রানার বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর রানার অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১১৬

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ফারুক সাহেব একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। তিনি বিদ্যালয়ে যথাসময়ের আগে আসেন এবং ছুটির পর পরবর্তী দিনের কিছু কাজ গুছিয়ে বাড়ি ফেরেন। একদিন ভোরে আকস্মিকভাবে বাড়ি থেকে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ পেয়ে তিনি বাড়ি যান। ভাইয়ের দাফন-কাফন সম্পন্ন করে পরদিনই কর্মস্থলে পুনরায় ফিরে আসেন। বিদ্যালয়ে কর্মরত অন্যরা বিবিধ অসুবিধার সম্মুখীন না হন, এই ব্যাপারে তিনি খুবই দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্ব।

Mymensingh · 2020

রানারের কাছে সহানুভূতির চিঠি পাঠাবে কে?

উত্তর

রানারের কাছে সহানুভূতির চিঠি-পাঠাবে ভোরের আকাশ।
'দস্যুর ভয়, তারো চেয়ে ভয় কখন সূর্য ওঠে।'- এই চরণ দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দস্যুর ভয়, তারো চেয়ে ভয় কখন সূর্য ওঠে।'- এই চরণ দ্বারা কবি রানারের পেশাগত দায়িত্ববোধ ও সময়নিষ্ঠা বুঝিয়েছেন। • 'রানার' কবিতায় কবি শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাপন, দুঃখবোধ এবং তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সততার দিকটি তুলে ধরেছেন। রানার মানুষের সুখ-দুঃখের অনেক অজানা সংবাদের বাহক। সে পিঠে খবরের বোঝা, মানিঅর্ডার নিয়ে রাতের অন্ধকারে লন্ঠন জ্বালিয়ে, ঝুমঝুম্ ঘণ্টা বাজিয়ে ছুটে চলে। সূর্য ওঠার আগেই সে গন্তব্যে পৌছতে চায়। তাঁই নির্জন পথে দস্যুর ভয়ের চেয়ে বড় ভয় তার কখন সূর্য ওঠে।
উদ্দীপকের ফারুক সাহেবের মধ্যে 'রানার' কবিতার রানার চরিত্রের কোন দিকটি প্রতিফলিত? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের ফারুক সাহেবের মাঝে 'রানার' কবিতার রানার চরিত্রের পেশাগত দায়িত্ববোধের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। • পেশাগত দায়িত্ব পালনে অবহেলা করা উচিত নয়। অথচ বহু লোক দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করে না। এরা দেশ, জাতি ও সমাজের উন্নতির অন্তরায়। তবে যেসব শ্রেণি-পেশার মানুষ অর্পিত দায়িত্ব পালনে প্রাণপাত করেন তারাই সভ্যতার নির্মাতা, অগ্রযাত্রী। • উদ্দীপকে সহকারী প্রধান শিক্ষক ফারুক সাহেবের দায়িত্ববোধ, সততা ও সময়নিষ্ঠার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ফারুক সাহেব ভাইয়ের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে বাড়িতে গেলেও পরদিন বিদ্যালয়ে আসতে তার দেরি হয়নি। তিনি দীর্ঘ চাকরি জীবনে সবার আগে বিদ্যালয়ে আসেন এবং সবার পরে যান। এই বিষয়টি তার দায়িত্ববোধ ও সময়নিষ্ঠার পরিচয় বহন করে। 'রানার' কবিতায় রানার পিঠে খবরের বোঝা নিয়ে রাতের অন্ধকারে লন্ঠন জ্বালিয়ে সে ছুটে চলে। পথে দস্যুর ভয়ের চেয়েও সে সূর্য ওঠার ভয়ে ভীত। সে পেশাগত দায়িত্ব পালনে অত্যন্ত সচেতন। উদ্দীপকের ফারুক সাহেব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হলেও তিনি অত্যন্ত দায়িত্বশীল। অতএব বলা যায় যে, উদ্দীপকের ফারুক সাহেবের মাঝে 'রানার' কবিতার রানারের দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
“উদ্দীপকের ফারুক সাহেব এবং 'রানার' কবিতার রানার দায়িত্বশীলতার দিক হতে সহঅবস্থানে বিরাজমান।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর

“উদ্দীপকের ফারুক সাহেব এবং 'রানার' কবিতার রানার দায়িত্বশীলতার দিক হতে সহঅবস্থানে বিরাজমান।”- মন্তব্যটি যথার্থ। • সমাজে নানা পেশার লোক দেখা যায়। তাদের মধ্যে অনেকেই পেশাগত দায়িত্ব পালনে তৎপর, আবার অনেকেই তা পালনে উদাসীন থাকে। প্রত্যেকেরই উচিত তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা। • 'রানার' কবিতায় কবি শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাপন, দুঃখবোধ এবং তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সততার দিকটি তুলে ধরেছেন। রানার মানুষের সুখ-দুঃখের অনেক অজানা সংবাদের বাহক। সে পিঠে খবরের বোঝা, মানিঅর্ডার নিয়ে রাতের অন্ধকারে লন্ঠন জ্বালিয়ে ঝুম্ ঝুম ঘণ্টা বাজিয়ে শহরের পথে ছুটে চলে। অন্ধকার পথে দস্যুর ভয় অপেক্ষা শহরে পৌঁছানোর আগে তার সূর্য ওঠার ভয়। অর্থের অভাবে, খাদ্যের অভাবে অতি পরিশ্রমে ক্লান্ত রানারের পিঠে টাকার বোঝা থাকলেও সে তা ছুঁয়ে দেখে না। 'রানার' কবিতার রানারের এই দায়িত্ববোধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নৈতিক দৃঢ়তার বিষয়টি উদ্দীপকের শিক্ষক ফারুক সাহেবের দায়িত্ব সচেতনতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তিনিও সময়নিষ্ঠ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে অত্যন্ত সজাগ ও তৎপর। • উদ্দীপকের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফারুক সাহেব ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে বাড়িতে গেলেও পরের দিনই বাড়ি থেকে ফিরে এসে তার কর্মস্থলে যোগ দেন। এখানে কাজের প্রতি তার মনোযোগ ও দায়িত্ববোধের যে পরিচয় পাওয়া যায় তা 'রানার' কবিতার রানারের দায়িত্ববোধের সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। তার কারণে বিদ্যালয়ের অন্যরা যাতে বিবিধ সমস্যার সম্মুখীন না হন, সেই দিকেও তিনি অত্যন্ত সচেতন। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

ফারুক সাহেব একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। তিনি বিদ্যালয়ে যথাসময়ের আগে আসেন এবং ছুটির পর পরবর্তী দিনের কিছু কাজ গুছিয়ে বাড়ি ফেরেন। একদিন ভোরে আকস্মিকভাবে বাড়ি থেকে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ পেয়ে তিনি বাড়ি যান। ভাইয়ের দাফন-কাফন সম্পন্ন করে পরদিনই কর্মস্থলে পুনরায় ফিরে আসেন। বিদ্যালয়ে কর্মরত অন্যরা বিবিধ অসুবিধার সম্মুখীন না হন, এই ব্যাপারে তিনি খুবই দায়িত্বশীল ব্যক্তিত্ব।

Mymensingh · 2020

রানারের কাছে সহানুভূতির চিঠি পাঠাবে কে?

উত্তর

রানারের কাছে সহানুভূতির চিঠি-পাঠাবে ভোরের আকাশ।
'দস্যুর ভয়, তারো চেয়ে ভয় কখন সূর্য ওঠে।'- এই চরণ দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দস্যুর ভয়, তারো চেয়ে ভয় কখন সূর্য ওঠে।'- এই চরণ দ্বারা কবি রানারের পেশাগত দায়িত্ববোধ ও সময়নিষ্ঠা বুঝিয়েছেন। • 'রানার' কবিতায় কবি শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাপন, দুঃখবোধ এবং তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সততার দিকটি তুলে ধরেছেন। রানার মানুষের সুখ-দুঃখের অনেক অজানা সংবাদের বাহক। সে পিঠে খবরের বোঝা, মানিঅর্ডার নিয়ে রাতের অন্ধকারে লন্ঠন জ্বালিয়ে, ঝুমঝুম্ ঘণ্টা বাজিয়ে ছুটে চলে। সূর্য ওঠার আগেই সে গন্তব্যে পৌছতে চায়। তাঁই নির্জন পথে দস্যুর ভয়ের চেয়ে বড় ভয় তার কখন সূর্য ওঠে।
উদ্দীপকের ফারুক সাহেবের মধ্যে 'রানার' কবিতার রানার চরিত্রের কোন দিকটি প্রতিফলিত? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের ফারুক সাহেবের মাঝে 'রানার' কবিতার রানার চরিত্রের পেশাগত দায়িত্ববোধের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। • পেশাগত দায়িত্ব পালনে অবহেলা করা উচিত নয়। অথচ বহু লোক দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করে না। এরা দেশ, জাতি ও সমাজের উন্নতির অন্তরায়। তবে যেসব শ্রেণি-পেশার মানুষ অর্পিত দায়িত্ব পালনে প্রাণপাত করেন তারাই সভ্যতার নির্মাতা, অগ্রযাত্রী। • উদ্দীপকে সহকারী প্রধান শিক্ষক ফারুক সাহেবের দায়িত্ববোধ, সততা ও সময়নিষ্ঠার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। ফারুক সাহেব ভাইয়ের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে বাড়িতে গেলেও পরদিন বিদ্যালয়ে আসতে তার দেরি হয়নি। তিনি দীর্ঘ চাকরি জীবনে সবার আগে বিদ্যালয়ে আসেন এবং সবার পরে যান। এই বিষয়টি তার দায়িত্ববোধ ও সময়নিষ্ঠার পরিচয় বহন করে। 'রানার' কবিতায় রানার পিঠে খবরের বোঝা নিয়ে রাতের অন্ধকারে লন্ঠন জ্বালিয়ে সে ছুটে চলে। পথে দস্যুর ভয়ের চেয়েও সে সূর্য ওঠার ভয়ে ভীত। সে পেশাগত দায়িত্ব পালনে অত্যন্ত সচেতন। উদ্দীপকের ফারুক সাহেব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হলেও তিনি অত্যন্ত দায়িত্বশীল। অতএব বলা যায় যে, উদ্দীপকের ফারুক সাহেবের মাঝে 'রানার' কবিতার রানারের দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
“উদ্দীপকের ফারুক সাহেব এবং 'রানার' কবিতার রানার দায়িত্বশীলতার দিক হতে সহঅবস্থানে বিরাজমান।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর

