শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আন্দোলনের সাথে বাংলাদেশের কোন আন্দোলনের মিল আছে-ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকের আন্দোলনের সাথে বাংলাদেশের ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মিল রয়েছে। উদ্দীপকে দেখা যায় ১৯৫০ সালে ভারতের বিহার প্রাদেশিক সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠর ভাষা বাংলাকে বাদ দিয়ে ফারসি ভাষাকে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ঘোষণা করে। ফলে বাঙালিরা আন্দোলনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে এবং ধর্মঘটের ডাক দেয়। আন্দোলনকারীদের ওপর বিহার সরকার নির্বিচারে গুলি চালালে ১১জন ভাষা সৈনিক ঘটনাস্থলে শহিদ হন। উদ্দীপকের এই ঘটনা আমাদের ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের কথা মনে করিয়ে দেয়। বিহার সরকার যেমনভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠদের ভাষাকে বাদ দিয়ে ফারসিকে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ঘোষণা দেয়, তেমনিভাবে পাকিস্তান সরকার পূর্ব বাংলার জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠদের ভাষা বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে একমাত্র দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ঘোষণা দেয়। পূর্ব বাংলার জনগণ পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠির এই সিদ্ধান্তকে মেনে নেয়নি। পূর্ব বাংলার বিক্ষুব্ধ জনতা দেশব্যাপী ধর্মঘট ও হরতাল কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' শ্লোগানে মুখরিত হয় রাজপথ। ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি ধর্মঘট পালিত হয় এবং ২১ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে হরতাল পালন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। কিন্তু পাকিস্তান সরকার ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা জারি করে। নির্ধারিত কর্মসূচি হরতাল পালন করার জন্য ২১ ফেব্রুয়ারি বিক্ষুব্ধ জনতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাস্তায় মিছিল নিয়ে বের হয় এবং রাষ্ট্রভাষা বাঙলা চাই শ্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত করে তোলে। ছাত্র-জনতা পুলিশের বাধা ভঙ্গ করে মিছিল নিয়ে অগ্রসর হলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলে রফিক, বরকতসহ অনেকে নিহত হন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের বিহারের ঘটনাটি বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

HSC Islamic History 2nd paper Chapter 5 : বাংলার ইতিহাস (পাকিস্তান আমল) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic History 2nd paper · Chapter 5 : বাংলার ইতিহাস (পাকিস্তান আমল) · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আন্দোলনের সাথে বাংলাদেশের কোন আন্দোলনের মিল আছে-ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

১৯৫০ সালে ভারতের বিহারে প্রাদেশিক সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মুখের ভাষা বাংলা বাদ দিয়ে ফারসিকে একমাত্র দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ঘোষণা দিলে বাঙালিরা আন্দোলনের ডাক দেন। আন্দোলনে বিহার সরকার নির্বিচারে গুলি চালালে ১১ জন ভাষা সৈনিক শাহাদাত বরণ করেন। পরবর্তীতে আন্দোলন আরও বেগবান হলে বিহার সরকার বাংলাকে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে মর্যাদা দিতে বাধ্য হন।

উত্তর

অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয়।

উত্তর

উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পেছনে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর রাজনৈতিক ও আর্থ সামাজিক দুরভিসন্ধি ছিল। বস্তুত পাকিস্তানের শাসনভার যে রাজনীতিবিদ ও আমলাদের হাতে ছিল তাদের অধিকাংশই ছিল উত্তর ভারত থেকে আগত উর্দুভাষী। নতুন রাষ্ট্রের প্রধান প্রধান বণিক-ব্যবসায়ীও ছিলেন উর্দুভাষী। কাজেই পাকিস্তানের ভাগ্যনিয়ন্তা বলে কথিত রাজনীতিবিদ, আমলা ও বণিক ব্যবসায়ীরা নিজেদের রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক ক্ষমতার প্রাধান্য বজায় রাখতে তাদের ভাষা উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার জোর দাবি জানায়।

