শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে 'C [গণিত] চিত্রের উপাদানগুলোর কাজ ব্যাখ্যা কর

উত্তর: উদ্দীপকের চিত্র 'C [গণিত] হলো রক্তকণিকা। রক্তে তিন প্রকার রক্ত কণিকা থাকে, যথা: লোহিত রক্ত কণিকা, শ্বেত রক্ত কণিকা ও অণুচক্রিকা। নিচে রক্তকণিকাগুলোর কাজ ব্যাখ্যা করা হলো- ১. লোহিত কণিকায় বিদ্যমান হিমোগ্লোবিন অক্সিজেন পরিবহন করে কোষে নিয়ে যায় এবং কোষ থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন করে ফুসফুসে নিয়ে আসে। ২. লিম্ফোসাইট জাতীয় শ্বেতরক্তকণিকা অ্যান্ডিবড়ি গঠন করে এবং এই অ্যান্টিবডির দ্বারা দেহে প্রবেশকৃত রোগজীবাণু ধ্বংস করে। এভাবে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। মনোসাইট ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণুকে ধ্বংস করে। নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে। ইওসিনোফিল ও বেসোফিল হিস্টামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত করে দেহে এলার্জি প্রতিরোধ করে। বেসোফিল হেপারিন নিঃসৃত করে রক্তকে রক্তবাহিকার ভিতরে জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। ৩. রক্তের অনুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে ও দেহের রক্ত ক্ষরণ বন্ধ করে।

SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু · সৃজনশীল

উদ্দীপকে 'C চিত্রের উপাদানগুলোর কাজ ব্যাখ্যা কর

উদ্দীপক

question image

Rajshahi · 2021

উত্তর

উদ্ভিদের নিষেকের সময় প্রায় একই সময়ে দুটি পুংজনন কোষের একটি ডিম্বাণু ও অপরটি গৌণ কেন্দ্রিকার সাথে মিলিত হয়। এ ঘটনাকে দ্বি-নিষেক বলা হয়।

উত্তর

HIV ভাইরাসের আক্রমণে এইডস হয়। এই ভাইরাস শ্বেত রক্ত কোষের ক্ষতিসাধন করে এবং এ কোষের এন্টিবডি তৈরিসহ রোগ প্রতিরোধ-সংক্রান্ত কাজে বিঘ্ন ঘটায়। ফলে শ্বেত রক্ত কোষের সংখ্যা ও এন্ডিবডির পরিমাণ ক্রমশ কমতে থাকে। এই ভাইরাস মানবদেহে সুপ্ত অবস্থায় অনেক দিন থাকতে পারে। এই ভাইরাসের আক্রমণে রোগীর দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিনষ্ট হয়ে যায় বলে রোগীর মৃত্যু অনিবার্য হয়ে পড়ে। তাই AIDS কে ঘাতক ব্যাধি বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের চিত্র 'C′C^{\prime} হলো রক্তকণিকা। রক্তে তিন প্রকার রক্ত কণিকা থাকে, যথা: লোহিত রক্ত কণিকা, শ্বেত রক্ত কণিকা ও অণুচক্রিকা। নিচে রক্তকণিকাগুলোর কাজ ব্যাখ্যা করা হলো- ১. লোহিত কণিকায় বিদ্যমান হিমোগ্লোবিন অক্সিজেন পরিবহন করে কোষে নিয়ে যায় এবং কোষ থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন করে ফুসফুসে নিয়ে আসে। ২. লিম্ফোসাইট জাতীয় শ্বেতরক্তকণিকা অ্যান্ডিবড়ি গঠন করে এবং এই অ্যান্টিবডির দ্বারা দেহে প্রবেশকৃত রোগজীবাণু ধ্বংস করে। এভাবে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। মনোসাইট ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় রোগজীবাণুকে ধ্বংস করে। নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ভক্ষণ করে। ইওসিনোফিল ও বেসোফিল হিস্টামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত করে দেহে এলার্জি প্রতিরোধ করে। বেসোফিল হেপারিন নিঃসৃত করে রক্তকে রক্তবাহিকার ভিতরে জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। ৩. রক্তের অনুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে ও দেহের রক্ত ক্ষরণ বন্ধ করে।

