শেয়ারFacebookWhatsApp

"পৃথিবীর শিল্পী মাত্রেই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন"- বক্তব্যটি উদ্দীপকটিতে কতখানি প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: ➤ "পৃথিবীর শিল্পী মাত্রেই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন"- বক্তব্যটি উদ্দীপকটিতে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয়েছে বলে আমি মনে করি। ➤ শিল্প-সাহিত্য হচ্ছে এক ধরনের খেলা। খেলার উদ্দেশ্য যেমন নিছক আনন্দদান তেমনই সাহিত্যের উদ্দেশ্যও নির্ভেজাল আনন্দদান, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। শিল্পীরা বিভিন্ন শিল্প সৃষ্টির মাধ্যমে নিজেরা যেমন আনন্দ পান, তেমনই অন্যদেরকে আনন্দ দিয়ে থাকেন। ➤ উদ্দীপকে বলা হয়েছে, মানুষ কথায়, সংগীতে, চিত্রে, ভাস্কর্যে নানা মাত্রায় তার মহৎ ভাবনাগুলোকে হৃদয়ের মধ্যে মিশিয়ে প্রকাশ করে। সুখ-দুঃখ, বিরহ-মিলন, দ্রোহ, সংক্ষোভ নানা মাত্রিক হৃদয়ানুভূতির এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশে সে নিজে যেমন অসীম আনন্দ পায়, আবার অন্যকেও আনন্দ দেয়। উদ্দীপকের এই বক্তব্যটি 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধের "পৃথিবীর শিল্পী মাত্রেই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন" তা এই চরণে প্রতিফলিত হয়েছে। কারণ শিল্পীরা শিল্পের খেলা খেলেন নিজে এবং অন্যকে আনন্দ দেওয়ার জন্য। ➤ সাহিত্যকে তথা শিল্পকে খেলার সঙ্গে তুলনার জন্য 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক রোদ্যার প্রসঙ্গ টেনেছেন। এতে শিল্প- সাহিত্যের আদর্শ ও উদ্দেশ্য সুস্পষ্ট হয়েছে। কাদামাটি দিয়ে পুতুল তৈরি করে তিনি নিজে যেমন আনন্দ পেয়েছেন তেমনই অন্যকেও আনন্দদান করেছেন। শুধু রোদ্যা নন, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও প্রকৃত শিল্পী মাত্রেই এই খেলা খেলে থাকেন। যার সম্পূর্ণ প্রতিফলন উদ্দীপকে দেখতে পাই। এই বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি আমার কাছে যথার্থ। সারকথা: শিল্পীরা নানা শিল্পের খেলা করে নিজে যেমন আনন্দ পান তেষনই অন্যদেরকে আনন্দদান করেন। উদ্দীপকের এই বিষয়টি প্রবন্দের প্রতিফলিত হয়েছে। রোদ্যা কাদামাটির শিল্প তৈরি করে নিজে যেমন আনন্দ পেয়েছেন, তেমনই অন্যদেরকেও আনন্দদান করেছেন। পৃথিবীর সব শিল্পীই এই কাজটি করে থাকেন।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : সাহিত্যে খেলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : সাহিত্যে খেলা · সৃজনশীল

"পৃথিবীর শিল্পী মাত্রেই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন"- বক্তব্যটি উদ্দীপক…

উদ্দীপক

নিজেকে প্রকাশ করার আগ্রহ মানুষের চিরকালের। হৃদয়ের ভিতরকার অনুভূতিগুলো নানা উদ্দীপনায়, অনুকরণগুলো নানা মাধ্যমে সাজিয়ে সুন্দর করে প্রকাশ করার এই ব্যাপারটি পরিচিতি পেয়েছে শিল্পকলা নামে। মানুষ কথায়, সংগীতে, চিত্রে, ভাস্কর্যে নানা মাত্রায় তার মহৎ ভাবনাগুলোকে হৃদয়ের মধ্যে মিশিয়ে প্রকাশ করে। সুখ-দুঃখ, বিরহ-মিলন, দ্রোহ, সংক্ষোভ, নানা মাত্রিক হৃদয়ানুভূতির এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশে সে নিজে যেমন অসীম আনন্দ পায়, আবার অন্যকেও আনন্দ দেয়। [ঢাকা কমার্স কলেজ; ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ]

উত্তর

প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল।

উত্তর

➤ মনোরঞ্জন আর আনন্দের মধ্যে আকাশ-পাতাল প্রভেদ। ➤ খেলাধুলায় যেমন নিছক আনন্দই প্রধান, সাহিত্যেও তাই। খেলাধুলায় যেমন আনন্দ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই, সাহিত্যের উদ্দেশ্যও তেমনই- একমাত্র আনন্দদান করা। আনন্দ এক অনির্বচনীয় প্রাপ্তি, অন্তরাত্মার স্বতঃস্ফূর্ত বিকাশেই তা অর্জিত হয়ে থাকে। পক্ষান্তরে মনোরঞ্জন বিশেষ প্রণোদিত ও আরোপিত। মনোরঞ্জন করার মধ্যে কোনো একটা কৃত্রিম প্রয়াস বা বিশেষ উদ্দেশ্য থাকে। সারকথা: মনোরঞ্জন আর আনন্দের মধ্যে আকাশ-পাতাল প্রভেদ। আনন্দ এক অনির্বচনীয় প্রাপ্তি, অন্তরাত্মার স্বতঃস্ফূর্ত বিকাশেই তা অর্জিত হয়ে থাকে। পক্ষান্তরে মনোরঞ্জন বিশেষ প্রণোদিত ও আরোপিত

