শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত ফলাফল কি গণতন্ত্রমুখী ছিল? তোমার মতামত দাও ।

উত্তর: হ্যাঁ, উক্ত ফলাফল তথা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল ছিল গণতন্ত্রমুখী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পৃথিবীর প্রধান ঔপনিবেশিক দেশগুলো তথা যুক্তরাজ্য, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স ইত্যাদি অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে ভীষণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যুদ্ধে দেশগুলোর জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক শক্তি, জাতীয় মেধার ব্যাপক ক্ষয় হয়। যুদ্ধের ফলে ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো দুর্বল হয়ে পড়লে এশিয়া আফ্রিকার অনেক পরাধীন দেশে স্বাধীনতা আন্দোলন তীব্র হয়ে ওঠে। এর ফলে ইন্দোচীনসহ এশিয়া এবং আফ্রিকার অনেক উপনিবেশ ক্রমান্বয়ে স্বাধীন হয়ে যায়। একই সাথে বিশ্বজুড়ে শুরু হয় গণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান। ভারত, কোরিয়া, ভিয়েতনাম, বার্মা, মালয়, সিরিয়া ও লেবাননের জাতিসমূহ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যেই তাদের মুক্তির পথ দেখতে পেয়েছিল। তাই তারা দখলদার শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে স্বাধীনতার সংগ্রাম জোরদার করে তোলে। কেবল যুদ্ধোত্তর ১৫ বছরের মধ্যে ২২টি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তার পরের ১৫ বছরে অর্থাৎ ১৯৬০-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সময়ে গঠিত হয় ৬২টি স্বাধীন রাষ্ট্র। ১৯৭০-এর দশকে ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যগুলো ইতিহাসের বস্তুতে পরিণত হয়। বিশ্বের নির্যাতিত জাতিগুলোর মুক্তির যুগের সূচনা ঘটে। বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অভিঘাতের ফলে সর্বত্র উপনিবেশবিরোধী গণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান ঘটতে শুরু করে। তাই বলা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল ছিল গণতন্ত্রমুখী ।

HSC History 2nd Paper Chapter 5: হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 2nd Paper · Chapter 5: হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ · সৃজনশীল

উক্ত ফলাফল কি গণতন্ত্রমুখী ছিল? তোমার মতামত দাও ।

উদ্দীপক

যুদ্ধের কারণে 'ক' দেশ ও তার মিত্রদের পরাজয় ঘটে। বিচার করা হয় বহু ব্যক্তির। বিভিন্ন দেশে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার চিন্তাধারা বিকশিত হয়।

উত্তর

'হয় সবটা চাই, নতুবা কিছুই চাই না' – উক্তিটি জার্মান সেনাপতি ফন মুলার-এর।

উত্তর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে জার্মানি ও ইতালির মধ্যে সহযোগিতা চুক্তির মাধ্যমে গঠিত জোট ইতিহাসে অক্ষশক্তি নামে খ্যাত। অক্ষশক্তি মূলত কমিউনিস্টবিরোধী চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হলেও একে বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির বিরুদ্ধেই সামরিক জোটও বলা যেতে পারে। ১৯৩৭, সালে ইতালি এ শক্তিজোটে যোগ দেয়। তৎকালীন ইতালির উগ্রপন্থি রাজনৈতিক মতবাদ ফ্যাসিবাদের জনক বেনিতো মুসোলিনী বলেছিলেন, 'এটি এমন একটি অক্ষ যার চারদিকে শান্তির জন্য অনুপ্রাণিত ইউরোপীয় শক্তিবর্গ সহযোগিতা করতে পারে'।

