শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের সমালোচক 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার নিকটতম প্রতিনিধি? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে সমালোচক 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের নিকটতম প্রতিনিধি। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক সাহিত্য রচনার মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করেছেন। তাঁর মতে, মানুষের মনে আনন্দদান ও সৌন্দর্য সৃষ্টির অভিপ্রায়ে রচিত হয় সাহিত্য। এর বাইরে ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য রচিত হলে তা হয়ে পড়ে স্বধর্মচ্যুত। উদ্দীপকের রূপসী বাংলার কবি খ্যাত জীবনানন্দ দাশ আত্মগত আনন্দ ও ভাবনার নিবিষ্টতায় নির্মাণ করেছেন তাঁর কাব্যভুবন। বাংলার অপরূপ প্রকৃতির সৌন্দর্য তার মতো নিবিড়ভাবে আর কোনো কবি ধারণ করতে পারেননি। তারপরও তাঁর সমকালের অনেক সমালোচক তাঁর কবিতার সীমাবদ্ধতা নিয়ে সমালোচনা করেছেন। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকও সাহিত্যের আদর্শ ও উদ্দেশ্য বিষয়ে সুস্পষ্ট মতামত দিয়েছেন। তাঁর মতে, সাহিত্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে সকলকে আনন্দ দান করা, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। আবার, সাহিত্যের উদ্দেশ্য এবং শিক্ষার উদ্দেশ্য সম্পর্কেও তিনি মত প্রদান করেছেন। সর্বোপরি সাহিত্য রচনার নানা দিক আলোচনাপূর্বক তিনি সাহিত্য আদর্শ ও উদ্দেশ্য বিষয়ে সমালোচনা করেছেন। উদ্দীপকের সমালোচকও জীবনানন্দ দাশের কবিতার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা নিয়ে মতামত ব্যক্ত করেছেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের সমালোচক 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকেরই নিকটতম প্রতিনিধি।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : সাহিত্যে খেলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : সাহিত্যে খেলা · সৃজনশীল

উদ্দীপকের সমালোচক 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার নিকটতম প্রতিনিধি? ব…

উদ্দীপক

জীবনানন্দ দাশ বাংলার 'রূপসী বাংলা'র কবি নামে খ্যাত। আত্মগত আনন্দ ও ভাবনার নিবিষ্টতায় কবি নির্মাণ করেছেন তাঁর কাব্যভুবন। বাংলার আকাশ-বাতাস, বাংলার হাওয়া-জল, বৃক্ষ-লতাপতা, পাখি-ফুল, বাংলার নদী-নালা-সাগর এমন নিবিড়ভাবে আর কোনো কবি ধরতে পারেননি। তার কবিতায় মানুষের চেয়ে প্রকৃতির প্রাবল্য। তাঁর কাব্যভাষা বিস্ময়কর। তাঁর সমকালে অনেক বোদ্ধা সমালোচক তাঁর কবিতাকে কেটেকুটে পোস্টমর্টেম করে তাঁর কবিতার সীমাবদ্ধতার সমালোচনা করেছেন। সেই সমালোচকরা হারিয়ে গেছেন অথচ জীবনানন্দ দিনকে দিন পাঠকের কাছে সমাদৃত হচ্ছেন।

উত্তর

রোঁদ্যা একজন বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর।

উত্তর

"কাব্যজগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম বেদনা"- কারণ গভীর অনুভূতির তীব্রতা পাঠককে আনন্দ দিলেও তা প্রায়শই বেদনাবোধ জাগিয়ে তোলে। সাহিত্য রচিত হয় সাহিত্যিকের নিজের মনের আনন্দ থেকে এবং এই আনন্দ পাঠকমনেও সঞ্চারিত হয়। কিন্তু পাঠক সমাজের কাছে নির্দিষ্ট সাহিত্যকর্মের কদর দীর্ঘদিন যাবৎ থাকে না। কেননা পাঠকসমাজের মনে আনন্দ লাভের পরই বেদনাবোধ সঞ্চারিত হয়, যা মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। তবে প্রাবন্ধিকের মতে, এতে সাহিত্যকদের ঘাবড়ানোর কোনো কারণ নেই। কেননা আনন্দ ও বেদনা একে অপরেরই পরিপূরক।