উত্তর

➤ অনুচ্ছেদের বক্তব্যটি 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে আনন্দদানের বিষয়টির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ➤ সাহিত্যের জগৎ নিছক আনন্দের জগৎ। মানুষ স্বেচ্ছায় ও আনন্দে এ জগতে বিচরণ করে। একমাত্র আনন্দের জন্যই সাহিত্য রচনা করা উচিত। সাহিত্যিক নিজেদের এবং অন্যদের আনন্দ দেওয়ার জন্য সাহিত্য রচনা করে থাকেন। ➤ উদ্দীপকে বলা হয়েছে, নিজেকে প্রকাশ করার আগ্রহ মানুষের চিরকালের। হৃদয়ের ভিতরকার অনুভূতিগুলো নানা উদ্দীপনায়, অনুকরণগুলো নানা মাধ্যমে সাজিয়ে সুন্দর করে প্রকাশ করার এই ব্যাপারটি পরিচিতি পেয়েছে শিল্পকলা নামে। এই শিল্পকলার প্রধান উদ্দেশ্য আনন্দদান করা। এই বক্তব্যটি 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রতিফলিত হয়েছে। কারণ সাহিত্যের প্রধান উদ্দেশ্য আনন্দদান করা। সাহিত্যিকরা নিজেদের এবং অন্যদের আনন্দের সাগরে ভাসানোর জন্য সাহিত্য রচনা করে থাকেন। প্রমথ চৌধুরী এই আনন্দদানের বিষয়টিকেই সাহিত্যের প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা উদ্দীপকে প্রতিফলিত হতে দেখা যায়। সারকথা: শিল্পীরা নানামাত্রিক শিল্পকলার জন্ম দেন আনন্দ পাওয়ার জন্য, অন্যকিছুর জন্য নয়। তেমনই সাহিত্যিকরা নিজেদের এবং অন্যদের আনন্দদান করার জন্য সাহিত্য রচনা করে থাকেন।

উত্তর

➤ "পৃথিবীর শিল্পী মাত্রেই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন"- বক্তব্যটি উদ্দীপকটিতে সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয়েছে বলে আমি মনে করি। ➤ শিল্প-সাহিত্য হচ্ছে এক ধরনের খেলা। খেলার উদ্দেশ্য যেমন নিছক আনন্দদান তেমনই সাহিত্যের উদ্দেশ্যও নির্ভেজাল আনন্দদান, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। শিল্পীরা বিভিন্ন শিল্প সৃষ্টির মাধ্যমে নিজেরা যেমন আনন্দ পান, তেমনই অন্যদেরকে আনন্দ দিয়ে থাকেন। ➤ উদ্দীপকে বলা হয়েছে, মানুষ কথায়, সংগীতে, চিত্রে, ভাস্কর্যে নানা মাত্রায় তার মহৎ ভাবনাগুলোকে হৃদয়ের মধ্যে মিশিয়ে প্রকাশ করে। সুখ-দুঃখ, বিরহ-মিলন, দ্রোহ, সংক্ষোভ নানা মাত্রিক হৃদয়ানুভূতির এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশে সে নিজে যেমন অসীম আনন্দ পায়, আবার অন্যকেও আনন্দ দেয়। উদ্দীপকের এই বক্তব্যটি 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধের "পৃথিবীর শিল্পী মাত্রেই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন" তা এই চরণে প্রতিফলিত হয়েছে। কারণ শিল্পীরা শিল্পের খেলা খেলেন নিজে এবং অন্যকে আনন্দ দেওয়ার জন্য। ➤ সাহিত্যকে তথা শিল্পকে খেলার সঙ্গে তুলনার জন্য 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক রোদ্যার প্রসঙ্গ টেনেছেন। এতে শিল্প- সাহিত্যের আদর্শ ও উদ্দেশ্য সুস্পষ্ট হয়েছে। কাদামাটি দিয়ে পুতুল তৈরি করে তিনি নিজে যেমন আনন্দ পেয়েছেন তেমনই অন্যকেও আনন্দদান করেছেন। শুধু রোদ্যা নন, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও প্রকৃত শিল্পী মাত্রেই এই খেলা খেলে থাকেন। যার সম্পূর্ণ প্রতিফলন উদ্দীপকে দেখতে পাই। এই বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি আমার কাছে যথার্থ। সারকথা: শিল্পীরা নানা শিল্পের খেলা করে নিজে যেমন আনন্দ পান তেষনই অন্যদেরকে আনন্দদান করেন। উদ্দীপকের এই বিষয়টি প্রবন্দের প্রতিফলিত হয়েছে। রোদ্যা কাদামাটির শিল্প তৈরি করে নিজে যেমন আনন্দ পেয়েছেন, তেমনই অন্যদেরকেও আনন্দদান করেছেন। পৃথিবীর সব শিল্পীই এই কাজটি করে থাকেন।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : সাহিত্যে খেলা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.রোদ্যা কে?

রোদ্যা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কররোদ্যা কে?"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মনউদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।