শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত রাষ্ট্র জোট কীভাবে ১ম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উক্ত রাষ্ট্র জোট অর্থাৎ ত্রিশক্তি আঁতাত শক্তির ভারসাম্য বিনষ্ট করার মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে। ত্রিশক্তি আঁতাত ছিল ত্রিশক্তি জোট-এর হুমকি মোকাবেলায় গড়ে ওঠা ইউরোপীয় সামরিক জোট। দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ফলে এ আঁতাত গড়ে ওঠে। মূলত ১৮৯৩ সালে ফ্রাঙ্কো-রুশ চুক্তি, ১৯০৫ সালে ইঙ্গ-ফরাসি চুক্তি এবং ১৯০৭ সালের ইঙ্গ-রুশ চুক্তির ফল হচ্ছ ত্রিশক্তি আঁতাত । এ ত্রিশক্তি আঁতাতের ফলে জার্মানি কোণঠাসা হয়ে পড়ে। এ কোণঠাসা অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য জার্মানি আক্রমণাত্মক নীতি গ্রহণ করে। জার্মানি পূর্ব থেকেই অবগত ছিল অস্ট্রিয়া-সার্বিয়া যুদ্ধ আসন্ন। সার্বিয়ার পেছনে আছে রাশিয়া, যুদ্ধে অস্ট্রিয়ার পরাজয় হলে জার্মানির দারুণ ক্ষতি হবে। ফলে জার্মানি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয় । এভাবে পরস্পরবিরোধী জোট সৃষ্টি হওয়ায় ইউরোপে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় যা শক্তির ভারসাম্য নষ্ট করে। জার্মানির নৌশক্তিতে আতঙ্কিত হয়ে ব্রিটেন, তার নৌশক্তি বাড়িয়ে চলে। রাশিয়া সাড়ে তিন বছরের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক শিক্ষা চালু করে। প্রত্যেক জোট যতবেশি সম্ভব মারণাস্ত্র তৈরি শুরু করে। এভাবে ইঙ্গ-ফ্রাঙ্ক জোট তথা ত্রিশক্তি আঁতাত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরি করে।

HSC History 2nd Paper Chapter 3: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং ভার্সাই সন্ধি ও লীগ অভ নেশনস CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · History 2nd Paper · Chapter 3: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং ভার্সাই সন্ধি ও লীগ অভ নেশনস · সৃজনশীল

উক্ত রাষ্ট্র জোট কীভাবে ১ম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে? ব্যাখ…

উদ্দীপক

question image

উত্তর

লীগ অব নেশনস ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তর

রাজতন্ত্রের অবসানের পর জার্মানিতে যে প্রজাতন্ত্রের উদ্ভব ঘটে ইতিহাসে তা ওয়েমার বা ভাইমার প্রজাতন্ত্র নামে পরিচিত। জার্মানিতে ১৯১৯ সালে যে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তাতে ফ্রেডারিক ইবার্ট নেতৃত্বাধীন 'স্যোশাল ডেমোক্রেটিক দল' ১৬৫টি আসন লাভ করে। ভাইমার (Weimer) নামক স্থানে জাতীয় সংবিধান সভার অধিবেশনে জার্মানির জন্য তারা একটি প্রজাতান্ত্রিক সংবিধান গ্রহণ করে। স্থানের নামানুসারে তাই নতুন এ শাসনব্যবস্থার নামকরণ হয় 'ভাইমার প্রজাতন্ত্র (Weimer Republic)। এ শাসনতন্ত্র অনুসারে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তি হন রাষ্ট্রপতি। এছাড়া দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা প্রবর্তন করা হয়। উচ্চকক্ষের নাম দেওয়া হয় 'রাইখস্ট্যাডেট', যা বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত এবং নিম্নকক্ষের নাম দেওয়া হয় 'রাইখস্ট্যাগ', যার সদস্যরা প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটে নির্বাচিত ।

