শেয়ারFacebookWhatsApp

"সাহিত্যিকের মনের আনন্দই সাহিত্য রচনার প্রধান উপাদান- উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের এটিই মূল সুর।" মন্তব্যটির যথার্থতা নির্ণয় কর।

উত্তর: ➤ "সাহিত্যিকের মনের আনন্দই সাহিত্য রচনার প্রধান উপাদান- উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের এটিই মূল সুর।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ সাহিত্যের উদ্দেশ্য কারও মনোরঞ্জন নয়, আনন্দদান। আনন্দকে বাদ দিয়ে মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে সাহিত্য রচিত হলে তা প্রকৃত সাহিত্য হবে না। সাহিত্যের অবশ্যই প্রধান উদ্দেশ্য হবে আনন্দ। প্রধানত সাহিত্যিকের নিজের আনন্দ। ➤ উদ্দীপকের আকবর হাসানের ক্ষেত্রে আমরা দেখি, তিনি একজন সরকারি চাকরিজীবী হওয়া সত্ত্বেও সাহিত্য রচনায় ব্রতী হয়েছেন। তিনি কোনোরূপ অর্থ উপার্জনের বা কারও মনোরঞ্জনের ইচ্ছা ছাড়াই শুধু মনের আনন্দে সাহিত্য রচনা করে যাচ্ছেন। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিকও একই বিষয় তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, সাহিত্য রচনার প্রধান উদ্দেশ্যই হলো আনন্দদান। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের ঘটনা উভয় ক্ষেত্রেই আমরা যে বিষয়টি স্পষ্টভাবে দেখতে পাই তা হলো সাহিত্যিকের নিজের আনন্দ। সাহিত্যিক পাঠককে আনন্দদানের জন্য লিখবেন। তবে তার আগে ওই সাহিত্য সৃষ্টির ব্যাপারে সাহিত্যিকের নিজের মনে আনন্দ থাকতে হবে। নিজে যদি সাহিত্য রচনা করে আনন্দ না পান তাহলে তিনি যা লিখবেন তা হবে অর্থোপার্জনের উদ্দেশ্যে। এই লেখা আর যাই হোক, সাহিত্য নয়। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধেও উদ্দীপকের ঘটনা আমাদের সামনে এই সত্যটিকেই মূর্ত করে তোলে। তাই বলা যায়, "সাহিত্যিকের মনের আনন্দই সাহিত্য রচনার প্রধান উপাদান- উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের এটিই মূল সুর" উক্তিটি যথার্থ। সারকথা: যেখানে স্রষ্টার আনন্দ নেই সেখানে মহৎ সৃষ্টি নেই। সাহিত্যসৃষ্টির ক্ষেত্রেও তাই সাহিত্যস্রষ্টার মনের আনন্দই রচনার প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : সাহিত্যে খেলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : সাহিত্যে খেলা · সৃজনশীল

"সাহিত্যিকের মনের আনন্দই সাহিত্য রচনার প্রধান উপাদান- উদ্দীপক ও 'সা…

উদ্দীপক

আকবর হাসান একজন সরকারি চাকরিজীবী। অফিসের কাজের পাশাপাশি বাড়িতে তিনি আরেকটা কাজ নিয়মিত করেন, তা হলো লেখালেখি। সাহিত্যপাগল আকবর হাসান কবিতা ও ছোটগল্প লেখেন। তার লেখা কোনো কবিতা বা ছোটগল্প এখন পর্যন্ত কোথাও প্রকাশিত হয়নি। তার পরিবার, অফিস, বন্ধুবান্ধব কারও কাছ থেকে তিনি প্রশংসা পাননি। সবাই তার লেখাকে অত্যন্ত সাধারণ মানের উল্লেখ করে লেখালেখি করতে নিষেধ করেন। কিন্তু আকবর হাসান এতে বিন্দুমাত্র কর্ণপাত না করে নিজ আনন্দে লিখে চলেছেন।

উত্তর

প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস পাবনা জেলার হরিপুর গ্রামে।

