শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের উল্লিখিত চুক্তি কীভাবে উক্ত দেশের বিপর্যয় ডেকে এনেছিল ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকের উল্লিখিত চুক্তি অর্থাৎ ভাসাই চুক্তিই উক্ত দেশ তথা জার্মানির বিপর্যয় ডেকে এনেছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের ফলে মিত্রশক্তি ১৯১৯ সালের ২৮ জুন জার্মানির কাঁধে ভার্সাই সন্ধি চাপিয়ে দেয়। এ সন্ধিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের যাবতীয় ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ জার্মানিকে দিতে বাধ্য করা হয়। যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে জার্মানির নিকট থেকে ১৩২ বিলিয়ন স্বর্ণমুদ্রা আদায় করা হয়। জার্মানি সৈন্য সংখ্যা এক লক্ষে সীমিত করা হয়। যুদ্ধের সরঞ্জাম উৎপাদন, আমদানি রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হয়। রাইন নদীর ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সকল জার্মান দূর্গ ও সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। সন্ধি অনুযায়ী জার্মানি তার আলসাস, লোরেন ও খনি সমৃদ্ধ সার অঞ্চল ১৫ বছরের জন্য ফ্রান্সকে ছেড়ে দেয়। জার্মানি বেলজিয়ামকে ইউপেন, মরিচনেট, ম্যাথেডি নামক জেলা ছেরে দেয়। জার্মানি এই ভার্সাই সন্ধির কঠোরতায় ন্যূব্জ হয়ে পড়ে ছিল। জার্মানবাসী ভেতরে ভেতরে ফুসছিল এ সন্ধির নাগপাশ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য। এমন সময় উগ্র জাতীয়তাবাদী হিটলারের আবির্ভাব ঘটে। হিটলার ভার্সাই সন্ধির নিষ্ঠুরতা থেকে জার্মান বাসীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য এবং জার্মানির আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। এভাবেই ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং বিশ্ব আবার বিপর্যয়ের মুখে পতিত হয়। অতএব বলা যায়, ভার্সাই সন্ধির কঠোর ও নিষ্ঠুর বিধানই জার্মানিকে বিপর্যয়ের মুখে ফেলে

HSC History 2nd Paper Chapter 5: হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 2nd Paper · Chapter 5: হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ · সৃজনশীল

উদ্দীপকের উল্লিখিত চুক্তি কীভাবে উক্ত দেশের বিপর্যয় ডেকে এনেছিল ব্…

উদ্দীপক

১ম বিশ্বযুদ্ধের পর একটি চুক্তির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই চুক্তির ফলে উক্ত দেশ রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় । বিজয়ী শক্তির ইচ্ছামত ক্ষতিপূরণ আদায় করে যার ফলশ্রুতি সে দেশে ক্ষুধা, দারিদ্র, মূল্যস্ফীতি চরমভাবে বেড়ে যায়। যার ফলশ্রুতিতে উগ্রজাতীয়তাবাদে জনগণ জড়িয়ে পড়ে। ঠিক সে সময় একজন নেতার 'আত্মজীবনী' মূলক গ্রন্থ প্রকাশিত হলে জনগণ সেই নেতাকে সদরে গ্রহণ করে । ফলশ্রুতি আবার ও ইউরোপ একটি মহাযুদ্ধ সংঘটিত হয়।

উত্তর

হিটলার রচিত গ্রন্থের নাম- Mein Kampf বা আমার জীবনী।

উত্তর

নাৎসিবাদ হলো জার্মানিতে এডলফ হিটলার অনুসৃত একটি উগ্র জাতীয়তাবাদী মতবাদ। এটা মূলত ফ্যাসিবাদেরই জার্মান সংস্করণ। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জার্মান উগ্ৰজাতীয়তাবাদী গোষ্ঠী দেশে গণতান্ত্রিক শক্তিকে সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন করতে বদ্ধপরিকর ছিল। এদের ভাবাদর্শকে নাৎসিবাদ বলে। নাৎসিবাদের মতে, গণতন্ত্র মূর্খ, নির্বোধ ও অযোগ্যদের শাসন এবং এ শাসনে মানুষের সত্যিকারের মুক্তি সম্ভব নয়। নাৎসিবাদে ব্যক্তিস্বাধীনতা বলে কিছু নেই।

