শেয়ারFacebookWhatsApp

মাসুদ সাহেব যেখানে কাজ করেন তা কোন ধরনের ব্যাংক? ঐ ব্যাংকের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের বর্ণনা দাও।

উত্তর: মাসুদ সাহেব যেখানে বাজে করেন তা বাংলাদেশ ব্যাংক বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যে ব্যাংক সরকারি মালিকানায় নিয়ন্ত্রিত ও প্রতিষ্ঠিত হয় এবং অন্যান্য ব্যাংকের ব্যাংকার রূপে কাজ করে থাকে, তাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার নিয়ন্ত্রক হিসেবে সরকার, জনগণ ও অন্যান্য ব্যাংক এবং সর্বোপরি দেশের উন্নয়নে কাজ করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তিনটি পুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো: (১) নোট ও মুদ্রা প্রচলনঃ কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের কাগজি নোট ও ধাতব মুদ্রা প্রচলনের একমাত্র প্রতিষ্ঠান। দেশের ব্যবসায়-বাণিজ্য ও সকল অর্থনৈতিক কর্মকান্ড সম্পাদনের জন্য কী পরিমাণ নোট ও মুদ্রার প্রয়োজন কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা নির্ধারণপূর্বক সেই পরিমাণ নোট সরকারের অনুমতিক্রমে ইস্যু করে থাকে। (২) ঋণ নিয়ন্ত্রণঃ কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন কৌশল বা পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে ঋণের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে মুদ্রাস্ফীতি কাম্যমাত্রায় বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কারণ অতিরিক্ত ঋণের প্রবাহ বৃদ্ধিতে মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হতে পার। (৩) ঋণের শেষ আশ্রয়স্থলঃ ব্যাংকগুলোর আর্থিক সংকটের সময় যদি কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করা যায়, তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ দিয়ে সাহায্য করে থাকে। উদ্দীপকে উল্লিখিত মাসুদ যে ব্যাংকে চাকার করে, সে ব্যাংক সরকারের পরামর্শে মোট ছাপায়, ঋণদান কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, নিকাশ ঘর হিসেবে কাজ করে, এমনকি বিভিন্ন আর্থিক বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ করে থাকে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে। যা একমাত্র কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই কাজগুলো সম্পাদন করতে পারে। তাই বলা যায়, মাসুদের ব্যাংকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

HSC Economics 1st Paper Chapter 10 : মুদ্রা ও ব্যাংক CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 1st Paper · Chapter 10 : মুদ্রা ও ব্যাংক · সৃজনশীল

মাসুদ সাহেব যেখানে কাজ করেন তা কোন ধরনের ব্যাংক? ঐ ব্যাংকের তিনটি গ…

উদ্দীপক

আরিফ ও মাসুদ দুটি আলাদা ব্যাংকে চাকরি করেন। আলাপকালে আরিফ বলল আমাদের ব্যাংক আমানত গ্রহণের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয়কে একত্রিত করে। সেই আমানত হতে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, কৃষকসহ সকলকে ঋণ সরবরাহ করি। এভাবে আমরা অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখি। তার জবাবে মাসুদ বলল আমাদের ব্যাংক সরকারের পরামর্শে নতুন নোট ছাপায়। অন্যান্য ব্যাংকের ঋণদান কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে। অন্যান্য ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ দেনা-পাওয়া পরিশোধ করে। আর্থিক বিভিন্ন বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দিয়ে থাকে। এছাড়াও নানাবিধ কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে।

Barisal · 2021

উত্তর

যে সমস্ত মুদ্রা সরকারি আইন দ্বারা স্বীকৃত এবং লেনদেনের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করতে সবাই আইনগত বাধ্য থাকে তাকে বিহিতমুদ্রা বলে।

উত্তর

“অর্থের ব্যবহার না থাকলে সভ্যতার চাকা অচল” উক্তিটি যথার্থ। অর্থ হলো বিনিময়ের মাধ্যম। শূন্যের পরিমাপক এবং সঞ্চয়ের বাহন, আধুনিক বিনিময় ব্যবস্থার অর্থ একটি অনবদ্য আবিষ্কার, অতীতে সমাজে যখন অর্থের প্রচলন ছিল না তখন মানুষ এক দ্রব্যের সাথে অন্য দ্রব্যের সরাসরি বিনিময় করত। এ ব্যবস্থাকে দ্রব্য বিনিময় প্রথা বলা হয়। কিন্তু এ ধরণের বিনিময় ব্যবস্থায় মানুষকে বেশ কিছু অসুবিধার সম্মুখীন হতে হতো। মানুষের বিভিন্ন অভাবের মধ্যে অসামঞ্জস্যতা, দ্রব্যের অবিভাজ্যতা, সঞ্চয়ের সমস্যা প্রভৃতি দূরীকরণের লক্ষ্যে সমাজে মুদ্রা বা অর্থের প্রচলন ঘটে। তাই বলা যায়, অর্থের ব্যবহার না থাকলে সভ্যতার চাকা অচল।

