উদ্দীপকে উল্লিখিত অর্থকরী শস্যটি চাষের অনুকূলীয় প্রাকৃতিক পরিবেশ ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত, বদ্বীপ খ্যাত বাংলাদেশের অর্থকরী শস্যটি চা। নিচে চা চাষের অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশ ব্যাখ্যা করা হলো: জলবায়ু: উষ্ণ নাতিশীতোষ্ণ ও অধিক আর্দ্র জলবায়ু চা চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। চা গাছের বৃদ্ধিকালীন সময়ে তাপমাত্রা ২০° সে. অপেক্ষা বেশি হওয়া আবশ্যক। চা গাছ স্বল্প 'তাপমাত্রা সহ্য' করতে পারে। তবে তীব্র শীত চা গাছের ক্ষতি সাধন করে। বৃষ্টিপাত: নিরক্ষীয় এবং আর্দ্র মৌসুমি জলবায়ু চা চাষের জন্য বেশি উপযোগী। যেসব এলাকায় বছরে ১২৫ থেকে ৬২৫ সে.মি. বৃষ্টিপাত এবং শুষ্ক ঋতু ক্ষণস্থায়ী হয় সেখানে চা গাছের পাতা ও কুঁড়ি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। যেমন- বাংলাদেশের মৌলভীবাজার। ভূ প্রকৃতি: সমুদ্র পৃষ্ঠের ৬০০ থেকে ১২০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত পার্বত্য ঢালু অঞ্চলে চা বাগান গড়ে তোলা হয়। পার্বত্য ঢালু অঞ্চল অপেক্ষাকৃত শীতল থাকে। সেখানে প্রবল বৃষ্টিপাত হলেও চা গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকে না। চা বাগান তৈরির জন্য সিলেটে এ ধরনের পরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে। মৃত্তিকা: নাইট্রোজেনযুক্ত কিছুটা অম্লধর্মী মৃত্তিকা চা গাছ জন্মানোর জন্য বিশেষ উপযোগী। লৌহমিশ্রিত এবং আগ্নেয় ভদ্মযুক্ত মৃত্তিকাতেও চা গাছ জন্মাতে পারে। যেমন- শ্রীলঙ্কার চা বাগান।
HSC Geography 2nd Paper Chapter 4 : কৃষি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 4 : কৃষি · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত অর্থকরী শস্যটি চাষের অনুকূলীয় প্রাকৃতিক পরিবেশ ব্…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
২. ভারত: ধান উৎপাদনে ভারত বিশ্বে দ্বিতীয়। দেশটির আসাম, মাদ্রাজ, বিহার, উড়িষ্যা, উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, মধ্যপ্রদেশ, ত্রিপুরা, অন্ধ্র প্রদেশ, কর্ণাটক প্রভৃতি রাজ্যে প্রচুর ধান উৎপন্ন হয়।
৩. ইন্দোনেশিয়া: ধান উৎপাদনে ইন্দোনেশিয়ার স্থান বিশ্বে তৃতীয়। এ দেশের জাভা অঞ্চল ধান উৎপাদনে প্রসিদ্ধ।
৪. বাংলাদেশ: বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম ধান উৎপাদনকারী দেশ বাংলাদেশ। এ দেশের গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকা অঞ্চল ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলের জেলাসমূহে সর্বাধিক ধান উৎপন্ন হয়।
৫. ভিয়েতনাম: ধান উৎপাদনে ভিয়েতনামের স্থান বিশ্বে পঞ্চম। দেশটির মেকং নদীর বদ্বীপ অঞ্চল ও উত্তর ভিয়েতনামের লোহিত অববাহিকায় প্রচুর পরিমাণে ধান উৎপন্ন হয়।