“উদ্দীপকের ফারুক সাহেব এবং 'রানার' কবিতার রানার দায়িত্বশীলতার দিক হতে সহঅবস্থানে বিরাজমান।”- মন্তব্যটি যথার্থ। • সমাজে নানা পেশার লোক দেখা যায়। তাদের মধ্যে অনেকেই পেশাগত দায়িত্ব পালনে তৎপর, আবার অনেকেই তা পালনে উদাসীন থাকে। প্রত্যেকেরই উচিত তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা। • 'রানার' কবিতায় কবি শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাপন, দুঃখবোধ এবং তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সততার দিকটি তুলে ধরেছেন। রানার মানুষের সুখ-দুঃখের অনেক অজানা সংবাদের বাহক। সে পিঠে খবরের বোঝা, মানিঅর্ডার নিয়ে রাতের অন্ধকারে লন্ঠন জ্বালিয়ে ঝুম্ ঝুম ঘণ্টা বাজিয়ে শহরের পথে ছুটে চলে। অন্ধকার পথে দস্যুর ভয় অপেক্ষা শহরে পৌঁছানোর আগে তার সূর্য ওঠার ভয়। অর্থের অভাবে, খাদ্যের অভাবে অতি পরিশ্রমে ক্লান্ত রানারের পিঠে টাকার বোঝা থাকলেও সে তা ছুঁয়ে দেখে না। 'রানার' কবিতার রানারের এই দায়িত্ববোধ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে নৈতিক দৃঢ়তার বিষয়টি উদ্দীপকের শিক্ষক ফারুক সাহেবের দায়িত্ব সচেতনতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তিনিও সময়নিষ্ঠ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে অত্যন্ত সজাগ ও তৎপর। • উদ্দীপকের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফারুক সাহেব ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে বাড়িতে গেলেও পরের দিনই বাড়ি থেকে ফিরে এসে তার কর্মস্থলে যোগ দেন। এখানে কাজের প্রতি তার মনোযোগ ও দায়িত্ববোধের যে পরিচয় পাওয়া যায় তা 'রানার' কবিতার রানারের দায়িত্ববোধের সঙ্গে একসূত্রে গাঁথা। তার কারণে বিদ্যালয়ের অন্যরা যাতে বিবিধ সমস্যার সম্মুখীন না হন, সেই দিকেও তিনি অত্যন্ত সচেতন। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাড়ির সকলের প্রতি সমান দায়িত্ব তার। কে, কখন চা খাবে, কখন ঔষধ খাবে; কোনো কিছুই তার বাদ পড়ে না। কারো কাপড় ময়লা হলে ধুয়ে ফেলা, খাওয়া-দাওয়ার খোঁজ নেয়া যেন তার প্রাত্যহিক - রুটিন। গৃহিণীর কখন কী লাগবে তাও সে জানে। হেলেনার এমন কর্তব্যপরায়ণতায় সবাই মুগ্ধ। এগারো বছরের এই মেয়েটির প্রতি সবাই তাই খুব আন্তরিক। তার একটু সর্দি-জ্বর হলেও সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। গৃহের লোকদের এমন ব্যবহারে হেলেনা নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করে।

Rajshahi · 2020

রানার দস্যুর চেয়ে বেশি ভয় পায় কাকে?

