নাটক : সিরাজউদ্দৌলা Bangla 1st Paper

HSC Bangla 1st Paper এর নাটক : সিরাজউদ্দৌলা অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১,০৪৪

প্রশ্ন

Bangla 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নরওয়ের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন ভিদকুন কুইজলিং। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি জার্মান শাসক হিটলারের সাথে গোপন আঁতাত করেন। হিটলার নরওয়ে আক্রমণ করলে কুইজলিং রাজধানী থেকে ৫০ কি.মি. দূরে ঘাঁটি গাড়েন এবং নরওয়ে সরকার পরাজিত হয়ে পালিয়েছে-এ মর্মে অপপ্রচার চালাতে থাকেন। অতঃপর হিটলার নরওয়ে জয় করার পর কুইজলিংকে সরকার প্রধানের দায়িত্ব দেন।

Dinajpur · 2022

ক
ইংরেজদের সাথে উমিচাঁদের কত টাকার চুক্তি হয়েছিল?

উত্তর

ইংরেজদের সাথে উমিচাদের ২০ লক্ষ টাকার চুক্তি হয়েছিল।
খ
“আমি বরং নবাবকে বিশ্বাস করতে পারি।”-উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে রবার্ট ক্লাইভ প্রশ্নোত্ত্ব মন্তব্যটি করেছেন। মিরজাফর ছিল নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি। সে নিজ স্বার্থের জন্য নবাব ও দেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। মিরজাফরের এ ধরনের ঘৃণিত কর্মে রবার্ট ক্লাইভ মিরজাফরের উদ্দেশে বলেছেন, 'আমি বরং নবাবকে বিশ্বাস করতে পারি।'
গ
উদ্দীপকের কুইজলিং-এর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটির তুলনামূলক ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের কুইজলিং-এর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি হলো মিরজাফর। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা। তিনি বাংলা বিহার উড়িষ্যার একমাত্র স্বাধীন অধিপতি ছিলেন। কিন্তু তার সম্রাজ্যের | সেনাপতি মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাবের করুণ পরাজয় হয়। ইংরেজ ও বাংলার নবাবের মধ্যে পলাশি প্রান্তরে যুদ্ধ হয়। সেই যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন মিরজাফর, কিন্তু মিরজাফর ইংরেজদের | সাথে গোপন চুক্তি করেন। ফলে যুদ্ধের সময় মিরজাফর ইংরেজদের | বিরুদ্ধে যুদ্ধ না করে নিষ্ক্রিয় থাকেন। এতে নবাবের পরাজয় হয়। উদ্দীপকের নরওয়ের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন মিরজাফরের মতো বিশ্বাসঘাতক । | দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির শাসক হিটলার যখন নরওয়ে আক্রমণ | করেন তখন বিশ্বাসঘাতক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্যক্তিস্বার্থের জন্য যুদ্ধ না করে | মিথ্যা প্রচারণা শুরু করেন। তার বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নরওয়ে যুদ্ধ না। | করেই পরাজিত হয়। জার্মান শাসক হিটলার বিনা রক্তপাতে নরওয়ে দখল উদ্দীপকের কুইজলিং-এর সাথে করে নেন। তাই বলা যায়, 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি হলো মিরজাফর।
ঘ
“কুইজলিংরা থাকে বলেই যুগে যুগে হিটলাররা নরওয়ে জয় করে।” উক্তিটির আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের কুইজলিং-এর মতো বিশ্বাসঘাতকতার কারণেই উদ্দীপকের নরওয়ে সরকার এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাবের পরাজয় ঘটায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ হয়ে উঠেছে। নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা-বিহার ও উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে রাজকার্য পরিচালনা করছিলেন। কিন্তু নবাবের নিকটজনদের বিরোধিতায় ও প্রধান সেনাপতির ষড়যন্ত্রে নবাব বিপর্যস্ত ও পরাজিত হয়। নবাবেরর অমাত্যবর্গ নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেন বলে অন্যরা সেই ষড়যন্ত্রের সুযোগ নেন। তা না হলে ইংরেজরাও নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে পারত না। তাই ষড়যন্ত্রের জাল পরিবারের ভেতর থেকেই শুরু হলে রাজ্য জয় করা সুবিধা হয়। উদ্দীপকেও আমরা দেখতে পাই নরওয়ের পরাজয়ের পেছনে নরওয়ের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিশ্বাসঘাতকতা দায়ী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভিদকুন কুইজলিং হিটলারের সাথে গোপন আঁতাত করেন। এই জন্য ভিদকুন কুইজলিং জার্মানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ না করে জার্মান বাহিনীকে সহযোগিতা করেন এবং নরওয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা রটনা করেন। এই জন্য নরওয়ে আক্রমণ করতে হিটলারের সুবিধা হয়। উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোচনা সাপেক্ষে বলা যায় যে, কুইজলিংদের মতো বিশ্বাসঘাতক থাকে বলেই যুগে যুগে হিটলাররা নরওয়ে জয় করে। ঘসেটি বেগম, মিরজাফর না থাকলে ইংরেজরা কখনো বাংলা আক্রমণের সাহস পেত না। তাদের সহযোগিতায় ও দুর্বলতার সুযোগে ইংরেজরা স্থায়ীভাবে বাংলার সিংহাসন দখল করার দুঃসাহস করে। উদ্দীপকে কুইজলিংও এই রকম বিশ্বাসঘাতকতা করে। ফলে জার্মানি নরওয়ে দখল করে। তাই বলা যায়, 'প্রতিটি দেশে কুইজলিংরা থাকে বলেই যুগে যুগে হিটলাররা নরওয়ে জয় করে' উক্তিটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