উত্তর

উদ্দীপকের আন্দোলনের সাথে বাংলাদেশের ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মিল রয়েছে। উদ্দীপকে দেখা যায় ১৯৫০ সালে ভারতের বিহার প্রাদেশিক সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠর ভাষা বাংলাকে বাদ দিয়ে ফারসি ভাষাকে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ঘোষণা করে। ফলে বাঙালিরা আন্দোলনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে এবং ধর্মঘটের ডাক দেয়। আন্দোলনকারীদের ওপর বিহার সরকার নির্বিচারে গুলি চালালে ১১জন ভাষা সৈনিক ঘটনাস্থলে শহিদ হন। উদ্দীপকের এই ঘটনা আমাদের ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের কথা মনে করিয়ে দেয়। বিহার সরকার যেমনভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠদের ভাষাকে বাদ দিয়ে ফারসিকে দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ঘোষণা দেয়, তেমনিভাবে পাকিস্তান সরকার পূর্ব বাংলার জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠদের ভাষা বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে একমাত্র দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ঘোষণা দেয়। পূর্ব বাংলার জনগণ পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠির এই সিদ্ধান্তকে মেনে নেয়নি। পূর্ব বাংলার বিক্ষুব্ধ জনতা দেশব্যাপী ধর্মঘট ও হরতাল কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' শ্লোগানে মুখরিত হয় রাজপথ। ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি ধর্মঘট পালিত হয় এবং ২১ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে হরতাল পালন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। কিন্তু পাকিস্তান সরকার ২১ ফেব্রুয়ারি ১৪৪ ধারা জারি করে। নির্ধারিত কর্মসূচি হরতাল পালন করার জন্য ২১ ফেব্রুয়ারি বিক্ষুব্ধ জনতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাস্তায় মিছিল নিয়ে বের হয় এবং রাষ্ট্রভাষা বাঙলা চাই শ্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত করে তোলে। ছাত্র-জনতা পুলিশের বাধা ভঙ্গ করে মিছিল নিয়ে অগ্রসর হলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলে রফিক, বরকতসহ অনেকে নিহত হন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের বিহারের ঘটনাটি বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উত্তর

ভাষা আন্দোলনের ঘটনাটি উদ্দীপকে বর্ণিত বিহারের ঘটনা থেকে অধিক তাৎপর্যপূর্ণ। বিহার প্রাদেশিক সরকার বিহারের সংখ্যাগরিষ্ঠদের ভাষাকে বাদ দিযে তাদের পছন্দনীয় ভাষা চাপিয়ে দেয়। যার ফলে বিহারের জনগণ বাংলা ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আন্দোলন করলে বিহারের সরকার তাদের ওপর গুলি চালায় এবং ১১জন শহিদ হয়। উদ্দীপকের উক্ত ঘটনাটি যেমন তাৎপর্যপূর্ণ, তেমনি বাঙালি জাতির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস আরও তাৎপর্যপূর্ণ। মূলত পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই অর্থাৎ ১৯৪৭ সাল থেকেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী পূর্ব বাংলার ওপর উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করে। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য পূর্ব বাংলায় ১৯৪৭ সালে তমদ্দুন মজলিশ এবং ১৯৪৮ সালে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। শুধু তাই নয়, পূর্ব বাংলার জনগণ বিভিন্ন সময় হরতাল, ধর্মঘটও পালন করে। চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার জন্য ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল বের করলে পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠির নির্দেশে পুলিশ গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই রফিক, জব্বারসহ অনেক ভাষা সৈনিক নিহত হন। এই ঘটনাটি বাঙালির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ভাষার সাথে সম্পৃক্ত। পাকিস্তান সরকার পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের মাতৃভাষাকে ধ্বংস করার যে ষড়যন্ত্র করেছিল, পূর্ব বাংলার ভাষা প্রেমিক জনগণ তা নস্যাৎ করে দেয়। ফলে বাংলা ভাষা রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পায়। আর একই সূত্র ধরে পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। এজন্য উদ্দীপকের বিহারের ঘটনার চেয়ে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঘটনা অধিক তাৎপর্যপূর্ণ।
HSCIslamic History 2nd paperChapter 5 : বাংলার ইতিহাস (পাকিস্তান আমল)
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Comilla · 2017

