অধ্যায়-৪ : জীবনীশক্তি জীববিজ্ঞান

SSC জীববিজ্ঞান এর অধ্যায়-৪ : জীবনীশক্তি অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

২৫৯

প্রশ্ন

জীববিজ্ঞান

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

উদ্দীপক

C6H12O6+6O26CO2+6H2O+E\mathrm{C_6H_{12}O_6} + 6\mathrm{O_2} \rightarrow 6\mathrm{CO_2} + 6\mathrm{H_2O} + \mathrm{E}

Sylhet · 2016

সালোকসংশ্লেষণ কী?

উত্তর

সবুজ উদ্ভিদে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সাহায্যে CO2\mathrm{CO_2}H2O\mathrm{H_2O}-র রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করা তৈরির প্রক্রিয়াই হলো সালোকসংশ্লেষণ।
ক্যান্সার কীভাবে সৃষ্টি হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস কোষ বিভাজনের কারণেই ক্যান্সার সৃষ্টি হয়। গবেষণায় দেখা গেছে বিভিন্ন প্রকার প্যাপিলোমা ভাইরাস ক্যান্সার কোষ সৃষ্টিতে সহায়তা করে। এ ভাইরাসের ই এবং ই, নামের দু'টি জিন বিভাজন নিয়ন্ত্রক দু'টি প্রোটিন অণুকে স্থানচ্যুত করে। এতে কোষের বিভাজন নিয়ন্ত্রণকারী প্রোটিন অণুসমূহের কাজ বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সৃষ্টি হয় ক্যান্সার কোষ।
কোষীয় ক্ষুদ্রাঙ্গে E উৎপাদনের চক্রাকার ধাপটি বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে রাসায়নিক সমীকরণটি দ্বারা সবাত শ্বসনকে বোঝানো হয়েছে। সবাত শ্বসনে বিপুল পরিমাণ শক্তি তথা ATP তৈরি হয়। এখানে E দ্বারা ঐ শক্তি বা ATP কেই বোঝানো হয়েছে। শ্বসন ক্রিয়ায় শক্তি উৎপাদনের চক্রাকার ধাপটি হলো ক্রেবস চক্র। এটি কোষের মাইটোকন্ড্রিয়াতে সম্পন্ন হয়। নিচে এ চক্রাকার ধাপ তথা ক্রেবস চক্র বর্ণনা করা হলো— এ ধাপের শুরুতে অ্যাসিটাইল Co-A মাইটোকন্ড্রিয়নে প্রবেশ করে। পরে এই অ্যাসিটাইল Co-A সেখানে অবস্থিত অক্সালো এসিটিক এসিডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সাইট্রিক এসিড তৈরি হয়। পরবর্তী ধাপ সমূহে এ সাইট্রিক এসিড বিভিন্ন ধরনের এসিডে পরিণত হয়। যেমন- আইসোসাইট্রিক এসিড, α\alpha-কিটোগ্লুটারিক এসিড, সাকসিনিক এসিড, ফিউমারিক এসিড, ম্যালিক এসিড ইত্যাদি। এক্ষেত্রে প্রতিটি ধাপে ভিন্ন ভিন্ন এনজাইম ক্রিয়া করে থাকে। এই ধাপগুলো সম্পন্ন হওয়ার সময় এক অণু অ্যাসিটাইল Co-A থেকে ৩ অণু NADH2\mathrm{NADH_2}, ১ অণু FADH2\mathrm{FADH_2} এবং ১ অণু GTP তৈরি হয়। ক্রেবস চক্রে দুই অণু অ্যাসিটাইল Co-A অংশগ্রহণ করে তাই দুই অণু অ্যাসিটাইল Co-A থেকে ৬ অণু NADH2\mathrm{NADH_2}, ২ অণু FADH2\mathrm{FADH_2} এবং ২ অণু GTP তৈরি হয়ে থাকে, যা প্রকৃতপক্ষে সর্বমোট ২৪ অণু ATP-র সমান। সর্বশেষ ধাপে উৎপন্ন ম্যালিক এসিড দু'টি হাইড্রোজেন হারিয়ে পুনরায় অক্সালো এসিটিক এসিডে পরিণত হয় এবং অ্যাসিটাইল Co-A-র সাথে মিলিত হয়ে চক্রটিকে চালু রাখে।
উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি পরোক্ষভাবে সৌরশক্তির উপর নির্ভরশীল –বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের রাসায়নিক বিক্রিয়া দ্বারা সবাত শ্বসনকে বোঝানো হয়েছে। এই সবাত শ্বসনের শ্বসনিক বস্তু হলো গ্লুকোজ। গ্লুকোজ O2\mathrm{O_2} এর উপস্থিতিতে সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে CO2\mathrm{CO_2}, পানি এবং ATP তথা শক্তি (E) উৎপন্ন করে। সবাত শ্বসন চারটি ধাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। যথা- গ্লাইকোলাইসিস, অ্যাসিটাইল Co-A সৃষ্টি, ক্রেবস চক্র এবং ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র। সবাত শ্বসনের উল্লিখিত ধাপগুলো তখনই সঠিকভাবে সম্পন্ন হবে যখন শ্বসনিক বস্তু- গ্লুকোজ ঠিকভাবে তৈরি হবে। গ্লুকোজ তৈরি না হলে উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি অর্থাৎ সবাত শ্বসন সম্ভব নয়। আবার উদ্ভিদ কেবলমাত্র সৌরশক্তির উপস্থিতিতেই CO2\mathrm{CO_2} ও পানির রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ তৈরি করতে পারে। সালোকসংশ্লেষণের সময় সৌরশক্তি গ্লুকোজের মধ্যে স্থৈতিক শক্তিরূপে আবদ্ধ থাকে যা শ্বসনের সময় তাপশক্তিরূপে উদ্ভূত হয়ে রাসায়নিক শক্তিরূপে (ATP) মুক্ত হয়। এ আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে, সৌরশক্তির অনুপস্থিতিতে গ্লুকোজ তৈরি সম্ভব নয়। আবার গ্লুকোজ তৈরি না হলে উদ্দীপকের সবাত শ্বসন প্রক্রিয়াটিও অসম্ভব। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি অর্থাৎ সবাত শ্বসন পরোক্ষভাবে সৌরশক্তির উপরই নির্ভরশীল।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