উত্তর

ইতিহাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল ছিল ভয়াবহতম । এ যুদ্ধের ক্ষত বিশ্ব এখনও বয়ে বেড়াচ্ছে। জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি এর জীবন্ত উদাহরণ। ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং ১৯৪৫ সালে ব্যাপক ধ্বংসলীলার মধ্য দিয়ে এর পরিসমাপ্তি ঘটে। উদ্দীপকে 'ক' দেশ ও তার মিত্রদের পরাজয় বলতে জার্মানি, জাপান ও ইতালির পরাজয়কে বোঝানো হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের ফলে ইতিহাস থেকে ঘৃণ্য নাৎসি দলের বিলুপ্তি ঘটে। অন্যদিকে ইতালিতেও মুসোলিনীর ফ্যাসিজমের সমাধি হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য দুটি অপ্রচলিত আদালত বসে। জার্মানির নুরেমবার্গে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়। নুরেমবার্গ আদালতে জার্মানির যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হয় এবং মোট ২১ জনের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। আটককৃত অবস্থায় ২ জন আত্মহত্যা করে এবং বাকি ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। একই সাথে নাৎসি সংগঠন ও রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ ছিল অবর্ণনীয়। জার্মানি-ফ্রান্স, রাশিয়া ও ইংল্যান্ডের বিভিন্ন শহর ও শিল্পকারখানা ধ্বংস করেছিল। জাপান যুক্তরাষ্ট্রের নৌঘাঁটি পার্ল হারবার উড়িয়ে দিলে আমেরিকা এর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে আণবিক বোমা ফেলে ব্যাপক ধ্বংস ও হত্যাযজ্ঞ চালায়। এ ক্ষত জাপানের মানুষ এখনও বয়ে বেড়াচ্ছে। আলোচনা শেষে বলা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা আজও পৃথিবীবাসীকে শিহরিত করে তোলে। হিটলারের নাৎসিবাদ ও মুসোলিনীর ফ্যাসিজমই এ যুদ্ধের জন্য দায়ী ছিল।

উত্তর

হ্যাঁ, উক্ত ফলাফল তথা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল ছিল গণতন্ত্রমুখী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পৃথিবীর প্রধান ঔপনিবেশিক দেশগুলো তথা যুক্তরাজ্য, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স ইত্যাদি অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে ভীষণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যুদ্ধে দেশগুলোর জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক শক্তি, জাতীয় মেধার ব্যাপক ক্ষয় হয়। যুদ্ধের ফলে ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো দুর্বল হয়ে পড়লে এশিয়া আফ্রিকার অনেক পরাধীন দেশে স্বাধীনতা আন্দোলন তীব্র হয়ে ওঠে। এর ফলে ইন্দোচীনসহ এশিয়া এবং আফ্রিকার অনেক উপনিবেশ ক্রমান্বয়ে স্বাধীন হয়ে যায়। একই সাথে বিশ্বজুড়ে শুরু হয় গণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান। ভারত, কোরিয়া, ভিয়েতনাম, বার্মা, মালয়, সিরিয়া ও লেবাননের জাতিসমূহ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যেই তাদের মুক্তির পথ দেখতে পেয়েছিল। তাই তারা দখলদার শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে স্বাধীনতার সংগ্রাম জোরদার করে তোলে। কেবল যুদ্ধোত্তর ১৫ বছরের মধ্যে ২২টি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তার পরের ১৫ বছরে অর্থাৎ ১৯৬০-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সময়ে গঠিত হয় ৬২টি স্বাধীন রাষ্ট্র। ১৯৭০-এর দশকে ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যগুলো ইতিহাসের বস্তুতে পরিণত হয়। বিশ্বের নির্যাতিত জাতিগুলোর মুক্তির যুগের সূচনা ঘটে। বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অভিঘাতের ফলে সর্বত্র উপনিবেশবিরোধী গণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান ঘটতে শুরু করে। তাই বলা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল ছিল গণতন্ত্রমুখী ।
HSCHistory 2nd PaperChapter 5: হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যুদ্ধের ফলে 'ক' দেশ ও তার মিত্রদের পরাজয় ঘটে। বিভিন্ন দল নিষিদ্ধ হয়। বিচার করা হয় বহু ব্যক্তির। বিভিন্ন দেশে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার বিকশিত হয়।