নরওয়ের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন ভিদকুন কুইজলিং। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি জার্মান শাসক হিটলারের সাথে গোপন আঁতাত করেন। হিটলার নরওয়ে আক্রমণ করলে কুইজলিং রাজধানী থেকে ৫০ কি.মি. দূরে ঘাঁটি গাড়েন এবং নরওয়ে সরকার পরাজিত হয়ে পালিয়েছে-এ মর্মে অপপ্রচার চালাতে থাকেন। অতঃপর হিটলার নরওয়ে জয় করার পর কুইজলিংকে সরকার প্রধানের দায়িত্ব দেন।

Dinajpur · 2022

ক
ইংরেজদের সাথে উমিচাঁদের কত টাকার চুক্তি হয়েছিল?

উত্তর

ইংরেজদের সাথে উমিচাদের ২০ লক্ষ টাকার চুক্তি হয়েছিল।
খ
“আমি বরং নবাবকে বিশ্বাস করতে পারি।”-উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে রবার্ট ক্লাইভ প্রশ্নোত্ত্ব মন্তব্যটি করেছেন। মিরজাফর ছিল নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি। সে নিজ স্বার্থের জন্য নবাব ও দেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। মিরজাফরের এ ধরনের ঘৃণিত কর্মে রবার্ট ক্লাইভ মিরজাফরের উদ্দেশে বলেছেন, 'আমি বরং নবাবকে বিশ্বাস করতে পারি।'
গ
উদ্দীপকের কুইজলিং-এর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটির তুলনামূলক ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের কুইজলিং-এর সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি হলো মিরজাফর। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা। তিনি বাংলা বিহার উড়িষ্যার একমাত্র স্বাধীন অধিপতি ছিলেন। কিন্তু তার সম্রাজ্যের | সেনাপতি মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাবের করুণ পরাজয় হয়। ইংরেজ ও বাংলার নবাবের মধ্যে পলাশি প্রান্তরে যুদ্ধ হয়। সেই যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন মিরজাফর, কিন্তু মিরজাফর ইংরেজদের | সাথে গোপন চুক্তি করেন। ফলে যুদ্ধের সময় মিরজাফর ইংরেজদের | বিরুদ্ধে যুদ্ধ না করে নিষ্ক্রিয় থাকেন। এতে নবাবের পরাজয় হয়। উদ্দীপকের নরওয়ের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন মিরজাফরের মতো বিশ্বাসঘাতক । | দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির শাসক হিটলার যখন নরওয়ে আক্রমণ | করেন তখন বিশ্বাসঘাতক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্যক্তিস্বার্থের জন্য যুদ্ধ না করে | মিথ্যা প্রচারণা শুরু করেন। তার বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নরওয়ে যুদ্ধ না। | করেই পরাজিত হয়। জার্মান শাসক হিটলার বিনা রক্তপাতে নরওয়ে দখল উদ্দীপকের কুইজলিং-এর সাথে করে নেন। তাই বলা যায়, 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্রটি হলো মিরজাফর।
ঘ
