শেয়ারFacebookWhatsApp

"উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' উভয়ের মূল বিষয়বস্তু সাহিত্য আনন্দদানের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে, শিক্ষা দানের জন্য নয়।"- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর: ➤ "উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' উভয়ের মূল বিষয়বস্তু সাহিত্য আনন্দদানের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে, শিক্ষা দানের জন্য নয়।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ আনন্দদান ও শিক্ষা দান দুটি আলাদা বিষয়। আনন্দলাভে সবাই উৎসুক থাকে কিন্তু শিক্ষালাভে ঠিক তার উলটো। কেউ সহজে শিক্ষালাভ করতে চায় না। কিন্তু আনন্দলাভের জন্য কোনো কারণ লাগে না, এমনিতেই মানুষ তা পেতে চায়। আর মানুষকে আনন্দদানের গুরুদায়িত্বটি নেয় সাহিত্য। ➤ উদ্দীপকের শিহাব নিয়মিত কাব্য পাঠ করছে এবং আনন্দলাভ করছে। যখনই এই কাব্য তার শিক্ষার উপকরণ হচ্ছে তখনই আনন্দ তার কাছ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যের এই দিকটিই তুলে ধরেছেন। সাহিত্যের উদ্দেশ্য হবে আনন্দদান, শিক্ষা দান নয়। ➤ যেকোনো বিষয় থেকেই মানুষ শিক্ষালাভ করতে পারে। হতে পারে তা খেলা কিংবা সাহিত্য। কিন্তু এই শিক্ষা ওই বিষয়টির উদ্দেশ্য নয়, সহায়ক মাত্র। সাহিত্যে আছে শুধু নির্মল আনন্দ। এজন্য মানুষ নিজের মনের আনন্দে সাহিত্য পাঠ করে। কিন্তু শিক্ষালাভ করে অতি কষ্টে, অনেক কাঠ-খড় পুড়িয়ে। উদ্দীপকের শিহাবের ক্ষেত্রে আমরা এই অবস্থাটি হুবহু দেখতে পাই। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধেও লেখক স্পষ্টভাবে এই সত্যটিই দেখিয়ে দেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য আনন্দদানের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে, শিক্ষাদানের জন্য নয়। সারকথা: সাহিত্য থেকে শিক্ষালাভ করা গেলেও তা সাহিত্য রচনার উদ্দেশ্য নয়, তা উপরি পাওয়া। আনন্দদানই সাহিত্য রচনার মূল উদ্দেশ্য। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটিকে সঠিক ও যথার্থ বলা যায়।

HSC Bangla 1st Paper গদ্য : সাহিত্যে খেলা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · গদ্য : সাহিত্যে খেলা · সৃজনশীল

"উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' উভয়ের মূল বিষয়বস্তু সাহিত্য আনন্দদানের উ…

উদ্দীপক

একাদশ শ্রেণির ছাত্র শিহাব। সে পাঠ্যবইয়ের বাইরে অন্যান্য বই প্রচুর পরিমাণে পড়ে। কবিতার বইয়ের প্রতি তার প্রচন্ড আগ্রহ। বিখ্যাত-অখ্যাত সব কবির বই-ই সে পড়ে। কবিতা শিহাবের সবচেয়ে প্রিয় হলেও পাঠ্যবইয়ের কবিতা তার একদমই ভালো লাগে না। অথচ একই কবিদের বই যখন সে একা একা পড়ে তখন অনেক ভালো লাগে।

উত্তর

টাউন হলের বক্তৃতার উদ্দেশ্য অতি মহৎ।

উত্তর

➤ "পাঠকসমাজ যে খেলনা আজ আদর করে, কাল সেটিকে ভেঙ্গে ফেলে"- লেখক এখানে পাঠকের মনোরঞ্জনের জন্য সৃষ্ট সাহিত্যকে বুঝিয়েছেন। ➤ খেলনা মানুষের মনোরঞ্জনের বস্তু। সুন্দর লাগলে মানুষ খেলনা কেনে, আবার সেটির কার্যকারিতা ফুরিয়ে গেলে ভেঙে ফেলে। ঠিক একইভাবে পাঠকের মনোরঞ্জনের জন্য সৃষ্ট সাহিত্য খেলনার মতোই। পাঠক এতে সাময়িক আনন্দ পেলেও কিছুদিন পর তা ভুলে যায়। ওই সাহিত্যের প্রতি তার আর কোনো আকর্ষণ থাকে না। খেলনা যেমন ভেঙে ফেলে তেমনই ওই ধরনের মনোরঞ্জনমূলক সাহিত্যকে পাঠক আঁস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করে। এই চরম সত্যটিই লেখক এ উক্তিটির মাধ্যমে বুঝিয়েছেন। সারকথা: খেলনার প্রতি মানুষের আকর্ষণ যেমন সাময়িক, মনোরঞ্জনমূলক সাহিত্যের প্রতিও তেমনই।

