শেয়ারFacebookWhatsApp

চিত্র 'A [গণিত] এর গঠন ও কাজ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-A দ্বারা সেন্ট্রোজোমকে বুঝানো হয়েছে। নিচে সেন্ট্রোজোমের গঠন ও কাজ ব্যাখ্যা করা হলো— গঠন : ১. প্রাণিকোষের নিউক্লিয়াসের কাছে দুটি ফাঁপা নলাকার বা দণ্ডাকার অঙ্গাণু দেখা যায়, তাদের সেন্ট্রিওল বলে। ২. সেন্ট্রিওলের চারপাশে অবস্থিত গাঢ় তরলকে সেন্ট্রোস্ফিয়ার এবং সেন্ট্রোস্ফিয়ারসহ সেন্ট্রিওলকে সেন্ট্রোজোম বলে। ৩. সেন্ট্রিওল প্রধানত প্রোটিন ও লিপিড এবং ATP নিয়ে গঠিত। এতে কোনো DNA বা RNA থাকে না। ৪. সেন্ট্রোজোমে থাকা সেন্ট্রিওল কোষ বিভাজনের সময় অ্যাস্টার-রে তৈরি করে। এছাড়া স্পিন্ডল যন্ত্র সৃষ্টিতেও সেন্ট্রোজোমের অবদান রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাজেলা সৃষ্টিতে এরা অংশ গ্রহণ করে। [চিত্র] কাজ : ১. কোষ বিভাজনের সময় স্পিন্ডল যন্ত্র সৃষ্টিতে সহায়তা করে। ২. সেন্ট্রিওল কোষ বিভাজনের সময় অ্যাস্টার-রে তৈরি করতে সাহায্য করে। ৩. বিভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাজেলা সৃষ্টিতে এরা অংশগ্রহণ করে। ৪. শুক্রাণুর লেজ গঠনও এরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু · সৃজনশীল

চিত্র 'A এর গঠন ও কাজ ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

উদ্দীপকের চিত্রগুলো লক্ষ করো এবং প্রশ্নের উত্তর দাও : question image

Chittagong · 2026

উত্তর

একটি নিউরনের অ্যাক্সনের সাথে দ্বিতীয় আরেকটি নিউরনের ডেনড্রাইট যুক্ত থাকে, এ সংযোগস্থলকে সিন্যাপস বলে।

