শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের জাগতিক চাওয়াকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রবন্ধকার কীভাবে ব্যাখ্যা করেছেন? নিজের ভাষায় লেখো।

উত্তর: উদ্দীপকের জাগতিক চাওয়াকে 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধে প্রবন্ধকার সাহিত্যের মাধ্যমে আনন্দ দান ও প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন। 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধে লেখক নিছক আনন্দ দানের উদ্দেশ্যে লেখার পরামর্শ দিয়েছে। কেননা কারও মনোরঞ্জনের নিমিত্তে সাহিত্য সৃষ্টি হলে তা হয়ে পড়বে স্বধর্মচ্যুত। তাই অন্য উদ্দেশ্যে লেখা অকর্তব্য। উদ্দীপকে লেখক মনোজাগতিক আনন্দের প্রতীক হিসেবে ফুলকে উপস্থাপন করেছেন। বাজারের ফল, তণ্ডুল-জাতীয় খাদ্যদ্রব্য দেহের ক্ষুধা মেটালেও তা হৃদয়ের ক্ষুধা নিবারণ করতে অক্ষম। ফুলের সৌন্দর্য হৃদয়ে আনন্দের ধারা বইয়ে দেয়। 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধেও লেখক একমাত্র আনন্দ প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে লেখনী ধারণ করতে বলেছেন। অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী ধারণ করলে সাহিত্য হয়ে পড়ে আরোপিত। সাহিত্যের রসাস্বাদন করে মানুষ স্বেচ্ছায় ও সানন্দে। উদ্দীপকের জাগতিক চাওয়ার সাথে 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধের এ দিকটি তুলনাযোগ্য।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : সাহিত্যে খেলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : সাহিত্যে খেলা · সৃজনশীল

উদ্দীপকের জাগতিক চাওয়াকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রবন্ধকার কীভাবে…

উদ্দীপক

জোটে যদি মোটে একটি পয়সা, খাদ্য কিনিও ক্ষুধার লাগি দুটি যদি জোটে অর্ধেক দিয়ে, ফুল কিনো হে অনুরাগী। বাজারে বিকায় ফল তন্ডুল, সে শুধু মিটায় দেহের ক্ষুধা হৃদয় ও প্রাণের ক্ষুধা নাশে ফুল, দুনিয়ার মাঝে সেই তো সুধা।

উত্তর

রোঁদ্যা হলেন বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর।

উত্তর

উদ্দেশ্যহীন ও নিষ্কাম কর্ম হওয়ায় মানুষের দেহমনের সকল প্রকার ক্রিয়ার মধ্যে ক্রীড়া শ্রেষ্ঠ। মানুষ যখন খেলা করে তখন সে আনন্দ ছাড়া অন্য কিছুর আকাঙ্ক্ষা রাখে না। নিষ্কাম আনন্দই খেলাধুলার মূল লক্ষ্য। যে খেলার অন্য উদ্দেশ্য রয়েছে, তা জুয়া খেলা। ক্রীড়ায় শুধু আনন্দ থাকে, ক্রীড়াবিদরা এতে অন্যকিছুর প্রত্যাশা করেন না। ক্রীড়ার মধ্যে কামনা-বাসনার কোনো হীন অভিসন্ধি কাজ করে না বলে ক্রীড়াকে বলা হয়ে থাকে শ্রেষ্ঠ কর্ম।

উত্তর

উদ্দীপকের জাগতিক চাওয়াকে 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধে প্রবন্ধকার সাহিত্যের মাধ্যমে আনন্দ দান ও প্রাপ্তির মধ্য দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন। 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধে লেখক নিছক আনন্দ দানের উদ্দেশ্যে লেখার পরামর্শ দিয়েছে। কেননা কারও মনোরঞ্জনের নিমিত্তে সাহিত্য সৃষ্টি হলে তা হয়ে পড়বে স্বধর্মচ্যুত। তাই অন্য উদ্দেশ্যে লেখা অকর্তব্য। উদ্দীপকে লেখক মনোজাগতিক আনন্দের প্রতীক হিসেবে ফুলকে উপস্থাপন করেছেন। বাজারের ফল, তণ্ডুল-জাতীয় খাদ্যদ্রব্য দেহের ক্ষুধা মেটালেও তা হৃদয়ের ক্ষুধা নিবারণ করতে অক্ষম। ফুলের সৌন্দর্য হৃদয়ে আনন্দের ধারা বইয়ে দেয়। 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধেও লেখক একমাত্র আনন্দ প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে লেখনী ধারণ করতে বলেছেন। অন্য উদ্দেশ্যে লেখনী ধারণ করলে সাহিত্য হয়ে পড়ে আরোপিত। সাহিত্যের রসাস্বাদন করে মানুষ স্বেচ্ছায় ও সানন্দে। উদ্দীপকের জাগতিক চাওয়ার সাথে 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধের এ দিকটি তুলনাযোগ্য।

উত্তর

উদ্দীপকের "হৃদয় ও প্রাণের ক্ষুধা নাশে ফুল, দুনিয়ার মাঝে সেই তো সুধা”- পঙ্ক্তিটি 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধের সাহিত্যের মূল উদ্দেশ্য তথা আনন্দ দানকে নির্দেশ করায়, উদ্দীপকের এই উক্তিটির মর্মার্থ 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধের সঙ্গে অভিন্ন। মন্তব্যটি যৌক্তিক। প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরীর মতে, সাহিত্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে সকলকে আনন্দ দান করা, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। সমাজের মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্য হয়ে পড়বে স্বধর্মচ্যুত। সাহিত্যের রস আস্বাদন করে মানুষ স্বেচ্ছায় ও আনন্দে। উদ্দীপকে বলা হয়েছে ফুল আনন্দের প্রতীক। এটি হৃদয় ও প্রাণে আনন্দের দ্যুতি ছড়ায়, যা মানুষকে উজ্জীবিত করে। ফলে ফুল প্রাণের সুধার প্রতীক। 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধেও লেখক সাহিত্যকে আনন্দের অনুষঙ্গ হিসেবে দেখিয়েছেন। সাহিত্য মানুষকে আনন্দ দেয় বলে সাহিত্যের সংস্পর্শে মানুষ উজ্জীবিত হয়। উদ্দীপকের "হৃদয় ও প্রাণের ক্ষুধা নাশে ফুল, দুনিয়ার মাঝে সেই তো সুধা”- পঙ্ক্তিতে ফুলের মাধ্যমে হৃদয় ও আত্মার আনন্দের যে অনুভূতির কথা বলা হয়েছে তা 'সাহিত্যের খেলা প্রবন্ধে বর্ণিত সাহিত্যপাঠে প্রাপ্ত আনন্দের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ প্রবন্ধে লেখক একমাত্র আনন্দদানের লক্ষ্যে সাহিত্য রচনা ও পাঠের পরামর্শ দিয়েছেন। সাহিত্যপাঠে হৃদয়ে আনন্দের সাড়া জাগে, মন উজ্জীবিত হয়। উদ্দীপকের ফুল কেনার মাধ্যমেও আনন্দ প্রাপ্তির কথা তুলে ধরা হয়েছে। তাই উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, উদ্দীপকের শেষ পঙ্ক্তিটির মর্মার্থ 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধের সঙ্গে অভিন্ন।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : সাহিত্যে খেলা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.রোদ্যা কে?

রোদ্যা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কররোদ্যা কে?"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মনউদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।