ক
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কত তারিখে পালন করা হয়?
খ
রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ বলতে কী বুঝায়?
গ
উদ্দীপকের ছবিটি বাঙালির কোন আন্দোলনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'উক্ত আন্দোলনের চেতনার মাঝে বাঙালির স্বাধীনতার বীজ সুপ্ত ছিল।'- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Comilla · 2017

ক
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কত তারিখে পালন করা হয়?
খ
রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ বলতে কী বুঝায়?
গ
উদ্দীপকের ছবিটি বাঙালির কোন আন্দোলনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
'উক্ত আন্দোলনের চেতনার মাঝে বাঙালির স্বাধীনতার বীজ সুপ্ত ছিল।'- বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ বলতে কী বুঝায়?

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ বলতে কী বুঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কত তারিখে পালন করা হয়?

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কত তারিখে পালন করা হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা, কলুষ আর লজ্জা সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্ত্র মানবিক; আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।"

Dhaka · 2017

ক
জাতিসংঘের কোন অঙ্গ-সংগঠন একুশে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা দেয়?
খ
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতকে 'কালরাত' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের কবিতার লাইনগুলি তোমার পাঠ্যবইয়ের যে আন্দোলনের কথা মনে করিয়ে দেয় তার পটভূমি ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত আন্দোলনের ফলাফল পাঠ্যবইয়ের আলোকে মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

"আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা, কলুষ আর লজ্জা সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্ত্র মানবিক; আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।"

Dhaka · 2017

ক
জাতিসংঘের কোন অঙ্গ-সংগঠন একুশে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা দেয়?
খ
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতকে 'কালরাত' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের কবিতার লাইনগুলি তোমার পাঠ্যবইয়ের যে আন্দোলনের কথা মনে করিয়ে দেয় তার পটভূমি ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত আন্দোলনের ফলাফল পাঠ্যবইয়ের আলোকে মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতকে 'কালরাত' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতকে 'কালরাত' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.জাতিসংঘের কোন অঙ্গ-সংগঠন একুশে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা দেয়?

জাতিসংঘের কোন অঙ্গ-সংগঠন একুশে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা দেয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
'মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটির' প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
'দ্বি-জাতি তত্ত্ব' ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের চিত্রটি ইতিহাসের কোন ঘটনাকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত ঘটনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল- মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
'মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটির' প্রতিষ্ঠাতা কে?
খ
'দ্বি-জাতি তত্ত্ব' ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের চিত্রটি ইতিহাসের কোন ঘটনাকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উক্ত ঘটনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল- মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'দ্বি-জাতি তত্ত্ব' ব্যাখ্যা করো।

'দ্বি-জাতি তত্ত্ব' ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.'মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটির' প্রতিষ্ঠাতা কে?

'মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটির' প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

'উক্ত আন্দোলনের চেতনার মাঝে বাঙালির স্বাধীনতার বীজ সুপ্ত ছিল।'- বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকের ছবিটি বাঙালির কোন আন্দোলনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ বলতে কী বুঝায়?আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কত তারিখে পালন করা হয়?উক্ত আন্দোলনের ফলাফল পাঠ্যবইয়ের আলোকে মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকের কবিতার লাইনগুলি তোমার পাঠ্যবইয়ের যে আন্দোলনের কথা মনে করিয়ে দেয় তার পট১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতকে 'কালরাত' বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।জাতিসংঘের কোন অঙ্গ-সংগঠন একুশে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘউক্ত ঘটনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল- মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকের চিত্রটি ইতিহাসের কোন ঘটনাকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।'দ্বি-জাতি তত্ত্ব' ব্যাখ্যা করো।'মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটির' প্রতিষ্ঠাতা কে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।