উদ্দীপকের A পদার্থের মধ্যে পরিমান মতো Al যোগ করলে যে সেমিকন্ডাক্টর উৎপন্ন হয় তা ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকের A পদার্থের মধ্যে পরিমান মতো Al যোগ করলে যে সেমিকন্ডাক্টর উৎপন্ন হয় তা হলো p-type সেমিকন্ডাক্টর। উদ্দীপকের A পদার্থটি হলো একটি বিশুদ্ধ Si ক্রিস্টাল, যার শেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন সংখ্যা 4। অন্যদিকে, Al একটি ধাতু যার শেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন সংখ্যা 3। বিশুদ্ধ Si পরমাণুর সাথে ত্রিযোজী Al পরমাণু মেশানো হলে Al পরমাণুর কক্ষপথে একটা জায়গায় ইলেকট্রনের জন্য একটা ফাঁকা জায়গা থাকবে এবং পরমাণুটির সেই ফাঁকা জায়গাটা পাশের একটা ইলেকট্রন এসে ভরাট করে ফেলতে পারে। তখন পাশের পরমাণুতে একটা ফাঁকা জায়গা তৈরি হবে এবং সেই ফাঁকা জায়গাটি তার পাশের পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন এসে ভরাট করে ফেলবে। এ অবস্থায় মনে হয় যেন একটি ইলেকট্রনের অভাবযুক্ত ফাঁকা স্থান পরমাণু থেকে পরমাণুতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই ফাঁকা জায়গাটিকে বলা হয় হোল (hole) এবং এর চার্জ ধনাত্মক বিবেচনা করা হয়। এমতাবস্থায় Al যুক্ত Si ক্রিস্টালের এই সেমিকন্ডাক্টরটি একটি পরিবাহক হিসাবে কাজ করবে এবং এখানে চার্জ পরিবহন করবে ধনাত্মক চার্জযুক্ত hole। এভাবে শেষ কক্ষপথে তিনটি ইলেকট্রনযুক্ত পরমাণু মিশিয়ে একটি সেমিকন্ডাক্টরকে যখন পরিবাহক করে ফেলা হয় তখন তাকে বলা হয় p-type বা p-ধরনের সেমিকন্ডাক্টর।
SSC পদার্থবিজ্ঞান অধ্যায়-১৩ : তেজস্ক্রিয়তা ও ইলেকট্রনিকস (Full Syllabus) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · পদার্থবিজ্ঞান · অধ্যায়-১৩ : তেজস্ক্রিয়তা ও ইলেকট্রনিকস (Full Syllabus) · সৃজনশীল
উদ্দীপকের A পদার্থের মধ্যে পরিমান মতো Al যোগ করলে যে সেমিকন্ডাক্টর …
উদ্দীপক

উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
অর্থাৎ p-n জংশন ডায়োডটি শুধুমাত্র একদিকে তড়িৎ প্রবাহের অনুমতি দেয় তথা একমুখীকারক হিসেবে কাজ করে।
অতএব, উদ্দীপকের B ডিভাইসটি তথা p-n জংশন ডায়োড এভাবে রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে AC প্রবাহকে DC প্রবাহে রূপান্তরিত করে।
