শেয়ারFacebookWhatsApp

তৎকালীন বিশ্বে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় উক্ত সংগঠনটির অবদান অনস্বীকার্য পাঠ্যপুস্তকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: হ্যাঁ, তৎকালীন বিশ্বে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় উক্ত সংগঠনটি তথা লীগ অব নেশনসের অবদান অনস্বীকার্য - উক্তিটি যথার্থ। কিছু ত্রুটিবিচ্যুতি থাকা সত্ত্বেও লীগ অন নেশসন গঠিত হওয়ার পরবর্তী এক দশক এটি একটি সফল আন্তর্জাতিক সংস্থার মর্যাদা লাভ করে। এ সময়টিকে লীগের সুবর্ণ যুগ বলা হয়। এ সময় বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক কোনো স্বার্থঘটিত দ্বন্দ্ব না হওয়ায় লীগের পক্ষে আন্তর্জাতিক বিরোধগুলোর নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়। ফলে এটি একটি কার্যকর সংগঠন বলে প্রতিপন্ন হয়। এ সময়ের মধ্যে লীগ এলান্ড দীপপুঞ্জসংক্রান্ত বিরোধ, সাইলেশিয়া সংকট, ইরান-রুশ সংকট, রুশ-তুরস্ক, জার্মানি-পোল্যান্ড, গ্রিস-আলবেনিয়া, গ্রিস-বুলগেরিয়া বিরোধ, পোল্যান্ড-লিথুনিয়া সংকট সমাধান করতে সমর্থ, হয়। কিন্তু হিটলার মুসোলিনীর নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদ এবং জাপানের সমরবাদ বিশ্বের মাথা চাড়া দিয়ে উঠলে জাতিপুঞ্জ আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হতে থাকে। ব্রিটেন ও ফ্রান্সের তোষণনীতির ফলে জাতিপুঞ্জ একেবারে মুখ থুবড়ে পড়ে। তা সত্ত্বেও তৎকালীন সময়ে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিপুঞ্জের সমকক্ষ অন্য কোনো সংগঠন ছিল না। তাই বলা যায়, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তৎকালীন সময়ে লীগ অব নেশনসের অবদান অনস্বীকার্য ছিল।

HSC History 2nd Paper Chapter 3: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং ভার্সাই সন্ধি ও লীগ অভ নেশনস CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 2nd Paper · Chapter 3: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং ভার্সাই সন্ধি ও লীগ অভ নেশনস · সৃজনশীল

তৎকালীন বিশ্বে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় উক্ত সংগঠনটির অবদান অনস্বীকার…

উদ্দীপক

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে বিশ্বে একটি সংগঠনের জন্ম হলেও বৃহৎ দেশসমূহের অসহযোগিতাসহ বিভিন্ন কারণে সংগঠনটি শেষপর্যন্ত অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। তথাপি তৎকালীন আন্তর্জাতিক সমস্যার সমাধান ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সংগঠনটির গুরুত্ব ছিল অপরিসীম।

উত্তর

লয়েড জর্জ ছিলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী।

উত্তর

উদীয়মান পরাশক্তি জার্মানিকে মোকাবিলা করার জন্য ফ্রান্স, রাশিয়া ও ইংল্যান্ডের মাঝে যে আঁতাত হয়, তা ত্রিশক্তি আঁতাত নামে পরিচিত। এ আঁতাত ছিল ত্রিশক্তি জোট-এর হুমকি মোকাবিলায় গড়ে ওঠা ইউরোপীয় সামরিক জোট। দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ফলে এ আঁতাত গড়ে ওঠে। মূলত ১৯৯৩ সালে ফ্রাঙ্কো-রুশ চুক্তি, ১৯০৫ সালে ইঙ্গ-ফরাসি চুক্তি এবং ১৯০৭ সালে ইঙ্গ-রুশ চুক্তির ফল হচ্ছে ত্রিশক্তি আঁতাত।

