শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের উদ্দেশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি ব্যয়ের খাতগুলো হলো শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যয় এবং দুস্থ ও বয়স্ক ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা প্রভৃতি। নিচে এগুলোর বর্ণনা দেওয়া হলো- ১. শিক্ষা: শিক্ষা সরকারি ব্যয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। অনেক দেশে বেসরকারি পর্যায়ে শিক্ষার ক্ষেত্রে যে সুযোগ-সুবিধা রয়েছে তা সমগ্র জনগণের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই বেসরকারি শিক্ষার পাশাপাশি পরিপূরক ব্যবস্থা হিসেবে সরকারি পর্যায়ে শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের জন্য সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে। ২. স্বাস্থ্য: দেশের জনগণের স্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য সরকারকে হাসপাতাল, ডাক্তার, ওষুধ ও সেবা প্রদান, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ করতে হয়। এছাড়া জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার রোধ করার জন্য সরকার পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। এসব কাজে সরকারের প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। ৩. কর্মসংস্থান বৃদ্ধি: দেশে পূর্ণ কর্মসংস্থান অর্জন ও তা বজায় রাখার জন্য সরকারকে ব্যয় করতে হয়। পূর্ণ কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে সরকারকে নানা ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন, সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে কর্মসুযোগ সৃষ্টি, গণপূর্ত কার্যক্রম পরিচালনা ও অন্যান্য উপায়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয়। ৪. পরিবহণ ও যোগাযোগ: সরকারি ব্যয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য পরিবহণ ও যোগাযোগ। কোনো দেশ পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা যত বেশি উন্নত হবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে। তাই সরকারকে পরিবহণ ও যোগাযোগ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হয়।IN ORDE ৫. সামাজিক নিরাপত্তা: আধুনিক বিশ্বের অনেক দেশেই সামাজিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এ ব্যবস্থার মধ্যে দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণ, পেনশন, বয়স্কভাতা, বেকারভাতা, গ্রাচ্যুইটি (পারিতোষিক), যৌথ বিমা ইত্যাদির জন্য সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে থাকে। উদ্দীপকে দেখা যায়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যয় এবং দুস্থ ও বয়স্কভাতাসহ অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ সরকারের ব্যয় ক্রমশ বাড়ছে। উপরে এসকল ব্যয়সমূহের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 9 : সরকারী অর্থব্যবস্থা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 9 : সরকারী অর্থব্যবস্থা · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের উদ্দেশ্য বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যয় এবং দুস্থ ও বয়স্ক ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ সরকারের ব্যয় ক্রমশ বাড়ছে। এসব ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ করে থাকে।

উত্তর

যে করের করঘাত ও করপাত ভিন্ন ব্যক্তির ওপর পড়ে, তাকে পরোক্ষ কর বলে।

উত্তর

বৈদেশিক সাহায্য কঠিন শর্তযুক্ত, অনেক ক্ষেত্রে সুদের হারও উচ্চ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দাতার স্বার্থ সংরক্ষণ এবং গ্রহীতা দেশকে পরনির্ভরশীল করে রাখে। বেশিরভাগ সময় বৈদেশিক সাহায্যের সাথে দেশীয় রাজনীতিতে বিদেশিরা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করে। এর ফলে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়ে। অন্যদিকে বৈদেশিক বাণিজ্য এরূপ ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে না যদি রপ্তানিমুখী শিল্প শক্তিশালী হয়, দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ থাকে।তাই বলা যায়, "বৈদেশিক সাহায্যের চেয়ে বৈদেশিক বাণিজ্য উত্তম।"

