শেয়ারFacebookWhatsApp

বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের উদ্দেশ্য জনকল্যাণ, মুনাফা অর্জন নয়- উদ্দীপকের তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি মূল্যায়ন করো।

উত্তর: বাজেটে মোট আয় ও মোট ব্যয় সমান হওয়ায় বলা যায় বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের উদ্দেশ্যে জনকল্যাণ, মুনাফা অর্জন নয়। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ হওয়ায় এদেশের অর্থনীতি খুব বেশি সমৃদ্ধি নয়। সরকারের আয়ের খাতগুলো খুব সীমিত হওয়ায় প্রায়ই ঘাটতি বাজেট পরিলক্ষিত হয়। এ ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণগ্রহণ করে থাকে। তাছাড়া বাংলাদেশের রাজস্ব ব্যবস্থা খুব কঠোর না হওয়ায় পর্যাপ্ত পরিমাণে রাজস্ব আদায় সম্ভব হয় না। তাছাড়া এদেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন রকম উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকে যাদের প্রকল্প ব্যয়ও কম নয়। আবার কৃষি, যোগাযোগ, পল্লি উন্নয়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সরকারি ঋণের সুদ বাবদ প্রতিবছর সরকারকে বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হয় যা অর্জিত আয়ের তুলনায় পর্যাপ্ত নয়। এমতাবস্থায় সরকারের মুনাফা অর্জনের কোনো সুযোগ নেই। বরং বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সরকারকে প্রতিবছরের বাজেটে উচ্চ অঙ্কের সুদ গুনতে হচ্ছে। এ থেকে প্রমাণিত হয় বাংলাদেশে সরকার নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও দেশের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে ব্যয় করে যাচ্ছে। উদ্দীপকের তথ্যানুসারে বলা যায় সরকার উন্নয়নশীল খাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যয় করে থাকে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি, যোগাযোগ, পল্লি উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ৭৫,৮৩৫ কোটি টাকা ব্যয় নির্বাহ করে। তাছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং মানবসম্পদ সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়নে ৬৩,০২৭ কোটি টাকা ব্যয় করে থাকে। এ সকল খাত হতে সরকার খুব বেশি লাভবান হতে পারে না তবুও এ সকল খাতের উন্নয়নে সরকার পর্যাপ্ত ব্যয় ও বিনিয়োগ করে থাকে। ফলে দেখা যায় মোট ব্যয়ের তুলনায় আয় কম হয়। সেক্ষেত্রে সরকার ঋণ গ্রহণ করে বাজেটে ভারসাম্য আনে। ফলে ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে মোট আয় ২,৫০,৫০৬ ও মোট ব্যয় ২,৫০,৫০৬ অর্থাৎ উভয়ই সমান হয়। এক্ষেত্রে মুনাফা লাভের কোনো সুযোগ থাকে না। সুতরাং আমরা বলতে পারি, বাংলাদেশ সরকার মুনাফা অর্জনের জন্য নয় বরং জনগণের সর্বোচ্চ কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যয় করে থাকে। এর জন্য সরকারকে প্রতিবার বাজেটে উচ্চ অঙ্কের সুদ ও ভর্তুকি প্রদান করতে হলেও উন্নয়ন যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় সে জন্য সরকার সর্বদা যথেষ্ট সচেতন দৃষ্টি রাখে।

HSC Economics 2nd Paper Chapter 9 : সরকারী অর্থব্যবস্থা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Economics 2nd Paper · Chapter 9 : সরকারী অর্থব্যবস্থা · সৃজনশীল

বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের উদ্দেশ্য জনকল্যাণ, মুনাফা অর্জন নয়- উদ্দীপক…

উদ্দীপক

বাজেট ২০১৪-২০১৫ অর্থবছর question image

Comilla · 2017

উত্তর

কোনো ব্যক্তি অথবা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান তার অর্জিত আয়ের ওপর যে কর প্রদান করে তাকে আয়কর বলে।