উত্তর

উদ্দীপকের চিত্র 'A′A^{\prime} হলো জাইলেম টিস্যু এবং চিত্র-'B′B^{\prime} হলো ফ্লোয়েম টিস্যু। জাইলেম এবং ফ্লোয়েম টিস্যুর সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে উদ্ভিদ তার পরিবহন কাজ সম্পন্ন করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- জাইলেম টিস্যু: জাইলেমে কয়েক ধরনের কোষ থাকে, যেমন- ট্রাকিড, ভেসেল, জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম ফাইবার। জাইলেম টিস্যুস্থ ভেসেল মূল হতে পানি ও পানিতে দ্রবীভূত অন্যান্য খনিজ লবণ গাছের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশ পরিবহন করে থাকে। জাইলেম টিস্যুস্থ ট্রাকিড উদ্ভিদকে দৃঢ়তা প্রদান করা ছাড়াও মূল হতে কাণ্ড ও পাতায় পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে থাকে। জাইলেম টিস্যুস্থ উডতন্ত্রগুলো উক্ত অঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদান করে থাকে। জাইলেম টিস্যুস্থ প্যারেনকাইমা প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য সঞ্চয় ও খাদ্য পরিবহন করে থাকে। ফ্লোয়েম টিস্যু: ফ্লোয়েম টিস্যু শারীরবৃত্তীয় দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ টিস্যু জাইলেমের সাথে একত্রে পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ গঠন করে। সিভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা ও ফ্লোয়েম ফাইবার নিয়ে এটি গঠিত। সিভনল প্রোটোপ্লাজম প্রাচীর ঘেঁষে থাকে বলে একটি কেন্দ্রীয় ফাঁপা জায়গায় সৃষ্টি হয় যা খাদ্য পরিবহনে নল হিসেবে কাজ করে। পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্য উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করে থাকে। খাদ্য চলাচলে সঙ্গীকোষ সিভনলকে সাহায্য করে। সিভনল উদ্ভিদে খাদ্য সঞ্চয়ের কাজও করতে পারে। প্যারেনকাইমা খাদ্য সঞ্চয় করে ও খাদ্য পরিবহনে সহায়তা করে শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করে। জাইলেম যেমন খাদ্যের কাঁচামাল, পানি সরবরাহ করে তেমনি ফ্লোয়েম পাতায় প্রস্তুতকৃত খাদ্য উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন স্থানে পরিবহন করে। তাই বলা যায় যে, জাইলেম এবং ফ্লোয়েমের সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে উদ্ভিদ তার পরিবহন কাজ সম্পন্ন করে।
SSCজীববিজ্ঞানঅধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.একটি তন্ত্র X এর মাধ্যমে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য শরীর থেকে অপসারিত হয়। X তন্ত্রটি কীভাবে শরীরকে সুস্থ ও বিষমুক্ত রাখতে সাহায্য করে?

একটি তন্ত্র X এর মাধ্যমে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য শরীর থেকে অপসারিত হয়। X তন্ত্রটি কীভাবে শরীরকে সুস্থ ও বিষমুক্ত রাখতে সাহায্য করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সিভকোষ কী? ব্যাখ্যা করো।

সিভকোষ কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কোষ গহ্বরের কাজ কী?

কোষ গহ্বরের কাজ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কোন পেশিকে বিশেষ পেশি বলা হয় এবং কেন?

কোন পেশিকে বিশেষ পেশি বলা হয় এবং কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.প্যারেনকাইমাকে সরল টিস্যু বলা হয় কেন?

প্যারেনকাইমাকে সরল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইটের মধ্যে পার্থক্য কী?

অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইটের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মসৃণ পেশি বলতে কী বুঝায়?

মসৃণ পেশি বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোষের পাওয়ার হাউজ এর গঠন সম্পর্কে লেখো।

কোষের পাওয়ার হাউজ এর গঠন সম্পর্কে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.জাইলেমকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

জাইলেমকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মানুষের ত্বককে স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু বলা হয় কেন?

মানুষের ত্বককে স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.পরিবহণ টিস্যুকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

পরিবহণ টিস্যুকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.রাইবোজোমকে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয় কেন?

রাইবোজোমকে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।