শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের বিশেষ দুটি দিকের প্রতিফলন ঘটেছে, পুরো অংশ নয়। মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর: ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মূলভাবের বিশেষ দুটি দিক উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে, তা হচ্ছে সাহিত্য ও সাহিত্যের বর্তমান অবস্থা। ➤ সাহিত্য মানবমন থেকে উৎসারিত শিল্পকর্ম। সাহিত্য মনের আনন্দে আপনিই প্রকাশিত হয়। এর প্রকৃত রসাস্বাদন করতে হলে মনের আনন্দেই করতে হয়। জোর করে বা হাজারো ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে সাহিত্যরসের উদ্রেক করা যায় না, বরং তা কঠিন মনে হয়। ➤ উদ্দীপকে সাহিত্যের দুটি দিক উপস্থাপিত হয়েছে। সাহিত্য হলো সৃজনশীল মনের তরঙ্গায়িত কথামালার লিখিত রূপ। এর জন্য কোনো নিয়ম বা নীতি নেই। সাহিত্যিকরা মনের উল্লাসে রচনা করেছেন সাহিত্য। মনের ইচ্ছায় মানুষ সাহিত্যকে কাছে টানবে, সাহিত্যরসে হৃদয়কে তৃপ্ত করবে। বর্তমান সময়ে হচ্ছে তার সম্পূর্ণ উল্টোটা। আনাড়ি সাহিত্যিকরা পাঠকের মনের ভুলের জন্যই সস্তা সাহিত্য সৃষ্টি করে থাকে। অথচ সাহিত্য কারও মনোরঞ্জনের বিষয় নয়; বরং সাহিত্য হচ্ছে পড়া, বোঝা ও হৃদয়ঙ্গম করার বিষয়। অন্যদিকে বর্তমান সময়ে আমাদের স্কুলমাস্টাররা যেভাবে সাহিত্য পড়ানোর ভার গ্রহণ করেছেন তাতে ছাত্ররা আনন্দহীন বেত্রাঘাতের মতোই সাহিত্যকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্যের প্রতি আমাদের অরুচির কারণ দর্শানো হয়েছে। আর 'শিল্পী' চরিত্রের মাধ্যমে সাহিত্যিকের সাবলীলতা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। শিল্প যেমন শিল্পীর হাতেই শুধু মানায়, অন্যের হাতে আনাড়ি হয়ে পড়ে, সাহিত্য তেমনই সাহিত্যিকের কাছেই মানায়, সাধারণ মানুষ সাহিত্য গড়তে গেলে আনাড়ি, সাহিত্যই সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে শিক্ষকের কারণে ছাত্ররা সাহিত্যকে উপদ্রব ভাবতে শুরু করেছে। উদ্দীপকে ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের এ দুটি দিক স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মূলভাবের বিশেষ দুটি দিক ফুটে উঠেছে। সারকথা: উদ্দীপকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মূলভাবের বিশেষ দুটি দিক ফুটে উঠেছে। প্রথমটা হলো সাহিত্যের সংজ্ঞা আর দ্বিতীয়টা হলো বর্তমান সময়ে সাহিত্যরসের প্রতি আমাদের অরুচির কারণ। মূলত সাহিত্য হলো স্বতঃস্ফূর্ত মনের জন্য আনন্দের বিষয়। কিন্তু জোর করে পড়ানো ও বোঝানোর জন্য সাহিত্যের সৃষ্টি হয়নি।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : সাহিত্যে খেলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : সাহিত্যে খেলা · সৃজনশীল

উদ্দীপকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের বিশেষ দুটি দিকের প্রতিফলন ঘটেছে,…