উত্তর

সরকার সাধারণত কর ও অন্যান্য স্বাভাবিক উৎস হতে প্রাপ্ত আয় দ্বারা ব্যয় নির্বাহ করে থাকে। কিন্তু অনেক সময় স্বাভাবিক উৎস হতে প্রাপ্ত আয় সরকারের ব্যয় নির্বাহের জন্য পর্যাপ্ত হয় না। তাই সরকার ঋণ গ্রহণ করতে বাধ্য হয়। সরকার কর্তৃক গৃহীত এই ঋণকে সরকারি ঋণ বলা হয়। সরকার নিজ দেশ ও বিদেশ উভয় ক্ষেত্র থেকে ঋণ গ্রহণ করতে পারে।

উত্তর

সরকার কর ছাড়াও বিভিন্ন সুবিধা প্রদান বা সেবা প্রদানের মাধ্যমেও প্রচুর রাজস্ব আয় করে থাকে। এসব আয়কে 'কর-বহির্ভূত আয়' বা কর- বহির্ভূত রাজস্ব' বলা হয়। কর বহির্ভূত রাজস্বকে প্রধানত দু'ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- ক. প্রশাসনিক রাজস্ব: প্রশাসনিক কাজ সম্পাদন এবং বিভিন্ন সেবা প্রদানের জন্য সরকার জনগণের কাছ থেকে যে অর্থ আদায় করে তাকে 'প্রশাসনিক রাজস্ব' বলা হয়। প্রশাসনিক রাজস্বের অন্তর্ভুক্ত খাতগুলো হলো নিম্নরূপ: ফি: কর-বহির্ভূত রাজস্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো ফি। যেমন- কোর্ট ফি, রেজিস্ট্রেশন ফি, ট্রেড লাইসেন্স ফি ইত্যাদি। জরিমানা: সরকারের প্রশাসনিক আয়ের অন্যতম উৎস হলো জরিমানা। আইন ভঙ্গের জন্য অপরাধীর নিকট থেকে শাস্তিস্বরূপ সরকার যে অর্থ আদায় করে তাকে 'জরিমানা' বলা হয়। বাজেয়াপ্তকরণ: সরকারের কর-বহির্ভূত আয়ের অন্যতম উৎস হলো বাজেয়াপ্তকরণ। কোনো সম্পত্তি বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের ন্যায়সংগত উত্তরাধিকারী না থাকলে সরকার আইনের মাধ্যমে সে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে এবং তা থেকে রাজস্ব লাভ করে। বিবিধ উৎস: উপরিউক্ত উৎসগুলো ছাড়াও আরো অনেক উৎস হতে সরকার আয় করে থাকে। এগুলো হলো: ১. নোট ছাপানো ২. স্বেচ্ছামূলক দান ৩. ক্ষতিপূরণ ৪. বিদেশি সাহায্য ও অনুদান প্রভৃতি। খ. বাণিজ্যিক রাজস্ব: সরকারের কর বহির্ভূত রাজস্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো বাণিজ্যিক আয়। সরকার অনেক সময় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সেবাকার্যক্রম পরিচালনা করে। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত এসব প্রতিষ্ঠান হলো ডাকবিভাগ টেলিফোন, বিদ্যুৎ বিভাগ, রেলওয়ে, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রভৃতি।

উত্তর

বাজেটে মোট আয় ও মোট ব্যয় সমান হওয়ায় বলা যায় বাংলাদেশ সরকারের ব্যয়ের উদ্দেশ্যে জনকল্যাণ, মুনাফা অর্জন নয়। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ হওয়ায় এদেশের অর্থনীতি খুব বেশি সমৃদ্ধি নয়। সরকারের আয়ের খাতগুলো খুব সীমিত হওয়ায় প্রায়ই ঘাটতি বাজেট পরিলক্ষিত হয়। এ ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণগ্রহণ করে থাকে। তাছাড়া বাংলাদেশের রাজস্ব ব্যবস্থা খুব কঠোর না হওয়ায় পর্যাপ্ত পরিমাণে রাজস্ব আদায় সম্ভব হয় না। তাছাড়া এদেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন রকম উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকে যাদের প্রকল্প ব্যয়ও কম নয়। আবার কৃষি, যোগাযোগ, পল্লি উন্নয়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা, চিকিৎসা ও সরকারি ঋণের সুদ বাবদ প্রতিবছর সরকারকে বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হয় যা অর্জিত আয়ের তুলনায় পর্যাপ্ত নয়। এমতাবস্থায় সরকারের মুনাফা অর্জনের কোনো সুযোগ নেই। বরং বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সরকারকে প্রতিবছরের বাজেটে উচ্চ অঙ্কের সুদ গুনতে হচ্ছে। এ থেকে প্রমাণিত হয় বাংলাদেশে সরকার নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও দেশের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে ব্যয় করে যাচ্ছে। উদ্দীপকের তথ্যানুসারে বলা যায় সরকার উন্নয়নশীল খাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যয় করে থাকে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি, যোগাযোগ, পল্লি উন্নয়ন ও বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ৭৫,৮৩৫ কোটি টাকা ব্যয় নির্বাহ করে। তাছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং মানবসম্পদ সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়নে ৬৩,০২৭ কোটি টাকা ব্যয় করে থাকে। এ সকল খাত হতে সরকার খুব বেশি লাভবান হতে পারে না তবুও এ সকল খাতের উন্নয়নে সরকার পর্যাপ্ত ব্যয় ও বিনিয়োগ করে থাকে। ফলে দেখা যায় মোট ব্যয়ের তুলনায় আয় কম হয়। সেক্ষেত্রে সরকার ঋণ গ্রহণ করে বাজেটে ভারসাম্য আনে। ফলে ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরে মোট আয় ২,৫০,৫০৬ ও মোট ব্যয় ২,৫০,৫০৬ অর্থাৎ উভয়ই সমান হয়। এক্ষেত্রে মুনাফা লাভের কোনো সুযোগ থাকে না। সুতরাং আমরা বলতে পারি, বাংলাদেশ সরকার মুনাফা অর্জনের জন্য নয় বরং জনগণের সর্বোচ্চ কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যয় করে থাকে। এর জন্য সরকারকে প্রতিবার বাজেটে উচ্চ অঙ্কের সুদ ও ভর্তুকি প্রদান করতে হলেও উন্নয়ন যাতে বাধাগ্রস্ত না হয় সে জন্য সরকার সর্বদা যথেষ্ট সচেতন দৃষ্টি রাখে।
HSCEconomics 2nd PaperChapter 9 : সরকারী অর্থব্যবস্থা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ আয় বুঝে ব্যয় করে। কিন্তু যেকোনো দেশের সরকার ব্যয় অনুসারে আয় করে। সরকার আয়কর, সম্পদ কর, ফি, মুনাফা কর, রেলওয়ে, তার ও টেলিফোন, VAT, আবগারি শুল্ক, লাইসেন্স ফি, উত্তরাধিকার কর, জরিমানা, ডাক, রাষ্ট্রীয় কারখানা ইত্যাদি উৎস হতে আয় করে থাকে। যদি এসব উৎসের আয় দ্বারা ব্যয় সংকুলান না হয় তবে ঘাটতি অর্থায়নের অংশ হিসেবে সরকার অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক উৎস হতে ঋণ নেয়। যদিও এ দুটি উৎসের সুবিধা এবং অসুবিধা উভয়ই রয়েছে।

Dhaka · 2017

ক
সরকারি ব্যয় কী?
খ
'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের আলোকে সরকারের আয়ের উৎসগুলোর কর ও কর বহির্ভূত রাজস্ব চিহ্নিত করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘাটতি অর্থায়নের উৎস দুটির তুলনাপূর্বক, কোনটি অধিকতর কার্যকর তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মানুষ আয় বুঝে ব্যয় করে। কিন্তু যেকোনো দেশের সরকার ব্যয় অনুসারে আয় করে। সরকার আয়কর, সম্পদ কর, ফি, মুনাফা কর, রেলওয়ে, তার ও টেলিফোন, VAT, আবগারি শুল্ক, লাইসেন্স ফি, উত্তরাধিকার কর, জরিমানা, ডাক, রাষ্ট্রীয় কারখানা ইত্যাদি উৎস হতে আয় করে থাকে। যদি এসব উৎসের আয় দ্বারা ব্যয় সংকুলান না হয় তবে ঘাটতি অর্থায়নের অংশ হিসেবে সরকার অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক উৎস হতে ঋণ নেয়। যদিও এ দুটি উৎসের সুবিধা এবং অসুবিধা উভয়ই রয়েছে।

Dhaka · 2017

ক
সরকারি ব্যয় কী?
খ
'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকের আলোকে সরকারের আয়ের উৎসগুলোর কর ও কর বহির্ভূত রাজস্ব চিহ্নিত করো।
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘাটতি অর্থায়নের উৎস দুটির তুলনাপূর্বক, কোনটি অধিকতর কার্যকর তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।

'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সরকারি ব্যয় কী?

সরকারি ব্যয় কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সাম্প্রতিককালে সরকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষা, প্রতিরক্ষা এবং সামাজিক নিরাপত্তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সে জন্য এসব খাতের বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। এসব ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার অনেক সময় দেশের জনগণ, আর্থিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করে। তাছাড়া সরকার বৈদেশিক সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকেও ঋণ নেয়।

Barisal · 2017

ক
সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?
খ
মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে যে দুই ধরনের সরকারি ঋণের কথা বলা হয়েছে তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। বাংলাদেশের জন্য কোন ধরনের ঋণ উত্তম বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সাম্প্রতিককালে সরকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষা, প্রতিরক্ষা এবং সামাজিক নিরাপত্তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সে জন্য এসব খাতের বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে। এসব ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার অনেক সময় দেশের জনগণ, আর্থিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ গ্রহণ করে। তাছাড়া সরকার বৈদেশিক সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকেও ঋণ নেয়।

Barisal · 2017

ক
সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?
খ
মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে যে দুই ধরনের সরকারি ঋণের কথা বলা হয়েছে তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। বাংলাদেশের জন্য কোন ধরনের ঋণ উত্তম বলে তুমি মনে কর?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?

মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?

সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিপলু বিদেশে বসবাস করে। সে দেশের সরকার জনগণের নিকট থেকে উচ্চ হারে কর আদায় করে এবং সেই দেশের আয়ের প্রধান খাত কর। দেশটি উন্নত না হওয়ায় প্রতি বছর অন্য দেশ থেকে অনুদান ও ঋণ গ্রহণ করে। দেশটি সামান্য-পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী অন্য দেশে রপ্তানিও করে।

Jessore · 2017

ক
কর কত প্রকার ও কী কী?
খ
সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সরকারের আয়ের খাতসমূহ কী কী?
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সাথে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের খাতের মিল আছে কি? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শিপলু বিদেশে বসবাস করে। সে দেশের সরকার জনগণের নিকট থেকে উচ্চ হারে কর আদায় করে এবং সেই দেশের আয়ের প্রধান খাত কর। দেশটি উন্নত না হওয়ায় প্রতি বছর অন্য দেশ থেকে অনুদান ও ঋণ গ্রহণ করে। দেশটি সামান্য-পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী অন্য দেশে রপ্তানিও করে।

Jessore · 2017

ক
কর কত প্রকার ও কী কী?
খ
সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সরকারের আয়ের খাতসমূহ কী কী?
ঘ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সাথে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের খাতের মিল আছে কি? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?

সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কর কত প্রকার ও কী কী?

কর কত প্রকার ও কী কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘাটতি অর্থায়নের উৎস দুটির তুলনাপূর্বক, কোনটি অধিকতর কার্যকর তাউদ্দীপকের আলোকে সরকারের আয়ের উৎসগুলোর কর ও কর বহির্ভূত রাজস্ব চিহ্নিত করো।'প্রত্যক্ষ কর ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেশি।'- ব্যাখ্যা করো।সরকারি ব্যয় কী?উদ্দীপকে যে দুই ধরনের সরকারি ঋণের কথা বলা হয়েছে তার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো। বাংলউদ্দীপকের আলোকে সরকারি ব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো ব্যাখ্যা করো।মূল্য সংযোজন করকে পরোক্ষ কর বলা হয় কেন?সরকারি অর্থব্যবস্থা কাকে বলে?উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সাথে বাংলাদেশ সরকারের আয়ের খাতের মিল আছে কি? ব্যাখ্যা কউদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির সরকারের আয়ের খাতসমূহ কী কী?সরকারি আয়ের উল্লেখযোগ্য উৎসসমূহ কী কী?কর কত প্রকার ও কী কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।