উত্তর

রানার দস্যুর চেয়ে বেশি ভয় পায় সূর্য ওঠাকে।
রানারের কাছে পৃথিবীটা কালো ধোঁয়া মনে হয় কেন? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

ঘরে অভাবের কারণে রানারের কাছে পৃথিবীটাকে 'কালো ধোঁয়া' মনে হয়। রানারের জীবন অত্যন্ত দুঃসহ। সে রাতের পথে পথে চলে নতুন খবর আনা-নেওয়ার কাজ করে। তার পরিশ্রমে মূল্য খুবই সামান্য। ঘরে প্রিয়তমা স্ত্রী থাকলেও রানার তাকে সময় দিতে পারে না। সংসারে অভাবের কারণে পৃথিবীর কোনো রং, রস রানাকে আকর্ষণ করে না। দারিদ্র্যের অন্ধকার তার জীবনকে গ্রাস করেছে যেন। তাই রানারের কাছে পৃথিবীটাকে 'কালো ধোঁয়া' মনে হয়।
উদ্দীপকের হেলেনার সাথে 'রানার' কবিতার রানারের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের হেলেনা ও 'রানার' কবিতার রানারের সাদৃশ্য রয়েছে দায়িত্ববোধ এবং অর্পিত দায়িত্ব পালনে সচেতনতায়। জীবন-জীবিকার তাগিদে মানুষ নানা রকম কাজ করে। কোনো কাজই তুচ্ছ নয়। কাজের প্রতি যত্নবান এবং দায়িত্বশীলতাই মানুষকে মর্যাদাবান করে। জগতে শ্রম ও শ্রমের মর্যাদা যত বৃদ্ধি পায়, সভ্যতারও তত অগ্রগতি সাধিত হয়। উদ্দীপকে বাসার কাজে নিয়োজিত এগারো বছরের এক বালিকার দায়িত্ববোধ, কর্মদক্ষতা এবং তার প্রতি গৃহকর্তার পরিবারের লোকদের মানবিক আচরণের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে হেলেনা রোগীকে ওষুধ খাওয়ানো, কাপড় কাচা, চা বানানো প্রভৃতি কাজ করে। বাড়ির সবার প্রতি সে সমান যত্ন ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করে। এই দায়িত্বশীলতা ও কর্মসচেতনতার দিকটি 'রানার' কবিতার রানারের দায়িত্ববোধ ও কর্মসচেতনতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। রানারও সর্বদা সজাগ থাকে সূর্য ওঠার আগেই খবরের বোঝা নিয়ে শহরে পৌছে যাওয়ার জন্য; নিজে কষ্ট স্বীকার করে সে কখনো দায়িত্বে অবহেলা করে না।
উদ্দীপকের বাড়ির লোকজনের আন্তরিকতা 'রানার' কবিতার কবির চেতনাকে ধারণ করে কি? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

"হ্যাঁ, উদ্দীপকের বাড়ির লোকজনের আন্তরিকতা 'রানার' কবিতার কবির চেতনাকে ধারণ করে।" কবির চেতনাকে ধারণ করে। মানুষ সামাজিক জীব। পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতার ভিত্তিতেই সমাজ উন্নত ও গতিশীল হয়। সমাজের মানুষ নানা রকম কাজে নিয়োজিত থাকে। কর্মে দায়িত্ব ও কর্তব্যনিষ্ঠার পরিচয় দিলে সবাই - তাকে ভালোবাসে এবং তার সঙ্গে মানবিক আচরণ করে। উদ্দীপকে বাসা-বাড়ির কাজে নিয়োজিত হেলেনা নামের এগারো বছরের এক বালিকার দায়িত্ব সচেতনতা এবং তার প্রতি বাড়ির লোকের সহানুভূতিশীল আচরণের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে বাড়ির সবার প্রতি দায়িত্বশীল থাকার কারণে সে ঐ বাড়িরই একজন হয়ে উঠেছে। কাজের মেয়ে হেলেনার অসুস্থতায় বাড়ির সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। কাজের লোকের প্রতি এই মানবিকতার দিকটি 'রানার' কবিতার রচয়িতার চেতনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ 'রানার' কবিতায় কবি রানারের কষ্টকর জীবনের অবসান এবং তার প্রতি অন্যের সহানুভূতি প্রত্যাশা করেছেন। 'রানার' কবিতায় কবি রানারের কর্মক্লান্ত জীবনে অন্যদের সহানুভূতি প্রত্যাশা করেছেন। এই বিষয়টি উদ্দীপকের বাড়ির লোকদের মধ্যেও দেখা যায়। তারা বাড়ির কাজের মেয়ে হেলেনার অসুস্থতায় অস্থির হয়ে উঠেছে, তার প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছে। 'রানার' কবিতার কবিও অনুরূপ সহানুভূতি প্রত্যাশা করেছেন ক্লান্তিতে ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাওয়া রানারের জীবনের জন্য। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

