শেয়ারFacebookWhatsApp

'M [গণিত] টিস্যুর গঠন বর্ণনা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লেখিত 'M [গণিত] টিস্যুটি হলো রক্ত। রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা। রক্ত প্রধানত দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত। যথা- ১. রক্তরস এবং ২. রক্তকণিকা। নিচে রক্ত এর গঠন বর্ণনা করা হলো— ১. রক্তরস বা প্লাজমা : রক্তের বর্ণহীন তরল অংশকে রক্তরস বলে। রক্তের মোট পরিমাণের প্রায় ৫৫% হলো রক্তরস। এর গঠন নিম্নরূপ : i. পানি : রক্তরসের প্রধান উপাদান হলো পানি (প্রায় ৯০-৯২%)। ii. অন্যান্য উপাদান : অন্যান্য উপাদান হিসেবে বিভিন্ন জৈব ও অজৈব পদার্থ (যেমন- প্রোটিন, গ্লুকোজ, খনিজ লবণ, হরমোন, এনজাইম, ভিটামিন, অ্যান্টিবডি) এবং বর্জ্য পদার্থ (যেমন- ইউরিয়া) দ্রবীভূত থাকে। ২. রক্তকণিকা : রক্তরসের মধ্যে ভাসমান অবস্থায় থাকা কোষগুলোকে রক্তকণিকা বলে। এগুলো রক্তের প্রায় ৪৫% অংশ। রক্তকণিকা তিন প্রকার। যথা— i. লোহিত রক্তকণিকা : এগুলো দ্বি-অবতল ও চাকতির মতো। এতে হিমোগ্লোবিন থাকায় রক্ত লাল দেখায়। এটি অক্সিজেন পরিবহণে সহায়তা করে। ii. শ্বেত রক্তকণিকা : এগুলো নির্দিষ্ট আকারবিহীন এবং লোহিত কণিকার চেয়ে বড়ো। এগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে এবং জীবাণু ধ্বংস করে। iii. অণুচক্রিকা : এগুলো আকারে ছোটো ও গোলাকার বা ডিম্বাকার হয়। দেহের কোনো অংশ কেটে গেলে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা এদের প্রধান কাজ। মূলত এই রক্তরস এবং বিভিন্ন রক্তকণিকার সমন্বয়েই রক্ত বা 'M [গণিত] টিস্যু গঠিত।

SSC জীববিজ্ঞান অধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · জীববিজ্ঞান · অধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু · সৃজনশীল

'M টিস্যুর গঠন বর্ণনা করো।

উদ্দীপক

M ও N দুটি কলা। 'M′M^{\prime} কলাটির গঠন তরল ও 'N′N^{\prime} কলাটির গঠন Ca জাতীয় পদার্থ দিয়ে গঠিত। 'N′N^{\prime} কলাটি 'M′M^{\prime} কলার নানা উপাদান তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

Jessore · 2026

উত্তর

মানবদেহে বিভিন্ন টিস্যুর মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানে ঈষৎ ক্ষারীয় স্বচ্ছ হলুদ বর্ণের যে তরল বা জলীয় পদার্থ জমা হয় তাই লসিকা।

উত্তর

মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গাণু। জীবের শ্বাসকার্যে সাহায্য করা মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ। এই অঙ্গাণুতে শ্বসন প্রক্রিয়ার চারটি ধাপের মধ্যে প্রথম ধাপ গ্লাইকোলাইসিসের বিক্রিয়াগুলো ঘটে না। তবে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপ অর্থাৎ অ্যাসিটাইল কো-এ সৃষ্টি, ক্রেবস চক্র এবং ইলেকট্রন প্রবাহ তন্ত্র মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যেই সম্পন্ন হয়। এগুলোর মধ্যে শ্বসনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ক্রেবস চক্রে অংশগ্রহণকারী সব উৎসেচক এতে উপস্থিত থাকায় এ বিক্রিয়াগুলো মাইটোকন্ড্রিয়াতেই সম্পন্ন হয়। ধাপগুলোর মধ্যে ক্রেবসচক্রে সবচেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদিত হয়। এজন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তি' উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউস বা শক্তিঘর বলা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'M′M^{\prime} টিস্যুটি হলো রক্ত। রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা। রক্ত প্রধানত দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত। যথা- ১. রক্তরস এবং ২. রক্তকণিকা। নিচে রক্ত এর গঠন বর্ণনা করা হলো— ১. রক্তরস বা প্লাজমা : রক্তের বর্ণহীন তরল অংশকে রক্তরস বলে। রক্তের মোট পরিমাণের প্রায় ৫৫% হলো রক্তরস। এর গঠন নিম্নরূপ : i. পানি : রক্তরসের প্রধান উপাদান হলো পানি (প্রায় ৯০-৯২%)। ii. অন্যান্য উপাদান : অন্যান্য উপাদান হিসেবে বিভিন্ন জৈব ও অজৈব পদার্থ (যেমন- প্রোটিন, গ্লুকোজ, খনিজ লবণ, হরমোন, এনজাইম, ভিটামিন, অ্যান্টিবডি) এবং বর্জ্য পদার্থ (যেমন- ইউরিয়া) দ্রবীভূত থাকে। ২. রক্তকণিকা : রক্তরসের মধ্যে ভাসমান অবস্থায় থাকা কোষগুলোকে রক্তকণিকা বলে। এগুলো রক্তের প্রায় ৪৫% অংশ। রক্তকণিকা তিন প্রকার। যথা— i. লোহিত রক্তকণিকা : এগুলো দ্বি-অবতল ও চাকতির মতো। এতে হিমোগ্লোবিন থাকায় রক্ত লাল দেখায়। এটি অক্সিজেন পরিবহণে সহায়তা করে। ii. শ্বেত রক্তকণিকা : এগুলো নির্দিষ্ট আকারবিহীন এবং লোহিত কণিকার চেয়ে বড়ো। এগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে এবং জীবাণু ধ্বংস করে। iii. অণুচক্রিকা : এগুলো আকারে ছোটো ও গোলাকার বা ডিম্বাকার হয়। দেহের কোনো অংশ কেটে গেলে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা এদের প্রধান কাজ। মূলত এই রক্তরস এবং বিভিন্ন রক্তকণিকার সমন্বয়েই রক্ত বা 'M′M^{\prime} টিস্যু গঠিত।