উত্তর

➤ উদ্দীপকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে বর্ণিত মাস্টারদের শিক্ষা দান পদ্ধতির আলোচনার দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে। ➤ পাঠক সাহিত্য পড়ে কবিতার রস আস্বাদন করার জন্য। অন্য কোনো কারণ এতে জড়িত নয়। অন্য কোনো বিষয় যদি এতে যুক্ত হয় তখন তা তার কাছে ভালো লাগার পরিবর্তে তেতো হয়ে যায়। ➤ 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক বর্তমান স্কুলমাস্টারদের পড়ানোর পদ্ধতির সমালোচনা করেছেন। তারা যেকোনো রচনাকে টীকা-ভাষ্য, নিগূঢ় তত্ত্ব উদঘাটন ইত্যাদির মাধ্যমে অত্যধিক জটিল করে তোলেন। এরপর শিক্ষার্থীকে তা গলাধঃকরণ করান যা পরে পরীক্ষার খাতায় উদগিরণ করতে হয়। শিক্ষার্থী কবিতার রস আস্বাদনের পরিবর্তে বিচার-বিশ্লেষণে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে সে কবিতা পাঠ করে কোনো আনন্দলাভ করে না। উদ্দীপকের শিহাব একজন ছাত্র। তার মধ্যেও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের এই কারণগুলো কাজ করাটাই স্বাভাবিক। এজন্যই শিহাব কবিতার একান্ত ভক্ত হলেও পাঠ্যবইয়ের কবিতা তার কাছে বিরক্তিকর। এভাবেই 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে মাস্টারদের শিক্ষা দান পদ্ধতি উদ্দীপকের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। সারকথা: কাব্য মানুষের আনন্দের জন্য। এর মাঝে অন্য কোনো উদ্দেশ্য কাজ করলে ওই আনন্দটা বিরক্তিতে রূপ নেয়। শিহাবের কাছেও তাই পাঠ্যবইয়ের কবিতা ভালো লাগে না।

উত্তর

➤ "উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' উভয়ের মূল বিষয়বস্তু সাহিত্য আনন্দদানের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে, শিক্ষা দানের জন্য নয়।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ আনন্দদান ও শিক্ষা দান দুটি আলাদা বিষয়। আনন্দলাভে সবাই উৎসুক থাকে কিন্তু শিক্ষালাভে ঠিক তার উলটো। কেউ সহজে শিক্ষালাভ করতে চায় না। কিন্তু আনন্দলাভের জন্য কোনো কারণ লাগে না, এমনিতেই মানুষ তা পেতে চায়। আর মানুষকে আনন্দদানের গুরুদায়িত্বটি নেয় সাহিত্য। ➤ উদ্দীপকের শিহাব নিয়মিত কাব্য পাঠ করছে এবং আনন্দলাভ করছে। যখনই এই কাব্য তার শিক্ষার উপকরণ হচ্ছে তখনই আনন্দ তার কাছ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে লেখক সাহিত্যের এই দিকটিই তুলে ধরেছেন। সাহিত্যের উদ্দেশ্য হবে আনন্দদান, শিক্ষা দান নয়। ➤ যেকোনো বিষয় থেকেই মানুষ শিক্ষালাভ করতে পারে। হতে পারে তা খেলা কিংবা সাহিত্য। কিন্তু এই শিক্ষা ওই বিষয়টির উদ্দেশ্য নয়, সহায়ক মাত্র। সাহিত্যে আছে শুধু নির্মল আনন্দ। এজন্য মানুষ নিজের মনের আনন্দে সাহিত্য পাঠ করে। কিন্তু শিক্ষালাভ করে অতি কষ্টে, অনেক কাঠ-খড় পুড়িয়ে। উদ্দীপকের শিহাবের ক্ষেত্রে আমরা এই অবস্থাটি হুবহু দেখতে পাই। 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধেও লেখক স্পষ্টভাবে এই সত্যটিই দেখিয়ে দেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য আনন্দদানের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে, শিক্ষাদানের জন্য নয়। সারকথা: সাহিত্য থেকে শিক্ষালাভ করা গেলেও তা সাহিত্য রচনার উদ্দেশ্য নয়, তা উপরি পাওয়া। আনন্দদানই সাহিত্য রচনার মূল উদ্দেশ্য। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটিকে সঠিক ও যথার্থ বলা যায়।
HSCBangla 1st Paperগদ্য : সাহিত্যে খেলা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পিরোজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ছেলেরা খেলাধুলা করে। এই গ্রামে ধনীদরিদ্র সকলের সন্তান এই মাঠে খেলা করে আনন্দ উপভোগ করে। তাদের মধ্যে মাঝে মাঝে সামান্য একটু ঝগড়া হলেও পরক্ষণেই তা মিটে যায়, কারণ খেলাধুলার যে আনন্দ তা ঝগড়ার বিষাদকে নিঃশেষ করে দেয়। একই গ্রামের শিক্ষিত যুবক করিম শেখ বিকেল বেলায় অবসর সময়ে ছেলেদের খেলা দেখে প্রায়ই আনন্দ উপভোগ করে থাকেন।
ক
সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?
খ
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্ষেত্রেই আনন্দই 8 প্রধান।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