উদ্দীপক

সাহিত্য হচ্ছে সৃজনশীল মনের তরঙ্গায়িত কথামালার লিখিত গাঁথুনি। মনের উল্লাসে সাহিত্যিকরা সাহিত্য রচনা করে গেছেন। আর সাহিতোর পরশে যার মন দোলায়িত হয় তিনি আপনাআপনিই সাহিত্য পড়বেন। মূলত সাহিত্য হচ্ছে একধরনের মনের খেলা। বাস্তব জীবনের বাস্তব খেলা। এ খেলায় শুধু সাহিত্যে নিবেদিতপ্রাণ খেলোয়াড়ই পরশ নিবেন। কিন্তু বর্তমানে এর উল্টোটাই দেখা যায়। যার মধ্যে সাহিত্য ভাবনার ছিটেফোঁটাও নেই, তাকেও সাহিত্য গেলানো হয়। ফলে স্বভাবতই সাহিত্যের মতো উন্নত বিষয়ের প্রতি তার অরুচি ও বিতৃষ্ণা জন্মে।

উত্তর

পুতুল গড়া ফরাসি ভাস্কর রোদ্যার খেলা।

উত্তর

➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রাণীর দেহে অবস্থানকারী আত্মাকে জীবাত্মা এবং পরম ব্রহ্মা, ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার আত্মাকে পরমাত্মা বলা হয়। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে জীবাত্মা ও পরমাত্মার মধ্যকার সম্পর্ক অকাট্য। মূলত সাহিত্যলীলার বিষয়টি বোঝানোর লক্ষ্যেই লেখক তাঁর 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে জীবাত্মা ও পরমাত্মার প্রসঙ্গ টেনেছেন। ঈশ্বর যেমন লীলার জন্য এই জগৎ সৃষ্টি করেছেন, তেমনই কবির সৃষ্টিও এই বিশ্ব সৃষ্টির অনুরূপ। সেই সৃষ্টির মূল হচ্ছে অন্তরাত্মার স্ফূর্তি এবং আনন্দ হলো তার ফল। অর্থাৎ সাহিত্য সৃষ্টি জীবায়ার লীলামাত্র এবং সেই লীলা বিশ্বলীলার অন্তর্ভুক্ত। এটা থেকেও সুস্পষ্ট যে, জীবাত্মা ও পরমাত্মার মধ্যকার সম্পর্ক অকাট্য, অবিচ্ছেদ্য। সারকথা: প্রাণীর দেহে অবস্থানকারী আত্মাকে জীবাত্মা এবং পরম ব্রহ্মা, ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার আত্মাকে পরমাত্মা বলা হয়। জীবাত্মা ও পরমাত্মার মধ্যকার সম্পর্ক অকাটা, অবিচ্ছেদ্য।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের শেষ অংশের সাদৃশ্য বিদ্যমান। ➤ সাহিত্য হলো সমাজের দর্পণ। সাহিত্যের মধ্য দিয়ে সমাজের চিত্র ফুটে ওঠে। সাহিত্য সব সময় ব্যক্তিমনে আনন্দ দান করতে পারে না। কারণ সাহ্যিরসে সিক্ত হতে সবাই পারে না। ➤ উদ্দীপকে সাহিত্যরসে অরুচির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধেও কাব্যরসে অরুচির ব্যাপারটা দেখতে পাই। প্রবন্ধের শেষ অংশে এই বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। সাধারণত সাহিত্য হলো পড়ার ও বোঝার জিনিস; পড়ানোর বা বোঝানোর জিনিস নয়। কিন্তু আমাদের স্কুল মাস্টাররা সাহিত্য পড়ান ও বোঝান। এতে শ্রোতাদের সাথে কবিমনের মিল তো দূরে থাক, কবির কাব্য বা সাহিত্যিকের সাহিত্যও তাদের দৃষ্টিগোচর হয় না। ফলে সাহিত্য আনন্দের বন্ধু না হয়ে তাদের কাছে বিতৃষ্ণার বস্তু হিসেবে বিবেচিত হয়। মূলত এর জন্য দায়ী আমাদের সমাজের শিক্ষকরা। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের এ বিষয়টির সঙ্গে উদ্দীপকের আলোচনার পুরোপুরি সাদৃশ্য বিদ্যমান। সারকথা: উদ্দীপকে সাহিত্যের সংজ্ঞা ও সাহিত্যের প্রতি অরুচি সৃষ্টি হওয়ার কারণ আলোচিত হয়েছে। এর সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্দের শেষের অংশের মিল রয়েছে। কারণ এখানে একই বিষয়ে আলোচনা রয়েছে।