বাড়ির সকলের প্রতি সমান দায়িত্ব তার। কে, কখন চা খাবে, কখন ঔষধ খাবে; কোনো কিছুই তার বাদ পড়ে না। কারো কাপড় ময়লা হলে ধুয়ে ফেলা, খাওয়া-দাওয়ার খোঁজ নেয়া যেন তার প্রাত্যহিক - রুটিন। গৃহিণীর কখন কী লাগবে তাও সে জানে। হেলেনার এমন কর্তব্যপরায়ণতায় সবাই মুগ্ধ। এগারো বছরের এই মেয়েটির প্রতি সবাই তাই খুব আন্তরিক। তার একটু সর্দি-জ্বর হলেও সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। গৃহের লোকদের এমন ব্যবহারে হেলেনা নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করে।

Rajshahi · 2020

রানার দস্যুর চেয়ে বেশি ভয় পায় কাকে?

উত্তর

রানার দস্যুর চেয়ে বেশি ভয় পায় সূর্য ওঠাকে।
রানারের কাছে পৃথিবীটা কালো ধোঁয়া মনে হয় কেন? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর

ঘরে অভাবের কারণে রানারের কাছে পৃথিবীটাকে 'কালো ধোঁয়া' মনে হয়। রানারের জীবন অত্যন্ত দুঃসহ। সে রাতের পথে পথে চলে নতুন খবর আনা-নেওয়ার কাজ করে। তার পরিশ্রমে মূল্য খুবই সামান্য। ঘরে প্রিয়তমা স্ত্রী থাকলেও রানার তাকে সময় দিতে পারে না। সংসারে অভাবের কারণে পৃথিবীর কোনো রং, রস রানাকে আকর্ষণ করে না। দারিদ্র্যের অন্ধকার তার জীবনকে গ্রাস করেছে যেন। তাই রানারের কাছে পৃথিবীটাকে 'কালো ধোঁয়া' মনে হয়।
উদ্দীপকের হেলেনার সাথে 'রানার' কবিতার রানারের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের হেলেনা ও 'রানার' কবিতার রানারের সাদৃশ্য রয়েছে দায়িত্ববোধ এবং অর্পিত দায়িত্ব পালনে সচেতনতায়। জীবন-জীবিকার তাগিদে মানুষ নানা রকম কাজ করে। কোনো কাজই তুচ্ছ নয়। কাজের প্রতি যত্নবান এবং দায়িত্বশীলতাই মানুষকে মর্যাদাবান করে। জগতে শ্রম ও শ্রমের মর্যাদা যত বৃদ্ধি পায়, সভ্যতারও তত অগ্রগতি সাধিত হয়। উদ্দীপকে বাসার কাজে নিয়োজিত এগারো বছরের এক বালিকার দায়িত্ববোধ, কর্মদক্ষতা এবং তার প্রতি গৃহকর্তার পরিবারের লোকদের মানবিক আচরণের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে হেলেনা রোগীকে ওষুধ খাওয়ানো, কাপড় কাচা, চা বানানো প্রভৃতি কাজ করে। বাড়ির সবার প্রতি সে সমান যত্ন ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করে। এই দায়িত্বশীলতা ও কর্মসচেতনতার দিকটি 'রানার' কবিতার রানারের দায়িত্ববোধ ও কর্মসচেতনতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। রানারও সর্বদা সজাগ থাকে সূর্য ওঠার আগেই খবরের বোঝা নিয়ে শহরে পৌছে যাওয়ার জন্য; নিজে কষ্ট স্বীকার করে সে কখনো দায়িত্বে অবহেলা করে না।
উদ্দীপকের বাড়ির লোকজনের আন্তরিকতা 'রানার' কবিতার কবির চেতনাকে ধারণ করে কি? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

