শেয়ারFacebookWhatsApp

কবির সাহেব ও সাজিদ সাহেবের রোগ দুটির মধ্যে একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং অন্যটি নিরাময়যোগ্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী কবির সাহেব ডায়াবেটিস এবং সাজিদ সাহেব উচ্চ রক্তচাপ রোগে আক্রান্ত। নিচে এই রোগ দুটির প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা হলো— কবির সাহেবের রোগ (ডায়াবেটিস) : নিয়ন্ত্রণযোগ্য কবির সাহেবের উপসর্গগুলো (রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব এবং দুর্বলতা) নির্দেশ করে যে তিনি ডায়াবেটিস রোগে ভুগছেন। ডায়াবেটিস একটি বিপাকজনিত রোগ যা পুরোপুরি নির্মূল বা নিরাময় করা সম্ভব নয়, তবে এটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য। ডায়াবেটিস প্রধানত তিনটি উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়: খাদ্য নিয়ন্ত্রণ: মিষ্টি ও শর্করা জাতীয় খাবার পরিহার করে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সুষম খাদ্য গ্রহণ করে রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখা যায়। ওষুধ সেবন : অগ্ন্যাশয় পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে প্রয়োজনে ইনসুলিন ইনজেকশন বা ওষুধ সেবনের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়। জীবন-শৃঙ্খলা : নিয়মিত ব্যায়াম করা, মিষ্টি খাওয়া ছেড়ে দেওয়া এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের মাধ্যমে ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিও সুস্থ থাকতে পারেন। সাজিদ সাহেবের রোগ (উচ্চ রক্তচাপ): নিরাময়যোগ্য/প্রতিকারযোগ্য সাজিদ সাহেবের রক্তচাপ [গণিত] যা স্বাভাবিক রক্তচাপের [গণিত] চেয়ে অনেক বেশি, তাই তিনি উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। এটি জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে নিরাময় বা প্রতিকার করা সম্ভব। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন: খাবারে অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ বর্জন করা এবং চর্বিযুক্ত খাদ্য (ঘি, মাখন, খাসির মাংস) পরিহার করলে রক্তচাপ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। শারীরিক পরিশ্রম : নিয়মিত ব্যায়াম এবং দেহের ওজন কমানোর মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি থেকে মুক্ত হওয়া যায়। মানসিক প্রশান্তি : ধূমপান বর্জন করা এবং মানসিক চাপমুক্ত জীবনযাপন করলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি বা প্রতিকার পাওয়া সম্ভব। কবির সাহেবের ডায়াবেটিস রোগটি একবার হলে তা শরীর থেকে পুরোপুরি দূর হয় না, বরং সারাজীবন শৃঙ্খলার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। অন্যদিকে, সাজিদ সাহেবের উচ্চ রক্তচাপ রোগটি সঠিক চিকিৎসা এবং জীবনযাত্রার আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে স্বাভাবিক সীমায় নামিয়ে আনা এবং এর জটিলতা থেকে নিরাময় লাভ করা সম্ভব। সুতরাং, উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে বলা যায় যে, কবির সাহেবের রোগটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং সাজিদ সাহেবের রোগটি নিরাময়যোগ্য।

SSC বিজ্ঞান অধ্যায়-৩ : হৃদযন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বিজ্ঞান · অধ্যায়-৩ : হৃদযন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য · সৃজনশীল

কবির সাহেব ও সাজিদ সাহেবের রোগ দুটির মধ্যে একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং …

উদ্দীপক

কবির সাহেব কিছুদিন যাবৎ রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব করছেন এবং শারীরিকভাবে দুর্বলতা অনুভব করছেন। অপরদিকে তার বন্ধু সাজিদ সাহেব অসুস্থবোধ করলে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার পরীক্ষা শেষে সাজিদ সাহেবের রক্তচাপ ১৭০/১২০ (mm/Hg)১৭০/১২০ \mathrm{~(mm/Hg)} পেলেন।

Dinajpur · 2026

উত্তর

হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এবং রক্তকোষের সংখ্যা, স্বাভাবিকের তুলনায় অত্যধিক বৃদ্ধি পাওয়াকে পলিসাইথিমিয়া বলে।

উত্তর

যখন কোনো রক্তবাহিকা বা কোনো টিস্যু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কেটে যায়, তখন সেস্থানের অণুচক্রিকাগুলো ভেঙে যায় এবং থ্রম্বোপ্লাসটিন নামক পদার্থ সৃষ্টি করে। এ পদার্থগুলো রক্তের আমিষ প্রোথ্রমবিনকে থ্রমবিনে পরিণত করে। থ্রমবিন পরবর্তীতে রক্তরসের প্রোটিন-ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিন জালকে পরিণত করে রক্তের তঞ্চন ঘটায়। ফাইব্রিন এক ধরনের অদ্রবণীয় প্রোটিন, যা দ্রুত সুতার মতো জালিকা প্রস্তুত করে। এটি ক্ষতস্থানে জমাট বাঁধে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করে।