উত্তর

মাসুদ সাহেব যেখানে বাজে করেন তা বাংলাদেশ ব্যাংক বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যে ব্যাংক সরকারি মালিকানায় নিয়ন্ত্রিত ও প্রতিষ্ঠিত হয় এবং অন্যান্য ব্যাংকের ব্যাংকার রূপে কাজ করে থাকে, তাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার নিয়ন্ত্রক হিসেবে সরকার, জনগণ ও অন্যান্য ব্যাংক এবং সর্বোপরি দেশের উন্নয়নে কাজ করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তিনটি পুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো: (১) নোট ও মুদ্রা প্রচলনঃ কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের কাগজি নোট ও ধাতব মুদ্রা প্রচলনের একমাত্র প্রতিষ্ঠান। দেশের ব্যবসায়-বাণিজ্য ও সকল অর্থনৈতিক কর্মকান্ড সম্পাদনের জন্য কী পরিমাণ নোট ও মুদ্রার প্রয়োজন কেন্দ্রীয় ব্যাংক তা নির্ধারণপূর্বক সেই পরিমাণ নোট সরকারের অনুমতিক্রমে ইস্যু করে থাকে। (২) ঋণ নিয়ন্ত্রণঃ কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন কৌশল বা পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে ঋণের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে মুদ্রাস্ফীতি কাম্যমাত্রায় বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কারণ অতিরিক্ত ঋণের প্রবাহ বৃদ্ধিতে মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হতে পার। (৩) ঋণের শেষ আশ্রয়স্থলঃ ব্যাংকগুলোর আর্থিক সংকটের সময় যদি কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করা যায়, তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ দিয়ে সাহায্য করে থাকে। উদ্দীপকে উল্লিখিত মাসুদ যে ব্যাংকে চাকার করে, সে ব্যাংক সরকারের পরামর্শে মোট ছাপায়, ঋণদান কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, নিকাশ ঘর হিসেবে কাজ করে, এমনকি বিভিন্ন আর্থিক বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ করে থাকে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে। যা একমাত্র কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই কাজগুলো সম্পাদন করতে পারে। তাই বলা যায়, মাসুদের ব্যাংকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মাসুদ যে ব্যাংকে চাকরি করে সে ব্যাংকটি হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং আরিফ যে ব্যাংকে চাকরি করে তা বাণিজ্যিক ব্যাংক। এবং এই দুটি ব্যাংকের প্রকৃতি আলাদা। যে ব্যাংক মুদ্রা বাজারের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে তাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলে। যে ব্যাংক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে আমানত সংগ্রহ, ঋণ দেওয়া ও অন্যান্য আর্থিক কাজ করে, তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে পার্থক্য নিম্নে দেওয়া হলোঃ বিষয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংক ১. উদ্দেশ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান উদ্দেশ্য হল জনকল্যাণ সাধন করা। বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান উদ্দেশ্য হল মুনাফা অর্জন। ২. ব্যাংকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যাংকার। বাণিজ্যিক ব্যাংক বিভিন্ন আমানতকারীদের ব্যাংকার। ৩. নোট ছাপানো কেন্দ্রীয় ব্যাংক নোট ছাপাতে পারে। বাণিজ্যিক ব্যাংক নোট ছাপাতে পারে না। ৪. ঋণ প্রদান কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারকে ঋণ প্রদান করে। বাণিজ্যিক ব্যাংক আমানতকারীর ঋণ সরবরাহ করে। ৫. আমানত গ্রহণ কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনসাধারণের কাছ থেকে আমানত গ্রহণ করে না। বাণিজ্যিক ব্যাংক জনসাধারণের কাছ থেকে আমানত গ্রহণ করে। ৬. বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করে। বাণিজ্যিক ব্যাংক কখনোই বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে দায়িত্ব পালন করে না। উল্লিখিত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের পার্থক্যের আলোচনা থেকে বলা যায় যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নোট ও ধাতব মুদ্রা প্রচলনের একচেটিয়া অধিকার ভোগ করে যা বাণিজ্যিক ব্যাংকের নেই। এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা উপায়ে সরকারের বিভিন্ন আর্থিক বিষয়ে এবং দেশের অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে যা বাণিজ্যিক ব্যাংক পারে না। সুতরাং বলা যায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।
HSCEconomics 1st PaperChapter 10 : মুদ্রা ও ব্যাংক
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অর্থের যোগান ও দামস্তর সম্পর্কিত তথ্য নিম্নের ছকে দেয়া হলো:- question image