"হ্যাঁ, উদ্দীপকের বাড়ির লোকজনের আন্তরিকতা 'রানার' কবিতার কবির চেতনাকে ধারণ করে।" কবির চেতনাকে ধারণ করে। মানুষ সামাজিক জীব। পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতার ভিত্তিতেই সমাজ উন্নত ও গতিশীল হয়। সমাজের মানুষ নানা রকম কাজে নিয়োজিত থাকে। কর্মে দায়িত্ব ও কর্তব্যনিষ্ঠার পরিচয় দিলে সবাই - তাকে ভালোবাসে এবং তার সঙ্গে মানবিক আচরণ করে। উদ্দীপকে বাসা-বাড়ির কাজে নিয়োজিত হেলেনা নামের এগারো বছরের এক বালিকার দায়িত্ব সচেতনতা এবং তার প্রতি বাড়ির লোকের সহানুভূতিশীল আচরণের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। এখানে বাড়ির সবার প্রতি দায়িত্বশীল থাকার কারণে সে ঐ বাড়িরই একজন হয়ে উঠেছে। কাজের মেয়ে হেলেনার অসুস্থতায় বাড়ির সবাই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। কাজের লোকের প্রতি এই মানবিকতার দিকটি 'রানার' কবিতার রচয়িতার চেতনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ 'রানার' কবিতায় কবি রানারের কষ্টকর জীবনের অবসান এবং তার প্রতি অন্যের সহানুভূতি প্রত্যাশা করেছেন। 'রানার' কবিতায় কবি রানারের কর্মক্লান্ত জীবনে অন্যদের সহানুভূতি প্রত্যাশা করেছেন। এই বিষয়টি উদ্দীপকের বাড়ির লোকদের মধ্যেও দেখা যায়। তারা বাড়ির কাজের মেয়ে হেলেনার অসুস্থতায় অস্থির হয়ে উঠেছে, তার প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছে। 'রানার' কবিতার কবিও অনুরূপ সহানুভূতি প্রত্যাশা করেছেন ক্লান্তিতে ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাওয়া রানারের জীবনের জন্য। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১ : রহিম মিয়া বর্গাচাষি। রাতদিন পরিশ্রম করে ফসল ফলিয়েও ন্যায্য অংশ পান না। জমির মালিক জোর করে বেশি ফসল নিয়ে নেন। এতে রহিমের মন দুঃখ-ভারাক্রান্ত হয়। দৃশ্যকল্প-২: আবুল মিয়া একটি দোকানের কর্মচারী। নিয়মিত বেতন পান। থাকা-খাওয়াসহ কোনো সমস্যা হয় না। মালিক প্রতিবছর বেতন বৃদ্ধি করেন। সেও সততা ও পরিশ্রমের সাথে কাজ করে।

Sylhet · 2023

'রানার' কবিতায় শয্যায় একা বিনিদ্র রাত জাগে কে?

উত্তর

'রানার' কবিতায় শয্যায় একা বিনিদ্র রাত জাগে রানারের প্রিয়া।
তার জীবনের 'স্বপ্নের মতো পিছে সরে যায় বন'- একথা বলার কারণ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

