শেয়ারFacebookWhatsApp

"উদ্দীপকের করিম সাহেবের সৃষ্ট সাহিত্য 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুসারে উৎকৃষ্ট সাহিত্যজগৎ থেকে ছিটকে পড়েছে।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: ➤ "উদ্দীপকের করিম সাহেবের সৃষ্ট সাহিত্য 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুসারে উৎকৃষ্ট সাহিত্যজগৎ থেকে ছিটকে পড়েছে।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ উৎকৃষ্ট সাহিত্য থেকে ধনী-গরিব, ব্রাহ্মণ-শূদ্র সকলেই আনন্দ লাভ করতে পারে। সাহিত্য কোনো বিশেষ শ্রেণির মনস্কৃষ্টির জন্য রচিত হয় না, হওয়া উচিতও নয়। তাহলে সাহিত্য নিজ ধর্ম থেকে ছিটকে পড়বে। সাহিত্যের কাজ শুধুই আনন্দ দান করা, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। ➤ উদ্দীপকের করিম সাহেব লেখালেখি করেন। তাঁর রচিত রচনাগুলো সমাজের এক নির্দিষ্ট শ্রেণির মনস্তুটির জন্য রচিত। তাদের বাহবা পাওয়া এবং তার মাধ্যমে অর্থ অর্জন করা করিম সাহেবের লক্ষ্য। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুসারে আনন্দ দান ছাড়া সাহিত্যের অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে না। যদি থাকে তবে সেটা সাহিত্যের পর্যায়ে পড়বে না। ধর্মচ্যুত হয়ে পরিণত হবে জুয়াখেলায়। ➤ খেলার আনন্দ যেমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়, তেমনই সাহিত্যও কোনো উদ্দেশ্যে রচিত হলে তার নিজস্ব গতিপথ হারাবে। উদ্দীপকের করিম সাহেব সমাজের বিশেষ একশ্রেণির জন্য লেখেন। এজন্য তাঁর লেখা সাহিত্যের পর্যায় পড়ে না। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বলেছেন, সাহিত্য জগৎ নির্মল আনন্দের জগৎ। এদিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, সাহিত্যের একমাত্র উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আনন্দ দান করা, অন্য কিছুই নয়। কিন্তু উদ্দীপকের করিম সাহেব অর্থ উপার্জনের এবং মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে সাহিত্য রচনা করেন, এজন্য তাঁর সাহিত্য স্বধর্মচ্যুত।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : সাহিত্যে খেলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : সাহিত্যে খেলা · সৃজনশীল

"উদ্দীপকের করিম সাহেবের সৃষ্ট সাহিত্য 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুসা…

উদ্দীপক

করিম সাহেবের সৃষ্ট সাহিত্যজগৎ এখন সংকীর্ণতার গাঢ় ছায়ায় আচ্ছন্ন হয়ে গেছে। তাঁর সৃষ্টিকর্ম এখন আর বিশ্বমানবের মনের সকো নিতানতুন সম্বন্ধ পাতানোর উদারতা দেখায় না। তাঁর সাহিত্যের রঙ্গমঞ্চে এক নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের জীবনালেখ্য মধ্যস্থ হয়। যাঁরা নিজেদের মনন্তুষ্টির বিনিময়ে করিম সাহেবকে মেকি প্রশংসাপূর্ণ পারিশ্রমিক দেন। আর এতেই খুশি হয়ে তিনি সাহিত্যের মর্মবাণীকে অগ্রাহ্য করে ঐ বিশেষ শ্রেণির মনোরঞ্জনের জন্য তাঁর অমূল্য সৃজনশক্তিকে নিয়োগ করেন।

