চিত্র-X এ প্রদর্শিত P প্রক্রিয়াটির জীবজগতে কীরূপ অবদান রাখছে তা ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকের চিত্র 'X [গণিত] এ প্রদর্শিত P প্রক্রিয়াটি হলো সালোকসংশ্লেষণ। জীবজগতে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার অবদান নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- সালোকসংশ্লেষণ বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া। এ বিক্রিয়ার মাধ্যমেই সূর্যালোক ও জীবনের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি হয়েছে। একমাত্র সবুজ উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সৌরশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করে খাদ্যের মধ্যে আবদ্ধ করতে পারে। কোনো প্রাণীই তার নিজের খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে না। কাজেই খাদ্যের জন্য সমগ্র প্রাণিকূল সবুজ উদ্ভিদের উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল, আর সবুজ উদ্ভিদ এ খাদ্য প্রস্তুত করে সালোকংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায়। কাজেই বলা যায়, পৃথিবীর সকল উদ্ভিদ ও প্রাণীর খাদ্য প্রস্তুত হয় সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়, বিশেষ করে [গণিত] ও [গণিত] এর সঠিক অনুপাত রক্ষায় সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া এক বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। বায়ুতে অক্সিজেন গ্যাসের পরিমাণ ২০.৯৫ ভাগ এবং [গণিত] গ্যাসের পরিমাণ ০.০৩৩ ভাগ। পৃথিবীতে উদ্ভিদ ও প্রাণীর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও জীবনযাপনের জন্য বায়ুতে এ দুটি গ্যাসের পরিমাণ স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকতে হয়। এ পরিমাণের তারতম্য ঘটলে বায়ুমণ্ডল জীবজগতের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠবে। সব জীবেই (উদ্ভিদ ও প্রাণী) সব সময়ের জন্য শ্বসনক্রিয়া চলতে থাকে। শ্বসন প্রক্রিয়ায় জীব [গণিত] গ্রহণ করে এবং [গণিত] ত্যাগ করে। কেবল মাত্র শ্বসন প্রক্রিয়া চলতে থাকলে বায়ুমণ্ডলে [গণিত] গ্যাসের স্বল্পতা এবং [গণিত] গ্যাসের আধিক্য দেখা দিত। কিন্তু সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডল থেকে [গণিত] গ্রহণ করে এবং [গণিত] বায়ুমণ্ডলে ত্যাগ করে বলেই এখনও বায়ুমণ্ডলে [গণিত] ও [গণিত] গ্যাসের সঠিক অনুপাত রক্ষিত হচ্ছে। তবে বর্তমানে অধিক হারে বন-জঙ্গল ধ্বংস করার ফলে বায়ুমণ্ডলে এ দুটি গ্যাসের অনুপাত নষ্ট হবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, কাজেই আমাদেরকে অবশ্যই অধিক হারে গাছপালা লাগাতে হবে। তাই বলা যায় সালোকসংশ্লেষণ না ঘটলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে এবং জীবজগত অচিরেই বিলুপ্ত হবে।
SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-৪ : জীবনীশক্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-৪ : জীবনীশক্তি · সৃজনশীল
চিত্র-X এ প্রদর্শিত P প্রক্রিয়াটির জীবজগতে কীরূপ অবদান রাখছে তা ব্য…
উদ্দীপক

Rajshahi · 2021
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
এক্ষেত্রে:
১ অণু = ৩ অণু ATP
১ অণু = ২ অণু ATP
১ অণু GTP = ১ অণু ATP
অপরদিকে যে শ্বসন প্রক্রিয়া অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে হয় তাকে অবাত শ্বসন বলে। অর্থাৎ যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় কোনো শ্বসনিক বস্তু অক্সিজেনের সাহায্য ছাড়াই কোষের ভিতরকার এনজাইম দিয়ে আংশিকরূপে জারিত হয়ে বিভিন্ন প্রকার জৈব যৌগ (ইথাইল অ্যালকোহল, ল্যাকটিক এসিড ইত্যাদি), এবং সামান্য পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে, তাকে অবাত শ্বসন বলে। তাই অবাত শ্বসনের ক্ষেত্রে এক অণু গ্লুকোজ থেকে দুই অণু ATP পাওয়া যায়।
গ্লুকোজ ইথাইল অ্যালকোহল
সুতরাং বলা যায় চিত্র-X এবং চিত্র-Y উভয় প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন শক্তির পরিমাণ একই নয়। চিত্র-X তথা সবাত শ্বসনে উৎপন্ন শক্তির পরিমাণ বেশি।
বিঃ দ্রঃ যেহেতু প্রতিটি ATP অণুতে 7.3 KCal শক্তি জমা থাকতে পারে। তাই সবাত শ্বসনে প্রাপ্ত শক্তির পরিমাণ (38 × 7.3) বা 277.4 KCal এবং অবাত শ্বসনে প্রাপ্ত শক্তির পরিমাণ (2 × 7.3) বা 14.6 KCal। অথচ, আমাদের পাওয়ার কথা ছিল যথাক্রমে 686 KCal এবং 56 KCal শক্তি। অর্থাৎ বাকি রাসায়নিক শক্তিগুলো তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হতে দেহ থেকে ব্যায়িত হয়।