উত্তর

উদ্দীপকে '?' চিহ্নিত স্থানে আমার পঠিত ত্রিশক্তি আঁতাত জোটকে নির্দেশ করে । উদীয়মান পরাশক্তি জার্মানিকে মোকাবিলা করার জন্য ফ্রান্স, রাশিয়া ও ইংল্যান্ডের মাঝে যে আঁতাত হয়, তা ত্রিশক্তি আঁতাত নামে পরিচিত। ইংল্যান্ড ও ফ্যান্স সব সময়ই শত্রুভাবাপন্ন দেশ ছিল। তাই জার্মানির সম্রাট কাইজার দ্বিতীয় উইলিয়াম বিসমার্কের সাবধানতার নীতি পরিত্যাগ করে আক্রমণাত্মক নীতি গ্রহণ করার সময় ধারণা করেছিলেন, ঐতিহাসিক কারণেই ইঙ্গ-ফ্রাঙ্ক জোট সম্ভব নয় । কিন্তু জার্মানি নৌশক্তিতে ইংল্যান্ডকে ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ইংল্যান্ড আতঙ্কিত বোধ করে। ইংল্যান্ড জার্মানিকে তার নৌনির্মাণ নীতি সংযত করতে অনুরোধ করে । জার্মানি এ অনুরোধে সাড়া না দিয়ে বলে, জার্মানি তার হাত খোলা রাখতে চায়, ফলে ইংল্যান্ড তার নিরপেক্ষতার নীতি পরিত্যাগ করে ১৯০৪ সালে ইঙ্গ-ফরাসি' এবং ১৯০৭ সালে 'ইঙ্গ-রুশ' আঁতাত গড়ে তোলে । এভাবে ইঙ্গ-ফ্রাঙ্ক-রুশ ত্রি-পক্ষীয় আঁতাত গড়ে ওঠে।

উত্তর

উক্ত রাষ্ট্র জোট অর্থাৎ ত্রিশক্তি আঁতাত শক্তির ভারসাম্য বিনষ্ট করার মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে। ত্রিশক্তি আঁতাত ছিল ত্রিশক্তি জোট-এর হুমকি মোকাবেলায় গড়ে ওঠা ইউরোপীয় সামরিক জোট। দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ফলে এ আঁতাত গড়ে ওঠে। মূলত ১৮৯৩ সালে ফ্রাঙ্কো-রুশ চুক্তি, ১৯০৫ সালে ইঙ্গ-ফরাসি চুক্তি এবং ১৯০৭ সালের ইঙ্গ-রুশ চুক্তির ফল হচ্ছ ত্রিশক্তি আঁতাত । এ ত্রিশক্তি আঁতাতের ফলে জার্মানি কোণঠাসা হয়ে পড়ে। এ কোণঠাসা অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য জার্মানি আক্রমণাত্মক নীতি গ্রহণ করে। জার্মানি পূর্ব থেকেই অবগত ছিল অস্ট্রিয়া-সার্বিয়া যুদ্ধ আসন্ন। সার্বিয়ার পেছনে আছে রাশিয়া, যুদ্ধে অস্ট্রিয়ার পরাজয় হলে জার্মানির দারুণ ক্ষতি হবে। ফলে জার্মানি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয় । এভাবে পরস্পরবিরোধী জোট সৃষ্টি হওয়ায় ইউরোপে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় যা শক্তির ভারসাম্য নষ্ট করে। জার্মানির নৌশক্তিতে আতঙ্কিত হয়ে ব্রিটেন, তার নৌশক্তি বাড়িয়ে চলে। রাশিয়া সাড়ে তিন বছরের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক শিক্ষা চালু করে। প্রত্যেক জোট যতবেশি সম্ভব মারণাস্ত্র তৈরি শুরু করে। এভাবে ইঙ্গ-ফ্রাঙ্ক জোট তথা ত্রিশক্তি আঁতাত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরি করে।
HSCHistory 2nd PaperChapter 3: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং ভার্সাই সন্ধি ও লীগ অভ নেশনস
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উনিশ শতকের গোড়ার দিকে উপনিবেশ ও সাম্রাজ্যবাদ ভয়ংকর আকার ধারণ করে। এমনি এক সময়ে একটি দেশে এক দম্পতির অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পৃথিবীতে এক ভয়ংকর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

Comilla · 2017

ক
বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?
খ
ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দ্বন্দ্বের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সাম্রাজ্যবাদ-ই ছিল উক্ত দ্বন্দ্বের কারণ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উনিশ শতকের গোড়ার দিকে উপনিবেশ ও সাম্রাজ্যবাদ ভয়ংকর আকার ধারণ করে। এমনি এক সময়ে একটি দেশে এক দম্পতির অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পৃথিবীতে এক ভয়ংকর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

Comilla · 2017

ক
বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?
খ
ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দ্বন্দ্বের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সাম্রাজ্যবাদ-ই ছিল উক্ত দ্বন্দ্বের কারণ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।

ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?

বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইউরোপের ইতিহাসে বিশ শতকের প্রথম দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। ভয়াবহ এক যুদ্ধ শেষে বিজয়ী জোট পরাজিত জোটকে সন্ধি করতে বাধ্য করে। কিন্তু বিজয়ী জোট পরাজিত জোটের প্রতি যে অমানবিক আচরণ করেছিল, তাতে সন্ধিটি পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে যায়। এই পক্ষপাতদুষ্ট সন্ধির খেসারত বিশ্বের মানুষকে পুনরায় দিতে হয়েছিল।

Dhaka · 2017

ক
লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?
খ
ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে যে সন্ধির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি মনে কর, উক্ত সন্ধির ব্যর্থতাই পরবর্তীকালে বিশ্বকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছিল? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইউরোপের ইতিহাসে বিশ শতকের প্রথম দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। ভয়াবহ এক যুদ্ধ শেষে বিজয়ী জোট পরাজিত জোটকে সন্ধি করতে বাধ্য করে। কিন্তু বিজয়ী জোট পরাজিত জোটের প্রতি যে অমানবিক আচরণ করেছিল, তাতে সন্ধিটি পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে যায়। এই পক্ষপাতদুষ্ট সন্ধির খেসারত বিশ্বের মানুষকে পুনরায় দিতে হয়েছিল।

Dhaka · 2017

ক
লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?
খ
ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে যে সন্ধির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
তুমি কি মনে কর, উক্ত সন্ধির ব্যর্থতাই পরবর্তীকালে বিশ্বকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছিল? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।

ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?

লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?
খ
উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের প্রশ্নবোধক স্থানে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
এক রাজদম্পতির হত্যাকাণ্ডই ঐ বিষয়টির উদ্ভবের মূল কারণ- সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?
খ
উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের প্রশ্নবোধক স্থানে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
এক রাজদম্পতির হত্যাকাণ্ডই ঐ বিষয়টির উদ্ভবের মূল কারণ- সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।

উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?

লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

সাম্রাজ্যবাদ-ই ছিল উক্ত দ্বন্দ্বের কারণ- বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন দ্বন্দ্বের কথা বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।ত্রি-শক্তি আঁতাত বলতে কী বুঝ? ব্যাখ্যা কর।বসনিয়ার রাজধানীর নাম কী?তুমি কি মনে কর, উক্ত সন্ধির ব্যর্থতাই পরবর্তীকালে বিশ্বকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিউদ্দীপকে যে সন্ধির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে পাঠ্যবইয়ের আলোকে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।ত্রি-শক্তি আঁতাত কী? ব্যাখ্যা কর।লীগ অব নেশনস কত খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়েছিল?এক রাজদম্পতির হত্যাকাণ্ডই ঐ বিষয়টির উদ্ভবের মূল কারণ- সপক্ষে যুক্তি দাও।উদ্দীপকের প্রশ্নবোধক স্থানে যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে পাঠ্উড্রো উইলসনের চৌদ্দ দফা ব্যাখ্যা কর।লীগ অব নেশনস এর সদর দপ্তর কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।