শেয়ারFacebookWhatsApp

"সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়টি 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের পুরো বিষয়কে নির্দেশ করে না।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: ➤ "সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়টি 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের পুরো বিষয়কে নির্দেশ করে না।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ সাহিত্য ও শিক্ষার মধ্যে একটা পার্থক্য রয়েছে। শিক্ষা মানুষ জোর করে গ্রহণ করে, অন্যদিকে সাহিত্য মানুষ পাঠ করে মনের আনন্দে। সাহিত্য পাঠে ব্যক্তির চিন্তার ক্ষেত্র তৈরি হয়। পাঠক নির্মল আনন্দ লাভ করে। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যকে খেলার সঙ্গে তুলনা করেছেন। খেলার উদ্দেশ্য যেমন নিছক আনন্দ লাভ তেমনই সাহিত্যের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আনন্দ লাভ করা। যদি কারও মনোরঞ্জনের জন্য সাহিত্য রচিত হয় তাহলে সেই সাহিত্য স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে। প্রাবন্ধিক এরূপ সাহিত্যের উদ্দেশ্য বর্ণনার পাশাপাশি প্রবন্ধে পাঠকের সাহিত্য পাঠে রস আস্বাদনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। এছাড়াও সাহিত্য পাঠ কীভাবে মানবমনে সাড়া জাগায় সে সম্পর্কেও আলোচনা রয়েছে। এদিকে উদ্দীপকে সাহিত্যের উদ্দেশ্য মানবকল্যাণ এরূপ বলা হয়েছে, যা প্রবন্ধের সাহিত্যের উদ্দেশ্যের দিকটি ইঙ্গিত করে মাত্র। ➤ উদ্দীপকে সাহিত্য মানবকল্যাণ নিশ্চিত করবে এরূপ বর্ণনায় কেবল আলোচ্য প্রবন্ধের সাহিত্যের উদ্দেশ্যের দিকটি ফুটে উঠেছে। এছাড়া প্রবন্ধে আলোচিত সাহিত্যের সঙ্গে পাঠকের কীরূপ সম্পর্ক, আনন্দ লাভ এসব বিষয় উদ্দীপকে নেই। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: উদ্দীপকে কেবল সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাহিত্যের উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত রয়েছে, অন্যান্য বিষয় নেই। তাই বলা যায়, প্রশ্নোত্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : সাহিত্যে খেলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : সাহিত্যে খেলা · সৃজনশীল

"সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়টি 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের পুরো বিষ…

উদ্দীপক

কাজী মোতাহের হোসেনের মতে, "মানুষের প্রচেষ্টায় মানুষের জন্যই যে সাহিত্য রচিত হয় তাহা যদি মানবহিত এবং মানবসভাতার ক্রমোন্নতির দিকনির্দেশ না করে তবে বড়ই আক্ষেপের কথা।" সুতরাং বিষয়টি পরিষ্কার যে, মানুষ ভালো হবে, মানুষ ভালো করবে এটাই স্বাভাবিক দাবি। সুতরাং মানুষের সাহিত্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করবে এটাও স্বাভাবিক।

উত্তর

'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে 'ইতর' শব্দটি নগণ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

