শেয়ারFacebookWhatsApp

“উদ্দীপকের যন্ত্রটিকে ভালো রাখার সাথে সু-অভ্যাস জড়িত" –বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের যন্ত্রটি হলো মানবদেহের হৃৎপিণ্ড। সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনপ্রণালি অনুসরণ করে হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখা যায়। হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখার জন্য নিম্নলিখিত উপায়গুলো অবলম্বন করা আবশ্যক- ১. দেহের উচ্চতা ও বয়স অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত ওজন বজায় রাখা। দেহের ওজন বৃদ্ধি পেলে হৃৎপিণ্ড দুর্বল হয়ে পড়ে। ২.. প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ প্রোটিন মিশ্রিত খাবার খাওয়া। ৩. শর্করা, মিষ্টি ও স্নেহ জাতীয় খাদ্যের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা। সামুদ্রিক মাছের তেল রক্ত কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় এবং রক্তে জমাট বাঁধার প্রবণতা হ্রাস করে। ৪. ভিটামিন ও খনিজ লবণের চাহিদা সুষম খাদ্যে যা আছে তা অপরিবর্তিত রাখা উচিত। তবে খাওয়ার লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। ৫. রসুন, তেঁতুল, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ও অন্যান্য ফল নিয়মিত খেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে। ৬. নিয়মিক শারীরিক ব্যায়াম এবং সকাল-বিকাল হাঁটার অব্যাস করা। ৭. সঠিক ও পরিমিত পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ করতে হবে এবং অতিভোজন হতে বিরত থাকতে হবে। ৮. সময়মতো ঘুমাতে হবে এবং ধূমপান ও মদ্যপান সম্পূর্ণরূপে পরিহার করতে হবে। অতএব বলা যায়, একমাত্র সুশঙ্খল জীবন প্রণালি তথা সুঅভ্যাস গঠনের মাধ্যমেই হৃৎপিণ্ডের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটিকে ভালো রাখা যায়।

SSC বিজ্ঞান অধ্যায়-৩ : হৃদযন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বিজ্ঞান · অধ্যায়-৩ : হৃদযন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য · সৃজনশীল

“উদ্দীপকের যন্ত্রটিকে ভালো রাখার সাথে সু-অভ্যাস জড়িত" –বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

জনাব 'XX' এর ঘন ঘন প্রস্রাব হচ্ছে। এ অবস্থায় ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার এ রোগটি নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দিলেন। শেষে হৃদযন্ত্রকে ভালো রাখার উপায়ও বলে দিলেন।

Comilla · 2024

উত্তর

রক্তকে সেন্ট্রিফিউজ করা হলে উপরে হালকা হলুদ বর্ণের ৫৫% যে তরল অংশ থাকে তাকে প্লাজমা বলে।

উত্তর

থ্যালাসিমিয়া একটি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্তকাণিকা ভেঙে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। মানুষের অটোজমে অবস্থিত প্রচ্ছন্ন জিনের দ্বারা এ রোগটি ঘটে বলে এটিকে বংশগত রোগ বলা হয়। যখন মাতা ও পিতা উভয়ের অটোজমে এ জিনটি প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে, তখন তাদের সন্তানদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন জিন দুটি একত্রিত হয়ে এ রোগের প্রকাশ ঘটে।

উত্তর

উদ্দীপকে জনাব 'XX' এর রোগটি হলো ডায়াবেটিস। যা এক প্রকার বিপাকজনিত রোগ। বিশেষ কিছু নিয়ম অবলম্বনের মাধ্যমে তিনি রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন। যেমন- খাদ্য নিয়ন্ত্রণ: ১. এমন খাবার খেতে হবে যা প্রোটিন সমৃদ্ধ এবং যাতে শ্বেতসার -কম থাকে। যেমন গাঢ় সবুজ রঙের শাকসবজি, বরবটি, মাশরুম, বাদাম, ডিম, মাছ, চর্বি ছাড়া মাংস। ২. চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাদ্য পরিহার করতে হবে। জীবন শৃঙ্খলা : ১. নিয়মিত ও পরিমাণ মতো সুষম খাবার খেতে হবে। ২. নিয়মিত, পরিমাণমতো ব্যায়াম করতে হবে। ৩. নিয়মিত প্রস্রাব পরীক্ষা ও ফলাফল লিখে রাখতে হবে। ওষুধ সেবন : প্রয়োজন অনুসারে ডায়াবেটিসের ঔষধ সেবন করতে হবে। যদি ইনসুলিন নেওয়ার প্রয়োজন হয় তবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ইনসুলিন গ্রহণ করতে হবে। জনাব 'XX' যদি যথাযথভাবে উপরের বিষয়গুলো অনুসরণ করতে পারেন তবে তার রোগটি অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