করিম আহমেদ একজন বড় মাপের শিল্পী। তাই খেলাচ্ছলে ছবি আঁকা, পুতুল গড়াই তাঁর কাজ। তিনি সামান্য একটু মাটিকে ব্যবহার করে আঙুল দিয়ে টিপে যে পুতুল তৈরি করেন, তা-ই উৎকৃষ্ট শিল্পকর্মে পরিণত হয়। করিম আহমেদের মতো বড় শিল্পীরা প্রায়ই শিল্পরাজ্যের এ খেলা খেলে থাকেন। কিন্তু ছোট মাপের শিল্পীরা এক করতে গিয়ে আরেক করে ফেলেন। করিম আহমেদের মতো বড় মাপের শিল্পীর সঙ্গে ছোট মাপের শিল্পীর এই পার্থক্য।
ক
রোদ্যা কে?
খ
"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা কর।
ঘ
শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"- উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7."যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.রোদ্যা কে?

রোদ্যা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মাজেদ মাহতাব একজন নামকরা চিত্রশিল্পী। তাঁর পুরো শিল্পকর্মকে দুভাগে ভাগ করা যায়- সহজবোধ্য ও দুর্বোধ্য। তাঁর অনেক সৃজনশীল কাজ রয়েছে যেগুলো শিল্পমানে কালোত্তীর্ণ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি কয়েকবার তাঁর শিল্পকর্মের প্রদর্শনী করেছেন এবং বোদ্ধা মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁর কিছু চিত্রকর্ম রয়েছে সহজ, সুন্দর ও সাধারণের উপযোগী। চিত্রকলা একটি উঁচুমানের শিল্পকলা যাতে সাধারণের প্রবেশাধিকার নেই। চিত্রকলার সাথে সাধারণের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করতেই তিনি দু ধারায় কাজ করেন। তাঁর কোনো অর্থমোহ নেই।
ক
মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?
খ
প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।
গ
উদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকের করিম শেখের খেলা দেখা এবং 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধে সাহিত্য রচনা উভয় ক্উদ্দীপকের মাঠের খেলার সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।প্রমথ চৌধুরী সাহিত্য ও শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্নভাবে দেখিয়েছেন কেন?- ব্যাখ্যা কর।সাহিত্য কখন স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে?শিল্প মাত্রই আনন্দদান করে, তাই পৃথিবীর বড় মাপের শিল্পীগণ এ খেলায় অংশগ্রহণ করেন।"উদ্দীপকে উল্লিখিত ছোট মাপের শিল্পীদের সঙ্গে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর"যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন, বাঁদরও গড়তে পারেন।"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কররোদ্যা কে?"উদ্দীপকের মাজেদ সাহেবের কর্মকান্ড 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখকের সমধর্মী।" মনউদ্দীপকের মাজেদ মাহতাবের চিন্তাধারার সঙ্গে সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের কার সাদৃশ্য প্রমথ চৌধুরীর মতানুসারে বৈশ্য লেখক ও শূদ্র পাঠকের পরিচয় দাও।মহর্ষিরা রামায়ণ শুনে কুশীলবকে কী পর্যন্ত পেলা দিয়েছিলেন?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।