শেয়ারFacebookWhatsApp

মিতুর শিক্ষকের বুঝানো প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত মিতুর শিক্ষকের বুঝানো প্রক্রিয়াটি হলো রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া। নিচে এই প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো— রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়ায় হৃৎপিণ্ড একটি পাম্পের মতো কাজ করে এবং এর সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে সারাদেহে রক্ত প্রবাহিত হয়। হৃৎপিণ্ডের এই কাজ মূলত চারটি ধাপে সম্পন্ন হয়, যাকে কার্ডিয়াক চক্র বলা হয়— অলিন্দের ডায়াস্টোল : এই ধাপে হৃৎপিণ্ডের উপরের প্রকোষ্ঠ বা অলিন্দ দুটি প্রসারিত হয়। তখন সারাশরীর থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড যুক্ত রক্ত মহাশিরা দিয়ে ডান অলিন্দে এবং ফুসফুস থেকে অক্সিজেন যুক্ত রক্ত পালমোনারি শিরা দিয়ে বাম অলিন্দে প্রবেশ করে। অলিন্দের সিস্টোল : অলিন্দ দুটি রক্তে পূর্ণ হলে সেগুলো সংকুচিত হয়। ফলে ডান অলিন্দ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড যুক্ত রক্ত ডান নিলয়ে এবং বাম অলিন্দ থেকে অক্সিজেন যুক্ত রক্ত বাম নিলয়ে পৌঁছায়। নিলয়ের সিস্টোল : এই ধাপে নিচের প্রকোষ্ঠ বা নিলয় দুটি সংকুচিত হয়। তখন বাম নিলয় থেকে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত মহাধমনির মাধ্যমে সারাদেহে ছড়িয়ে পড়ে। একই সময়ে ডান নিলয় থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড যুক্ত রক্ত ফুসফুসীয় ধমনির মাধ্যমে ফুসফুসে চলে যায়। এই সময় কপাটিকাগুলো বন্ধ হওয়ার ফলে 'লাব' শব্দের সৃষ্টি হয়। নিলয়ের ডায়াস্টোল : নিলয়ের সংকোচনের পরপরই সেগুলো আবার প্রসারিত হতে থাকে এবং অলিন্দ থেকে পুনরায় রক্ত এসে নিলয় পূর্ণ করতে শুরু করে। এই সময় কপাটিকা বন্ধ হওয়ার ফলে 'ডাব' শব্দের সৃষ্টি হয়। এভাবেই অলিন্দ ও নিলয়ের পর্যায়ক্রমিক সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ড সারাশরীরে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া সচল রাখে।

SSC বিজ্ঞান অধ্যায়-৩ : হৃদযন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বিজ্ঞান · অধ্যায়-৩ : হৃদযন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য · সৃজনশীল

মিতুর শিক্ষকের বুঝানো প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

মিতুর শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে একটি পোস্টার বানিয়ে বিশেষ একটি ত্রিকোণাকার অঙ্গের সাহায্যে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়াটি বুঝিয়ে দিলেন। এরপর তিনি বললেন রক্ত একটি তরল যোজক কলা. যা আমাদের দেহের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে।

Dinajpur · 2026

উত্তর

রক্তকে সেন্ট্রিফিউজ করা হলে উপরে হালকা হলুদ বর্ণের ৫৫% যে তরল অংশ থাকে তাকে প্লাজমা বলে।