“কুইজলিংরা থাকে বলেই যুগে যুগে হিটলাররা নরওয়ে জয় করে।” উক্তিটির আলোকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কাহিনি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের কুইজলিং-এর মতো বিশ্বাসঘাতকতার কারণেই উদ্দীপকের নরওয়ে সরকার এবং 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাবের পরাজয় ঘটায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ হয়ে উঠেছে। নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা-বিহার ও উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে রাজকার্য পরিচালনা করছিলেন। কিন্তু নবাবের নিকটজনদের বিরোধিতায় ও প্রধান সেনাপতির ষড়যন্ত্রে নবাব বিপর্যস্ত ও পরাজিত হয়। নবাবেরর অমাত্যবর্গ নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেন বলে অন্যরা সেই ষড়যন্ত্রের সুযোগ নেন। তা না হলে ইংরেজরাও নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে পারত না। তাই ষড়যন্ত্রের জাল পরিবারের ভেতর থেকেই শুরু হলে রাজ্য জয় করা সুবিধা হয়। উদ্দীপকেও আমরা দেখতে পাই নরওয়ের পরাজয়ের পেছনে নরওয়ের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিশ্বাসঘাতকতা দায়ী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভিদকুন কুইজলিং হিটলারের সাথে গোপন আঁতাত করেন। এই জন্য ভিদকুন কুইজলিং জার্মানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ না করে জার্মান বাহিনীকে সহযোগিতা করেন এবং নরওয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা রটনা করেন। এই জন্য নরওয়ে আক্রমণ করতে হিটলারের সুবিধা হয়। উদ্দীপক ও 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের আলোচনা সাপেক্ষে বলা যায় যে, কুইজলিংদের মতো বিশ্বাসঘাতক থাকে বলেই যুগে যুগে হিটলাররা নরওয়ে জয় করে। ঘসেটি বেগম, মিরজাফর না থাকলে ইংরেজরা কখনো বাংলা আক্রমণের সাহস পেত না। তাদের সহযোগিতায় ও দুর্বলতার সুযোগে ইংরেজরা স্থায়ীভাবে বাংলার সিংহাসন দখল করার দুঃসাহস করে। উদ্দীপকে কুইজলিংও এই রকম বিশ্বাসঘাতকতা করে। ফলে জার্মানি নরওয়ে দখল করে। তাই বলা যায়, 'প্রতিটি দেশে কুইজলিংরা থাকে বলেই যুগে যুগে হিটলাররা নরওয়ে জয় করে' উক্তিটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ব্রিটিশ শাসকদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভারতবাসী। ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে এগিয়ে আসেন তার অনেক অনুসারী। এদেরই একজন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে তিনি মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন, কিন্তু আত্মসমর্পণ করেননি।

Rajshahi · 2017

ক
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ সংলাপ কার?

উত্তর

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ সংলাপ মোহাম্মদি বেগের।
খ
'এই অস্ত্র নিয়ে আমরা কাপুরুষ দেশদ্রোহীদের অবশ্যই দমন করতে পারব'- এখানে কোন অস্ত্রের কথা বলা হয়েছে এবং কেন?