উত্তর

উদ্দীপকে কবির সাহেবের উপসর্গগুলো রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া এবং শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করা মূলত ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগের লক্ষণ। ডায়াবেটিস একটি বিপাকজনিত রোগ, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে গেলে দেখা দেয়। এই রোগের প্রধান লক্ষণ ও উপসর্গগুলো হলো— ১. প্রস্রাবের আধিক্য : ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, বিশেষ করে রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া। ২. অত্যধিক পিপাসা : তৃষ্ণা অনেক বেড়ে যায় এবং বারবার পানি পান করার প্রয়োজন হয়। ৩. ক্ষুধা ও দুর্বলতা: প্রচুর ক্ষুধা অনুভব করা এবং শরীরে অতিমাত্রায় দুর্বলতা বোধ করা। ৪. ওজন হ্রাস : যথেষ্ট পরিমাণ খাদ্য গ্রহণ করার পরেও শরীরের ওজন কমতে থাকা এবং শরীর শীর্ণ হয়ে যাওয়া। ৫. দ্রুত ক্লান্তি : সামান্য কায়িক পরিশ্রমে শরীর হাঁপিয়ে ওঠা এবং অবসাদগ্রস্ত হওয়া। ৬. ত্বকের সমস্যা: শরীরের চামড়া বা ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া। ৭. দৃষ্টিশক্তির সমস্যা : চোখে ঝাপসা দেখা। ৮. ক্ষত নিরাময়ে বিলম্ব: শরীরের কোথাও কেটে গেলে বা ক্ষতের সৃষ্টি হলে তা সহজে শুকাতে চায় না বা শুকাতে অনেক দেরি হয়। মূলত শরীরে ইনসুলিন হরমোনের অভাব বা এর অকার্যকারিতার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গিয়ে এই লক্ষণগুলো প্রকাশ পায়।

উত্তর

উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী কবির সাহেব ডায়াবেটিস এবং সাজিদ সাহেব উচ্চ রক্তচাপ রোগে আক্রান্ত। নিচে এই রোগ দুটির প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা হলো— কবির সাহেবের রোগ (ডায়াবেটিস) : নিয়ন্ত্রণযোগ্য কবির সাহেবের উপসর্গগুলো (রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব এবং দুর্বলতা) নির্দেশ করে যে তিনি ডায়াবেটিস রোগে ভুগছেন। ডায়াবেটিস একটি বিপাকজনিত রোগ যা পুরোপুরি নির্মূল বা নিরাময় করা সম্ভব নয়, তবে এটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য। ডায়াবেটিস প্রধানত তিনটি উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়: খাদ্য নিয়ন্ত্রণ: মিষ্টি ও শর্করা জাতীয় খাবার পরিহার করে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সুষম খাদ্য গ্রহণ করে রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখা যায়। ওষুধ সেবন : অগ্ন্যাশয় পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে না পারলে প্রয়োজনে ইনসুলিন ইনজেকশন বা ওষুধ সেবনের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়। জীবন-শৃঙ্খলা : নিয়মিত ব্যায়াম করা, মিষ্টি খাওয়া ছেড়ে দেওয়া এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের মাধ্যমে ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিও সুস্থ থাকতে পারেন। সাজিদ সাহেবের রোগ (উচ্চ রক্তচাপ): নিরাময়যোগ্য/প্রতিকারযোগ্য সাজিদ সাহেবের রক্তচাপ ১৭০/১২০ mm Hg১৭০/১২০ \mathrm{~mm~Hg} যা স্বাভাবিক রক্তচাপের ১২০/৮০ mm Hg১২০/৮০ \mathrm{~mm~Hg} চেয়ে অনেক বেশি, তাই তিনি উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। এটি জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে নিরাময় বা প্রতিকার করা সম্ভব। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন: খাবারে অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ বর্জন করা এবং চর্বিযুক্ত খাদ্য (ঘি, মাখন, খাসির মাংস) পরিহার করলে রক্তচাপ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। শারীরিক পরিশ্রম : নিয়মিত ব্যায়াম এবং দেহের ওজন কমানোর মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি থেকে মুক্ত হওয়া যায়। মানসিক প্রশান্তি : ধূমপান বর্জন করা এবং মানসিক চাপমুক্ত জীবনযাপন করলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি বা প্রতিকার পাওয়া সম্ভব। কবির সাহেবের ডায়াবেটিস রোগটি একবার হলে তা শরীর থেকে পুরোপুরি দূর হয় না, বরং সারাজীবন শৃঙ্খলার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। অন্যদিকে, সাজিদ সাহেবের উচ্চ রক্তচাপ রোগটি সঠিক চিকিৎসা এবং জীবনযাত্রার আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে স্বাভাবিক সীমায় নামিয়ে আনা এবং এর জটিলতা থেকে নিরাময় লাভ করা সম্ভব। সুতরাং, উদ্দীপকের তথ্যের আলোকে বলা যায় যে, কবির সাহেবের রোগটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং সাজিদ সাহেবের রোগটি নিরাময়যোগ্য।
SSCবিজ্ঞানঅধ্যায়-৩ : হৃদযন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.হৃদচক্র বলতে কী বুঝায়?

হৃদচক্র বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.শ্বেতকণিকার ভূমিকা উল্লেখ করো।

শ্বেতকণিকার ভূমিকা উল্লেখ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সন্তান সম্ভবা মহিলাদের ক্ষেত্রে Rh ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ কেন?

সন্তান সম্ভবা মহিলাদের ক্ষেত্রে Rh ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আমরা কীভাবে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করতে পারি?

আমরা কীভাবে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করতে পারি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।

অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.আমাদের শরীরের জন্য HDL উপকারী কেন?

আমাদের শরীরের জন্য HDL উপকারী কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.থ্রোম্বোসাইট বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

থ্রোম্বোসাইট বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার

ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.রক্তের কোন গ্রুপকে সার্বজনীন দাতা বলা হয় এবং কেন?

রক্তের কোন গ্রুপকে সার্বজনীন দাতা বলা হয় এবং কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.অ্যানিমিয়া কী?

অ্যানিমিয়া কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হাইপারটেনশন বলতে কী বুঝায়?

হাইপারটেনশন বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.রক্তবাহিকায় রক্ত জমাট বাঁধে না কেন?

রক্তবাহিকায় রক্ত জমাট বাঁধে না কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।