দৃশ্যকল্প ১ এ কোন নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে?
উত্তর: দৃশ্যকল্প-১ এ কার্যকারণ সম্পর্কের প্রমাণ পদ্ধতির ব্যতিরেকী পদ্ধতির নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে। যার কারণে কাকতালীয় অনুপপত্তি ঘটেছে। কার্যকারণ নিয়ম অনুযায়ী কারণ ও কার্যের মধ্যে অনিবার্য সম্পর্ক বিদ্যমান। এ নিয়ম অনুযায়ী কারণই কার্যকে সংঘটিত করে। কারণ ছাড়া কার্য হয় না কিন্তু অনেক সময় কার্যকারণ নিয়মের ভ্রান্ত প্রয়োগ ঘটে। কার্যকারণ নিয়মের একটি পদ্ধতি হলো ব্যতিরেকী পদ্ধতি। এটি একটি পরীক্ষণের পদ্ধতি। পরীক্ষণের দ্বারা এ পদ্ধতির দৃষ্টান্ত সংগ্রহ করা অসম্ভব হলে অনেক সময় নিরীক্ষণের আশ্রয় নিতে হয়। ফলে জানা কার্যের অজানা কারণ নির্ণয় করার চেষ্টা করলে কিছু পরিবর্তনশীল বা অবান্তর ঘটনাকে কারণ হিসেবে অনুমান করা হয়। এক্ষেত্রে কার্যকারণ সম্পর্কের নিয়ম লঙ্ঘিত হয় এবং কাকতালীয় অনুপপত্তি ঘটে। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ হোচট খাওয়ার সাথে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কোনো কার্যকারণ সম্পর্ক নেই বা এটি একটি অবান্তর পূর্ববর্তী ঘটনা যা কাকতালীয়ভাবে ঘটেছে যার ফলে উদ্দীপকে কার্যকারণ সম্পর্কের ব্যতিরেকী পদ্ধতির নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে।
HSC Logic 2nd Paper Chapter 5: কার্যকরণ সম্পর্ক প্রমাণ পদ্ধতি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Logic 2nd Paper · Chapter 5: কার্যকরণ সম্পর্ক প্রমাণ পদ্ধতি · সৃজনশীল
দৃশ্যকল্প ১ এ কোন নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে?
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
∴ ক হলো 'ত'-এর কারণ
পরিশেষে বলা যায়, ব্যতিরেকী পদ্ধতিতে যে দৃষ্টান্তের ব্যবহার করা হয় তা নির্বাচিত ও নিয়ন্ত্রিত হতে হয়। ব্যতিরেকী পদ্ধতির এসব দৃষ্টান্ত কেবল পরীক্ষণে পাওয়া যায় বিধায় ব্যতিরেকী পদ্ধতিকে পরীক্ষণের পদ্ধতি বলা হয়।
অপরপক্ষে, দৃশ্যকল্প-২ এ কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ে সহ-পরিবর্তন পদ্ধতি নির্দেশ করে। সহ-পরিবর্তন পদ্ধতি যুক্তিবিদ মিল প্রদত্ত কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের তৃতীয় পদ্ধতি। সহ-পরিবর্তন আর্থ-পারস্পরিক পরিবর্তন। অর্থাৎ এ পদ্ধতিতে কারণের সাথে সাথে কার্যও পরিবর্তিত হয়। আর কারণের সাথে সাথে কার্যের পরিবর্তন দেখে এখানে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করা হয়। অর্থাৎ দুটি ঘটনার একটির সাথে সাথে অন্যটিও সমভাবে পরিবর্তিত হলে তাদের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক আছে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সহ-পরিবর্তন পদ্ধতিতে কারণের সাথে সাথে কার্যের পরিবর্তন দুইভাবে হয়ে থাকে। যথা- ১. সরাসরি পরিবর্তন এবং ২. বিপরীত পরিবর্তন। যখন কারণের হ্রাস বা বৃদ্ধির সাথে কার্যেরও একইভাবে হ্রাস বা বৃদ্ধি হয় তখন তাকে সরাসরি পরিবর্তন বলে। আর যখন কারণের হ্রাস বা বৃদ্ধির সাথে সাথে কার্যের বৃদ্ধি বা হ্রাস হয় তখন তাকে বিপরীত পরিবর্তন বলে। সহ-পরিবর্তন পদ্ধতি পরীক্ষণমূলক ও নিরীক্ষণমূলক উভয়ভাবেই যাচাই করা যায়। এ পদ্ধতির মাধ্যমে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার ও প্রমাণের পদ্ধতি হিসেবে সহ-পরিবর্তন পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।