উত্তর

বিশ্বাসঘাতক ও দেশদ্রোহীদের দমনে দেশপ্রেম এবং স্বাধীনতা রক্ষার সংকল্পই হয়ে উঠতে পারে প্রধান হাতিয়ার এই বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করা হয়েছে। পলাশির যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর তিনি আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। মুর্শিদাবাদে ফিরে দেশপ্রেমিক জনতাকে সাথে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চান ইংরেজদের বিরুদ্ধে। এ সময় দেশের স্বাধীনতা রক্ষা নিয়ে অনেকেই আশাহত হয়ে পড়ে। অনেকেই বিশ্বাসঘাতকদের কর্মকাণ্ডে হতাশ হয়। তখন উপস্থিত জনতাকে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করার প্রয়াসে নবাব সিরাজউদ্দৌলা প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেন।
গ
নবাব সিরাজউদ্দৌলার কোন কোন সেনাপতির মধ্যে উদ্দীপকের চেতনা কীভাবে বিদ্যমান ছিল তা বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

উদ্দীপকের চেতনা হলো দেশপ্রেম, যা নবাব সিরাজউদ্দৌলার সেনাপতি মিরমর্দান এবং মোহনলালের মধ্যে বিদ্যমান ছিল। মিরমর্দান ও মোহনলাল নবাব সিরাজউদ্দৌলার অত্যন্ত বিশ্বাসী সেনাপতি ছিলেন। নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে অধিকাংশ সেনাপতি যেখানে বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় দিয়েছে সেখানে মিরমর্দান ও মোহনলাল জীবন দিয়ে হলেও বিশ্বাসের মর্যাদা রেখেছেন। পলাশির যুদ্ধে মিরমর্দান গোলার আঘাতে মৃত্যুবরণ করলে মোহনলাল ফরাসি যোদ্ধা সিনফ্রেকে সঙ্গে নিয়ে বীরদর্পে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত পুত্রসহ বন্দি হয়ে ক্লাইভের গুলিতে মৃত্যুমুখে পতিত হন তিনি। উদ্দীপকে দেখতে পাই ব্রিটিশ শাসকদের অপশাসন ভারতবাসীকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। ব্রিটিশদের এই অত্যাচার প্রতিরোধে এগিয়ে এসেছেন মাস্টারদা সূর্যসেন ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে নিজের জীবন দিয়ে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার প্রমাণ করে যান তাঁর দেশপ্রেমের চেতনা। তাঁর মতোই দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন মিরমর্দান ও মোহনলাল। তাই বলা যায়, মিরমর্দান ও মোহনলালের মধ্যে উদ্দীপকে উল্লেখ্য দেশপ্রেমের চেতনা প্রবলভাবে বিদ্যমান ছিল।
ঘ
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য দেশপ্রেম যা উদ্দীপকে বিদ্যমান- তোমার উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য হলো দেশপ্রেম, যা নবাব সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রের মাধ্যমে প্রস্ফুটিত হয়েছে। নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। তিনি তাঁর অমাত্যবর্গের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে পলাশির যুদ্ধে পরাজিত হন। তাঁর মধ্যে ছিল দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা। তাই দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য তিনি আমৃত্যু লড়াই করেছেন। দেশপ্রেমিক বীরদের সঙ্গে নিয়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে তিনি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। উদ্দীপকের মাস্টারদা সূর্যসেন ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার নাটকের সিরাজউদ্দৌলার মতোই দেশপ্রেমিক ও সাহসী। তাঁদের পরিণতি বেদনাদায়ক হলেও তাঁদের উদ্যোগ, উদ্যম ও সাহস জনমানুষের মনে দেশপ্রেম জাগায়। দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আমৃত্যু লড়াই করেছেন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার করুণ পরিণতি লক্ষ করা যায়। এর অর্থ এই নয় যে তিনি ভীতু ও কাপুরুষ। নাটকের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চারটি অঙ্কে আমরা তাঁকে সাহসী ও বীর হিসেবে দেখতে পাই। সিরাজউদ্দৌলা কখনো শত্রুর কাছে মাথা নত করেননি। আর পুরো নাটকে নবাবের এই দেশপ্রেমই মূল উপজীব্য হয়ে উঠেছে। উদ্দীপকেও এই দেশপ্রেমের বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ব্রিটিশ শাসকদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভারতবাসী। ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। মাস্টারদা সূর্যসেনের নেতৃত্বে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে এগিয়ে আসেন তার অনেক অনুসারী। এদেরই একজন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে তিনি মৃত্যুকে বরণ করে নিয়েছেন, কিন্তু আত্মসমর্পণ করেননি।

Rajshahi · 2017

ক
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ সংলাপ কার?