উত্তর

➤ উদ্দীপকে উল্লিখিত আকবর হাসানের মধ্যে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে বর্ণিত সাহস ও মনের আনন্দে সাহিত্য সৃষ্টি করার গুণাবলি বিদ্যমান। ➤ সাহিত্য সৃষ্টি করার জন্য সাহিত্যিকের কিছু গুণ থাকতে হয়। সাহিত্যিক যা রচনা করবেন তা হবে মনের আনন্দে এবং আনন্দদানের জন্য। কারও মনোরঞ্জনের জন্য সাহিত্য সৃষ্টি করলে তা হবে সাহিত্যের ধর্মচ্যুত। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক সাহিত্য সৃষ্টির উদ্দেশ্য, কারণ ইত্যাদি উল্লেখ করতে গিয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সাহিত্যিকের নানা গুণ ব্যস্ত করেছেন। প্রথমতই সাহিত্যিককে সাহিত্য রচনার উদ্দেশ্য সম্বন্দ্বে অবহিত থাকতে হবে। আনন্দই সাহিত্য রচনার প্রধান উদ্দেশ্য। এই উদ্দেশ্য পূরণ করার জন্য সাহিত্যিকের নিজের মনে আনন্দ থাকতে হবে; সাহিত্য রচনার সাহস ও ক্ষমতা থাকতে হবে। উদ্দীপকের আকবর হাসান সাহিত্য রচনা করছেন মনের আনন্দে। সাহিত্য সৃষ্টির জন্য মূল যে গুণাবলি প্রয়োজন আকবর হাসানের মধ্যে তা বিদ্যমান। সারকথা: সাহিত্যিক সাহিত্য রচনা করবেন। নিজ আনন্দে। কেউ প্রশংসা করুক বা না করুক, তিনি এই কাজ থেকে কখনো পিছপা হবেন না।

উত্তর

➤ "সাহিত্যিকের মনের আনন্দই সাহিত্য রচনার প্রধান উপাদান- উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের এটিই মূল সুর।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ সাহিত্যের উদ্দেশ্য কারও মনোরঞ্জন নয়, আনন্দদান। আনন্দকে বাদ দিয়ে মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে সাহিত্য রচিত হলে তা প্রকৃত সাহিত্য হবে না। সাহিত্যের অবশ্যই প্রধান উদ্দেশ্য হবে আনন্দ। প্রধানত সাহিত্যিকের নিজের আনন্দ। ➤ উদ্দীপকের আকবর হাসানের ক্ষেত্রে আমরা দেখি, তিনি একজন সরকারি চাকরিজীবী হওয়া সত্ত্বেও সাহিত্য রচনায় ব্রতী হয়েছেন। তিনি কোনোরূপ অর্থ উপার্জনের বা কারও মনোরঞ্জনের ইচ্ছা ছাড়াই শুধু মনের আনন্দে সাহিত্য রচনা করে যাচ্ছেন। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিকও একই বিষয় তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, সাহিত্য রচনার প্রধান উদ্দেশ্যই হলো আনন্দদান। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের ঘটনা উভয় ক্ষেত্রেই আমরা যে বিষয়টি স্পষ্টভাবে দেখতে পাই তা হলো সাহিত্যিকের নিজের আনন্দ। সাহিত্যিক পাঠককে আনন্দদানের জন্য লিখবেন। তবে তার আগে ওই সাহিত্য সৃষ্টির ব্যাপারে সাহিত্যিকের নিজের মনে আনন্দ থাকতে হবে। নিজে যদি সাহিত্য রচনা করে আনন্দ না পান তাহলে তিনি যা লিখবেন তা হবে অর্থোপার্জনের উদ্দেশ্যে। এই লেখা আর যাই হোক, সাহিত্য নয়। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধেও উদ্দীপকের ঘটনা আমাদের সামনে এই সত্যটিকেই মূর্ত করে তোলে। তাই বলা যায়, "সাহিত্যিকের মনের আনন্দই সাহিত্য রচনার প্রধান উপাদান- উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের এটিই মূল সুর" উক্তিটি যথার্থ। সারকথা: যেখানে স্রষ্টার আনন্দ নেই সেখানে মহৎ সৃষ্টি নেই। সাহিত্যসৃষ্টির ক্ষেত্রেও তাই সাহিত্যস্রষ্টার মনের আনন্দই রচনার প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : সাহিত্যে খেলা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.রোদ্যা কে?

রোদ্যা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কররোদ্যা কে?"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মনউদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।