রানারের জীবন নিয়ে দেখা কোনো স্বপ্নই পূরণ হয়নি- এখানে কবি সে কথাই বলেছেন। সকল মানুষের জীবনেই স্বপ্ন থাকে। কারও স্বপ্ন পূরণ হয় কারও হয় না। তেমনি স্বপ্ন ছিল রানারের জীবনেও। তবে সে স্বপ্ন পূরণ হওয়ার কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই। তার সকল স্বপ্ন পেছনে চলে গেছে, যেমন তার চলার পথ থেকে বন সরে যায় ক্রমশ। নানা গাছে বন সমৃদ্ধ থাকে তেমনি রানারের জীবনের স্বপ্নগুলোও হয়তো নানা শাখাপ্রশাখায় পরিপূর্ণ ছিল; কিন্তু কোনোটাই পূরণ হয়নি।
দৃশ্যকল্প-১ এর সাথে 'রানার' কবিতার রানারের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর সাথে 'রানার' কবিতার রানারের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি হলো ত্যাগ ও সংগ্রামী জীবন। 'রানার' কবিতায় বর্ণিত, রানার সামান্য বেতনভুক্ত কর্মচারী। কিন্তু বড়ো দায়িত্ব তাকে পালন করতে হয়। রোদ-বৃষ্টি-ঝড় মাথায় নিয়ে প্রিয়জনের কাছে খবর প্রেরণ করতেই হয়। রাতের ঘুম উপেক্ষা করে সে ডাকের বোঝা নিয়ে যায় মানুষের কাছে। সে মানুষের সুখ-দুঃখের বার্তা পিঠে বয়ে চলে। কিন্তু অভাবী রানারের খবর কেউ রাখে না। ত্যাগই তার জীবনের মূল, দারিদ্র্যই তার নিত্যসঙ্গী। দৃশ্যকল্প-১ এ দেখা যায়, রহিম মিয়া একজন বর্গাচাষি। সে রাতদিন কঠোর পরিশ্রম করে। এত কষ্ট করে ফসল ফলিয়েও সে ন্যায্য মূল্য পায় না। তার সঠিক অংশ সে পায় না। জমির মালিক জোর করে বেশি ফসল নিয়ে নেয়। এতে রহিম মিয়া কষ্ট পায়। তার মন দুঃখে ভারাক্রান্ত হয়। অনুরূপ 'রানার' কবিতার রানারও তার কাজের সঠিক মূল্যায়ন পায় না। তার বেতন কম কিন্তু দায়িত্ব কঠিন। রহিম মিয়ার মতোই তার সংসারে অভাব লেগেই থাকে। ত্যাগ ও সংগ্রাম সবই উভয়ের জীবনে বিদ্যমান। আর এ দিকটিই উভয়ের মধ্যে সাদৃশ্যপূর্ণ।
দৃশ্যকল্প-২এর আবুল মিয়ার মতো সুবিধা পেলে রানারের জীবন সুখ-সমৃদ্ধিতে পূর্ণ থাকতো- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২এর আবুল মিয়ার মতো সুবিধা পেলে রানারের জীবন সুখ-সমৃদ্ধিতে পূর্ণ থাকতো-মন্তব্যটি যথার্থ। রানার দেশের এক মহান পেশায় নিয়োজিত এবং সে পেশায় তার বেতন খুবই কম। কিন্তু তাকে ঠিকই কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। এই সামান্য বেতন পেয়েই রাতের ঘুম উপেক্ষা করে যথার্থ দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু এই অভাবী রানারের খবর কেউ রাখে না। দৃশ্যকল্প-২এর আবুল মিয়া একটি দোকানের কর্মচারী। সে নিয়মিত বেতন পায়। তার থাকা, খাওয়ার কোনো সমস্যা হয় না। দোকানের মালিক প্রতিবছর তার বেতন বাড়িয়ে দেয়। সেও সততার সাথে কাজ করে। পরিশ্রম করতে সে দ্বিধাবোধ করে না। কিন্তু রানারের চরিত্র তার উল্টো। রানার কঠোর পরিশ্রম করে কিন্তু বেতন পায় খুবই কম। যা দিয়ে তার সংসার চলে না। সেদিকে কারও কোনো খেয়াল নেই। 'রানার' কবিতার রানার একজন পরিশ্রমী মানুষ। আপন কর্তব্য পালনের জন্য সে সদা সচেষ্ট থাকে। প্রতিদিন সে গ্রাহকদের থেকে ব্যক্তিগত ও প্রয়োজনীয় চিঠি, অর্থ, সমগ্রী পৌছে দেয়। রোদ-বৃষ্টি-ঝড় ও রাতের অন্ধকার কোনো কিছুই তার কর্তব্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। কখনো সে রাতের ঘুম বিসর্জন দিয়ে ছুটে চলে। সে কাজে নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়। কিন্তু তার ভাগ্যের বদল হয় না। তার অভাব ঘোচে না। বেতন বৃদ্ধি হয় না আবুল মিয়ার মতো। সংসার চল না তার মতো। অভাব তার সংসারে লেগেই থাকে। কঠোর পরিশ্রম করেও তার কোনো লাভ হয় না। তাই সে যদি আবুল মিয়ার মতো সুবিধা পেত তাহলে তার জীবনও সুখ-সমৃদ্ধিতে পূর্ণ থাকতো।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১ : রহিম মিয়া বর্গাচাষি। রাতদিন পরিশ্রম করে ফসল ফলিয়েও ন্যায্য অংশ পান না। জমির মালিক জোর করে বেশি ফসল নিয়ে নেন। এতে রহিমের মন দুঃখ-ভারাক্রান্ত হয়। দৃশ্যকল্প-২: আবুল মিয়া একটি দোকানের কর্মচারী। নিয়মিত বেতন পান। থাকা-খাওয়াসহ কোনো সমস্যা হয় না। মালিক প্রতিবছর বেতন বৃদ্ধি করেন। সেও সততা ও পরিশ্রমের সাথে কাজ করে।

Sylhet · 2023

'রানার' কবিতায় শয্যায় একা বিনিদ্র রাত জাগে কে?

উত্তর

'রানার' কবিতায় শয্যায় একা বিনিদ্র রাত জাগে রানারের প্রিয়া।
তার জীবনের 'স্বপ্নের মতো পিছে সরে যায় বন'- একথা বলার কারণ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