উত্তর

উপরি পাওয়া' বলতে বোঝায় বাড়তি আয় উপার্জন।

উত্তর

➤ "সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান করা, শিক্ষা দান করা নয়।" উক্তিটি দ্বারা লেখক সাহিত্যের মূল উদ্দেশ্য নির্দেশ করেছেন। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক দেখিয়েছেন যে, ভারতীয় সাহিত্যের আদি কবি বাল্মীকি রামায়ণ রচনা করেছিলেন, আদিতে মুনি-ঋষিদের জন্য অথচ জনসাধারণ আজও তার শ্রবণে-পঠনে আনন্দ উপভোগ করে। তার একমাত্র কারণ সেই 'রামায়ণ' কাব্য হিসেবে অমর এবং আনন্দের ধর্মই তাই যে তা সংক্রামক। একথা বলা বাহুলা যে, বড় বড় মুনি-ঋষিদের কিঞ্চিৎ শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্য বাল্মীকির ছিল না। তার প্রমাণও 'রামায়ণ' শ্রবণকারী মুনি-ঋষিদের আনন্দে আত্মহারা হওয়ার মাধ্যমে পাওয়া যায়। লেখক এজন্যই বলেছেন, সাহিত্যের উদ্দেশ্য আনন্দদান করা, শিক্ষাদান করা নয়। সারকথা: সাহিত্যের মূল উদ্দেশ্য- মানুষকে আনন্দ দান করা, কাউকে শিক্ষা দান করা নয়।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের করিম সাহেবের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাহিত্য রচনার উদ্দেশ্যের বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ➤ সাহিত্য হলো ব্যক্তিমনের আনন্দের খোরাক। সাহিত্য ব্যক্তিকে অচেনা জগৎ থেকে ঘুরিয়ে আনে। তবে সব সাহিত্যের এমন গুণ থাকে না। সাহিত্য যখন কারও মনোরঞ্জনের জন্য রচিত হয় তখন সেটি তার সাহিত্যগুণ হারায়। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য সৃষ্টির উদ্দেশ্য, কারণ, প্রভাব ইত্যাদি উল্লেখ করতে গিয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সাহিত্যিকের নানা গুণ ব্যক্ত করেছেন। সাহিত্যের উদ্দেশ্য হলো খেলার ছলে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। কোনোকিছুর পাওয়ার আশায় যদি সাহিত্য রচিত হয় তবে তা ধর্মচ্যুত হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, করিম সাহেব সাহিত্য রচনা করেন বিশেষ একশ্রেণির লোকের মনোরঞ্জনের জন্য। সাহিত্য রচনাকে তিনি টাকা উপার্জনের উৎস হিসেবে ধরে নিয়েছেন। এজন্য তাঁর রচনা সাহিত্যের পর্যায়ে পড়ে না। কেননা সাহিত্যের উদ্দেশ্য তা নয়। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, সাহিত্যের উদ্দেশ্য শুধু নির্মল আনন্দ দান করা, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। আনন্দকে বাদ দিয়ে কারও মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে সাহিত্য রচিত হলে তা প্রকৃত সাহিত্য হবে না। এই দিক থেকে উদ্দীপকের করিম সাহেবের সাথে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের বৈসাদৃশ্য রয়েছে। সারকথা: সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন সাহিত্যের কাজ হচ্ছে নির্মল আনন্দ দান ছাড়া অ অন্য কিছুই নয়। কিন্তু উদ্দীপকের করিম উপার্জনের উদ্দেশ্যে লেখেন, এই। ক্ষেত্রেই প্রবন্ধের সাথে অমিল লক্ষণীয়।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকের করিম সাহেবের সৃষ্ট সাহিত্য 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুসারে উৎকৃষ্ট সাহিত্যজগৎ থেকে ছিটকে পড়েছে।" মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ উৎকৃষ্ট সাহিত্য থেকে ধনী-গরিব, ব্রাহ্মণ-শূদ্র সকলেই আনন্দ লাভ করতে পারে। সাহিত্য কোনো বিশেষ শ্রেণির মনস্কৃষ্টির জন্য রচিত হয় না, হওয়া উচিতও নয়। তাহলে সাহিত্য নিজ ধর্ম থেকে ছিটকে পড়বে। সাহিত্যের কাজ শুধুই আনন্দ দান করা, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। ➤ উদ্দীপকের করিম সাহেব লেখালেখি করেন। তাঁর রচিত রচনাগুলো সমাজের এক নির্দিষ্ট শ্রেণির মনস্তুটির জন্য রচিত। তাদের বাহবা পাওয়া এবং তার মাধ্যমে অর্থ অর্জন করা করিম সাহেবের লক্ষ্য। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধ অনুসারে আনন্দ দান ছাড়া সাহিত্যের অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে না। যদি থাকে তবে সেটা সাহিত্যের পর্যায়ে পড়বে না। ধর্মচ্যুত হয়ে পরিণত হবে জুয়াখেলায়। ➤ খেলার আনন্দ যেমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়, তেমনই সাহিত্যও কোনো উদ্দেশ্যে রচিত হলে তার নিজস্ব গতিপথ হারাবে। উদ্দীপকের করিম সাহেব সমাজের বিশেষ একশ্রেণির জন্য লেখেন। এজন্য তাঁর লেখা সাহিত্যের পর্যায় পড়ে না। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক বলেছেন, সাহিত্য জগৎ নির্মল আনন্দের জগৎ। এদিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক বলেছেন, সাহিত্যের একমাত্র উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আনন্দ দান করা, অন্য কিছুই নয়। কিন্তু উদ্দীপকের করিম সাহেব অর্থ উপার্জনের এবং মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে সাহিত্য রচনা করেন, এজন্য তাঁর সাহিত্য স্বধর্মচ্যুত।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : সাহিত্যে খেলা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.রোদ্যা কে?

রোদ্যা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কররোদ্যা কে?"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মনউদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।