চিত্র-X ও চিত্র-Y এর উৎপন্ন শক্তির পরিমাণ কী একই? তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: উদ্দীপকের চিত্র 'X [গণিত] এর শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়াটি হচ্ছে সবাত শ্বসন এবং 'Y [গণিত] এর শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়াটি হচ্ছে অবাত শ্বসন। নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- সবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় এক অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে গ্লাইকোলাইসিস, অ্যাসিটাইল কো-এ সৃষ্টি, ক্রেবস চক্র ও শেষে ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্রের মাধ্যমে মোট ৩৮ অণু ATP তৈরি করে। অক্সিজেনের উপস্থিতিতে অর্থাৎ সবাত শ্বসনের শেষে যা ঘটবে বা যে শক্তি উৎপন্ন হবে তার হিসাব নিচের ছকে উপস্থাপন করা হলো- [চিত্র] এক্ষেত্রে: ১ অণু [গণিত] = ৩ অণু ATP ১ অণু [গণিত] = ২ অণু ATP ১ অণু GTP = ১ অণু ATP অপরদিকে যে শ্বসন প্রক্রিয়া অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে হয় তাকে অবাত শ্বসন বলে। অর্থাৎ যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় কোনো শ্বসনিক বস্তু অক্সিজেনের সাহায্য ছাড়াই কোষের ভিতরকার এনজাইম দিয়ে আংশিকরূপে জারিত হয়ে বিভিন্ন প্রকার জৈব যৌগ (ইথাইল অ্যালকোহল, ল্যাকটিক এসিড ইত্যাদি), [গণিত] এবং সামান্য পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে, তাকে অবাত শ্বসন বলে। তাই অবাত শ্বসনের ক্ষেত্রে এক অণু গ্লুকোজ থেকে দুই অণু ATP পাওয়া যায়। [গণিত] গ্লুকোজ ইথাইল অ্যালকোহল সুতরাং বলা যায় চিত্র-X এবং চিত্র-Y উভয় প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন শক্তির পরিমাণ একই নয়। চিত্র-X তথা সবাত শ্বসনে উৎপন্ন শক্তির পরিমাণ বেশি। বিঃ দ্রঃ যেহেতু প্রতিটি ATP অণুতে 7.3 KCal শক্তি জমা থাকতে পারে। তাই সবাত শ্বসনে প্রাপ্ত শক্তির পরিমাণ (38 × 7.3) বা 277.4 KCal এবং অবাত শ্বসনে প্রাপ্ত শক্তির পরিমাণ (2 × 7.3) বা 14.6 KCal। অথচ, আমাদের পাওয়ার কথা ছিল যথাক্রমে 686 KCal এবং 56 KCal শক্তি। অর্থাৎ বাকি রাসায়নিক শক্তিগুলো তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হতে দেহ থেকে ব্যায়িত হয়।
SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-৪ : জীবনীশক্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-৪ : জীবনীশক্তি · সৃজনশীল
চিত্র-X ও চিত্র-Y এর উৎপন্ন শক্তির পরিমাণ কী একই? তোমার মতামত বিশ্ল…
উদ্দীপক

Rajshahi · 2021
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
এক্ষেত্রে:
১ অণু = ৩ অণু ATP
১ অণু = ২ অণু ATP
১ অণু GTP = ১ অণু ATP
অপরদিকে যে শ্বসন প্রক্রিয়া অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে হয় তাকে অবাত শ্বসন বলে। অর্থাৎ যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় কোনো শ্বসনিক বস্তু অক্সিজেনের সাহায্য ছাড়াই কোষের ভিতরকার এনজাইম দিয়ে আংশিকরূপে জারিত হয়ে বিভিন্ন প্রকার জৈব যৌগ (ইথাইল অ্যালকোহল, ল্যাকটিক এসিড ইত্যাদি), এবং সামান্য পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে, তাকে অবাত শ্বসন বলে। তাই অবাত শ্বসনের ক্ষেত্রে এক অণু গ্লুকোজ থেকে দুই অণু ATP পাওয়া যায়।
গ্লুকোজ ইথাইল অ্যালকোহল
সুতরাং বলা যায় চিত্র-X এবং চিত্র-Y উভয় প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন শক্তির পরিমাণ একই নয়। চিত্র-X তথা সবাত শ্বসনে উৎপন্ন শক্তির পরিমাণ বেশি।
বিঃ দ্রঃ যেহেতু প্রতিটি ATP অণুতে 7.3 KCal শক্তি জমা থাকতে পারে। তাই সবাত শ্বসনে প্রাপ্ত শক্তির পরিমাণ (38 × 7.3) বা 277.4 KCal এবং অবাত শ্বসনে প্রাপ্ত শক্তির পরিমাণ (2 × 7.3) বা 14.6 KCal। অথচ, আমাদের পাওয়ার কথা ছিল যথাক্রমে 686 KCal এবং 56 KCal শক্তি। অর্থাৎ বাকি রাসায়নিক শক্তিগুলো তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হতে দেহ থেকে ব্যায়িত হয়।