উত্তর

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের শেষ সংলাপ মোহাম্মদি বেগের।
খ
'এই অস্ত্র নিয়ে আমরা কাপুরুষ দেশদ্রোহীদের অবশ্যই দমন করতে পারব'- এখানে কোন অস্ত্রের কথা বলা হয়েছে এবং কেন?

উত্তর

বিশ্বাসঘাতক ও দেশদ্রোহীদের দমনে দেশপ্রেম এবং স্বাধীনতা রক্ষার সংকল্পই হয়ে উঠতে পারে প্রধান হাতিয়ার এই বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করা হয়েছে। পলাশির যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর তিনি আবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। মুর্শিদাবাদে ফিরে দেশপ্রেমিক জনতাকে সাথে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চান ইংরেজদের বিরুদ্ধে। এ সময় দেশের স্বাধীনতা রক্ষা নিয়ে অনেকেই আশাহত হয়ে পড়ে। অনেকেই বিশ্বাসঘাতকদের কর্মকাণ্ডে হতাশ হয়। তখন উপস্থিত জনতাকে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করার প্রয়াসে নবাব সিরাজউদ্দৌলা প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেন।
গ
নবাব সিরাজউদ্দৌলার কোন কোন সেনাপতির মধ্যে উদ্দীপকের চেতনা কীভাবে বিদ্যমান ছিল তা বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর

উদ্দীপকের চেতনা হলো দেশপ্রেম, যা নবাব সিরাজউদ্দৌলার সেনাপতি মিরমর্দান এবং মোহনলালের মধ্যে বিদ্যমান ছিল। মিরমর্দান ও মোহনলাল নবাব সিরাজউদ্দৌলার অত্যন্ত বিশ্বাসী সেনাপতি ছিলেন। নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে অধিকাংশ সেনাপতি যেখানে বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় দিয়েছে সেখানে মিরমর্দান ও মোহনলাল জীবন দিয়ে হলেও বিশ্বাসের মর্যাদা রেখেছেন। পলাশির যুদ্ধে মিরমর্দান গোলার আঘাতে মৃত্যুবরণ করলে মোহনলাল ফরাসি যোদ্ধা সিনফ্রেকে সঙ্গে নিয়ে বীরদর্পে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত পুত্রসহ বন্দি হয়ে ক্লাইভের গুলিতে মৃত্যুমুখে পতিত হন তিনি। উদ্দীপকে দেখতে পাই ব্রিটিশ শাসকদের অপশাসন ভারতবাসীকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। ব্রিটিশদের এই অত্যাচার প্রতিরোধে এগিয়ে এসেছেন মাস্টারদা সূর্যসেন ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে নিজের জীবন দিয়ে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার প্রমাণ করে যান তাঁর দেশপ্রেমের চেতনা। তাঁর মতোই দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন মিরমর্দান ও মোহনলাল। তাই বলা যায়, মিরমর্দান ও মোহনলালের মধ্যে উদ্দীপকে উল্লেখ্য দেশপ্রেমের চেতনা প্রবলভাবে বিদ্যমান ছিল।
ঘ
'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য দেশপ্রেম যা উদ্দীপকে বিদ্যমান- তোমার উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য হলো দেশপ্রেম, যা নবাব সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রের মাধ্যমে প্রস্ফুটিত হয়েছে। নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব। তিনি তাঁর অমাত্যবর্গের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে পলাশির যুদ্ধে পরাজিত হন। তাঁর মধ্যে ছিল দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা। তাই দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য তিনি আমৃত্যু লড়াই করেছেন। দেশপ্রেমিক বীরদের সঙ্গে নিয়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে তিনি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। উদ্দীপকের মাস্টারদা সূর্যসেন ও প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার নাটকের সিরাজউদ্দৌলার মতোই দেশপ্রেমিক ও সাহসী। তাঁদের পরিণতি বেদনাদায়ক হলেও তাঁদের উদ্যোগ, উদ্যম ও সাহস জনমানুষের মনে দেশপ্রেম জাগায়। দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আমৃত্যু লড়াই করেছেন প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার করুণ পরিণতি লক্ষ করা যায়। এর অর্থ এই নয় যে তিনি ভীতু ও কাপুরুষ। নাটকের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চারটি অঙ্কে আমরা তাঁকে সাহসী ও বীর হিসেবে দেখতে পাই। সিরাজউদ্দৌলা কখনো শত্রুর কাছে মাথা নত করেননি। আর পুরো নাটকে নবাবের এই দেশপ্রেমই মূল উপজীব্য হয়ে উঠেছে। উদ্দীপকেও এই দেশপ্রেমের বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