উদ্দীপক

C6H12O6+6O26CO2+6H2O+E\mathrm{C_6H_{12}O_6} + 6\mathrm{O_2} \rightarrow 6\mathrm{CO_2} + 6\mathrm{H_2O} + \mathrm{E}

Sylhet · 2016

সালোকসংশ্লেষণ কী?

উত্তর

সবুজ উদ্ভিদে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সাহায্যে CO2\mathrm{CO_2}H2O\mathrm{H_2O}-র রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করা তৈরির প্রক্রিয়াই হলো সালোকসংশ্লেষণ।
ক্যান্সার কীভাবে সৃষ্টি হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস কোষ বিভাজনের কারণেই ক্যান্সার সৃষ্টি হয়। গবেষণায় দেখা গেছে বিভিন্ন প্রকার প্যাপিলোমা ভাইরাস ক্যান্সার কোষ সৃষ্টিতে সহায়তা করে। এ ভাইরাসের ই এবং ই, নামের দু'টি জিন বিভাজন নিয়ন্ত্রক দু'টি প্রোটিন অণুকে স্থানচ্যুত করে। এতে কোষের বিভাজন নিয়ন্ত্রণকারী প্রোটিন অণুসমূহের কাজ বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সৃষ্টি হয় ক্যান্সার কোষ।
কোষীয় ক্ষুদ্রাঙ্গে E উৎপাদনের চক্রাকার ধাপটি বর্ণনা করো।

উত্তর

উদ্দীপকে রাসায়নিক সমীকরণটি দ্বারা সবাত শ্বসনকে বোঝানো হয়েছে। সবাত শ্বসনে বিপুল পরিমাণ শক্তি তথা ATP তৈরি হয়। এখানে E দ্বারা ঐ শক্তি বা ATP কেই বোঝানো হয়েছে। শ্বসন ক্রিয়ায় শক্তি উৎপাদনের চক্রাকার ধাপটি হলো ক্রেবস চক্র। এটি কোষের মাইটোকন্ড্রিয়াতে সম্পন্ন হয়। নিচে এ চক্রাকার ধাপ তথা ক্রেবস চক্র বর্ণনা করা হলো— এ ধাপের শুরুতে অ্যাসিটাইল Co-A মাইটোকন্ড্রিয়নে প্রবেশ করে। পরে এই অ্যাসিটাইল Co-A সেখানে অবস্থিত অক্সালো এসিটিক এসিডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সাইট্রিক এসিড তৈরি হয়। পরবর্তী ধাপ সমূহে এ সাইট্রিক এসিড বিভিন্ন ধরনের এসিডে পরিণত হয়। যেমন- আইসোসাইট্রিক এসিড, α\alpha-কিটোগ্লুটারিক এসিড, সাকসিনিক এসিড, ফিউমারিক এসিড, ম্যালিক এসিড ইত্যাদি। এক্ষেত্রে প্রতিটি ধাপে ভিন্ন ভিন্ন এনজাইম ক্রিয়া করে থাকে। এই ধাপগুলো সম্পন্ন হওয়ার সময় এক অণু অ্যাসিটাইল Co-A থেকে ৩ অণু NADH2\mathrm{NADH_2}, ১ অণু FADH2\mathrm{FADH_2} এবং ১ অণু GTP তৈরি হয়। ক্রেবস চক্রে দুই অণু অ্যাসিটাইল Co-A অংশগ্রহণ করে তাই দুই অণু অ্যাসিটাইল Co-A থেকে ৬ অণু NADH2\mathrm{NADH_2}, ২ অণু FADH2\mathrm{FADH_2} এবং ২ অণু GTP তৈরি হয়ে থাকে, যা প্রকৃতপক্ষে সর্বমোট ২৪ অণু ATP-র সমান। সর্বশেষ ধাপে উৎপন্ন ম্যালিক এসিড দু'টি হাইড্রোজেন হারিয়ে পুনরায় অক্সালো এসিটিক এসিডে পরিণত হয় এবং অ্যাসিটাইল Co-A-র সাথে মিলিত হয়ে চক্রটিকে চালু রাখে।
উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি পরোক্ষভাবে সৌরশক্তির উপর নির্ভরশীল –বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