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি ব্যয়ের খাতগুলো হলো শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যয় এবং দুস্থ ও বয়স্ক ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা প্রভৃতি। নিচে এগুলোর বর্ণনা দেওয়া হলো- ১. শিক্ষা: শিক্ষা সরকারি ব্যয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। অনেক দেশে বেসরকারি পর্যায়ে শিক্ষার ক্ষেত্রে যে সুযোগ-সুবিধা রয়েছে তা সমগ্র জনগণের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই বেসরকারি শিক্ষার পাশাপাশি পরিপূরক ব্যবস্থা হিসেবে সরকারি পর্যায়ে শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের জন্য সরকার প্রচুর অর্থ ব্যয় করে। ২. স্বাস্থ্য: দেশের জনগণের স্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য সরকারকে হাসপাতাল, ডাক্তার, ওষুধ ও সেবা প্রদান, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ করতে হয়। এছাড়া জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার রোধ করার জন্য সরকার পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। এসব কাজে সরকারের প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। ৩. কর্মসংস্থান বৃদ্ধি: দেশে পূর্ণ কর্মসংস্থান অর্জন ও তা বজায় রাখার জন্য সরকারকে ব্যয় করতে হয়। পূর্ণ কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে সরকারকে নানা ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন, সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহে কর্মসুযোগ সৃষ্টি, গণপূর্ত কার্যক্রম পরিচালনা ও অন্যান্য উপায়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয়। ৪. পরিবহণ ও যোগাযোগ: সরকারি ব্যয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য পরিবহণ ও যোগাযোগ। কোনো দেশ পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা যত বেশি উন্নত হবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অগ্রগতি ত্বরান্বিত হবে। তাই সরকারকে পরিবহণ ও যোগাযোগ খাতে প্রচুর ব্যয় করতে হয়।IN ORDE ৫. সামাজিক নিরাপত্তা: আধুনিক বিশ্বের অনেক দেশেই সামাজিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এ ব্যবস্থার মধ্যে দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণ, পেনশন, বয়স্কভাতা, বেকারভাতা, গ্রাচ্যুইটি (পারিতোষিক), যৌথ বিমা ইত্যাদির জন্য সরকার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে থাকে। উদ্দীপকে দেখা যায়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যয় এবং দুস্থ ও বয়স্কভাতাসহ অন্যান্য ভাতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ সরকারের ব্যয় ক্রমশ বাড়ছে। উপরে এসকল ব্যয়সমূহের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি ঋণের উৎস দুটি হলো অভ্যন্তরীণ উৎস এবং বৈদেশিক উৎস। সরকারি ঋণের উৎস দুটির মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস উত্তম। সরকার তার ব্যয় নির্বাহের জন্য বিভিন্ন দেশ ও উন্নয়ন সংস্থা হতে ঋণ গ্রহণ করতে পারে। থেকে ঋণের বৈদেশিক উৎস বলা হয়। আবার দেশের অভ্যন্তরের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ব্যক্তিবর্গের নিকট থেকে ঋণ নিতে পারে একে ঋণের অভ্যন্তরীণ উৎস বলা হয়। বৈদেশিক উৎস যদি রাজনৈতিক, প্রভাবমুক্ত, কম সুদ ও দীর্ঘমেয়াদে পরিশোধযোগ্য হয় এবং ঋণ ব্যবহারের ক্ষেত্র যদি গ্রহীতা দেশের প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে, সেক্ষেত্রে এরূপ ঋণ অর্থনীতিতে তেমন বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করে না বরং অর্থনীতির উপকার হয়। কিন্তু প্রায় লক্ষ করা যায়, দাতাদেশ বা সংস্থাসমূহ প্রদেয় ঋণের সাথে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়, উচ্চ সুদ, পরিশোধের সময় কম এবং একাধিক ঋণের প্যাকেজ সংযুক্ত করে গ্রহীতা দেশের সার্বভৌম চিন্তার স্বাধীনতাকে খর্ব করে এবং আজ্ঞাবহ সরকার প্রতিষ্ঠা করে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে গ্রহীতা দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের মধ্যে তুলনামূলক বিচারে অভ্যন্তরীণ ঋণ গ্রহণ বৈদেশিক ঋণের তুলনায় উত্তম। কারণ এর ফলে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়ে না। সুদ পরিশোধের ফলে লভ্যাংশ দেশের অর্থনীতির মধ্যে ক্রিয়াশীল থেকে জাতীয় আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। একই সাথে সরকারের ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্যটাও মুখ্য বিষয়। উৎপাদনশীল উদ্দেশ্যে ঋণ গ্রহণ করলে এর বিরূপ প্রভাব নেই বলা যায়। বরং এরূপ ঋণের মাধ্যমে উৎপাদন, আয়, নিয়োগ বৃদ্ধি পায়। উদ্দীপকে দেখা যায়, সরকার ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ করে থাকে।উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সরকারি ঋণের অভ্যন্তরীণ উৎস ও বৈদেশিক উৎস এ দুটির মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস উত্তম।
HSCEconomics 2nd PaperChapter 9 : সরকারী অর্থব্যবস্থা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ আয় বুঝে ব্যয় করে। কিন্তু যেকোনো দেশের সরকার ব্যয় অনুসারে আয় করে। সরকার আয়কর, সম্পদ কর, ফি, মুনাফা কর, রেলওয়ে, তার ও টেলিফোন, VAT, আবগারি শুল্ক, লাইসেন্স ফি, উত্তরাধিকার কর, জরিমানা, ডাক, রাষ্ট্রীয় কারখানা ইত্যাদি উৎস হতে আয় করে থাকে। যদি এসব উৎসের আয় দ্বারা ব্যয় সংকুলান না হয় তবে ঘাটতি অর্থায়নের অংশ হিসেবে সরকার অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক উৎস হতে ঋণ নেয়। যদিও এ দুটি উৎসের সুবিধা এবং অসুবিধা উভয়ই রয়েছে।