উত্তর

➤ "শিল্পী মাত্রেই এই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন"- কথাটি দ্বারা শিল্পীদের শৈল্পিক সাবলীলতা প্রকাশ পায়। ➤ যিনি সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখেন, তিনিই শিল্পী। আর শিল্পীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রধান দিক হচ্ছে শিল্প সৃষ্টি করা। সৃজনশীলতার ক্ষমতাপ্রাপ্ত বলে শিল্পীরা যা-ই করেন, তা-ই প্রকাশ পায় শিল্প হিসেবে। কিন্তু যারা শিল্পী নন, তাদের হাতে ওই কাজ আনাড়ি হাতের শিল্প হয়ে ওঠে। এটাই শিল্পীর সঙ্গে সাধারণ মানুষের তফাত। সারকথা: সৃজনশীল ক্ষমতা। যার আছে, তিনিই শিল্পী। আর শিল্পীদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রধান দিক হচ্ছে শিল্প এ সৃষ্টি করা। এটা একধরনের শৈল্পিক খেলা।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি হলো- সাহিত্যের উদ্দেশ্যের বিষয়টি তুলে ধরা। ➤ সাহিত্য হলো লেখকের নির্মল মনের ভাবনার প্রকাশ। সাহিত্য পাঠ করে পাঠক নির্মল আনন্দই লাভ করে। সাহিত্যিক যদি কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে সাহিত্য রচনা করেন তাহলে সেখানে আনন্দ থাকে না। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যের উদ্দেশ্যের দিকটি আলোকপাত করেছেন। লেখকের মতে, সাহিত্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে সবাইকে আনন্দ দান করা, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। সমাজের মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্য হয়ে পড়ে স্বধর্মচ্যুত। লেখক মূলত সাহিত্যের উদ্দেশ্য হিসেবে বলেছেন নিছক আনন্দ দানের কথা। উদ্দীপকেও দেখা যায়, কাজী মোতাহের হোসেন সাহিত্যের উদ্দেশ্যের কথাই বলেছেন। তিনি সাহিত্যের উদ্দেশ্যের স্বরূপ বলেছেন মানবকল্যাণ। প্রাবন্ধিক ও উদ্দীপকের লেখক দুজনের বর্ণনায়ই সাহিত্যের উদ্দেশ্যের দিকটিই প্রধান হয়ে উঠেছে। এভাবেই স্যাহিত্যের উদ্দেশ্যের বর্ণনার দিক থেকে উদ্দীপকটি প্রবন্ধের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। সারকথা: প্রবন্ধে সাহিত্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে আনন্দ দান। আর উদ্দীপকে সাহিত্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে মানবকল্যাণ। উভয় স্থানেই সাহিত্যের উদ্দেশ্য তুলে ধরা হয়েছে। মূলত এই দিকটিই সাদৃশ্যপূর্ণ।।

উত্তর

➤ "সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের বিষয়টি 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের পুরো বিষয়কে নির্দেশ করে না।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ সাহিত্য ও শিক্ষার মধ্যে একটা পার্থক্য রয়েছে। শিক্ষা মানুষ জোর করে গ্রহণ করে, অন্যদিকে সাহিত্য মানুষ পাঠ করে মনের আনন্দে। সাহিত্য পাঠে ব্যক্তির চিন্তার ক্ষেত্র তৈরি হয়। পাঠক নির্মল আনন্দ লাভ করে। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যকে খেলার সঙ্গে তুলনা করেছেন। খেলার উদ্দেশ্য যেমন নিছক আনন্দ লাভ তেমনই সাহিত্যের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আনন্দ লাভ করা। যদি কারও মনোরঞ্জনের জন্য সাহিত্য রচিত হয় তাহলে সেই সাহিত্য স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে। প্রাবন্ধিক এরূপ সাহিত্যের উদ্দেশ্য বর্ণনার পাশাপাশি প্রবন্ধে পাঠকের সাহিত্য পাঠে রস আস্বাদনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। এছাড়াও সাহিত্য পাঠ কীভাবে মানবমনে সাড়া জাগায় সে সম্পর্কেও আলোচনা রয়েছে। এদিকে উদ্দীপকে সাহিত্যের উদ্দেশ্য মানবকল্যাণ এরূপ বলা হয়েছে, যা প্রবন্ধের সাহিত্যের উদ্দেশ্যের দিকটি ইঙ্গিত করে মাত্র। ➤ উদ্দীপকে সাহিত্য মানবকল্যাণ নিশ্চিত করবে এরূপ বর্ণনায় কেবল আলোচ্য প্রবন্ধের সাহিত্যের উদ্দেশ্যের দিকটি ফুটে উঠেছে। এছাড়া প্রবন্ধে আলোচিত সাহিত্যের সঙ্গে পাঠকের কীরূপ সম্পর্ক, আনন্দ লাভ এসব বিষয় উদ্দীপকে নেই। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: উদ্দীপকে কেবল সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাহিত্যের উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত রয়েছে, অন্যান্য বিষয় নেই। তাই বলা যায়, প্রশ্নোত্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : সাহিত্যে খেলা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.রোদ্যা কে?

রোদ্যা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কররোদ্যা কে?"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মনউদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।