উদ্দীপকের রাসায়নিক বিক্রিয়া দ্বারা সবাত শ্বসনকে বোঝানো হয়েছে। এই সবাত শ্বসনের শ্বসনিক বস্তু হলো গ্লুকোজ। গ্লুকোজ O2\mathrm{O_2} এর উপস্থিতিতে সম্পূর্ণরূপে জারিত হয়ে CO2\mathrm{CO_2}, পানি এবং ATP তথা শক্তি (E) উৎপন্ন করে। সবাত শ্বসন চারটি ধাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। যথা- গ্লাইকোলাইসিস, অ্যাসিটাইল Co-A সৃষ্টি, ক্রেবস চক্র এবং ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র। সবাত শ্বসনের উল্লিখিত ধাপগুলো তখনই সঠিকভাবে সম্পন্ন হবে যখন শ্বসনিক বস্তু- গ্লুকোজ ঠিকভাবে তৈরি হবে। গ্লুকোজ তৈরি না হলে উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি অর্থাৎ সবাত শ্বসন সম্ভব নয়। আবার উদ্ভিদ কেবলমাত্র সৌরশক্তির উপস্থিতিতেই CO2\mathrm{CO_2} ও পানির রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ তৈরি করতে পারে। সালোকসংশ্লেষণের সময় সৌরশক্তি গ্লুকোজের মধ্যে স্থৈতিক শক্তিরূপে আবদ্ধ থাকে যা শ্বসনের সময় তাপশক্তিরূপে উদ্ভূত হয়ে রাসায়নিক শক্তিরূপে (ATP) মুক্ত হয়। এ আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে, সৌরশক্তির অনুপস্থিতিতে গ্লুকোজ তৈরি সম্ভব নয়। আবার গ্লুকোজ তৈরি না হলে উদ্দীপকের সবাত শ্বসন প্রক্রিয়াটিও অসম্ভব। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি অর্থাৎ সবাত শ্বসন পরোক্ষভাবে সৌরশক্তির উপরই নির্ভরশীল।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্দীপকটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: C6H12O6+6O2বিভিন্ন এনজাইম6X+6H2O+Y\mathrm{C_6H_{12}O_6}+6\mathrm{O_2} \xrightarrow{\text{বিভিন্ন এনজাইম}} 6 \mathrm{X} + 6\mathrm{H_2O} + \mathrm{Y}

Jessore · 2016

শক্তির মূল উৎস কী?

উত্তর

শক্তির মূল উৎস হলো সূর্য।
রাত্রিবেলা বড় গাছের নিচে ঘুমালে শ্বাস কষ্ট দেখা দেয় কেন?

উত্তর

রাত্রিবেলা উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ বন্ধ থাকে। ফলে উদ্ভিদদেহ থেকে O2\mathrm{O_2} নির্গত হয় না। এর ফলে রাতে শুধুমাত্র শ্বসন ক্রিয়া চলার ফলে উদ্ভিদ তার চারিদিক থেকে O2\mathrm{O_2} গ্রহণ করে এবং CO2\mathrm{CO_2} নির্গত করে। এতে গাছের নিচে রাতের বেলা O2\mathrm{O_2} এর ঘাটতি দেখা দেয়। এ কারণে রাত্রিবেলা বড় গাছের নিচে ঘুমালে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।
'YY^{\prime} উদ্ভিদ দেহের কোথায় এবং কিভাবে তৈরি হয়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