উত্তর

উদ্দীপকের যন্ত্রটি হলো মানবদেহের হৃৎপিণ্ড। সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনপ্রণালি অনুসরণ করে হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখা যায়। হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখার জন্য নিম্নলিখিত উপায়গুলো অবলম্বন করা আবশ্যক- ১. দেহের উচ্চতা ও বয়স অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত ওজন বজায় রাখা। দেহের ওজন বৃদ্ধি পেলে হৃৎপিণ্ড দুর্বল হয়ে পড়ে। ২.. প্রাণিজ ও উদ্ভিজ্জ প্রোটিন মিশ্রিত খাবার খাওয়া। ৩. শর্করা, মিষ্টি ও স্নেহ জাতীয় খাদ্যের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা। সামুদ্রিক মাছের তেল রক্ত কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় এবং রক্তে জমাট বাঁধার প্রবণতা হ্রাস করে। ৪. ভিটামিন ও খনিজ লবণের চাহিদা সুষম খাদ্যে যা আছে তা অপরিবর্তিত রাখা উচিত। তবে খাওয়ার লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। ৫. রসুন, তেঁতুল, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ও অন্যান্য ফল নিয়মিত খেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে। ৬. নিয়মিক শারীরিক ব্যায়াম এবং সকাল-বিকাল হাঁটার অব্যাস করা। ৭. সঠিক ও পরিমিত পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ করতে হবে এবং অতিভোজন হতে বিরত থাকতে হবে। ৮. সময়মতো ঘুমাতে হবে এবং ধূমপান ও মদ্যপান সম্পূর্ণরূপে পরিহার করতে হবে। অতএব বলা যায়, একমাত্র সুশঙ্খল জীবন প্রণালি তথা সুঅভ্যাস গঠনের মাধ্যমেই হৃৎপিণ্ডের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটিকে ভালো রাখা যায়।
SSCবিজ্ঞানঅধ্যায়-৩ : হৃদযন্ত্রের যত কথা এবং অন্যান্য
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.হৃদচক্র বলতে কী বুঝায়?

হৃদচক্র বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.শ্বেতকণিকার ভূমিকা উল্লেখ করো।

শ্বেতকণিকার ভূমিকা উল্লেখ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সন্তান সম্ভবা মহিলাদের ক্ষেত্রে Rh ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ কেন?

সন্তান সম্ভবা মহিলাদের ক্ষেত্রে Rh ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আমরা কীভাবে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করতে পারি?

আমরা কীভাবে উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধ করতে পারি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।

অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.আমাদের শরীরের জন্য HDL উপকারী কেন?

আমাদের শরীরের জন্য HDL উপকারী কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.থ্রোম্বোসাইট বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

থ্রোম্বোসাইট বলতে কী বুঝায়? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার

ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.রক্তের কোন গ্রুপকে সার্বজনীন দাতা বলা হয় এবং কেন?

রক্তের কোন গ্রুপকে সার্বজনীন দাতা বলা হয় এবং কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.অ্যানিমিয়া কী?

অ্যানিমিয়া কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হাইপারটেনশন বলতে কী বুঝায়?

হাইপারটেনশন বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.রক্তবাহিকায় রক্ত জমাট বাঁধে না কেন?

রক্তবাহিকায় রক্ত জমাট বাঁধে না কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।