উত্তর

রক্তের তরল অংশকে রক্তরস বা প্লাজমা বলা হয় যার প্রায় ৯০ শতাংশই পানি। রক্ত জমাট বাঁধার পর যে স্বচ্ছ রস পাওয়া যায় তাকে মূলত সিরাম বলা হয়। রক্তরস এবং সিরামের মাঝে মূল পার্থক্য হলো রক্তরসে রক্ত তঞ্চনের প্রোটিন থাকে কিন্তু সিরামে তা থাকে না। রক্ত থেকে রক্তকণিকা এবং জমাট বাঁধার প্রোটিন সরিয়ে নিলে যে অবশিষ্টাংশ থাকে তাই সিরাম। সুতরাং উপাদানের এই ভিন্নতার কারণে সিরামকে সরাসরি রক্তরস বা প্লাজমা বলা যায় না।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মিতুর শিক্ষকের বুঝানো প্রক্রিয়াটি হলো রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া। নিচে এই প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো— রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়ায় হৃৎপিণ্ড একটি পাম্পের মতো কাজ করে এবং এর সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে সারাদেহে রক্ত প্রবাহিত হয়। হৃৎপিণ্ডের এই কাজ মূলত চারটি ধাপে সম্পন্ন হয়, যাকে কার্ডিয়াক চক্র বলা হয়— অলিন্দের ডায়াস্টোল : এই ধাপে হৃৎপিণ্ডের উপরের প্রকোষ্ঠ বা অলিন্দ দুটি প্রসারিত হয়। তখন সারাশরীর থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড যুক্ত রক্ত মহাশিরা দিয়ে ডান অলিন্দে এবং ফুসফুস থেকে অক্সিজেন যুক্ত রক্ত পালমোনারি শিরা দিয়ে বাম অলিন্দে প্রবেশ করে। অলিন্দের সিস্টোল : অলিন্দ দুটি রক্তে পূর্ণ হলে সেগুলো সংকুচিত হয়। ফলে ডান অলিন্দ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড যুক্ত রক্ত ডান নিলয়ে এবং বাম অলিন্দ থেকে অক্সিজেন যুক্ত রক্ত বাম নিলয়ে পৌঁছায়। নিলয়ের সিস্টোল : এই ধাপে নিচের প্রকোষ্ঠ বা নিলয় দুটি সংকুচিত হয়। তখন বাম নিলয় থেকে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত মহাধমনির মাধ্যমে সারাদেহে ছড়িয়ে পড়ে। একই সময়ে ডান নিলয় থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড যুক্ত রক্ত ফুসফুসীয় ধমনির মাধ্যমে ফুসফুসে চলে যায়। এই সময় কপাটিকাগুলো বন্ধ হওয়ার ফলে 'লাব' শব্দের সৃষ্টি হয়। নিলয়ের ডায়াস্টোল : নিলয়ের সংকোচনের পরপরই সেগুলো আবার প্রসারিত হতে থাকে এবং অলিন্দ থেকে পুনরায় রক্ত এসে নিলয় পূর্ণ করতে শুরু করে। এই সময় কপাটিকা বন্ধ হওয়ার ফলে 'ডাব' শব্দের সৃষ্টি হয়। এভাবেই অলিন্দ ও নিলয়ের পর্যায়ক্রমিক সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ড সারাশরীরে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া সচল রাখে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত তরল পদার্থটি হলো রক্ত। রক্ত একটি লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু যা মানবদেহে বহুমুখী ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করে। নিচে রক্তের কার্যাবলি বিশ্লেষণ করা হলো— শ্বাসকার্য : রক্ত ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে দেহের প্রতিটি কোষে পৌঁছে দেয় এবং কোষ থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড সংগ্রহ করে ফুসফুসে নিয়ে আসে। লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিন অক্সিজেন পরিবহনে প্রধান ভূমিকা পালন করে। খাদ্যসার পরিবহন : পরিপাককৃত খাদ্যসার বা পুষ্টি উপাদানগুলো রক্তরসের মাধ্যমে দেহের প্রতিটি টিস্যু কোষে বাহিত হয়। বর্জ্য পরিবহন : বিপাকীয় কাজের ফলে কোষে উৎপন্ন ক্ষতিকর নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থগুলোকে রক্ত কিডনি বা বৃক্কে পরিবহন করে শরীর থেকে নিষ্কাশনে সহায়তা করে। রোগ প্রতিরোধ: রক্তের শ্বেত রক্তকণিকাগুলো (WBC) দেহে প্রবেশ করা রোগজীবাণুকে ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় ধ্বংস করে এবং অ্যান্টিবডি তৈরির মাধ্যমে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখে। হরমোন পরিবহন : অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন রক্তের মাধ্যমেই দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবাহিত হয়ে শারীরিক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ-করে। রক্ত জমাট বাঁধা : দেহের কোনো অংশ কেটে গেলে অণুচক্রিকা রক্ত তঞ্চন বা জমাট বাঁধানোর মাধ্যমে রক্তপাত বন্ধ করে জীবন রক্ষা করে। তাপমাত্রা ও pH নিয়ন্ত্রণ : রক্ত দেহের সর্বত্র তাপ ছড়িয়ে দিয়ে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখে। এছাড়া হিমোগ্লোবিন বাফার হিসেবে কাজ করে রক্তের অম্ল-ক্ষারের (pH) ভারসাম্য রক্ষা করে। পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের তরল পদার্থ তথা রক্ত কেবল একটি সংবহন মাধ্যম নয়, বরং এটি দেহের পুষ্টি সরবরাহ, প্রতিরক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার প্রধান চালিকাশক্তি।
SSCবিজ্ঞানঅধ্যায়-৩ : হৃদযন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.হৃদচক্র বলতে কী বুঝায়?

হৃদচক্র বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.শ্বেতকণিকার ভূমিকা উল্লেখ করো।

শ্বেতকণিকার ভূমিকা উল্লেখ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সন্তান সম্ভবা মহিলাদের ক্ষেত্রে Rh ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ কেন?

সন্তান সম্ভবা মহিলাদের ক্ষেত্রে Rh ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আমরা কীভাবে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করতে পারি?

আমরা কীভাবে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করতে পারি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।

অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.আমাদের শরীরের জন্য HDL উপকারী কেন?

আমাদের শরীরের জন্য HDL উপকারী কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.থ্রোম্বোসাইট বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

থ্রোম্বোসাইট বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার

ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.রক্তের কোন গ্রুপকে সার্বজনীন দাতা বলা হয় এবং কেন?

রক্তের কোন গ্রুপকে সার্বজনীন দাতা বলা হয় এবং কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.অ্যানিমিয়া কী?

অ্যানিমিয়া কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হাইপারটেনশন বলতে কী বুঝায়?

হাইপারটেনশন বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.রক্তবাহিকায় রক্ত জমাট বাঁধে না কেন?

রক্তবাহিকায় রক্ত জমাট বাঁধে না কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।