উত্তর

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব শান্তি ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য লীগ অব নেশন প্রতিষ্ঠা হয়। লীগের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধকে বন্ধ করে আন্তর্জাতিক শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষা কর। লীগের চার্টারের ১০ থেকে ১৬ ধারার মধ্যে লীগ অব নেশনের প্রধান উদ্দেশ্য সম্পর্কে উল্লিখিত আছে। যেমন: ১. লীগ চার্টারে ১০নং ধারায় বলা হয় যে, লীগের সদস্যদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা লীগ রক্ষা করবে। অর্থাৎ দুই বা ততোধিক রাষ্ট্রের মধ্যে বিবাদ উপস্থিত হলে লীগ মীমাংসা করবে, প্রয়োজনে বলপ্রয়োগ করবে। ২. লীগ চার্টারে ১১নং ধারায় উল্লেখ করা হয়, লীগের কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে আক্রমণকারীর বিরুদ্ধে লীগের অন্যান্য সদস্য যৌথভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ৩. লীগ চার্টারে ১২নং ধারায় বলা হয় যে, আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারা শান্তিপূর্ণভাবে যেকোনো সমস্যার সমাধান করা হবে। ৪. লীগ চার্টারে ১৩নং ধারায় আন্তর্জাতিক আদালতের সিদ্ধান্ত সকলকে মেনে নিতে অনুরোধ জানানো হয়। ৫. লীগ চার্টারে ১৪নং ধারায় আন্তর্জাতিক আদালত গঠনপ্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হয়। ৬. লীগ-চার্টারে ১৫নং ধারায় লীগ কাউন্সিলের সকল সদস্যের সম্মতিক্রমে রাজনৈতিক বিরোধের সমাধানের কথা বলা হয়। ৭. লীগ চার্টারে ১৬নং ধারাটি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ধারায় বলা হয়, যদি কোনো সদস্য রাষ্ট্র লীগের আদর্শ লঙ্ঘন করে যুদ্ধ কিংবা বিবাদ সৃষ্টি করে তবে তাকে আক্রমণকারী ঘোষণা করা হবে এবং তার বিরুদ্ধে অপর সদস্যরা অর্থনৈতিক অবরোধ ঘোষণা করতে বাধ্য থাকবে, প্রয়োজনে সামরিক শক্তিও প্রয়োগ করবে।

উত্তর

হ্যাঁ, তৎকালীন বিশ্বে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় উক্ত সংগঠনটি তথা লীগ অব নেশনসের অবদান অনস্বীকার্য - উক্তিটি যথার্থ। কিছু ত্রুটিবিচ্যুতি থাকা সত্ত্বেও লীগ অন নেশসন গঠিত হওয়ার পরবর্তী এক দশক এটি একটি সফল আন্তর্জাতিক সংস্থার মর্যাদা লাভ করে। এ সময়টিকে লীগের সুবর্ণ যুগ বলা হয়। এ সময় বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক কোনো স্বার্থঘটিত দ্বন্দ্ব না হওয়ায় লীগের পক্ষে আন্তর্জাতিক বিরোধগুলোর নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়। ফলে এটি একটি কার্যকর সংগঠন বলে প্রতিপন্ন হয়। এ সময়ের মধ্যে লীগ এলান্ড দীপপুঞ্জসংক্রান্ত বিরোধ, সাইলেশিয়া সংকট, ইরান-রুশ সংকট, রুশ-তুরস্ক, জার্মানি-পোল্যান্ড, গ্রিস-আলবেনিয়া, গ্রিস-বুলগেরিয়া বিরোধ, পোল্যান্ড-লিথুনিয়া সংকট সমাধান করতে সমর্থ, হয়। কিন্তু হিটলার মুসোলিনীর নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদ এবং জাপানের সমরবাদ বিশ্বের মাথা চাড়া দিয়ে উঠলে জাতিপুঞ্জ আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হতে থাকে। ব্রিটেন ও ফ্রান্সের তোষণনীতির ফলে জাতিপুঞ্জ একেবারে মুখ থুবড়ে পড়ে। তা সত্ত্বেও তৎকালীন সময়ে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিপুঞ্জের সমকক্ষ অন্য কোনো সংগঠন ছিল না। তাই বলা যায়, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তৎকালীন সময়ে লীগ অব নেশনসের অবদান অনস্বীকার্য ছিল।
HSCHistory 2nd PaperChapter 3: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং ভার্সাই সন্ধি ও লীগ অভ নেশনস
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উনিশ শতকের গোড়ার দিকে উপনিবেশ ও সাম্রাজ্যবাদ ভয়ংকর আকার ধারণ করে। এমনি এক সময়ে একটি দেশে এক দম্পতির অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পৃথিবীতে এক ভয়ংকর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

Comilla · 2017

ক
বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?
খ
ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দ্বন্দ্বের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সাম্রাজ্যবাদ-ই ছিল উক্ত দ্বন্দ্বের কারণ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উনিশ শতকের গোড়ার দিকে উপনিবেশ ও সাম্রাজ্যবাদ ভয়ংকর আকার ধারণ করে। এমনি এক সময়ে একটি দেশে এক দম্পতির অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পৃথিবীতে এক ভয়ংকর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

Comilla · 2017

ক
বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?
খ
ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দ্বন্দ্বের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সাম্রাজ্যবাদ-ই ছিল উক্ত দ্বন্দ্বের কারণ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।

ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?

বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইউরোপের ইতিহাসে বিশ শতকের প্রথম দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। ভয়াবহ এক যুদ্ধ শেষে বিজয়ী জোট পরাজিত জোটকে সন্ধি করতে বাধ্য করে। কিন্তু বিজয়ী জোট পরাজিত জোটের প্রতি যে অমানবিক আচরণ করেছিল, তাতে সন্ধিটি পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে যায়। এই পক্ষপাতদুষ্ট সন্ধির খেসারত বিশ্বের মানুষকে পুনরায় দিতে হয়েছিল।

Dhaka · 2017

ক
লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?
খ
ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে যে সন্ধির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি মনে কর, উক্ত সন্ধির ব্যর্থতাই পরবর্তীকালে বিশ্বকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছিল? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইউরোপের ইতিহাসে বিশ শতকের প্রথম দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। ভয়াবহ এক যুদ্ধ শেষে বিজয়ী জোট পরাজিত জোটকে সন্ধি করতে বাধ্য করে। কিন্তু বিজয়ী জোট পরাজিত জোটের প্রতি যে অমানবিক আচরণ করেছিল, তাতে সন্ধিটি পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে যায়। এই পক্ষপাতদুষ্ট সন্ধির খেসারত বিশ্বের মানুষকে পুনরায় দিতে হয়েছিল।

Dhaka · 2017

ক
লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?
খ
ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে যে সন্ধির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি মনে কর, উক্ত সন্ধির ব্যর্থতাই পরবর্তীকালে বিশ্বকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছিল? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।

ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?

লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?
খ
উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের প্রশ্নবোধক স্থানে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
এক রাজদম্পতির হত্যাকাণ্ডই ঐ বিষয়টির উদ্ভবের মূল কারণ- সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?
খ
উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের প্রশ্নবোধক স্থানে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
এক রাজদম্পতির হত্যাকাণ্ডই ঐ বিষয়টির উদ্ভবের মূল কারণ- সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।

উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?

লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

সাম্রাজ্যবাদ-ই ছিল উক্ত দ্বন্দ্বের কারণ- বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দ্বন্দ্বের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?তুমি কি মনে কর, উক্ত সন্ধির ব্যর্থতাই পরবর্তীকালে বিশ্বকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিউদ্দীপকে যে সন্ধির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?এক রাজদম্পতির হত্যাকাণ্ডই ঐ বিষয়টির উদ্ভবের মূল কারণ- সপক্ষে যুক্তি দাও।উদ্দীপকের প্রশ্নবোধক স্থানে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে পাঠ্উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।