জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতার দাদুর সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির অবস্থার বৈসাদৃশ্য বর্ণনা করো।
উত্তর: জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতার দাদুর সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির অবস্থার বৈসাদৃশ্য হলো দুঃখের প্রকাশভঙ্গিতে। 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতায় কবি প্রকৃতি ও মানবমনের সম্পর্কের দিকটি তুলে ধরেছে। সাধারণত প্রকৃতির সৌন্দর্য মানবমনের অফুরন্ত আনন্দের উৎস। কিন্তু মন শোকাচ্ছন্ন হলে প্রকৃতির প্রতিও মানবমন উদাসীন হয়। উদ্দীপকে 'কবর' কবিতার দাদুর প্রিয়জন হারানোর যন্ত্রণাদগ্ধ জীবনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তিনি একে একে প্রায় সকল প্রিয়জনের মৃত্যুর সাক্ষী হয়েছেন। ফলশ্রুতিতে বিষাদময় জীবন থেকে মুক্তির জন্য শোককাতর দাদু নিজের মৃত্যুর প্রত্যাশা করেছেন। অপরদিকে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির দুঃখের প্রকাশভঙ্গি ভিন্ন। আলোচ্য কবিতায় কবির প্রিয়জন হারানোর দুঃখময় জীবনের কথা প্রকাশ পেয়েছে প্রকৃতির সৌন্দর্যের প্রতি উদাসীন মনোভাবের দিক থেকে। সুতরাং বলা যায়, প্রিয়জন হারানোর দুঃখের প্রকাশভঙ্গির দিক থেকে 'কবর' কবিতার দাদু ও 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির অবস্থা ভিন্ন।
HSC Bangla 1st Paper কবিতা : তাহারেই পড়ে মনে CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : তাহারেই পড়ে মনে · সৃজনশীল
জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতার দাদুর সঙ্গে 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার কবির…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর