শেয়ারFacebookWhatsApp

শহিদুলের পঠিত নেতা দুজনের কর্মকাণ্ডের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: শহিদুলের পঠিত নেতাদ্বয় তথা হিটলার ও মুসোলিনীর কর্মকাণ্ডের মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান । হিটলার ও মুসোলিনী উভয়েই দুই বিশ্বযুদ্ধের মধ্যকার ইউরোপের তথা বিশ্ব ইতিহাসের বিস্ময়কর চরিত্র। উভয়েই জাতীয়তাবাদী নেতা। তবে তারা জাতীয়তাবাদকে বিশ্বশান্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছিলেন। মুসোলিনী চেয়েছিলেন ইতালিকে বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে এবং হিটলার চেয়েছিলেন পুরো বিশ্বকে জার্মান জাতির দাসত্বের অধীনে আনতে। হিটলার জার্মান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন নাৎসিবাদ দ্বারা, অপরদিকে মুসোলিনী যুবসমাজকে বিমোহিত করেন ফ্যাসিবাদ দ্বারা। এ দুটি মতবাদই গণতন্ত্রকে অস্বীকার করে এবং 'জোর যার মুল্লুক তার' নীতিতে বিশ্বাসী । হিটলার ও মুসোলিনী দুজনেই যুদ্ধে বিশ্বাসী এবং শান্তিবাদকে অস্বীকার করে। তবে হিটলারের নাৎসিবাদ জার্মানিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পূর্ব থেকেই নাসি আদর্শ বিস্তার লাভ করে কিন্তু মুসোলিনীর ফ্যাসিস্ট দল ক্ষমতায় আসার অনেক পরে এর দার্শনিক ভিত্তি রচিত হয়। ইতালির মুসোলিনীর তুলনায় হিটলার অধিক ক্ষমতাশালী এবং বেশি হিংসা ও কঠোর নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। তাছাড়া নাৎসিবাদ বংশগত ঐতিহ্যের ওপর বেশি গুরুত্বারোপ করে অন্যদিকে ফ্যাসিবাদ বংশকে ততটা প্রাধান্য দেয়নি। উপরিউক্ত পর্যালোচনা হতে প্রতীয়মান হয় যে, হিটলার ও মুসোলিনীর কর্মকাণ্ডের মধ্যে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য থাকলেও কর্মকৌশল ছিল একই রকম।

HSC History 2nd Paper Chapter 5: হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 2nd Paper · Chapter 5: হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ · সৃজনশীল

শহিদুলের পঠিত নেতা দুজনের কর্মকাণ্ডের তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

শহিদুল ইতিহাস পড়ে দুইজন ব্যক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করে। একজন জার্মানিতে একনায়কতন্ত্র চালু করেন। অন্যজন ইতালিতে ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

উত্তর

উড্রো উইলসন ছিলেন আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

উত্তর

সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ ঘোষিত অর্থনৈতিক সংস্কারনীতিই পেরেস্ত্রৈকা (Perestroika) নামে খ্যাত। তিনি বনেদি সমাজতান্ত্রিক ঘরানা থেকে বেরিয়ে এসে তার গ্লাসনস্ত বা খোলানীতির সঙ্গে সংগতি রেখে সোভিয়েত ইউনিয়নে উদারনৈতিক অর্থনীতি প্রবর্তনে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ফলে ১৯৮৭ সাল থেকে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পূর্ব ইউরোপীয় কমিউনিস্ট দেশসমূহে নয়া অর্থনৈতিক হাওয়া বইতে শুরু করে। এরই ফলশ্রুতিতে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি স্বীয় অস্তিত্ব বিলুপ্ত করে পূর্ব জার্মানির সঙ্গে একীভূত হয়ে যায় এবং ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে।

উত্তর

শহিদুল দুই বিশ্বনেতা হিটলার ও মুসোলিনী সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করে। বিংশ শতাব্দীর রাজনীতির ইতিহাসে জার্মানির এডলফ হিটলার এবং ইতালির মুসোলিনী এক সুপরিচিত নাম। হিটলার ১৮৯৯ সালের এপ্রিলে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্যকালেই পিতার মৃত্যুতে তিনি চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে ওঠেন। স্কুল জীবন শেষ করে তিনি অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় গমন করেন। ছবি আঁকার স্কুলে ভর্তি হতে ব্যর্থ হয়ে তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। যুদ্ধ শেষে ১৯১৯ সালে জার্মান শ্রমিক দলে যোগ দিয়ে অল্প দিনের মধ্যেই বাগ্মিতায় সকলের নজর কাড়তে সক্ষম হন। অতি দ্রুত ক্ষমতায় আরোহন করে জার্মানিতে একনায়কতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। অপরদিকে ফ্যাসিবাদের জনক মুসোলিনী ১৮৮৩ সালে ইতালির 'রোমানা' নামে এক গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। সমাজতন্ত্রী দল কর্তৃক “অভান্তি” পত্রিকা থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর নিজেই একটি পত্রিকা প্রকাশ করে ইতালির যুদ্ধে যোগদানের পক্ষে জনমত গঠন করে। ১৯১৯ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর মিলান শহরে একটি সম্মেলন করেন এবং এ সম্মেলনে কর্মচ্যুত সেনা ও বেকার যুবকদের নিয়ে মুসোলিনী আধা সামরিক বাহিনী গঠন করেন যার নাম 'ফ্যাসিস্ট'। মাত্র দুবছরের মধ্যেই ফ্যাসিস্টরা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং মুসোলিনী ইতালিতে ১৯২৫ সালে একনায়কতন্ত্র ফ্যাসিবাদী সরকার ব্যবস্থা চালু করে । উদ্দীপকেও দেখা যায় যে, শহিদুল ইতিহাস পড়ে যে দুইজন ব্যক্তি সম্পর্কে ধারণা লাভ করে তারমধ্যে একজন জার্মানিতে একনায়কতান্ত্রিক শাসন চালু করেন এবং অন্যজন ইতালিতে ফাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। উপরিউক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, উদ্দীপকে হিটলার ও মুসোলিনীকে উল্লেখ করা হয়েছে।

উত্তর

শহিদুলের পঠিত নেতাদ্বয় তথা হিটলার ও মুসোলিনীর কর্মকাণ্ডের মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান । হিটলার ও মুসোলিনী উভয়েই দুই বিশ্বযুদ্ধের মধ্যকার ইউরোপের তথা বিশ্ব ইতিহাসের বিস্ময়কর চরিত্র। উভয়েই জাতীয়তাবাদী নেতা। তবে তারা জাতীয়তাবাদকে বিশ্বশান্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছিলেন। মুসোলিনী চেয়েছিলেন ইতালিকে বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে এবং হিটলার চেয়েছিলেন পুরো বিশ্বকে জার্মান জাতির দাসত্বের অধীনে আনতে। হিটলার জার্মান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন নাৎসিবাদ দ্বারা, অপরদিকে মুসোলিনী যুবসমাজকে বিমোহিত করেন ফ্যাসিবাদ দ্বারা। এ দুটি মতবাদই গণতন্ত্রকে অস্বীকার করে এবং 'জোর যার মুল্লুক তার' নীতিতে বিশ্বাসী । হিটলার ও মুসোলিনী দুজনেই যুদ্ধে বিশ্বাসী এবং শান্তিবাদকে অস্বীকার করে। তবে হিটলারের নাৎসিবাদ জার্মানিতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পূর্ব থেকেই নাসি আদর্শ বিস্তার লাভ করে কিন্তু মুসোলিনীর ফ্যাসিস্ট দল ক্ষমতায় আসার অনেক পরে এর দার্শনিক ভিত্তি রচিত হয়। ইতালির মুসোলিনীর তুলনায় হিটলার অধিক ক্ষমতাশালী এবং বেশি হিংসা ও কঠোর নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। তাছাড়া নাৎসিবাদ বংশগত ঐতিহ্যের ওপর বেশি গুরুত্বারোপ করে অন্যদিকে ফ্যাসিবাদ বংশকে ততটা প্রাধান্য দেয়নি। উপরিউক্ত পর্যালোচনা হতে প্রতীয়মান হয় যে, হিটলার ও মুসোলিনীর কর্মকাণ্ডের মধ্যে সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য থাকলেও কর্মকৌশল ছিল একই রকম।
HSCHistory 2nd PaperChapter 5: হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যুদ্ধের ফলে 'ক' দেশ ও তার মিত্রদের পরাজয় ঘটে। বিভিন্ন দল নিষিদ্ধ হয়। বিচার করা হয় বহু ব্যক্তির। বিভিন্ন দেশে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার বিকশিত হয়।

Comilla · 2017

ক
NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।
খ
প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের সাদৃশ্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত ফলাফল কি গণতন্ত্রমুখী? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যুদ্ধের ফলে 'ক' দেশ ও তার মিত্রদের পরাজয় ঘটে। বিভিন্ন দল নিষিদ্ধ হয়। বিচার করা হয় বহু ব্যক্তির। বিভিন্ন দেশে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার বিকশিত হয়।

Comilla · 2017

ক
NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।
খ
প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের সাদৃশ্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত ফলাফল কি গণতন্ত্রমুখী? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।

NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' অঞ্চলের রাজা ছিলেন দুর্বল প্রকৃতির। সেখানে বুর্জোয়া ও পুঁজিপতিরা নতুন এক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করেনি। ফলে তারা এক বিদ্রোহী নেতার সাহায্য কামনা করে। তারা সফল হয়। রাজাও সমর্থন করেন। ফলে ঐ নেতার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। অন্যায় ও নির্যাতনের জন্য তার পতন দ্রুত হয়।

Comilla · 2017

ক
'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?
খ
অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নেতার ন্যায় তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নেতার মিল রয়েছে? পরিচয় দাও।
ঘ
উল্লিখিত নেতার পতনের জন্য কোন কারণগুলি দায়ী ছিল বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' অঞ্চলের রাজা ছিলেন দুর্বল প্রকৃতির। সেখানে বুর্জোয়া ও পুঁজিপতিরা নতুন এক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করেনি। ফলে তারা এক বিদ্রোহী নেতার সাহায্য কামনা করে। তারা সফল হয়। রাজাও সমর্থন করেন। ফলে ঐ নেতার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। অন্যায় ও নির্যাতনের জন্য তার পতন দ্রুত হয়।

Comilla · 2017

ক
'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?
খ
অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নেতার ন্যায় তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নেতার মিল রয়েছে? পরিচয় দাও।
ঘ
উল্লিখিত নেতার পতনের জন্য কোন কারণগুলি দায়ী ছিল বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?

'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উগ্র জাতীয়তাবাদ ও স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে ইউরোপের একটি রাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের দাবানল সৃষ্টি করে। এক সময় রাষ্ট্রটি পরাজিত শক্তি হিসেবে শাস্তিপ্রাপ্ত হয় এবং শাস্তি হিসেবে রাষ্ট্রটিকে দু'ভাগে ভাগ করে শক্তি খর্ব করা হয়।

Dhaka · 2017

ক
নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?
খ
ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে যে যুদ্ধের দাবানলের কথা বলা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'যুদ্ধে পরাজয়ের পরিণতি উক্ত রাষ্ট্রটিতে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল'- উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উগ্র জাতীয়তাবাদ ও স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে ইউরোপের একটি রাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের দাবানল সৃষ্টি করে। এক সময় রাষ্ট্রটি পরাজিত শক্তি হিসেবে শাস্তিপ্রাপ্ত হয় এবং শাস্তি হিসেবে রাষ্ট্রটিকে দু'ভাগে ভাগ করে শক্তি খর্ব করা হয়।

Dhaka · 2017

ক
নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?
খ
ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে যে যুদ্ধের দাবানলের কথা বলা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'যুদ্ধে পরাজয়ের পরিণতি উক্ত রাষ্ট্রটিতে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল'- উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।

ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?

নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উক্ত ফলাফল কি গণতন্ত্রমুখী? মতামত দাও।উদ্দীপকের সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের সাদৃশ্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।উল্লিখিত নেতার পতনের জন্য কোন কারণগুলি দায়ী ছিল বলে তুমি মনে কর?উদ্দীপকের নেতার ন্যায় তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নেতার মিল রয়েছে? পরিচয় দাও।অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।'Mein Kampf [গণিত] কার লেখা?'যুদ্ধে পরাজয়ের পরিণতি উক্ত রাষ্ট্রটিতে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল'- উত্তরের সপক্ষে যুকউদ্দীপকে যে যুদ্ধের দাবানলের কথা বলা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা করফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।