উত্তর

উদ্দীপকের উল্লিখিত চুক্তি অর্থাৎ ভাসাই চুক্তিই উক্ত দেশ তথা জার্মানির বিপর্যয় ডেকে এনেছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের ফলে মিত্রশক্তি ১৯১৯ সালের ২৮ জুন জার্মানির কাঁধে ভার্সাই সন্ধি চাপিয়ে দেয়। এ সন্ধিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের যাবতীয় ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ জার্মানিকে দিতে বাধ্য করা হয়। যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে জার্মানির নিকট থেকে ১৩২ বিলিয়ন স্বর্ণমুদ্রা আদায় করা হয়। জার্মানি সৈন্য সংখ্যা এক লক্ষে সীমিত করা হয়। যুদ্ধের সরঞ্জাম উৎপাদন, আমদানি রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হয়। রাইন নদীর ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সকল জার্মান দূর্গ ও সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। সন্ধি অনুযায়ী জার্মানি তার আলসাস, লোরেন ও খনি সমৃদ্ধ সার অঞ্চল ১৫ বছরের জন্য ফ্রান্সকে ছেড়ে দেয়। জার্মানি বেলজিয়ামকে ইউপেন, মরিচনেট, ম্যাথেডি নামক জেলা ছেরে দেয়। জার্মানি এই ভার্সাই সন্ধির কঠোরতায় ন্যূব্জ হয়ে পড়ে ছিল। জার্মানবাসী ভেতরে ভেতরে ফুসছিল এ সন্ধির নাগপাশ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য। এমন সময় উগ্র জাতীয়তাবাদী হিটলারের আবির্ভাব ঘটে। হিটলার ভার্সাই সন্ধির নিষ্ঠুরতা থেকে জার্মান বাসীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য এবং জার্মানির আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। এভাবেই ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং বিশ্ব আবার বিপর্যয়ের মুখে পতিত হয়। অতএব বলা যায়, ভার্সাই সন্ধির কঠোর ও নিষ্ঠুর বিধানই জার্মানিকে বিপর্যয়ের মুখে ফেলে

উত্তর

হ্যাঁ, আমি মনে করি, ১ম বিশ্বযুদ্ধের মধ্যে ২য় বিশ্ব যুদ্ধের বীজ লুকিয়ে ছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার পেছনে যে সাম্রাজ্যবাদের ভূমিকা ছিল তা যুদ্ধের পরও ধ্বংস হয়নি। বরং ভার্সাই চুক্তির মধ্য দিয়ে জার্মান উপনিবেশ, সম্পদ অর্থ এবং ইউরোপে জার্মানির কতিপয় অঞ্চল ভাগ- বাটোয়ারা করে নেয় মিত্রশক্তি। ১ম বিশ্বযুদ্ধের অর্থনৈতিক বিপর্যয় এতটায় মারাত্মক আকার ধারণ করে যে ইউরোপে -দুর্ভিক্ষ, ক্ষুধা, বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক মন্দা ছড়িয়ে পড়ে। ১৯১৮ থেকে ১৯২৩ সালকে বিপ্লবী উত্থানের কাল বলে অভিহিত করা যায়। তবে ১৯২৪ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত যেটুকু স্থিতিশীলতা এসব দেশে লক্ষ করা যায়, বৃহৎ শক্তিগুলো তার স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে পারেনি। ১৯২৪ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত সময়ে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়। ফলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর কালের বিজয়ী শক্তিসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের প্রতিযোগিতা শুরু হয়। আবার বিজিত দেশগুলো প্রতিশোধ নিতে প্রস্তুতি গ্রহণ করে। সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের ফলে যে দূরত্ব বাড়ছিল; তার মধ্যেই দ্বন্দের মূল কারণ নিহিত ছিল। তাই বলা যায়, ১ম বিশ্ব যুদ্ধের মধ্যে ১৯৩৯ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বীজ নিহিত ছিল।
HSCHistory 2nd PaperChapter 5: হিটলার ও মুসোলিনীর উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যুদ্ধের ফলে 'ক' দেশ ও তার মিত্রদের পরাজয় ঘটে। বিভিন্ন দল নিষিদ্ধ হয়। বিচার করা হয় বহু ব্যক্তির। বিভিন্ন দেশে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার বিকশিত হয়।

Comilla · 2017

ক
NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।
খ
প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের সাদৃশ্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত ফলাফল কি গণতন্ত্রমুখী? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

যুদ্ধের ফলে 'ক' দেশ ও তার মিত্রদের পরাজয় ঘটে। বিভিন্ন দল নিষিদ্ধ হয়। বিচার করা হয় বহু ব্যক্তির। বিভিন্ন দেশে গণতান্ত্রিক ও স্বাধীনতার বিকশিত হয়।

Comilla · 2017

ক
NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।
খ
প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের সাদৃশ্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উক্ত ফলাফল কি গণতন্ত্রমুখী? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।

NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' অঞ্চলের রাজা ছিলেন দুর্বল প্রকৃতির। সেখানে বুর্জোয়া ও পুঁজিপতিরা নতুন এক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করেনি। ফলে তারা এক বিদ্রোহী নেতার সাহায্য কামনা করে। তারা সফল হয়। রাজাও সমর্থন করেন। ফলে ঐ নেতার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। অন্যায় ও নির্যাতনের জন্য তার পতন দ্রুত হয়।

Comilla · 2017

ক
'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?
খ
অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নেতার ন্যায় তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নেতার মিল রয়েছে? পরিচয় দাও।
ঘ
উল্লিখিত নেতার পতনের জন্য কোন কারণগুলি দায়ী ছিল বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' অঞ্চলের রাজা ছিলেন দুর্বল প্রকৃতির। সেখানে বুর্জোয়া ও পুঁজিপতিরা নতুন এক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করেনি। ফলে তারা এক বিদ্রোহী নেতার সাহায্য কামনা করে। তারা সফল হয়। রাজাও সমর্থন করেন। ফলে ঐ নেতার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। অন্যায় ও নির্যাতনের জন্য তার পতন দ্রুত হয়।

Comilla · 2017

ক
'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?
খ
অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নেতার ন্যায় তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নেতার মিল রয়েছে? পরিচয় দাও।
ঘ
উল্লিখিত নেতার পতনের জন্য কোন কারণগুলি দায়ী ছিল বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?

'Mein Kampf′Kampf^{\prime} কার লেখা?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উগ্র জাতীয়তাবাদ ও স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে ইউরোপের একটি রাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের দাবানল সৃষ্টি করে। এক সময় রাষ্ট্রটি পরাজিত শক্তি হিসেবে শাস্তিপ্রাপ্ত হয় এবং শাস্তি হিসেবে রাষ্ট্রটিকে দু'ভাগে ভাগ করে শক্তি খর্ব করা হয়।

Dhaka · 2017

ক
নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?
খ
ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে যে যুদ্ধের দাবানলের কথা বলা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'যুদ্ধে পরাজয়ের পরিণতি উক্ত রাষ্ট্রটিতে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল'- উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উগ্র জাতীয়তাবাদ ও স্বৈরাচারী মনোভাবের কারণে ইউরোপের একটি রাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের দাবানল সৃষ্টি করে। এক সময় রাষ্ট্রটি পরাজিত শক্তি হিসেবে শাস্তিপ্রাপ্ত হয় এবং শাস্তি হিসেবে রাষ্ট্রটিকে দু'ভাগে ভাগ করে শক্তি খর্ব করা হয়।

Dhaka · 2017

ক
নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?
খ
ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ
উদ্দীপকে যে যুদ্ধের দাবানলের কথা বলা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'যুদ্ধে পরাজয়ের পরিণতি উক্ত রাষ্ট্রটিতে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল'- উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।

ফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?

নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উক্ত ফলাফল কি গণতন্ত্রমুখী? মতামত দাও।উদ্দীপকের সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের সাদৃশ্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।প্যারিস শান্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।NATO-এর পূর্ণরূপ লিখ।উল্লিখিত নেতার পতনের জন্য কোন কারণগুলি দায়ী ছিল বলে তুমি মনে কর?উদ্দীপকের নেতার ন্যায় তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নেতার মিল রয়েছে? পরিচয় দাও।অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা কর।'Mein Kampf [গণিত] কার লেখা?'যুদ্ধে পরাজয়ের পরিণতি উক্ত রাষ্ট্রটিতে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল'- উত্তরের সপক্ষে যুকউদ্দীপকে যে যুদ্ধের দাবানলের কথা বলা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা করফ্যাটম্যান কী? বুঝিয়ে লেখ।নাৎসিদের পোশাকের রং কীরূপ ছিল?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।