রানারের জীবন নিয়ে দেখা কোনো স্বপ্নই পূরণ হয়নি- এখানে কবি সে কথাই বলেছেন। সকল মানুষের জীবনেই স্বপ্ন থাকে। কারও স্বপ্ন পূরণ হয় কারও হয় না। তেমনি স্বপ্ন ছিল রানারের জীবনেও। তবে সে স্বপ্ন পূরণ হওয়ার কোনো তথ্য আমাদের জানা নেই। তার সকল স্বপ্ন পেছনে চলে গেছে, যেমন তার চলার পথ থেকে বন সরে যায় ক্রমশ। নানা গাছে বন সমৃদ্ধ থাকে তেমনি রানারের জীবনের স্বপ্নগুলোও হয়তো নানা শাখাপ্রশাখায় পরিপূর্ণ ছিল; কিন্তু কোনোটাই পূরণ হয়নি।
দৃশ্যকল্প-১ এর সাথে 'রানার' কবিতার রানারের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর সাথে 'রানার' কবিতার রানারের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি হলো ত্যাগ ও সংগ্রামী জীবন। 'রানার' কবিতায় বর্ণিত, রানার সামান্য বেতনভুক্ত কর্মচারী। কিন্তু বড়ো দায়িত্ব তাকে পালন করতে হয়। রোদ-বৃষ্টি-ঝড় মাথায় নিয়ে প্রিয়জনের কাছে খবর প্রেরণ করতেই হয়। রাতের ঘুম উপেক্ষা করে সে ডাকের বোঝা নিয়ে যায় মানুষের কাছে। সে মানুষের সুখ-দুঃখের বার্তা পিঠে বয়ে চলে। কিন্তু অভাবী রানারের খবর কেউ রাখে না। ত্যাগই তার জীবনের মূল, দারিদ্র্যই তার নিত্যসঙ্গী। দৃশ্যকল্প-১ এ দেখা যায়, রহিম মিয়া একজন বর্গাচাষি। সে রাতদিন কঠোর পরিশ্রম করে। এত কষ্ট করে ফসল ফলিয়েও সে ন্যায্য মূল্য পায় না। তার সঠিক অংশ সে পায় না। জমির মালিক জোর করে বেশি ফসল নিয়ে নেয়। এতে রহিম মিয়া কষ্ট পায়। তার মন দুঃখে ভারাক্রান্ত হয়। অনুরূপ 'রানার' কবিতার রানারও তার কাজের সঠিক মূল্যায়ন পায় না। তার বেতন কম কিন্তু দায়িত্ব কঠিন। রহিম মিয়ার মতোই তার সংসারে অভাব লেগেই থাকে। ত্যাগ ও সংগ্রাম সবই উভয়ের জীবনে বিদ্যমান। আর এ দিকটিই উভয়ের মধ্যে সাদৃশ্যপূর্ণ।
দৃশ্যকল্প-২এর আবুল মিয়ার মতো সুবিধা পেলে রানারের জীবন সুখ-সমৃদ্ধিতে পূর্ণ থাকতো- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২এর আবুল মিয়ার মতো সুবিধা পেলে রানারের জীবন সুখ-সমৃদ্ধিতে পূর্ণ থাকতো-মন্তব্যটি যথার্থ। রানার দেশের এক মহান পেশায় নিয়োজিত এবং সে পেশায় তার বেতন খুবই কম। কিন্তু তাকে ঠিকই কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। এই সামান্য বেতন পেয়েই রাতের ঘুম উপেক্ষা করে যথার্থ দায়িত্ব পালন করে। কিন্তু এই অভাবী রানারের খবর কেউ রাখে না। দৃশ্যকল্প-২এর আবুল মিয়া একটি দোকানের কর্মচারী। সে নিয়মিত বেতন পায়। তার থাকা, খাওয়ার কোনো সমস্যা হয় না। দোকানের মালিক প্রতিবছর তার বেতন বাড়িয়ে দেয়। সেও সততার সাথে কাজ করে। পরিশ্রম করতে সে দ্বিধাবোধ করে না। কিন্তু রানারের চরিত্র তার উল্টো। রানার কঠোর পরিশ্রম করে কিন্তু বেতন পায় খুবই কম। যা দিয়ে তার সংসার চলে না। সেদিকে কারও কোনো খেয়াল নেই। 'রানার' কবিতার রানার একজন পরিশ্রমী মানুষ। আপন কর্তব্য পালনের জন্য সে সদা সচেষ্ট থাকে। প্রতিদিন সে গ্রাহকদের থেকে ব্যক্তিগত ও প্রয়োজনীয় চিঠি, অর্থ, সমগ্রী পৌছে দেয়। রোদ-বৃষ্টি-ঝড় ও রাতের অন্ধকার কোনো কিছুই তার কর্তব্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। কখনো সে রাতের ঘুম বিসর্জন দিয়ে ছুটে চলে। সে কাজে নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়। কিন্তু তার ভাগ্যের বদল হয় না। তার অভাব ঘোচে না। বেতন বৃদ্ধি হয় না আবুল মিয়ার মতো। সংসার চল না তার মতো। অভাব তার সংসারে লেগেই থাকে। কঠোর পরিশ্রম করেও তার কোনো লাভ হয় না। তাই সে যদি আবুল মিয়ার মতো সুবিধা পেত তাহলে তার জীবনও সুখ-সমৃদ্ধিতে পূর্ণ থাকতো।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSC বাংলা ১ম পত্র — রানার MCQ | Prosthuti