লাল পলাশের ভস্মস্তূপে কীসের জ্বালা স্তব্ধ অধীর বজ্রগর্ভ মেঘের মতো? শিবির-সীমায় মনের ছায়ায় ইতস্তত ছড়ায় সে তার কূট-মন্ত্রণা ঘৃণায় ঢালা দুই শতকের সেই একদিন মনে কি পড়ে? মিরজাফরের গুলির শিখায়, সমুদ্রত নিভলো তোমার দিনের সূর্য দিগন্তরে দূর গোধুলীর সেই একদিন মনে পড়ে? মনে কি পড়ে?

Rajshahi · 2017

ক
'ক্লাইভের গাধা' কে?

উত্তর

'ক্লাইভের গাধা' হচ্ছে মিরজাফর।
খ
সিরাজউদ্দৌলার পতন হলে কে কত টাকা পাবে বলে দলিলে সই হয়?

উত্তর

সিরাজউদ্দৌলার পতন হলে কোম্পানি এক কোটি, কলকাতার বাসিন্দারা সত্তর লক্ষ এবং ক্লাইভ দশ লক্ষ টাকা পাবেন বলে চুক্তি হয়। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ষড়যন্ত্রকারীরা ক্লাইভের সঙ্গে চুক্তি করে। এ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে ক্লাইভের আনা দলিলে বিশ্বাসঘাতকেরা সই করে। চুক্তি অনুযায়ী যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পতন হলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এক কোটি টাকা পাবে। এছাড়া কলকাতার বাসিন্দারা ক্ষতিপূরণ বাবদ পাবে সত্তর লক্ষ টাকা এবং ক্লাইভ সাহেব পাবেন দশ লক্ষ টাকা। অন্যদের টাকা সম্পর্কে নাটকে উল্লেখ করা না হলেও এ চুক্তিপত্রে জগৎশেঠ, রাজবল্লভ, মিরন সবাই স্বাক্ষর করে।
গ
নাটকের কোন ঘটনাসমূহ উদ্দীপকের তৃতীয় ও চতুর্থ চরণের সাথে বিশেষভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?

উত্তর

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাজউদ্দৌলার শিবিরে তাঁর বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র হয়েছিল তা উদ্দীপকের তৃতীয় ও চতুর্থ চরণের সঙ্গে বিশেষভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। আলোচ্য নাটকে পলাশির যুদ্ধে যথেষ্ট লোকবল ও সমরশক্তি থাকা সত্ত্বেও নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হন। বিশ্বাসঘাতকদের ষড়যন্ত্রের কবলে পড়ে ইংরেজদের বিপক্ষে নবাব সফল হতে পারেননি। দেশবিরোধী চক্রান্তকারীরা প্রাসাদে বসেই নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিল। তাদের এই ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড পলাশির যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনকে ত্বরান্বিত করে। উদ্দীপকের তৃতীয় ও চতুর্থ চরণে যুদ্ধের সময় শিবির-সীমার কূট- মন্ত্রণার কথা বলা হয়েছে। এই কূট-মন্ত্রণা নিঃসন্দেহে ঘৃণ্য কাজ। আর এই কূট-মন্ত্রণার প্রভাবই দেখতে পাই নবাব সিরাজউদ্দৌলার শিবিরে। নাটকের বিভিন্ন দৃশ্যে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে তাঁর অমাত্যদের চক্রান্ত করতে দেখা যায়। উদ্দীপকের তৃতীয় ও চতুর্থ চরণ নাটকের সে দৃশ্যগুলোর কথাই মনে করিয়ে দেয়।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল চেতনার যে মিল রয়েছে তা যুক্তি সহকারে উপস্থাপন করো।