'YY^{\prime} দ্বারা সবাত শ্বসনে উৎপন্ন শক্তি তথা ৩৮টি ATP কে বোঝানো হয়েছে। এই ATP উদ্ভিদ কোষের সাইটোপ্লাজম এবং মাইটোকন্ড্রিয়নে তৈরি হয়ে থাকে। সবাত শ্বসনের মাধ্যমে শক্তি তথা ATP তৈরি নিম্ন লিখিত চারটি ধাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। যথা— i. গ্লাইকোলাইসিস: কোষের সাইটোপ্লাজমে গ্লাইকোলাইসিস ঘটে থাকে। এখানে ১ অণু গ্লুকোজ থেকে ২ অণু পাইরুভিক এসিড তৈরি হয়। এ সময় ১০ অণু ATP তৈরি হয়, যার মধ্যে ২ অণু খরচ হয়ে যায়। ii. অ্যাসিটাইল CoA সৃষ্টি: এক্ষেত্রে প্রতি অণু পাইরুভিক এসিড পর্যায়ক্রমিকভাবে এক অণু অ্যাসিটাইল CoA, এক অণু CO2\mathrm{CO_2} ও এক অণু NADH2\mathrm{NADH_2} উৎপন্ন করে। এ সময় ৩ অণু ATP তৈরি হয় (২ অণু পাইরুভিক এসিড থেকে ৬ অণু)। iii. ক্রেবস চক্র: এটি মাইটোকন্ড্রিয়নে ঘটে। এখানে এক অণু অ্যাসিটাইল CoA থেকে ৩ অণু NADH2\mathrm{NADH_2}, এক অণু FADH2\mathrm{FADH_2} ও এক অণু GTP উৎপন্ন হয়। এ সময় ১২ অণু ATP তৈরি হয় (২ অণু পাইরুভিক এসিড থেকে ২৪ অণু)। iv. ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র: এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই মাইটোকন্ড্রিয়নে উপরের ৩টি ধাপে উৎপন্ন NADH2\mathrm{NADH_2}, FADH2\mathrm{FADH_2}, GTP জারিত হয়ে ATP উৎপন্ন হয়। এভাবে শ্বসন প্রক্রিয়ায় প্রতি গ্লুকোজ অণু হতে সবাত শ্বসনে সর্বশেষ নীট ৩৮টি ATP উৎপন্ন হয়ে থাকে।
বিক্রিয়াটির শেষে উৎপন্ন 'XX^{\prime} এবং 'YY^{\prime} -এর প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

সবাত শ্বসন বিক্রিয়ার শেষে উৎপন্ন 'XX^{\prime} দ্বারা CO2\mathrm{CO_2} বোঝানো হয়েছে। জীবের জন্য পরিবেশে CO2\mathrm{CO_2} এর প্রয়োজন রয়েছে। সবুজ উদ্ভিদ পরিবেশ থেকে CO2\mathrm{CO_2} গ্রহণ করে সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরির পাশাপাশি পরিবেশে O2\mathrm{O_2} নির্গত করে। সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে তৈরি খাদ্যের উপর সমগ্র জীবজগৎ নির্ভরশীল। আবার CO2\mathrm{CO_2} এর অনুপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণ অসম্ভব। ফলে সালোকসংশ্লেষণ না ঘটলে পরিবেশে O2\mathrm{O_2} এর স্বল্পতা দেখা দিত, এতে পরিবেশ দূষণের মাধ্যমে প্রাণিজগৎ প্রকৃতি থেকে বিলীন হতো। সুতরাং প্রকৃতিতে জীবজগতকে টিকিয়ে রাখতে 'XX^{\prime} অর্থাৎ CO2\mathrm{CO_2}-এর পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে। অন্যদিকে 'YY^{\prime} দ্বারা ATP তথা শক্তিকে বোঝানো হয়েছে। ATP কে বায়োএনার্জি বা জীবনীশক্তি বলে। জীবন পরিচালনার জন্য জীবকোষে তথা জীবদেহে প্রতিনিয়ত হাজারো রকমের জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটছে। এসব বিক্রিয়া পরিচালিত হয় বায়োএনার্জি তথা ATP দ্বারা। উদ্ভিদ এবং প্রাণীর সুস্থ স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য এদের দেহে বিভিন্ন ধরনের শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়াকলাপ চলে। যেমন- শ্বসন, প্রস্বেদন, রেচন, পরিপাক, সালোকসংশ্লেষণ, পরিবহন, শোষণ ইত্যাদি। এ কাজগুলো পরিচালনার জন্য প্রয়োজন হয় শক্তির যা প্রকৃতপক্ষে ATP থেকেই আসে। ATP শক্তি সরবরাহ না করলে এ সকল শারীরবৃত্তীয় কাজ বন্ধ হয়ে যেত ফলে উদ্ভিদ এবং প্রাণী তথা জীবের মৃত্যু ঘটত। সুতরাং, জীবের সুস্থ স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য 'YY^{\prime} অর্থাৎ ATP এর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSC জীববিজ্ঞান — অধ্যায়-৪ : জীবনীশক্তি MCQ | Prosthuti