উত্তর

➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মূলভাবের বিশেষ দুটি দিক উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে, তা হচ্ছে সাহিত্য ও সাহিত্যের বর্তমান অবস্থা। ➤ সাহিত্য মানবমন থেকে উৎসারিত শিল্পকর্ম। সাহিত্য মনের আনন্দে আপনিই প্রকাশিত হয়। এর প্রকৃত রসাস্বাদন করতে হলে মনের আনন্দেই করতে হয়। জোর করে বা হাজারো ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে সাহিত্যরসের উদ্রেক করা যায় না, বরং তা কঠিন মনে হয়। ➤ উদ্দীপকে সাহিত্যের দুটি দিক উপস্থাপিত হয়েছে। সাহিত্য হলো সৃজনশীল মনের তরঙ্গায়িত কথামালার লিখিত রূপ। এর জন্য কোনো নিয়ম বা নীতি নেই। সাহিত্যিকরা মনের উল্লাসে রচনা করেছেন সাহিত্য। মনের ইচ্ছায় মানুষ সাহিত্যকে কাছে টানবে, সাহিত্যরসে হৃদয়কে তৃপ্ত করবে। বর্তমান সময়ে হচ্ছে তার সম্পূর্ণ উল্টোটা। আনাড়ি সাহিত্যিকরা পাঠকের মনের ভুলের জন্যই সস্তা সাহিত্য সৃষ্টি করে থাকে। অথচ সাহিত্য কারও মনোরঞ্জনের বিষয় নয়; বরং সাহিত্য হচ্ছে পড়া, বোঝা ও হৃদয়ঙ্গম করার বিষয়। অন্যদিকে বর্তমান সময়ে আমাদের স্কুলমাস্টাররা যেভাবে সাহিত্য পড়ানোর ভার গ্রহণ করেছেন তাতে ছাত্ররা আনন্দহীন বেত্রাঘাতের মতোই সাহিত্যকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্যের প্রতি আমাদের অরুচির কারণ দর্শানো হয়েছে। আর 'শিল্পী' চরিত্রের মাধ্যমে সাহিত্যিকের সাবলীলতা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। শিল্প যেমন শিল্পীর হাতেই শুধু মানায়, অন্যের হাতে আনাড়ি হয়ে পড়ে, সাহিত্য তেমনই সাহিত্যিকের কাছেই মানায়, সাধারণ মানুষ সাহিত্য গড়তে গেলে আনাড়ি, সাহিত্যই সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে শিক্ষকের কারণে ছাত্ররা সাহিত্যকে উপদ্রব ভাবতে শুরু করেছে। উদ্দীপকে ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের এ দুটি দিক স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মূলভাবের বিশেষ দুটি দিক ফুটে উঠেছে। সারকথা: উদ্দীপকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের মূলভাবের বিশেষ দুটি দিক ফুটে উঠেছে। প্রথমটা হলো সাহিত্যের সংজ্ঞা আর দ্বিতীয়টা হলো বর্তমান সময়ে সাহিত্যরসের প্রতি আমাদের অরুচির কারণ। মূলত সাহিত্য হলো স্বতঃস্ফূর্ত মনের জন্য আনন্দের বিষয়। কিন্তু জোর করে পড়ানো ও বোঝানোর জন্য সাহিত্যের সৃষ্টি হয়নি।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : সাহিত্যে খেলা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.রোদ্যা কে?

রোদ্যা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কররোদ্যা কে?"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মনউদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।