Sylhet · 2017

ক
বাণিজ্যিক ব্যাংক কাকে বলে
খ
কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকের আলোকে দামস্তর ও অর্থের যোগানের মধ্যে সম্পর্ক চিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করো।
ঘ
অর্থের যোগান ১০০ কোটি টাকা হতে ২০০ কোটি টাকায় বৃদ্ধি পেলে অর্থের মূল্যের উপর কী প্রভাব পড়বে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

অর্থের যোগান ও দামস্তর সম্পর্কিত তথ্য নিম্নের ছকে দেয়া হলো:- question image

Sylhet · 2017

ক
বাণিজ্যিক ব্যাংক কাকে বলে
খ
কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকের আলোকে দামস্তর ও অর্থের যোগানের মধ্যে সম্পর্ক চিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করো।
ঘ
অর্থের যোগান ১০০ কোটি টাকা হতে ২০০ কোটি টাকায় বৃদ্ধি পেলে অর্থের মূল্যের উপর কী প্রভাব পড়বে? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন?

কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.বাণিজ্যিক ব্যাংক কাকে বলে

বাণিজ্যিক ব্যাংক কাকে বলে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মামুন সাহেব একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন এবং বাবা-মা, ছেলে-মেয়েসহ অনেকটা কষ্টেই সংসার পরিচালনা করেন। বাসার রেফ্রিজারেটরটি নষ্ট হওয়াতে তার এক বন্ধুর কাছে টাকা ধার চাইলেন। তার বন্ধু তাকে একটি ব্যাংকে নিয়ে গেলেন এবং ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে রেফ্রিজারেটর ক্রয় করলেন। ব্যাংক কর্মকর্তার মাধ্যমে তিনি জানতে পারলেন যে এ ব্যাংক জনগণের সঞ্চয় জমা রাখে। ছোটখাট ব্যবসা করতে ব্যক্তিগত জামিনের বিপরীতে ঋণ প্রদান করে। এছাড়াও এ ধরনের ব্যাংক সমাজসেবার ক্ষেত্রে নানাবিধ কার্য সম্পাদন করে। মামুন সাহেবের জন্য বন্ধু ফয়সাল যে ব্যাংকে চাকরি করেন সে ব্যাংক দেশের অর্থবাজার নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ, মুদ্রা প্রচলন প্রভৃতি কাজ করে থাকে।

Chittagong · 2017

ক
মুদ্রার মূল্য কী?
খ
নগদ জমার অনুপাত কীভাবে মুদ্রার সরবরাহকে নিয়ন্ত্রণ করে?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত যে ব্যাংক থেকে মামুন সাহেব ঋণ নিয়েছেন সেই ব্যাংকের প্রধান তিনটি কার্যাবলি ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মামুন সাহেব ও ফয়সাল সাহেব যে দু'টো ব্যাংকের সাথে সম্পৃক্ত সেই দুটো ব্যাংকের মধ্যে পার্থক্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মামুন সাহেব একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করেন এবং বাবা-মা, ছেলে-মেয়েসহ অনেকটা কষ্টেই সংসার পরিচালনা করেন। বাসার রেফ্রিজারেটরটি নষ্ট হওয়াতে তার এক বন্ধুর কাছে টাকা ধার চাইলেন। তার বন্ধু তাকে একটি ব্যাংকে নিয়ে গেলেন এবং ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে রেফ্রিজারেটর ক্রয় করলেন। ব্যাংক কর্মকর্তার মাধ্যমে তিনি জানতে পারলেন যে এ ব্যাংক জনগণের সঞ্চয় জমা রাখে। ছোটখাট ব্যবসা করতে ব্যক্তিগত জামিনের বিপরীতে ঋণ প্রদান করে। এছাড়াও এ ধরনের ব্যাংক সমাজসেবার ক্ষেত্রে নানাবিধ কার্য সম্পাদন করে। মামুন সাহেবের জন্য বন্ধু ফয়সাল যে ব্যাংকে চাকরি করেন সে ব্যাংক দেশের অর্থবাজার নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ, মুদ্রা প্রচলন প্রভৃতি কাজ করে থাকে।