উত্তর

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল চেতনা হলো বিশ্বাসঘাতকতার কাছে দেশপ্রেমের পরাজয়, যা উদ্দীপকে সমভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য হলো নবাব সিরাজউদ্দৌলার দেশপ্রেম। কিন্তু এ নাটকের ঘটনাপ্রবাহে উঠে এসেছে এক বেদনাবিধুর পরিণতি। সেনাপতি ও অমাত্যদের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের কাছে নবাবকে বরণ করতে হয় করুণ পরিণতি। ফলে বিশ্বাসঘাতকতার কাছে পরাজয় ঘটে দেশপ্রেমের। উদ্দীপকে আলোচ্য নাটকের চেতনাকেই উপস্থাপন করা হয়েছে। সেখানে মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের ঘটনাকে স্মরণ করা হয়েছে। মিরজাফর এই চক্রান্ত করেছিল নবাবের শিবিরে বসেই। মূলত তার এ বিশ্বাসঘাতকতার কারণেই পলাশির যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হয়েছিলেন এবং বাংলার স্বাধীনতা-সূর্য ডুবে গিয়েছিল। এ ভাবেরই ব্যঞ্জনা বহন করছে 'নিভলো তোমার দিনের সূর্য দিগন্তরে' পঙক্তিটি। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলা জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাংলার স্বাধীনতাকে অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তিনি মিরজাফর ও অন্যান্য অমাত্যদের ষড়যন্ত্রের ফলে গভীর বেদনা নিয়ে পরাজয় বরণ করেছেন। তাঁর সে মর্মবেদনাই রূপায়িত হয়েছে উদ্দীপকের কবিতাংশে। তাই নির্দ্বিধায় বলা যায়, উদ্দীপকের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল চেতনার মিল রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCBangla 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

লাল পলাশের ভস্মস্তূপে কীসের জ্বালা স্তব্ধ অধীর বজ্রগর্ভ মেঘের মতো? শিবির-সীমায় মনের ছায়ায় ইতস্তত ছড়ায় সে তার কূট-মন্ত্রণা ঘৃণায় ঢালা দুই শতকের সেই একদিন মনে কি পড়ে? মিরজাফরের গুলির শিখায়, সমুদ্রত নিভলো তোমার দিনের সূর্য দিগন্তরে দূর গোধুলীর সেই একদিন মনে পড়ে? মনে কি পড়ে?

Rajshahi · 2017

ক
'ক্লাইভের গাধা' কে?

উত্তর

'ক্লাইভের গাধা' হচ্ছে মিরজাফর।
খ
সিরাজউদ্দৌলার পতন হলে কে কত টাকা পাবে বলে দলিলে সই হয়?

উত্তর

সিরাজউদ্দৌলার পতন হলে কোম্পানি এক কোটি, কলকাতার বাসিন্দারা সত্তর লক্ষ এবং ক্লাইভ দশ লক্ষ টাকা পাবেন বলে চুক্তি হয়। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ষড়যন্ত্রকারীরা ক্লাইভের সঙ্গে চুক্তি করে। এ নাটকের দ্বিতীয় অঙ্কের তৃতীয় দৃশ্যে ক্লাইভের আনা দলিলে বিশ্বাসঘাতকেরা সই করে। চুক্তি অনুযায়ী যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পতন হলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এক কোটি টাকা পাবে। এছাড়া কলকাতার বাসিন্দারা ক্ষতিপূরণ বাবদ পাবে সত্তর লক্ষ টাকা এবং ক্লাইভ সাহেব পাবেন দশ লক্ষ টাকা। অন্যদের টাকা সম্পর্কে নাটকে উল্লেখ করা না হলেও এ চুক্তিপত্রে জগৎশেঠ, রাজবল্লভ, মিরন সবাই স্বাক্ষর করে।
গ
নাটকের কোন ঘটনাসমূহ উদ্দীপকের তৃতীয় ও চতুর্থ চরণের সাথে বিশেষভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ?

