শেয়ারFacebookWhatsApp

জীবদেহে শক্তি উৎপন্ন হওয়ার সাথে চিত্র P অঙ্গাণুর সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের চিত্র-P হলো মাইটোকন্ড্রিয়া জীবদেহে শক্তি উৎপন্ন হওয়ার সাথে মাইটোকন্ড্রিয়া ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তা বিশ্লেষণ করা হলো-মাইটোকন্ড্রিয়া জীবের যাবতীয় কাজের জন্য শক্তি উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ করে। জীবের প্রতিটি প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য শক্তি প্রয়োজন। আর এ শক্তি আসে শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। কাজেই শক্তি উৎপাদনের মাধ্যমে জীবের সকল জৈবিক প্রক্রিয়া সচল রাখার ক্ষেত্রে শ্বসন প্রক্রিয়ার প্রভাব অপরিসীম। আবার জীবের এ শ্বসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় মাইটোকন্ড্রিয়াতে। এ কারণে মাইটোকন্ড্রিয়াকে বলা হয় কোষের শক্তিঘর। মাইটোকন্ড্রিয়াতে শ্বসনের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম, কো-এনজাইম ইত্যাদি থাকে। শ্বসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় যেমন-ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ও অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন মাইটোকন্ড্রিয়াতে সম্পন্ন হয়। এ কারণে জীবদেহে যদি মাইটোকন্ড্রিয়া না থাকে তবে ATP তথা শক্তি উৎপাদন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে জীবদেহের সকল জৈবিক ক্রিয়াও ধীরে ধীরে থেমে যাবে। আর এর পরিণতিতে জীব মৃত্যুর দিকে ঢলে পড়বে।

SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু · সৃজনশীল

জীবদেহে শক্তি উৎপন্ন হওয়ার সাথে চিত্র P অঙ্গাণুর সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর- question image

Rajshahi · 2024

উত্তর

ভৌত বিজ্ঞানের যে শাখায় জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে ভূণবিদ্যা বলে।

উত্তর

মাশরুম এক ধরনের ছত্রাক। এটি সাধারণত পচা কাঠ বা বস্তু বা মৃত জীবদেহ থেকে খনিজ লবণ, পানি অথবা পুষ্টি পদার্থ শোষণ করে নিজের খাদ্য সংগ্রহ করে বা পুষ্টি সাধন করে। যেহেতু মাশরুম মৃত জীব থেকেই খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে এজন্য মাশরুমকে মৃতজীবী বলা হয়।

উত্তর

চিত্রের 'Q′Q^{\prime} অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট। ক্লোরোপ্লাস্টে সালোকসংশ্লেষণের অন্ধকার পর্যায় সংঘটিত হয়। এ পর্যায়ে শর্করা তৈরি হয়। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা প্রস্তুত করে। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার আলোক পর্যায়ে ফটোফসফোরাইলেশন প্রক্রিয়ায় ক্লোরোফিল অণু সূর্য থেকে আলোক ফোটন শোষণ করে, পানির উপস্থিতিতে ATP ও NADPH+H+\mathrm{NADPH}+\mathrm{H}^{+} তৈরি করে। এদেরকে আত্তীকরণ শক্তি বলে। এ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ক্লোরোপ্লাস্টে অন্ধকার পর্যায়ে CO₂ বিজারিত হয়ে শর্করা খাদ্য তৈরি হয়। এক্ষেত্রে বায়ুস্থ CO₂ পত্ররন্দ্রের মধ্য দিয়ে কোষে প্রবেশ করে, কোষে অবস্থিত ৫-কার্বনবিশিষ্ট রাইবুলোজ-১, ৫-ডাইফসফেট এর সাথে মিলিত হয়ে ৬-কার্বনবিশিষ্ট কিটো এসিড তৈরি করে যা সাথে সাথে ভেঙে গিয়ে তিন কার্বনবিশিষ্ট দুই অণু ৩-ফসফোগ্লিসারিক এসিড তৈরি হয়। অতঃপর আলোক পর্যায়ে সৃষ্ট আত্তীকরণ শক্তি ATP ও NADPH+H+\mathrm{NADPH}+\mathrm{H}^{+} কে ব্যবহার করে ৩-ফসফোগ্লিসারিক এসিড ৩-কার্বন বিশিষ্ট ৩-ফসফোগ্লিসারালডিহাইড ডাইহাইড্রোক্সি এসিটোন ফসফেট তৈরি করে। ৩-ফসফোগ্লিসারালডিহাইড ও ডাইহাইড্রক্সি এসিটোন ফসফেট থেকে ক্রমাগত বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একদিকে শর্করা এবং-অপরদিকে রাইবুলোজ-১, ৫-ডাইফসফেট তৈরি হয়ে থাকে। এভাবে আত্তীকরণ শক্তি ATP ও NADPH+H+\mathrm{NADPH}+\mathrm{H}^{+} কার্বন ডাইঅক্সাইডের সাথে রিক্রিয়া করে বিজারিত হয়ে শর্করা উৎপন্ন করে।

উত্তর

উদ্দীপকের চিত্র-P হলো মাইটোকন্ড্রিয়া জীবদেহে শক্তি উৎপন্ন হওয়ার সাথে মাইটোকন্ড্রিয়া ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তা বিশ্লেষণ করা হলো-মাইটোকন্ড্রিয়া জীবের যাবতীয় কাজের জন্য শক্তি উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ করে। জীবের প্রতিটি প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য শক্তি প্রয়োজন। আর এ শক্তি আসে শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। কাজেই শক্তি উৎপাদনের মাধ্যমে জীবের সকল জৈবিক প্রক্রিয়া সচল রাখার ক্ষেত্রে শ্বসন প্রক্রিয়ার প্রভাব অপরিসীম। আবার জীবের এ শ্বসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় মাইটোকন্ড্রিয়াতে। এ কারণে মাইটোকন্ড্রিয়াকে বলা হয় কোষের শক্তিঘর। মাইটোকন্ড্রিয়াতে শ্বসনের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম, কো-এনজাইম ইত্যাদি থাকে। শ্বসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় যেমন-ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ও অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন মাইটোকন্ড্রিয়াতে সম্পন্ন হয়। এ কারণে জীবদেহে যদি মাইটোকন্ড্রিয়া না থাকে তবে ATP তথা শক্তি উৎপাদন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে জীবদেহের সকল জৈবিক ক্রিয়াও ধীরে ধীরে থেমে যাবে। আর এর পরিণতিতে জীব মৃত্যুর দিকে ঢলে পড়বে।
SSCজীববিজ্ঞানঅধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.একটি তন্ত্র X এর মাধ্যমে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য শরীর থেকে অপসারিত হয়। X তন্ত্রটি কীভাবে শরীরকে সুস্থ ও বিষমুক্ত রাখতে সাহায্য করে?

একটি তন্ত্র X এর মাধ্যমে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য শরীর থেকে অপসারিত হয়। X তন্ত্রটি কীভাবে শরীরকে সুস্থ ও বিষমুক্ত রাখতে সাহায্য করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সিভকোষ কী? ব্যাখ্যা করো।

সিভকোষ কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কোষ গহ্বরের কাজ কী?

কোষ গহ্বরের কাজ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কোন পেশিকে বিশেষ পেশি বলা হয় এবং কেন?

কোন পেশিকে বিশেষ পেশি বলা হয় এবং কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.প্যারেনকাইমাকে সরল টিস্যু বলা হয় কেন?

প্যারেনকাইমাকে সরল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইটের মধ্যে পার্থক্য কী?

অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইটের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মসৃণ পেশি বলতে কী বুঝায়?

মসৃণ পেশি বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোষের পাওয়ার হাউজ এর গঠন সম্পর্কে লেখো।

কোষের পাওয়ার হাউজ এর গঠন সম্পর্কে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.জাইলেমকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

জাইলেমকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মানুষের ত্বককে স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু বলা হয় কেন?

মানুষের ত্বককে স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.পরিবহণ টিস্যুকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

পরিবহণ টিস্যুকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.রাইবোজোমকে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয় কেন?

রাইবোজোমকে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।