Chittagong · 2017

ক
মুদ্রার মূল্য কী?
খ
নগদ জমার অনুপাত কীভাবে মুদ্রার সরবরাহকে নিয়ন্ত্রণ করে?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত যে ব্যাংক থেকে মামুন সাহেব ঋণ নিয়েছেন সেই ব্যাংকের প্রধান তিনটি কার্যাবলি ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত মামুন সাহেব ও ফয়সাল সাহেব যে দু'টো ব্যাংকের সাথে সম্পৃক্ত সেই দুটো ব্যাংকের মধ্যে পার্থক্য আছে কি? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.নগদ জমার অনুপাত কীভাবে মুদ্রার সরবরাহকে নিয়ন্ত্রণ করে?

নগদ জমার অনুপাত কীভাবে মুদ্রার সরবরাহকে নিয়ন্ত্রণ করে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মুদ্রার মূল্য কী?

মুদ্রার মূল্য কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি দেশের মুদ্রা সম্পর্কিত তথ্য নিম্নরূপ। মোট বিহিত অর্থের পরিমাণ- ৩০০ কোটি, অর্থের প্রচলন গতি =২০, ব্যাংক অর্থের পরিমাণ = ১০০ কোটি এবং ব্যাংক অর্থের প্রচলন গতি = ৫. মোট বাণিজ্যের পরিমাণ = ১৩০ একক।

Jessore · 2017

ক
বানিজ্যিক ব্যাংক কী?
খ
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেলে অর্থের মূল্যের ওপর কি প্রভাব পড়ে?
গ
উদ্দীপকের আলোকে দামস্তর নির্ণয় করো।
ঘ
বিহিত মুদ্রা ও ব্যাংক সৃষ্ট মুদ্রার প্রচলন গতি যথাক্রমে ৫ ও ১০ বৃদ্ধি পেলে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

একটি দেশের মুদ্রা সম্পর্কিত তথ্য নিম্নরূপ। মোট বিহিত অর্থের পরিমাণ- ৩০০ কোটি, অর্থের প্রচলন গতি =২০, ব্যাংক অর্থের পরিমাণ = ১০০ কোটি এবং ব্যাংক অর্থের প্রচলন গতি = ৫. মোট বাণিজ্যের পরিমাণ = ১৩০ একক।

Jessore · 2017

ক
বানিজ্যিক ব্যাংক কী?
খ
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেলে অর্থের মূল্যের ওপর কি প্রভাব পড়ে?
গ
উদ্দীপকের আলোকে দামস্তর নির্ণয় করো।
ঘ
বিহিত মুদ্রা ও ব্যাংক সৃষ্ট মুদ্রার প্রচলন গতি যথাক্রমে ৫ ও ১০ বৃদ্ধি পেলে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেলে অর্থের মূল্যের ওপর কি প্রভাব পড়ে?

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেলে অর্থের মূল্যের ওপর কি প্রভাব পড়ে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বানিজ্যিক ব্যাংক কী?

বানিজ্যিক ব্যাংক কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

অর্থের যোগান ১০০ কোটি টাকা হতে ২০০ কোটি টাকায় বৃদ্ধি পেলে অর্থের মূল্যের উপর কী উদ্দীপকের আলোকে দামস্তর ও অর্থের যোগানের মধ্যে সম্পর্ক চিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যাকেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয় কেন?বাণিজ্যিক ব্যাংক কাকে বলেউদ্দীপকে উল্লিখিত মামুন সাহেব ও ফয়সাল সাহেব যে দু'টো ব্যাংকের সাথে সম্পৃক্ত সেই উদ্দীপকে উল্লিখিত যে ব্যাংক থেকে মামুন সাহেব ঋণ নিয়েছেন সেই ব্যাংকের প্রধান তিনটনগদ জমার অনুপাত কীভাবে মুদ্রার সরবরাহকে নিয়ন্ত্রণ করে?মুদ্রার মূল্য কী?বিহিত মুদ্রা ও ব্যাংক সৃষ্ট মুদ্রার প্রচলন গতি যথাক্রমে ৫ ও ১০ বৃদ্ধি পেলে মুদ্রউদ্দীপকের আলোকে দামস্তর নির্ণয় করো।দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেলে অর্থের মূল্যের ওপর কি প্রভাব পড়ে?বানিজ্যিক ব্যাংক কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।