা। 'রানার' কবিতায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য রানারের দুঃসাহসিক কর্মকান্ড তুলে ধরেছেন। রানার অত্যন্ত সাহসী। সে অকুতোভয় চরিত্রের অধিকারী। দুর্গম পথে সে একাকী গভীর রাতে চলাচল করে। তার মনে বিন্দুমাত্র মৃত্যুর ভয় নেই। দস্যুর ভয়ে সে ভীত নয়। সে দুর্বার গতিতে খবরের বোঝা কাঁধে নিয়ে ছুটে চলে। রানার তার অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে। দায়িত্ব পালনে তার কোনো অবহেলা নেই। দস্যুর ভয়ের চেয়ে সে সূর্য ওঠাকে বেশি ভয় করে। কারণ সূর্য ওঠার আগেই তাকে গন্তব্যে পৌছাতে হবে। রানারের এ কর্মকাড থেকে তার একনিষ্ঠ শ্রম ও অর্পিত দায়িত্ব-কর্তব্য যথাযথভাবে পালনের প্রমাণ পাওয়া যায়। উদ্দীপকের শেষ দুটি চরণে বলা হয়েছে, এদেহে যতদিন প্রাণ আছে ততদিন সত্যের গান গেয়ে যাব। অর্থাৎ উদ্দীপকের কবি আমরণ সত্যের পথে অধিষ্ঠিত থাকবেন। কোনো অন্যায়-অপকর্মে নিজেকে জড়াবেন না। উদ্দীপকের এ ভাবার্থের সঙ্গে 'রানার' কবিতার রানারের কর্মকাণ্ডের মিল পাওয়া যায়। রানারের দেহে যতক্ষণ প্রাণ আছে ততক্ষণ অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো কিছুর ভয়ে রানার ভীত হবে না। রানার তার দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবেই পালন করবে। আর এ দিকটি 'রানার' কবিতার রানারের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
SSC বাংলা ১ম পত্র রানার CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বাংলা ১ম পত্র · রানার · সৃজনশীল
উদ্দীপকের শেষ দুটি চরণের সঙ্গে 'রানার' কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি কী…
উদ্দীপক
Barisal · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর