শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্ভিদের জীবনধারণে উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র 'Y [গণিত] এর ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: উদ্দীপকের চিত্রে 'Y [গণিত] হলো ক্লোরোপ্লাস্ট। এটি সবুজ রঙের প্লাস্টিড। এটি গাছের সবুজ পাতা, কচি কাণ্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে পাওয়া যায়। জীবজগতকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে এ অঙ্গাণুটির ভূমিকা অপরিসীম। নিচে জীবজগতকে টিকিয়ে রাখতে ক্লোরোপ্লাস্টের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো— ১. ক্লোরোপ্লাস্ট সালোক-সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। এটি সবুজ উদ্ভিদকোষে অবস্থিত থেকে, বায়ুমণ্ডলের CO₂ ও কোষস্থ পানি ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা তৈরি করে যা বিভিন্ন শ্রেণির খাদ্যের উৎস হিসেবে গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। ২. বায়ুতে CO₂ গ্যাসের পরিমাণ শতকরা ০.০৩ ভাগ। বায়ুতে CO₂ এর পরিমাণ বেশি হলে তা জীবদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে ক্লোরোপ্লাস্ট CO₂ ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করে। এতে বায়ুতে O₂ ও CO₂ এর অনুপাত ঠিক থাকে। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হয়। ৩. শ্বসনের শক্তির মূল উৎস সূর্য। সূর্য হতে পৃথিবীতে আসা মোটা আলো ও তাপশক্তির ২% আলো সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ শর্করায় রাসায়নিক শক্তি হিসেবে সঞ্চয় করে, যা বিভিন্ন ধাপ ঘুরে প্রাণীর খাদ্যের মধ্যে বেঁচে থাকে। সমস্ত উদ্ভিদ ও প্রাণীজগৎ রাসায়নিক শক্তি প্রথমে সৌরশক্তি গ্রথিত পৌছে। এরপর খায় মাংসাশী প্রাণীরা। এতে রাসায়নিক শক্তি পর্যায়ক্রমে হয়, ভয় ও সর্বোচ্চ শ্রেণির খাদকে পৌঁছায়। এভাবে শক্তি ব্যবহার করে প্রাণীরা তাদের কার্যক্রম চালাতে সক্ষম হয়। এভাবে জীবের জন্য খাদ্য তৈরি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বায়ুতে শক্তি প্রবাহ বজায় রাখতে ক্লোরোপ্লাস্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তা না হলে সমস্ত জীবজগৎ ধ্বংসের সম্মুখীন হতো। তাই বলা যায় মূলত ক্লোরোপ্লাস্টই জীবজগতকে টিকিয়ে রাখছে।

SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু · সৃজনশীল

উদ্ভিদের জীবনধারণে উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্র 'Y এর ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।

উদ্দীপক

question image

Barisal · 2021

উত্তর

প্রাককেন্দ্রিক কোষ: মূলত নিউক্লিয়াসবিহীন কোষকে আদিপ্রাণীর বা প্রাককেন্দ্রিক কোষ বলে।

উত্তর

লাইসোজোম একটি গুরুত্বপূর্ণ সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু যা জীবাণু ভক্ষণের মাধ্যমে জীব কোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে। এই প্রক্রিয়াটিকে ফ্যাগোসাইটোসিস বলা হয়। লাইসোজোমের অভ্যন্তরস্থ উৎসেচক আগত জীবাণুগুলোকে হজম করে এবং ধ্বংস করে দেয় অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ করে।

উত্তর

উদ্দীপকে 'X′X^{\prime} চিহ্নিত অঙ্গাণুটি হলো মাইটোকন্ড্রিয়া। নিচে মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠন ব্যাখ্যা করা হলো— মাইটোকন্ড্রিয়া গোলাকার বা দণ্ডাকার হয়ে থাকে। এটি দু'টি আবরণী দিয়ে ঘেরা। আবরণী দুটি হলো যথাক্রমে বহিঃআবরণী এবং অন্তঃআবরণী। বহিঃআবরণী মসৃণ কিন্তু অন্তঃআবরণী নানাভাবে ভিতরের দিকে ভাঁজ হয়ে থাকে। এই ভাঁজগুলোকে বলা হয় ক্রিস্টি (একবচনে ক্রিস্টা)। ক্রিস্টির গায়ে বৃন্তযুক্ত গোলাকার বস্তু থাকে। একে অক্সিসোম বলে। অক্সিসোমে বিভিন্ন ধরনের উৎসেচক (ATP সিনথেসেস) থাকে। মাইটোকন্ড্রিয়ার ভেতরে অর্ধতরল দানাদার পদার্থ থাকে যাকে ম্যাট্রিক্স বলে। জীবের শ্বসনকার্যে সাহায্য করা মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ। মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের “শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র” বা “পাওয়ার হাউস” বলা হয়। question image

উত্তর

উদ্দীপকের চিত্রে 'Y′Y^{\prime} হলো ক্লোরোপ্লাস্ট। এটি সবুজ রঙের প্লাস্টিড। এটি গাছের সবুজ পাতা, কচি কাণ্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে পাওয়া যায়। জীবজগতকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে এ অঙ্গাণুটির ভূমিকা অপরিসীম। নিচে জীবজগতকে টিকিয়ে রাখতে ক্লোরোপ্লাস্টের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো— ১. ক্লোরোপ্লাস্ট সালোক-সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। এটি সবুজ উদ্ভিদকোষে অবস্থিত থেকে, বায়ুমণ্ডলের CO₂ ও কোষস্থ পানি ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা তৈরি করে যা বিভিন্ন শ্রেণির খাদ্যের উৎস হিসেবে গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। ২. বায়ুতে CO₂ গ্যাসের পরিমাণ শতকরা ০.০৩ ভাগ। বায়ুতে CO₂ এর পরিমাণ বেশি হলে তা জীবদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে ক্লোরোপ্লাস্ট CO₂ ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করে। এতে বায়ুতে O₂ ও CO₂ এর অনুপাত ঠিক থাকে। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হয়। ৩. শ্বসনের শক্তির মূল উৎস সূর্য। সূর্য হতে পৃথিবীতে আসা মোটা আলো ও তাপশক্তির ২% আলো সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ শর্করায় রাসায়নিক শক্তি হিসেবে সঞ্চয় করে, যা বিভিন্ন ধাপ ঘুরে প্রাণীর খাদ্যের মধ্যে বেঁচে থাকে। সমস্ত উদ্ভিদ ও প্রাণীজগৎ রাসায়নিক শক্তি প্রথমে সৌরশক্তি গ্রথিত পৌছে। এরপর খায় মাংসাশী প্রাণীরা। এতে রাসায়নিক শক্তি পর্যায়ক্রমে হয়, ভয় ও সর্বোচ্চ শ্রেণির খাদকে পৌঁছায়। এভাবে শক্তি ব্যবহার করে প্রাণীরা তাদের কার্যক্রম চালাতে সক্ষম হয়। এভাবে জীবের জন্য খাদ্য তৈরি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বায়ুতে শক্তি প্রবাহ বজায় রাখতে ক্লোরোপ্লাস্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তা না হলে সমস্ত জীবজগৎ ধ্বংসের সম্মুখীন হতো। তাই বলা যায় মূলত ক্লোরোপ্লাস্টই জীবজগতকে টিকিয়ে রাখছে।
SSCজীববিজ্ঞানঅধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.একটি তন্ত্র X এর মাধ্যমে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য শরীর থেকে অপসারিত হয়। X তন্ত্রটি কীভাবে শরীরকে সুস্থ ও বিষমুক্ত রাখতে সাহায্য করে?

একটি তন্ত্র X এর মাধ্যমে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য শরীর থেকে অপসারিত হয়। X তন্ত্রটি কীভাবে শরীরকে সুস্থ ও বিষমুক্ত রাখতে সাহায্য করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সিভকোষ কী? ব্যাখ্যা করো।

সিভকোষ কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কোষ গহ্বরের কাজ কী?

কোষ গহ্বরের কাজ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কোন পেশিকে বিশেষ পেশি বলা হয় এবং কেন?

কোন পেশিকে বিশেষ পেশি বলা হয় এবং কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.প্যারেনকাইমাকে সরল টিস্যু বলা হয় কেন?

প্যারেনকাইমাকে সরল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইটের মধ্যে পার্থক্য কী?

অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইটের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মসৃণ পেশি বলতে কী বুঝায়?

মসৃণ পেশি বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোষের পাওয়ার হাউজ এর গঠন সম্পর্কে লেখো।

কোষের পাওয়ার হাউজ এর গঠন সম্পর্কে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.জাইলেমকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

জাইলেমকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মানুষের ত্বককে স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু বলা হয় কেন?

মানুষের ত্বককে স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.পরিবহণ টিস্যুকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

পরিবহণ টিস্যুকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.রাইবোজোমকে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয় কেন?

রাইবোজোমকে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।