Comilla · 2017

ক
NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।
খ
প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের সাদৃশ্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত ফলাফল কি গণতন্ত্রমুখী? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যুদ্ধের ফলে 'ক' দেশ ও তার মিত্রদের পরাজয় ঘটে। বিভিন্ন দল নিষিদ্ধ হয়। বিচার করা হয় বহু ব্যক্তির। বিভিন্ন দেশে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার বিকশিত হয়।

Comilla · 2017

ক
NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।
খ
প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের সাদৃশ্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত ফলাফল কি গণতন্ত্রমুখী? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।

NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' অঞ্চলের রাজা ছিলেন দুর্বল প্রকৃতির। সেখানে বুর্জোয়া ও পুঁজিপতিরা নতুন এক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করেনি। ফলে তারা এক বিদ্রোহী নেতার সাহায্য কামনা করে। তারা সফল হয়। রাজাও সমর্থন করেন। ফলে ঐ নেতার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। অন্যায় ও নির্যাতনের জন্য তার পতন দ্রুত হয়।

Comilla · 2017

ক
'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?
খ
অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নেতার ন্যায় তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নেতার মিল রয়েছে? পরিচয় দাও।
ঘ
উল্লিখিত নেতার পতনের জন্য কোন কারণগুলি দায়ী ছিল বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' অঞ্চলের রাজা ছিলেন দুর্বল প্রকৃতির। সেখানে বুর্জোয়া ও পুঁজিপতিরা নতুন এক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করেনি। ফলে তারা এক বিদ্রোহী নেতার সাহায্য কামনা করে। তারা সফল হয়। রাজাও সমর্থন করেন। ফলে ঐ নেতার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। অন্যায় ও নির্যাতনের জন্য তার পতন দ্রুত হয়।

Comilla · 2017

ক
'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?
খ
অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নেতার ন্যায় তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নেতার মিল রয়েছে? পরিচয় দাও।
ঘ
উল্লিখিত নেতার পতনের জন্য কোন কারণগুলি দায়ী ছিল বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?

'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উগ্র জাতীয়তাবাদ ও স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে ইউরোপের একটি রাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের দাবানল সৃষ্টি করে। এক সময় রাষ্ট্রটি পরাজিত শক্তি হিসেবে শাস্তিপ্রাপ্ত হয় এবং শাস্তি হিসেবে রাষ্ট্রটিকে দু'ভাগে ভাগ করে শক্তি খর্ব করা হয়।

Dhaka · 2017

ক
নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?
খ
ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে যে যুদ্ধের দাবানলের কথা বলা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'যুদ্ধে পরাজয়ের পরিণতি উক্ত রাষ্ট্রটিতে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল'- উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উগ্র জাতীয়তাবাদ ও স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে ইউরোপের একটি রাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের দাবানল সৃষ্টি করে। এক সময় রাষ্ট্রটি পরাজিত শক্তি হিসেবে শাস্তিপ্রাপ্ত হয় এবং শাস্তি হিসেবে রাষ্ট্রটিকে দু'ভাগে ভাগ করে শক্তি খর্ব করা হয়।

Dhaka · 2017

ক
নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?
খ
ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে যে যুদ্ধের দাবানলের কথা বলা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'যুদ্ধে পরাজয়ের পরিণতি উক্ত রাষ্ট্রটিতে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল'- উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।

ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?

নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উক্ত ফলাফল কি গণতন্ত্রমুখী? মতামত দাও।উদ্দীপকের সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের সাদৃশ্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।উল্লিখিত নেতার পতনের জন্য কোন কারণগুলি দায়ী ছিল বলে তুমি মনে কর?উদ্দীপকের নেতার ন্যায় তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নেতার মিল রয়েছে? পরিচয় দাও।অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।'Mein Kampf [গণিত] কার লেখা?'যুদ্ধে পরাজয়ের পরিণতি উক্ত রাষ্ট্রটিতে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল'- উত্তরের সপক্ষে যুকউদ্দীপকে যে যুদ্ধের দাবানলের কথা বলা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা করফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।