উত্তর

উদ্দীপকের 'M′M^{\prime} হলো রক্ত (তরল যোজক কলা) এবং 'N′N^{\prime} হলো অস্থি (স্কেলিটাল যোজক কলা)। নিচে এদের মধ্যকার কার্যগত ভিন্নতা বিশ্লেষণ করা হলো- রক্ত এবং অস্থি উভয়ই যোজক কলা সত্ত্বেও এদের শারীরিক অবস্থা ও কাজ সম্পূর্ণ ভিন্ন। ১. রক্ত একটি তরল যোজক কলা যা রক্তবাহিকার মাধ্যমে সারা শরীরে পরিবাহিত হয়। অন্যদিকে, অস্থি অত্যন্ত শক্ত ও অনমীয় কলা যা শরীরের কঙ্কাল গঠন করে। ২. রক্তের প্রধান কাজ হলো পুষ্টি উপাদান, অক্সিজেন, CO₂ এবং হরমোন শরীরের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা। অপরদিকে অস্থির প্রধান কাজ হলো দেহের নির্দিষ্ট আকৃতি প্রদান করা এবং ভার বহন করার জন্য মজবুত কাঠামো তৈরি করা। ৩. রক্ত শরীরের শ্বেত রক্তকণিকার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ করে এবং জীবাণু ধ্বংস করে। অন্যদিকে, অস্থি শরীরের গুরুত্বপূর্ণ ও কোমল অঙ্গগুলোকে (যেমন- মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস) বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে। ৪. অস্থি শরীরের ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস সঞ্চয় করে রাখে এবং অস্থির ভেতরে থাকা অস্থিমজ্জা থেকে রক্তকণিকা (M-এর উপাদান) তৈরি হয়। রক্ত এই ধরনের সঞ্চয় বা উৎপাদনের কাজ করে না। ৫. অস্থি পেশির সাথে যুক্ত হয়ে প্রাণীর চলাচলে সরাসরি সাহায্য করে, যা রক্তের ক্ষেত্রে সম্ভব নয়। উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, রক্ত ও অস্থি উভয়ই যোজক কলা হওয়া সত্ত্বেও এদের ভৌত অবস্থা ও কাজ ভিন্ন। রক্ত মূলত অভ্যন্তরীণ পরিবহণ ও প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত। আর অস্থি কাঠামো গঠন ও যান্ত্রিক দৃঢ়তা প্রদানে কাজ করে।
SSCজীববিজ্ঞানঅধ্যায়-২ : জীবকোষ ও টিস্যু
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.একটি তন্ত্র X এর মাধ্যমে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য শরীর থেকে অপসারিত হয়। X তন্ত্রটি কীভাবে শরীরকে সুস্থ ও বিষমুক্ত রাখতে সাহায্য করে?

একটি তন্ত্র X এর মাধ্যমে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য শরীর থেকে অপসারিত হয়। X তন্ত্রটি কীভাবে শরীরকে সুস্থ ও বিষমুক্ত রাখতে সাহায্য করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সিভকোষ কী? ব্যাখ্যা করো।

সিভকোষ কী? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কোষ গহ্বরের কাজ কী?

কোষ গহ্বরের কাজ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কোন পেশিকে বিশেষ পেশি বলা হয় এবং কেন?

কোন পেশিকে বিশেষ পেশি বলা হয় এবং কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.প্যারেনকাইমাকে সরল টিস্যু বলা হয় কেন?

প্যারেনকাইমাকে সরল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইটের মধ্যে পার্থক্য কী?

অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইটের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মসৃণ পেশি বলতে কী বুঝায়?

মসৃণ পেশি বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কোষের পাওয়ার হাউজ এর গঠন সম্পর্কে লেখো।

কোষের পাওয়ার হাউজ এর গঠন সম্পর্কে লেখো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.জাইলেমকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

জাইলেমকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মানুষের ত্বককে স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু বলা হয় কেন?

মানুষের ত্বককে স্ট্র্যাটিফাইড আবরণী টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.পরিবহণ টিস্যুকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

পরিবহণ টিস্যুকে জটিল টিস্যু বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.রাইবোজোমকে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয় কেন?

রাইবোজোমকে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।