"পেছন থেকে আক্রমণের সুযোগ দিলে মৃত্যুর হাত থেকে পালানো যায় না।" উদ্দীপক ও নাটকের আলোকে এ কথার তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: বিশ্বাসঘাতকতা ও সতর্কতার গুরুত্বকে মনে করে নবাব বলেন, "পেছন থেকে আক্রমণের সুযোগ দিলে মৃত্যুর হাত থেকে পালানো যায় না"- মন্তব্যটি যথার্থ। শত্রু যখন সরাসরি মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়, তখন তারা গোপনে আঘাত হানার সুযোগ খোঁজে। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব ইংরেজদের বিদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য সকল সেনাপতিকে নিয়ে ঐক্য গড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু মোহনলাল, মিরমর্দান প্রমুখ সেনাপতি নবাবের ডাকে সাড়া দিলেও সিপাহসালার মিরজাফর, ইয়ার লুৎফ নবাবের পক্ষে যুদ্ধ না করে যুদ্ধের ময়দানে ইংরেজদের পক্ষে কাজ করে। উদ্দীপকের পুলিশ কর্মকর্তা ইকবাল মাদক ব্যবসায়ীদের অবৈধ উপার্জনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানোয় তারা তার শত্রু হয়ে যান। তারা ইকবাল সাহেবকে পেছন থেকে আক্রমণের সুযোগ খোঁজে। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে মিরজাফর, ঘসেটি বেগম ইংরেজদের সাথে হাত মিলিয়ে নবাবের সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করে। পলাশির যুদ্ধে মিরজাফরের নিষ্ক্রিয়তা ছিল নবাবের প্রতি পেছন থেকে আক্রমণ। উদ্দীপক ও নাটকে উভয় ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, মহৎপ্রাণ ব্যক্তিরা যখন নিজেদের কাছের বা গোপন শত্রুদের চিনতে ভুল করেন, তখন তাদের পরাজয় অনিবার্য হয়ে ওঠে। নবাব সিরাজ মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতা বুঝতে পারেননি। ফলে তার করুণ মৃত্যু হয়। ইকবাল সাহেবের মতো মানুষেরাও এই ধরনের গোপন হামলার শিকার হতে পারেন। তাই উক্তিটি প্রমাণ করে "পেছন থেকে আক্রমণের সুযোগ দিলে মৃত্যুর হাত থেকে পালানো যায় না।"
HSC Bangla 1st Paper নাটক : সিরাজউদ্দৌলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · নাটক : সিরাজউদ্দৌলা · সৃজনশীল
"পেছন থেকে আক্রমণের সুযোগ দিলে মৃত্যুর হাত থেকে পালানো যায় না।" উদ্…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর