শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে যে ভয়াবহ যুদ্ধের ইঙ্গিত করা হয়েছে তার জন্য কে বেশি দায়ী ছিলেন? পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর: উদ্দীপকে ভয়াবহ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য জার্মানির রাষ্ট্রনেতা হিটলারই সবচেয়ে বেশি দায়ী ছিল 1 ১৯১৯ সালের ভার্সাই সন্ধির অপমানজনক শর্তের ফলে জার্মান জাতি পুরো বিশ্বের জাতীয়তাবাদীদের নিকট খাটো করে উপস্থাপন করা হয়। যা পরবর্তী নেতা হিটলারের রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের প্রধান এজেন্ডা হিসেসেই দেখা দেয়। এক কথায় যাকে আমরা জার্মানির উগ্র জাতীয়তাবাদী স্পৃহা বলতে পারি। বিশেষজ্ঞদের ধারণা ভার্সাই সন্ধির (১৯১৯ খ্রি.) মধ্যেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বীজ নিহিত ছিল। এ সন্ধিতে পরাজিতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শিত হয়নি। বরং পরাজিত জার্মানিকে চিরতরে পঙ্গু করে ফেলার জন্য অপমানজনক সব শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে জার্মান জাতীয়তাবাদী দলগুলো জাতিকে এ কথা বুঝতে সক্ষম হয় যে, ভার্সাই সন্ধি ভঙ্গ না করলে জার্মান জাতির কলঙ্ক মোচন হবে না। ফলে জার্মান জাতীয়তাবাদ তীব্রভাবে বিকশিত হয়। প্রতিটি জার্মান প্রতিশোধ স্পৃহায় জেগে ওঠে। যার পুরো দায় হিটলারের মতো উগ্র জাতীয়তাবাদীরই। সুতরাং উপর্যুক্ত আলোচনার আলোকে এ কথা বলা যায় যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য হিটলারই সবচেয়ে বেশি দায়ী ছিল।

HSC History 2nd Paper Chapter 5: হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 2nd Paper · Chapter 5: হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে যে ভয়াবহ যুদ্ধের ইঙ্গিত করা হয়েছে তার জন্য কে বেশি দায়ী…

উদ্দীপক

বিশ শতকের মধ্যভাগে ইউরোপে দুটি চরম মতবাদের জন্ম হয়। দুজন শাসক নিজ নিজ দেশের অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে যুব সম্প্রদায়কে উগ্র জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ করেন এবং ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেন। তাদের কর্মকাণ্ড সমগ্র বিশ্বকে অস্থির করে তুলেছিল।

উত্তর

নাৎসি পার্টির পুরো নাম ছিল ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টি।

উত্তর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে জার্মানি-ইতালি-জাপান সহযোগিতা চুক্তির মাধ্যমে গঠিত জোট ইতিহাসে অক্ষশক্তি নামে খ্যাত । অক্ষশক্তি মূলত কমিউনিস্টবিরোধী চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হলেও একে বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে সামরিক জোটও বলা যেতে পারে। ১৯৩৭ সালে ইতালি এ শক্তিজোটে যোগ দেয়। তৎকালীন ইতালির উগ্রপন্থি রাজনৈতিক মতবাদ ফ্যাসিবাদের জনক বেনিতো মুসোলিনী বলেছিলেন, 'এটি এমন একটি অক্ষ যার চারদিকে শান্তির জন্য অনুপ্রাণিত ইউরোপীয় শক্তিবর্গ সহযোগিতা করতে পারে' ।

উত্তর

উদ্দীপকে ভয়াবহ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য জার্মানির রাষ্ট্রনেতা হিটলারই সবচেয়ে বেশি দায়ী ছিল 1 ১৯১৯ সালের ভার্সাই সন্ধির অপমানজনক শর্তের ফলে জার্মান জাতি পুরো বিশ্বের জাতীয়তাবাদীদের নিকট খাটো করে উপস্থাপন করা হয়। যা পরবর্তী নেতা হিটলারের রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের প্রধান এজেন্ডা হিসেসেই দেখা দেয়। এক কথায় যাকে আমরা জার্মানির উগ্র জাতীয়তাবাদী স্পৃহা বলতে পারি। বিশেষজ্ঞদের ধারণা ভার্সাই সন্ধির (১৯১৯ খ্রি.) মধ্যেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বীজ নিহিত ছিল। এ সন্ধিতে পরাজিতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শিত হয়নি। বরং পরাজিত জার্মানিকে চিরতরে পঙ্গু করে ফেলার জন্য অপমানজনক সব শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে জার্মান জাতীয়তাবাদী দলগুলো জাতিকে এ কথা বুঝতে সক্ষম হয় যে, ভার্সাই সন্ধি ভঙ্গ না করলে জার্মান জাতির কলঙ্ক মোচন হবে না। ফলে জার্মান জাতীয়তাবাদ তীব্রভাবে বিকশিত হয়। প্রতিটি জার্মান প্রতিশোধ স্পৃহায় জেগে ওঠে। যার পুরো দায় হিটলারের মতো উগ্র জাতীয়তাবাদীরই। সুতরাং উপর্যুক্ত আলোচনার আলোকে এ কথা বলা যায় যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জন্য হিটলারই সবচেয়ে বেশি দায়ী ছিল।

উত্তর

উদ্দীপকে যে দুজন শাসককে ইঙ্গিত করা হয়েছে তারা হলেন হিটলার ও মুসোলিনী। তারা উভয়েই জাতীয়তাবাদী নেতা। তবে তারা জাতীয়তাবাদকে বিশ্বশান্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছিলেন। মুসোলিনী চেয়েছিলেন ইতালিকে বিশ্বে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে। অপরদিকে, হিটলার চেয়েছিলেন পুরো বিশ্বকে জার্মান জাতির দাসত্বের অধীনে আনতে। দুজনের ব্যক্তিগত জীবনই বৈচিত্র্যময়। উভয়েই ছিলেন একনায়ক। উভয়ের কর্মকাণ্ডের মধ্যে অনেক সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়- প্রথমত, হিটলার তার আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য যে দল গঠন করেছিলেন তার সদস্যদের নির্দিষ্ট পোশাক ছিল। এটি ছিল বাদামি রংয়ের। এরা সামরিক কায়দায় কুচকাওয়াজ করত। অনুরূপ মুসোলিনীও তার দলীয় সদস্যদের সামরিক ধাঁচে প্রস্তুত করেন। মুসোলিনীর দলীয় পোশাক ছিল কালো প্যান্ট-শার্ট ও কালো টুপি । দ্বিতীয়ত, উভয়েই গণতন্ত্রকে হত্যা করেন। উভয়েই কমিউনিস্টদের নিষ্ঠুরভাবে দমন করেন। দুজনেই প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন; এরপর একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন । তৃতীয়ত, হিটলার ও মুসোলিনী উভয়েই যুবশক্তির আবেগকে জাতীয়তাবাদী চেতনার আড়ালে ব্যবহার করেছেন । চতুর্থত, হিটলার ও মুসোলিনী উভয়ের জনসমর্থনের ভিত্তি ছিল দুর্বল। উভয়েই শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে প্রচলিত সরকার ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে দিয়ে সন্ত্রাস ও ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছিলেন। পঞ্চমত, হিটলার জার্মান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন নাৎসিবাদ-এর মাধ্যমে। অপরদিকে, মুসোলিনী যুবসমাজকে বিমোহিত করেছিলেন ফ্যাসিবাদের আদর্শে । ষষ্ঠত, হিটলার ও মুসোলিনী কেউই সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ছিলেন না। তারা কেউই উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারেননি। তারা উভয়েই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকার মধ্যে বেড়ে ওঠেন। উভয়েই বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তবে মুসোলিনী ছিলেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ী ইতালীয় নাগরিক। অপরদিকে, হিটলার ছিলেন পরাজিত জার্মানির নাগরিক।
HSCHistory 2nd PaperChapter 5: হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যুদ্ধের ফলে 'ক' দেশ ও তার মিত্রদের পরাজয় ঘটে। বিভিন্ন দল নিষিদ্ধ হয়। বিচার করা হয় বহু ব্যক্তির। বিভিন্ন দেশে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার বিকশিত হয়।

Comilla · 2017

ক
NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।
খ
প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের সাদৃশ্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত ফলাফল কি গণতন্ত্রমুখী? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যুদ্ধের ফলে 'ক' দেশ ও তার মিত্রদের পরাজয় ঘটে। বিভিন্ন দল নিষিদ্ধ হয়। বিচার করা হয় বহু ব্যক্তির। বিভিন্ন দেশে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার বিকশিত হয়।

Comilla · 2017

ক
NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।
খ
প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের সাদৃশ্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত ফলাফল কি গণতন্ত্রমুখী? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।

NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' অঞ্চলের রাজা ছিলেন দুর্বল প্রকৃতির। সেখানে বুর্জোয়া ও পুঁজিপতিরা নতুন এক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করেনি। ফলে তারা এক বিদ্রোহী নেতার সাহায্য কামনা করে। তারা সফল হয়। রাজাও সমর্থন করেন। ফলে ঐ নেতার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। অন্যায় ও নির্যাতনের জন্য তার পতন দ্রুত হয়।

Comilla · 2017

ক
'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?
খ
অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নেতার ন্যায় তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নেতার মিল রয়েছে? পরিচয় দাও।
ঘ
উল্লিখিত নেতার পতনের জন্য কোন কারণগুলি দায়ী ছিল বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' অঞ্চলের রাজা ছিলেন দুর্বল প্রকৃতির। সেখানে বুর্জোয়া ও পুঁজিপতিরা নতুন এক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করেনি। ফলে তারা এক বিদ্রোহী নেতার সাহায্য কামনা করে। তারা সফল হয়। রাজাও সমর্থন করেন। ফলে ঐ নেতার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। অন্যায় ও নির্যাতনের জন্য তার পতন দ্রুত হয়।

Comilla · 2017

ক
'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?
খ
অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নেতার ন্যায় তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নেতার মিল রয়েছে? পরিচয় দাও।
ঘ
উল্লিখিত নেতার পতনের জন্য কোন কারণগুলি দায়ী ছিল বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?

'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উগ্র জাতীয়তাবাদ ও স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে ইউরোপের একটি রাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের দাবানল সৃষ্টি করে। এক সময় রাষ্ট্রটি পরাজিত শক্তি হিসেবে শাস্তিপ্রাপ্ত হয় এবং শাস্তি হিসেবে রাষ্ট্রটিকে দু'ভাগে ভাগ করে শক্তি খর্ব করা হয়।

Dhaka · 2017

ক
নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?
খ
ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে যে যুদ্ধের দাবানলের কথা বলা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'যুদ্ধে পরাজয়ের পরিণতি উক্ত রাষ্ট্রটিতে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল'- উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উগ্র জাতীয়তাবাদ ও স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে ইউরোপের একটি রাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের দাবানল সৃষ্টি করে। এক সময় রাষ্ট্রটি পরাজিত শক্তি হিসেবে শাস্তিপ্রাপ্ত হয় এবং শাস্তি হিসেবে রাষ্ট্রটিকে দু'ভাগে ভাগ করে শক্তি খর্ব করা হয়।

Dhaka · 2017

ক
নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?
খ
ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে যে যুদ্ধের দাবানলের কথা বলা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'যুদ্ধে পরাজয়ের পরিণতি উক্ত রাষ্ট্রটিতে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল'- উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।

ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?

নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উক্ত ফলাফল কি গণতন্ত্রমুখী? মতামত দাও।উদ্দীপকের সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের সাদৃশ্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।উল্লিখিত নেতার পতনের জন্য কোন কারণগুলি দায়ী ছিল বলে তুমি মনে কর?উদ্দীপকের নেতার ন্যায় তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নেতার মিল রয়েছে? পরিচয় দাও।অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।'Mein Kampf [গণিত] কার লেখা?'যুদ্ধে পরাজয়ের পরিণতি উক্ত রাষ্ট্রটিতে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল'- উত্তরের সপক্ষে যুকউদ্দীপকে যে যুদ্ধের দাবানলের কথা বলা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা করফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।