উত্তর

উদ্দীপকে সমালোচক 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের নিকটতম প্রতিনিধি। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক সাহিত্য রচনার মানদণ্ড নিয়ে আলোচনা করেছেন। তাঁর মতে, মানুষের মনে আনন্দদান ও সৌন্দর্য সৃষ্টির অভিপ্রায়ে রচিত হয় সাহিত্য। এর বাইরে ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য রচিত হলে তা হয়ে পড়ে স্বধর্মচ্যুত। উদ্দীপকের রূপসী বাংলার কবি খ্যাত জীবনানন্দ দাশ আত্মগত আনন্দ ও ভাবনার নিবিষ্টতায় নির্মাণ করেছেন তাঁর কাব্যভুবন। বাংলার অপরূপ প্রকৃতির সৌন্দর্য তার মতো নিবিড়ভাবে আর কোনো কবি ধারণ করতে পারেননি। তারপরও তাঁর সমকালের অনেক সমালোচক তাঁর কবিতার সীমাবদ্ধতা নিয়ে সমালোচনা করেছেন। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকও সাহিত্যের আদর্শ ও উদ্দেশ্য বিষয়ে সুস্পষ্ট মতামত দিয়েছেন। তাঁর মতে, সাহিত্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে সকলকে আনন্দ দান করা, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। আবার, সাহিত্যের উদ্দেশ্য এবং শিক্ষার উদ্দেশ্য সম্পর্কেও তিনি মত প্রদান করেছেন। সর্বোপরি সাহিত্য রচনার নানা দিক আলোচনাপূর্বক তিনি সাহিত্য আদর্শ ও উদ্দেশ্য বিষয়ে সমালোচনা করেছেন। উদ্দীপকের সমালোচকও জীবনানন্দ দাশের কবিতার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা নিয়ে মতামত ব্যক্ত করেছেন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের সমালোচক 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকেরই নিকটতম প্রতিনিধি।

উত্তর

"উদ্দীপকের মূলভাবটি যেন 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধেরই অনুরণন”- মন্তব্যটি যথার্থ। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধানুসারে, সাহিত্যের জগৎ মূলত নিছক আনন্দের জগৎ। মহৎ কবির সৃষ্টি সর্বজনীন আবেদনে পরিপূর্ণ। তার মানবসত্তা প্রতিনিয়তই বিশ্বমানব সত্তা ও সভ্যতার সাথে নিত্যনতুন সংযোগ সাধনের সেতু নির্মাণ করে। উদ্দীপকে জীবনানন্দ দাশ বাংলার নিসর্গ সৌন্দর্যকে যেরূপ ধারণ করতে পেরেছেন, তা আর কোনো কবি পারেননি। তাঁর কবিতায় মানুষের চেয়ে প্রকৃতির প্রাবল্য অধিক। ফলে সমালোচকরা তাঁর কবিতার নানা সীমাবদ্ধতা নিয়ে সমালোচনা করলেও তিনি দিন দিন পাঠকের কাছে সমাদৃত হচ্ছেন। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের মতে, নিছক আনন্দদানের উদ্দেশ্যে যে সাহিত্যকর্ম রচিত হবে, তা গুণগত মান হারাবে না। পাঠকের অনিচ্ছায় কিংবা অবহেলায় সেসব সাহিত্যকর্ম কালের গর্ভে বিলীন হবে না। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক সাহিত্য রচনার উদ্দেশ্য হিসেবে কেবল আনন্দদানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন। কেননা ব্যক্তির মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে সাহিত্যকর্ম রচিত হলে তা হয়ে পড়ে স্বধর্মচ্যুত। উদ্দীপকের জীবনানন্দ দাশ সমালোচকদের সমালোচনা উপেক্ষা করে নিজ কাব্যভাষায় সাহিত্যকর্ম রচনা করেছেন। এতে নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের মনোরঞ্জন না হলেও, পাঠকসমাজে তিনি দিন দিন সমাদৃত হয়েছেন। কেননা তাঁর কাব্য কেবল নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্য রচিতা না হয়ে সাহিত্যের প্রকৃত আদর্শ মেনেই রচিত হয়েছে। যা আলোচ্য প্রবন্ধের প্রাবন্ধিকের নির্দেশিত পথেরই অনুরূপ। সুতরাং বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যৌক্তিক।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : সাহিত্যে খেলা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.রোদ্যা কে?

রোদ্যা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কররোদ্যা কে?"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মনউদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।