উত্তর

পৃথিবীর দৃশ্যমান বস্তুগুলো দেখার ক্ষেত্রে মানুষের সাথে অন্যান্য প্রাণীর মিল না হওয়ার প্রধান কারণ হলো তাদের চোখের গঠন, আলোক সংবেদী কোষের বিন্যাস এবং মস্তিষ্কের প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির ভিন্নতা। মানুষের চোখে সাধারণত তিন ধরনের কোন কোষ থাকে যা আমাদের লাল, সবুজ ও নীল রং চিনতে সাহায্য করে কিন্তু এমন অনেক প্রাণী আছে যারা রং দেখতে পায় না। মানুষের চোখের লেন্স ক্যামেরার মতো কিন্তু পতঙ্গদের পুঞ্জাক্ষি থাকে যা অনেকগুলো ওমাটিডিয়ামের সমন্বয়ে গঠিত। নিশাচর প্রাণীদের চোখে রং কোষের সংখ্যা বেশি এজন্য তারা রাতে ভালো দেখতে পায় কিন্তু মানুষের চোখে রং কোষের সংখ্যা কম এজন্য আমরা অন্ধকারে অস্পষ্ট দেখি। মূলত বিবর্তনগত কারণে জীবনধারণ ও আত্মরক্ষার প্রয়োজনে বিভিন্ন প্রাণীর দৃষ্টিশক্তি ভিন্ন ভিন্ন ভাবে বিকশিত হয়েছে, তাই মানুষের সাথে তাদের দেখার ক্ষেত্রে মিল পাওয়া যায় না।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত চিত্র-A দ্বারা সেন্ট্রোজোমকে বুঝানো হয়েছে। নিচে সেন্ট্রোজোমের গঠন ও কাজ ব্যাখ্যা করা হলো— গঠন : ১. প্রাণিকোষের নিউক্লিয়াসের কাছে দুটি ফাঁপা নলাকার বা দণ্ডাকার অঙ্গাণু দেখা যায়, তাদের সেন্ট্রিওল বলে। ২. সেন্ট্রিওলের চারপাশে অবস্থিত গাঢ় তরলকে সেন্ট্রোস্ফিয়ার এবং সেন্ট্রোস্ফিয়ারসহ সেন্ট্রিওলকে সেন্ট্রোজোম বলে। ৩. সেন্ট্রিওল প্রধানত প্রোটিন ও লিপিড এবং ATP নিয়ে গঠিত। এতে কোনো DNA বা RNA থাকে না। ৪. সেন্ট্রোজোমে থাকা সেন্ট্রিওল কোষ বিভাজনের সময় অ্যাস্টার-রে তৈরি করে। এছাড়া স্পিন্ডল যন্ত্র সৃষ্টিতেও সেন্ট্রোজোমের অবদান রয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাজেলা সৃষ্টিতে এরা অংশ গ্রহণ করে। question image কাজ : ১. কোষ বিভাজনের সময় স্পিন্ডল যন্ত্র সৃষ্টিতে সহায়তা করে। ২. সেন্ট্রিওল কোষ বিভাজনের সময় অ্যাস্টার-রে তৈরি করতে সাহায্য করে। ৩. বিভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাজেলা সৃষ্টিতে এরা অংশগ্রহণ করে। ৪. শুক্রাণুর লেজ গঠনও এরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'B′B^{\prime} দ্বারা উদ্ভিদের বাইরের আবরণ কোষ প্রাচীর এবং 'C′C^{\prime} দ্বারা প্রাণী দেহের আবরণী টিস্যুকে বুঝানো হয়েছে। উভয় টিস্যুর কার্যক্রমে সাদৃশ্য থাকলেও গঠনগত ভিন্নতা দেখা যায়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো— গঠনগত ভিন্নতা : ১. উদ্ভিদকোষের কোষপ্রাচীর মূলত সেলুলোজ, হেমিসেলুলোজ ও পেকটিন দিয়ে গঠিত। কিন্তু প্রাণী দেহের আবরণী টিস্যু জীবন্ত কোষের (এপিথেলিয়াল কোষ) সমন্বয়ে গঠিত। ২. উদ্ভিদ কোষপ্রাচীর উদ্ভিদ, ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাকের কোষের একেবারে বাইরের শক্ত আবরণ। অন্যদিকে আবরণী টিস্যু প্রাণীদেহের বিভিন্ন অঙ্গের বাইরের আবরণ ও ভেতরের ফাঁপা অংশের আস্তরণ হিসেবে থাকে। ৩. কোষপ্রাচীর একটি নির্জীব অংশ, এর নিজস্ব কোনো বিপাকীয় কার্যকলাপ নেই। তবে আবরণী টিস্যু সম্পূর্ণ জীবন্ত এবং এতে রক্তনালী ও স্নায়ু থাকে। কার্যগত সাদৃশ্য : ১. কোষপ্রাচীর যেমন ভেতরের প্রোটোপ্লাজমকে বাইরের আঘাত ও পরিবেশের চাপ থেকে রক্ষা করে, ঠিক তেমনি আবরণী টিস্যু প্রাণীদেহের ত্বক হিসেবে কাজ করে ভেতরের অঙ্গগুলোকে বাহ্যিক আঘাত, রোগজীবাণু ও ক্ষয় থেকে বাঁচায়। ২. কোষপ্রাচীর অর্ধভেদ্য হওয়ায় কোষের ভেতরের ও বাইরের বস্তুর আদান-প্রদান নিয়ন্ত্রণ করে। আবরণী টিস্যুও ঠিক একইভাবে ক্ষতিকর পদার্থ ভেতরে ঢুকতে বাধা দেয়। ৩. উদ্ভিদের মূলের কোষপ্রাচীর মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ শোষণ করে। প্রাণীর ক্ষেত্রে, পৌষ্টিকনালির আবরণী টিস্যু (যেমন— অন্ত্রের ভিলাই) হজমকৃত খাদ্য উপাদান শোষণ করতে সাহায্য করে। ৪. কোষপ্রাচীর কোষের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান ক্ষরণ করে। আবরণী টিস্যু রূপান্তরিত হয়ে বিভিন্ন গ্রন্থি তৈরি করে। যা এনজাইম, হরমোন এবং ঘাম নিঃসরণ করে। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, কোষ প্রাচীর ও আবরণী টিস্যুর কাজ একই হলেও এদের গঠন ভিন্ন।
SSCজীববিজ্ঞানঅধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.একটি তন্ত্র X এর মাধ্যমে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য শরীর থেকে অপসারিত হয়। X তন্ত্রটি কীভাবে শরীরকে সুস্থ ও বিষমুক্ত রাখতে সাহায্য করে?

একটি তন্ত্র X এর মাধ্যমে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য শরীর থেকে অপসারিত হয়। X তন্ত্রটি কীভাবে শরীরকে সুস্থ ও বিষমুক্ত রাখতে সাহায্য করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সিভকোষ কী? ব্যাখ্যা করো।

সিভকোষ কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কোষ গহ্বরের কাজ কী?

কোষ গহ্বরের কাজ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কোন পেশিকে বিশেষ পেশি বলা হয় এবং কেন?

কোন পেশিকে বিশেষ পেশি বলা হয় এবং কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.প্যারেনকাইমাকে সরল টিস্যু বলা হয় কেন?

প্যারেনকাইমাকে সরল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইটের মধ্যে পার্থক্য কী?

অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইটের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মসৃণ পেশি বলতে কী বুঝায়?

মসৃণ পেশি বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোষের পাওয়ার হাউজ এর গঠন সম্পর্কে লেখো।

কোষের পাওয়ার হাউজ এর গঠন সম্পর্কে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.জাইলেমকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

জাইলেমকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মানুষের ত্বককে স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু বলা হয় কেন?

মানুষের ত্বককে স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.পরিবহণ টিস্যুকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

পরিবহণ টিস্যুকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.রাইবোজোমকে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয় কেন?

রাইবোজোমকে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।