উত্তর

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের নবাব সিরাজউদ্দৌলার শিবিরে তাঁর বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র হয়েছিল তা উদ্দীপকের তৃতীয় ও চতুর্থ চরণের সঙ্গে বিশেষভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। আলোচ্য নাটকে পলাশির যুদ্ধে যথেষ্ট লোকবল ও সমরশক্তি থাকা সত্ত্বেও নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হন। বিশ্বাসঘাতকদের ষড়যন্ত্রের কবলে পড়ে ইংরেজদের বিপক্ষে নবাব সফল হতে পারেননি। দেশবিরোধী চক্রান্তকারীরা প্রাসাদে বসেই নবাবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিল। তাদের এই ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড পলাশির যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনকে ত্বরান্বিত করে। উদ্দীপকের তৃতীয় ও চতুর্থ চরণে যুদ্ধের সময় শিবির-সীমার কূট- মন্ত্রণার কথা বলা হয়েছে। এই কূট-মন্ত্রণা নিঃসন্দেহে ঘৃণ্য কাজ। আর এই কূট-মন্ত্রণার প্রভাবই দেখতে পাই নবাব সিরাজউদ্দৌলার শিবিরে। নাটকের বিভিন্ন দৃশ্যে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে তাঁর অমাত্যদের চক্রান্ত করতে দেখা যায়। উদ্দীপকের তৃতীয় ও চতুর্থ চরণ নাটকের সে দৃশ্যগুলোর কথাই মনে করিয়ে দেয়।
ঘ
উদ্দীপকের সাথে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল চেতনার যে মিল রয়েছে তা যুক্তি সহকারে উপস্থাপন করো।

উত্তর

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল চেতনা হলো বিশ্বাসঘাতকতার কাছে দেশপ্রেমের পরাজয়, যা উদ্দীপকে সমভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল উপজীব্য হলো নবাব সিরাজউদ্দৌলার দেশপ্রেম। কিন্তু এ নাটকের ঘটনাপ্রবাহে উঠে এসেছে এক বেদনাবিধুর পরিণতি। সেনাপতি ও অমাত্যদের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের কাছে নবাবকে বরণ করতে হয় করুণ পরিণতি। ফলে বিশ্বাসঘাতকতার কাছে পরাজয় ঘটে দেশপ্রেমের। উদ্দীপকে আলোচ্য নাটকের চেতনাকেই উপস্থাপন করা হয়েছে। সেখানে মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের ঘটনাকে স্মরণ করা হয়েছে। মিরজাফর এই চক্রান্ত করেছিল নবাবের শিবিরে বসেই। মূলত তার এ বিশ্বাসঘাতকতার কারণেই পলাশির যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হয়েছিলেন এবং বাংলার স্বাধীনতা-সূর্য ডুবে গিয়েছিল। এ ভাবেরই ব্যঞ্জনা বহন করছে 'নিভলো তোমার দিনের সূর্য দিগন্তরে' পঙক্তিটি। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব সিরাজউদ্দৌলা জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাংলার স্বাধীনতাকে অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তিনি মিরজাফর ও অন্যান্য অমাত্যদের ষড়যন্ত্রের ফলে গভীর বেদনা নিয়ে পরাজয় বরণ করেছেন। তাঁর সে মর্মবেদনাই রূপায়িত হয়েছে উদ্দীপকের কবিতাংশে। তাই নির্দ্বিধায় বলা যায়, উদ্দীপকের সঙ্গে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মূল চেতনার মিল রয়েছে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো