দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ এর মধ্যে পার্থক্য তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ ব্যতিরেকী পদ্ধতির ভ্রান্ত প্রয়োগ ঘটেছে। তাই এখানে কাকতালীয় অনুপপত্তি ঘটেছে। আর দৃশ্যকল্প-২ এ সহ-পরিবর্তন পদ্ধতি প্রতিফলিত হয়েছে। দৃশ্যকল্প-১ এ ব্যতিরেকী পদ্ধতির প্রতিফলন ঘটেছে। ব্যতিরেকী পদ্ধতি কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের একটি মৌলিক পদ্ধতি। ব্যতিরেকী শব্দের অর্থ হলো পার্থক্য। তাই ব্যতিরেকী পদ্ধতি হলো পার্থক্যের পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে দুটি দৃষ্টান্ত থাকে। এদের একটি সদর্থক এবং অন্যটি নঞর্থক। সদর্থক দৃষ্টান্তে আলোচ্য ঘটনার সাথে অন্য একটি ঘটনা উপস্থিত থাকে। আর নঞর্থক দৃষ্টান্তে আলোচ্য ঘটনার সাথে অন্য একটি ঘটনা উপস্থিত থাকে। আর নঞর্থক দৃষ্টান্তে আলোচ্য ঘটনার সাথে সাথে অন্য একটি ঘটনা অনুপস্থিত থাকে। এখানে সদর্থক ও নঞর্থক দৃষ্টান্তের পার্থক্যের ভিত্তিতে ব্যতিরেকী পদ্ধতিতে সিন্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। যেমন- [চিত্র] ∴ ক হলো 'ত'-এর কারণ পরিশেষে বলা যায়, ব্যতিরেকী পদ্ধতিতে যে দৃষ্টান্তের ব্যবহার করা হয় তা নির্বাচিত ও নিয়ন্ত্রিত হতে হয়। ব্যতিরেকী পদ্ধতির এসব দৃষ্টান্ত কেবল পরীক্ষণে পাওয়া যায় বিধায় ব্যতিরেকী পদ্ধতিকে পরীক্ষণের পদ্ধতি বলা হয়। অপরপক্ষে, দৃশ্যকল্প-২ এ কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ে সহ-পরিবর্তন পদ্ধতি নির্দেশ করে। সহ-পরিবর্তন পদ্ধতি যুক্তিবিদ মিল প্রদত্ত কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের তৃতীয় পদ্ধতি। সহ-পরিবর্তন আর্থ-পারস্পরিক পরিবর্তন। অর্থাৎ এ পদ্ধতিতে কারণের সাথে সাথে কার্যও পরিবর্তিত হয়। আর কারণের সাথে সাথে কার্যের পরিবর্তন দেখে এখানে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করা হয়। অর্থাৎ দুটি ঘটনার একটির সাথে সাথে অন্যটিও সমভাবে পরিবর্তিত হলে তাদের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক আছে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সহ-পরিবর্তন পদ্ধতিতে কারণের সাথে সাথে কার্যের পরিবর্তন দুইভাবে হয়ে থাকে। যথা- ১. সরাসরি পরিবর্তন এবং ২. বিপরীত পরিবর্তন। যখন কারণের হ্রাস বা বৃদ্ধির সাথে কার্যেরও একইভাবে হ্রাস বা বৃদ্ধি হয় তখন তাকে সরাসরি পরিবর্তন বলে। আর যখন কারণের হ্রাস বা বৃদ্ধির সাথে সাথে কার্যের বৃদ্ধি বা হ্রাস হয় তখন তাকে বিপরীত পরিবর্তন বলে। সহ-পরিবর্তন পদ্ধতি পরীক্ষণমূলক ও নিরীক্ষণমূলক উভয়ভাবেই যাচাই করা যায়। এ পদ্ধতির মাধ্যমে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার ও প্রমাণের পদ্ধতি হিসেবে সহ-পরিবর্তন পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
HSC Logic 2nd Paper Chapter 5: কার্যকরণ সম্পর্ক প্রমাণ পদ্ধতি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Logic 2nd Paper · Chapter 5: কার্যকরণ সম্পর্ক প্রমাণ পদ্ধতি · সৃজনশীল
দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ এর মধ্যে পার্থক্য তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে …
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
∴ ক হলো 'ত'-এর কারণ
পরিশেষে বলা যায়, ব্যতিরেকী পদ্ধতিতে যে দৃষ্টান্তের ব্যবহার করা হয় তা নির্বাচিত ও নিয়ন্ত্রিত হতে হয়। ব্যতিরেকী পদ্ধতির এসব দৃষ্টান্ত কেবল পরীক্ষণে পাওয়া যায় বিধায় ব্যতিরেকী পদ্ধতিকে পরীক্ষণের পদ্ধতি বলা হয়।
অপরপক্ষে, দৃশ্যকল্প-২ এ কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ে সহ-পরিবর্তন পদ্ধতি নির্দেশ করে। সহ-পরিবর্তন পদ্ধতি যুক্তিবিদ মিল প্রদত্ত কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের তৃতীয় পদ্ধতি। সহ-পরিবর্তন আর্থ-পারস্পরিক পরিবর্তন। অর্থাৎ এ পদ্ধতিতে কারণের সাথে সাথে কার্যও পরিবর্তিত হয়। আর কারণের সাথে সাথে কার্যের পরিবর্তন দেখে এখানে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় করা হয়। অর্থাৎ দুটি ঘটনার একটির সাথে সাথে অন্যটিও সমভাবে পরিবর্তিত হলে তাদের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক আছে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সহ-পরিবর্তন পদ্ধতিতে কারণের সাথে সাথে কার্যের পরিবর্তন দুইভাবে হয়ে থাকে। যথা- ১. সরাসরি পরিবর্তন এবং ২. বিপরীত পরিবর্তন। যখন কারণের হ্রাস বা বৃদ্ধির সাথে কার্যেরও একইভাবে হ্রাস বা বৃদ্ধি হয় তখন তাকে সরাসরি পরিবর্তন বলে। আর যখন কারণের হ্রাস বা বৃদ্ধির সাথে সাথে কার্যের বৃদ্ধি বা হ্রাস হয় তখন তাকে বিপরীত পরিবর্তন বলে। সহ-পরিবর্তন পদ্ধতি পরীক্ষণমূলক ও নিরীক্ষণমূলক উভয়ভাবেই যাচাই করা যায়। এ পদ্ধতির মাধ্যমে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। কার্যকারণ সম্পর্ক আবিষ্কার ও প্রমাণের পদ্ধতি হিসেবে সহ-পরিবর্তন পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।