শেয়ারFacebookWhatsApp

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রতি ইঙ্গিত প্রধান করা হয়েছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের কারণগুলো হলো- ১. যুদ্ধের দীর্ঘসূত্রতা: জার্মানির উপনিবেশ না থাকায় তার নিজের সীমিত সম্পদ দিয়ে বেশিদিন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। তাই দেখা যায়, যুদ্ধের প্রথমদিকে জার্মানি জয় পেলেও দীর্ঘকাল তা অব্যাহত রাখা সম্ভব ছিল না। যুদ্ধের দীর্ঘসূত্রতা তাই জার্মান বাহিনীর পরাজয়ের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল। ২. নৌশক্তিতে মিত্রপক্ষের শ্রেষ্ঠত্ব: নৌশক্তিতে ব্রিটেনের শ্রেষ্ঠত্ব স্মরণাতীতকাল থেকে। যুদ্ধকালে ব্রিটেনের সাথে ফ্রান্সের নৌবহর যুক্ত হওয়ায় মিত্রপক্ষের নৌবাহিনীর সক্ষমতা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। ৩. একই সময়ে একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রণাঙ্গন ছিল দুটি। যথা- পূর্ব রণাঙ্গন ও পশ্চিম রণাঙ্গন। এক্ষেত্রে জার্মানিকে একই সময়ে পূর্ব ও পশ্চিম উভয় ফ্রন্টে সৈন্য সমাবেশ করে যুদ্ধ করতে হয়। একই সাথে একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধ জার্মানির পরাজয়ের একটি বড়ো কারণ। ৪. ভৌগোলিক অবস্থান : ইউরোপের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত জার্মানির ভূখণ্ড ছিল সীমিত আয়তনের। তাই ব্যাপক আক্রমণের মুখে পিচু হটে আত্মরক্ষা করার মতো পশ্চাৎভূমি তার ছিল না। ৫. ফরাসিদের জনযুদ্ধ: হানাদার জার্মানির বিরুদ্ধে ফ্রান্স সরকারকে সে দেশের জনগণ অভূতপূর্ব সহায়তা করে। যুদ্ধের প্রথমদিকে জার্মানি যখন দ্রুতবেগে রাজধানী প্যারিসের দিকে এগিয়ে যায়, ফরাসি জনগণ তখন জীবনপণ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ৬. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যোগদান: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরে যায় যখন ১৯১৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মিত্রপক্ষে যোগ দেয়। উদীয়মান পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এসময় বিপুল সমর সম্ভার, জনবলসহ মিত্রপক্ষে যোগ দিলে জার্মানির জয়ের সকল সম্ভাবনা তিরোহিত হয়ে যায়। উপর্যুক্ত কারণগুলো ছাড়াও আরও কতিপয় কারণে পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা জাতি জার্মানিরা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয় বরণ করেছিল।

HSC History 2nd Paper Chapter 3: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং ভার্সাই সন্ধি ও লীগ অভ নেশনস CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 2nd Paper · Chapter 3: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং ভার্সাই সন্ধি ও লীগ অভ নেশনস · সৃজনশীল

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

'ক' ও 'খ' অঞ্চলের মধ্যকার সংঘর্ষ একপর্যায়ে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ শেষে সালিশের মাধ্যমে উক্ত সংঘর্ষের জন্য 'ক' অঞ্চলকে দায়ী করা হয় এবং অপমানজনক ক্ষতিপূরণের শর্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়। উক্ত অঞ্চলকে সন্ধি শর্তে আবদ্ধ হতে বাধ্য করা হয়। ফলশ্রুতিতে উক্ত সন্ধির মধ্যে আরেকটি সংঘর্ষের বীজ নিহিত থাকে।

উত্তর

জার্মান সংসদের নাম রাইখস্টাগ।

উত্তর

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ফার্ডিনান্ড ও তার স্ত্রী সোফিয়ার হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে। ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দে ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ফার্ডিনান্ড ও তার স্ত্রী সোফিয়া বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভো পরিদর্শনে গেলে সেখানকার গুপ্ত সমিতির হাতে নিহত হন। এ হত্যাকাণ্ডের ফলে সার্বিয়াকে দেওয়া অস্ট্রিয়ার চরমপত্রের সব শর্ত মেনে না নেওয়ায় ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়ার সেনাবাহিনী সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড আক্রমণ করে। বিশ্বশক্তি ও নেতৃবৃন্দ এসময় দুই পক্ষকে কেন্দ্র করে দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রতি ইঙ্গিত প্রধান করা হয়েছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের কারণগুলো হলো- ১. যুদ্ধের দীর্ঘসূত্রতা: জার্মানির উপনিবেশ না থাকায় তার নিজের সীমিত সম্পদ দিয়ে বেশিদিন যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। তাই দেখা যায়, যুদ্ধের প্রথমদিকে জার্মানি জয় পেলেও দীর্ঘকাল তা অব্যাহত রাখা সম্ভব ছিল না। যুদ্ধের দীর্ঘসূত্রতা তাই জার্মান বাহিনীর পরাজয়ের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল। ২. নৌশক্তিতে মিত্রপক্ষের শ্রেষ্ঠত্ব: নৌশক্তিতে ব্রিটেনের শ্রেষ্ঠত্ব স্মরণাতীতকাল থেকে। যুদ্ধকালে ব্রিটেনের সাথে ফ্রান্সের নৌবহর যুক্ত হওয়ায় মিত্রপক্ষের নৌবাহিনীর সক্ষমতা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। ৩. একই সময়ে একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রণাঙ্গন ছিল দুটি। যথা- পূর্ব রণাঙ্গন ও পশ্চিম রণাঙ্গন। এক্ষেত্রে জার্মানিকে একই সময়ে পূর্ব ও পশ্চিম উভয় ফ্রন্টে সৈন্য সমাবেশ করে যুদ্ধ করতে হয়। একই সাথে একাধিক ফ্রন্টে যুদ্ধ জার্মানির পরাজয়ের একটি বড়ো কারণ। ৪. ভৌগোলিক অবস্থান : ইউরোপের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত জার্মানির ভূখণ্ড ছিল সীমিত আয়তনের। তাই ব্যাপক আক্রমণের মুখে পিচু হটে আত্মরক্ষা করার মতো পশ্চাৎভূমি তার ছিল না। ৫. ফরাসিদের জনযুদ্ধ: হানাদার জার্মানির বিরুদ্ধে ফ্রান্স সরকারকে সে দেশের জনগণ অভূতপূর্ব সহায়তা করে। যুদ্ধের প্রথমদিকে জার্মানি যখন দ্রুতবেগে রাজধানী প্যারিসের দিকে এগিয়ে যায়, ফরাসি জনগণ তখন জীবনপণ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ৬. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যোগদান: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরে যায় যখন ১৯১৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মিত্রপক্ষে যোগ দেয়। উদীয়মান পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এসময় বিপুল সমর সম্ভার, জনবলসহ মিত্রপক্ষে যোগ দিলে জার্মানির জয়ের সকল সম্ভাবনা তিরোহিত হয়ে যায়। উপর্যুক্ত কারণগুলো ছাড়াও আরও কতিপয় কারণে পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা জাতি জার্মানিরা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয় বরণ করেছিল।

উত্তর

হ্যাঁ, আমি মনে করি ভার্সাই সন্ধির মধ্যেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বীজ নিহিত ছিল। অর্থাৎ ভার্সাই সন্ধির ব্যর্থতাই ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধান কারণ। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের ফলে মিত্রশক্তি ১৯১৯ সালের ২৮ জুন জার্মানির কাঁধে ভার্সাই সন্ধি চাপিয়ে দেয়। এ সন্ধিতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের যাবতীয় ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ জার্মানিকে দিতে বাধ্য করা হয়। যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে জার্মানির নিকট থেকে ১৩২ বিলিয়ন স্বর্ণমুদ্রা আদায় করা হয়। জার্মানির সৈন্যসংখ্যা এক লক্ষে সীমিত করা হয়। যুদ্ধের সরঞ্জাম উৎপাদন, আমদানি-রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হয়। রাইন নদীর ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সকল জার্মান দুর্গ ও সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়। সন্ধি অনুযায়ী জার্মানি তার আলসাস, লোরেন অঞ্চল ফ্রান্সকে ফিরিয়ে দেয় এবং খনিসমৃদ্ধ সার অঞ্চল ১৫ বছরের জন্য ফ্রান্সকে ছেড়ে দেয়। জার্মানি বেলজিয়ামকে ইউপেন, মরিসনেট, ম্যামেডি নামক জেলা ছেড়ে দেয়। জার্মানি এই ভার্সাই সন্ধির কঠোরতায় ন্যূজ হয়ে পড়ে। জার্মানবাসী ভিতরে ভিতরে ফুঁসছিল এ সন্ধির নাগপাশ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য। এমন সময় উগ্র জাতীয়তাবাদী হিটলারের আবির্ভাব ঘটে। হিটলার ভার্সাই সন্ধির নিষ্ঠুরতা থেকে জার্মানবাসীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য এবং বিশ্বে জার্মানির আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য মিত্রশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আর এভাবেই ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং বিশ্ব আবার বিপর্যয়ের মুখে পতিত হয়। আলোচনা শেষে বলা যায়, ভার্সাই সন্ধির কঠোর ও নিষ্ঠুর বিধানই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে অনিবার্য করে তুলেছিল।
HSCHistory 2nd PaperChapter 3: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং ভার্সাই সন্ধি ও লীগ অভ নেশনস
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উনিশ শতকের গোড়ার দিকে উপনিবেশ ও সাম্রাজ্যবাদ ভয়ংকর আকার ধারণ করে। এমনি এক সময়ে একটি দেশে এক দম্পতির অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পৃথিবীতে এক ভয়ংকর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

Comilla · 2017

বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?
ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দ্বন্দ্বের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
সাম্রাজ্যবাদ-ই ছিল উক্ত দ্বন্দ্বের কারণ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উনিশ শতকের গোড়ার দিকে উপনিবেশ ও সাম্রাজ্যবাদ ভয়ংকর আকার ধারণ করে। এমনি এক সময়ে একটি দেশে এক দম্পতির অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পৃথিবীতে এক ভয়ংকর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

Comilla · 2017

বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?
ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দ্বন্দ্বের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
সাম্রাজ্যবাদ-ই ছিল উক্ত দ্বন্দ্বের কারণ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।

ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?

বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইউরোপের ইতিহাসে বিশ শতকের প্রথম দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। ভয়াবহ এক যুদ্ধ শেষে বিজয়ী জোট পরাজিত জোটকে সন্ধি করতে বাধ্য করে। কিন্তু বিজয়ী জোট পরাজিত জোটের প্রতি যে অমানবিক আচরণ করেছিল, তাতে সন্ধিটি পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে যায়। এই পক্ষপাতদুষ্ট সন্ধির খেসারত বিশ্বের মানুষকে পুনরায় দিতে হয়েছিল।

Dhaka · 2017

লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?
ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে যে সন্ধির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
তুমি কি মনে কর, উক্ত সন্ধির ব্যর্থতাই পরবর্তীকালে বিশ্বকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছিল? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইউরোপের ইতিহাসে বিশ শতকের প্রথম দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। ভয়াবহ এক যুদ্ধ শেষে বিজয়ী জোট পরাজিত জোটকে সন্ধি করতে বাধ্য করে। কিন্তু বিজয়ী জোট পরাজিত জোটের প্রতি যে অমানবিক আচরণ করেছিল, তাতে সন্ধিটি পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে যায়। এই পক্ষপাতদুষ্ট সন্ধির খেসারত বিশ্বের মানুষকে পুনরায় দিতে হয়েছিল।

Dhaka · 2017

লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?
ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে যে সন্ধির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
তুমি কি মনে কর, উক্ত সন্ধির ব্যর্থতাই পরবর্তীকালে বিশ্বকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছিল? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।

ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?

লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?
উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের প্রশ্নবোধক স্থানে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
এক রাজদম্পতির হত্যাকাণ্ডই ঐ বিষয়টির উদ্ভবের মূল কারণ- সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?
উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের প্রশ্নবোধক স্থানে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
এক রাজদম্পতির হত্যাকাণ্ডই ঐ বিষয়টির উদ্ভবের মূল কারণ- সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।

উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?

লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

সাম্রাজ্যবাদ-ই ছিল উক্ত দ্বন্দ্বের কারণ- বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দ্বন্দ্বের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?তুমি কি মনে কর, উক্ত সন্ধির ব্যর্থতাই পরবর্তীকালে বিশ্বকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিউদ্দীপকে যে সন্ধির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?এক রাজদম্পতির হত্যাকাণ্ডই ঐ বিষয়টির উদ্ভবের মূল কারণ- সপক্ষে যুক্তি দাও।উদ্দীপকের প্রশ্নবোধক স্থানে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে পাঠ্উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।