Dhaka · 2017

ক
সরকারি ব্যয় কী?
খ
'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের আলোকে সরকারের আয়ের উৎসগুলোর কর ও কর বহির্ভূত রাজস্ব চিহ্নিত করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘাটতি অর্থায়নের উৎস দুটির তুলনাপূর্বক, কোনটি অধিকতর কার্যকর তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ আয় বুঝে ব্যয় করে। কিন্তু যেকোনো দেশের সরকার ব্যয় অনুসারে আয় করে। সরকার আয়কর, সম্পদ কর, ফি, মুনাফা কর, রেলওয়ে, তার ও টেলিফোন, VAT, আবগারি শুল্ক, লাইসেন্স ফি, উত্তরাধিকার কর, জরিমানা, ডাক, রাষ্ট্রীয় কারখানা ইত্যাদি উৎস হতে আয় করে থাকে। যদি এসব উৎসের আয় দ্বারা ব্যয় সংকুলান না হয় তবে ঘাটতি অর্থায়নের অংশ হিসেবে সরকার অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক উৎস হতে ঋণ নেয়। যদিও এ দুটি উৎসের সুবিধা এবং অসুবিধা উভয়ই রয়েছে।

Dhaka · 2017

ক
সরকারি ব্যয় কী?
খ
'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের আলোকে সরকারের আয়ের উৎসগুলোর কর ও কর বহির্ভূত রাজস্ব চিহ্নিত করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘাটতি অর্থায়নের উৎস দুটির তুলনাপূর্বক, কোনটি অধিকতর কার্যকর তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।

'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সরকারি ব্যয় কী?

সরকারি ব্যয় কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সাম্প্রতিককালে সরকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষা, প্রতিরক্ষা এবং সামাজিক নিরাপত্তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সে জন্য এসব খাতের বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। এসব ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার অনেক সময় দেশের জনগণ, আর্থিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করে। তাছাড়া সরকার বৈদেশিক সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকেও ঋণ নেয়।

Barisal · 2017

ক
সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?
খ
মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে যে দুই ধরনের সরকারি ঋণের কথা বলা হয়েছে তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। বাংলাদেশের জন্য কোন ধরনের ঋণ উত্তম বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সাম্প্রতিককালে সরকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষা, প্রতিরক্ষা এবং সামাজিক নিরাপত্তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সে জন্য এসব খাতের বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। এসব ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার অনেক সময় দেশের জনগণ, আর্থিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করে। তাছাড়া সরকার বৈদেশিক সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকেও ঋণ নেয়।

Barisal · 2017

ক
সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?
খ
মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে যে দুই ধরনের সরকারি ঋণের কথা বলা হয়েছে তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। বাংলাদেশের জন্য কোন ধরনের ঋণ উত্তম বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?

মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?

সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিপলু বিদেশে বসবাস করে। সে দেশের সরকার জনগণের নিকট থেকে উচ্চ হারে কর আদায় করে এবং সেই দেশের আয়ের প্রধান খাত কর। দেশটি উন্নত না হওয়ায় প্রতি বছর অন্য দেশ থেকে অনুদান ও ঋণ গ্রহণ করে। দেশটি সামান্য-পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী অন্য দেশে রপ্তানিও করে।

Jessore · 2017

ক
কর কত প্রকার ও কী কী?
খ
সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সরকারের আয়ের খাতসমূহ কী কী?
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সাথে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের খাতের মিল আছে কি? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিপলু বিদেশে বসবাস করে। সে দেশের সরকার জনগণের নিকট থেকে উচ্চ হারে কর আদায় করে এবং সেই দেশের আয়ের প্রধান খাত কর। দেশটি উন্নত না হওয়ায় প্রতি বছর অন্য দেশ থেকে অনুদান ও ঋণ গ্রহণ করে। দেশটি সামান্য-পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী অন্য দেশে রপ্তানিও করে।

Jessore · 2017

ক
কর কত প্রকার ও কী কী?
খ
সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সরকারের আয়ের খাতসমূহ কী কী?
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সাথে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের খাতের মিল আছে কি? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?

সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কর কত প্রকার ও কী কী?

কর কত প্রকার ও কী কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘাটতি অর্থায়নের উৎস দুটির তুলনাপূর্বক, কোনটি অধিকতর কার্যকর তাউদ্দীপকের আলোকে সরকারের আয়ের উৎসগুলোর কর ও কর বহির্ভূত রাজস্ব চিহ্নিত করো।'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।সরকারি ব্যয় কী?উদ্দীপকে যে দুই ধরনের সরকারি ঋণের কথা বলা হয়েছে তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। বাংলউদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো ব্যাখ্যা করো।মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সাথে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের খাতের মিল আছে কি? ব্যাখ্যা কউদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সরকারের আয়ের খাতসমূহ কী কী?সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?কর কত প্রকার ও কী কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।