শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলে কৃষির ভৌগোলিক কোন নিয়ামকসমূহ বেশী প্রভাব বিস্তার করে- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: মানচিত্রের 'ক' অঞ্চলটি হলো দক্ষিণ এশিয়া। অঞ্চলটি কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল হতে এগিয়ে রয়েছে। যেকোনো অঞ্চলে কৃষির ফলনের জন্য অনুকূল ভৌগোলিক নিয়ামক একান্ত আবশ্যক। দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিকাজের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক নিয়ামকগুলো যেমন- ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, মৃত্তিকা, নদনদী প্রভৃতি অধিক ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া বিভিন্ন অর্থনৈতিক (মূলধন, শ্রমিক, বাজার) ও সাংস্কৃতিক (জনসংখ্যা, প্রযুক্তি, সরকারি নীতি) নিয়ামকও এ অঞ্চলের কৃষির উৎপাদনে প্রভাব বিস্তার করে। নিচে দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিকাজে ভৌগোলিক নিয়ামকগুলো বর্ণনা করা হলো- ১. সমতল ভূমিতে যত নিবিড় কৃষিকাজ করা যায়, পাহাড়ি অঞ্চলে তা যায় না। দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশই সমুদ্র তীরবর্তী সমভূমি অঞ্চলে অবস্থিত। এই অঞ্চলের কৃষির উপর ভূপ্রকৃতির ভূমিকা তাই অনেক বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার পাহাড়ি ঢালু জমিতে চা, কফি, রাবার প্রভৃতি এবং সমতল ভূমিতে ধান, পাট, সরিষা, ভূট্টা প্রভৃতি ভাল উৎপাদিত হয়। ২. দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিকাজ জলবায়ুর উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। ধান ও গম উৎপাদনের জন্য যথাক্রমে ১৬-২৭ এবং ১০-১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন। ১৫০ থেকে ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে ধান চাষ ভাল হয়। এ অঞ্চলে ক্রান্তীয় মৌসুমি এবং নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুতে ধান ও গম ভাল জন্মে। যেমন- থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশ। ৩. দক্ষিণ এশিয়ার উর্বর পলি দোআঁশ মৃত্তিকায় ধান, পাট, ভূট্টা প্রভৃতি কৃষি ফসল ভাল জন্মে। ৪. নদ-নদী পানির অন্যতম প্রধান উৎস। তাছাড়া পলি সঞ্চয়ের কারণে নদ-নদীর উভয় তীর কৃষি চাষের জন্য উযোগী। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার নদী অববাহিকা অঞ্চলে অধিক কৃষিকাজ হয়ে থাকে।

HSC Geography 2nd Paper Chapter 4 : কৃষি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 4 : কৃষি · সৃজনশীল

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলে কৃষির ভৌগোলিক কোন নিয়ামকসমূহ বেশী প্রভাব বিস্তা…

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2017

উত্তর

কোনো কৃষি খামারের এক অংশে কৃষিকাজ করে ফসল উৎপাদন এবং অপর অংশে গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি প্রভৃতি প্রতিপালিত হলে তাকে মিশ্র কৃষি বলে। যেমন- একই পুকুরে মাছ ও হাঁস পালন।

উত্তর

বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। কৃষি এদেশের অর্থনীতির প্রধান ও একক বৃহত্তম খাত। দেশের মোট উৎপাদনের ২১ শতাংশের বেশি কৃষিখাত থেকে আসে। এদেশের শতকরা প্রায় ৭৫ ভাগ লোক কৃষির উপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশ প্রতি বছর কৃষির প্রধানতম খাত যেমন- ফসল উৎপাদন, পশুপালন, মৎস্য চাষ ইত্যাদি থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে থাকে। যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। সুতরাং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম।

উত্তর

মানচিত্রের 'ক' অঞ্চলটি হলো দক্ষিণ এশিয়া। অঞ্চলটি কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল হতে এগিয়ে রয়েছে। যেকোনো অঞ্চলে কৃষির ফলনের জন্য অনুকূল ভৌগোলিক নিয়ামক একান্ত আবশ্যক। দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিকাজের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক নিয়ামকগুলো যেমন- ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, মৃত্তিকা, নদনদী প্রভৃতি অধিক ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া বিভিন্ন অর্থনৈতিক (মূলধন, শ্রমিক, বাজার) ও সাংস্কৃতিক (জনসংখ্যা, প্রযুক্তি, সরকারি নীতি) নিয়ামকও এ অঞ্চলের কৃষির উৎপাদনে প্রভাব বিস্তার করে। নিচে দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিকাজে ভৌগোলিক নিয়ামকগুলো বর্ণনা করা হলো- ১. সমতল ভূমিতে যত নিবিড় কৃষিকাজ করা যায়, পাহাড়ি অঞ্চলে তা যায় না। দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশই সমুদ্র তীরবর্তী সমভূমি অঞ্চলে অবস্থিত। এই অঞ্চলের কৃষির উপর ভূপ্রকৃতির ভূমিকা তাই অনেক বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার পাহাড়ি ঢালু জমিতে চা, কফি, রাবার প্রভৃতি এবং সমতল ভূমিতে ধান, পাট, সরিষা, ভূট্টা প্রভৃতি ভাল উৎপাদিত হয়। ২. দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিকাজ জলবায়ুর উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। ধান ও গম উৎপাদনের জন্য যথাক্রমে ১৬-২৭ এবং ১০-১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন। ১৫০ থেকে ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে ধান চাষ ভাল হয়। এ অঞ্চলে ক্রান্তীয় মৌসুমি এবং নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুতে ধান ও গম ভাল জন্মে। যেমন- থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশ। ৩. দক্ষিণ এশিয়ার উর্বর পলি দোআঁশ মৃত্তিকায় ধান, পাট, ভূট্টা প্রভৃতি কৃষি ফসল ভাল জন্মে। ৪. নদ-নদী পানির অন্যতম প্রধান উৎস। তাছাড়া পলি সঞ্চয়ের কারণে নদ-নদীর উভয় তীর কৃষি চাষের জন্য উযোগী। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার নদী অববাহিকা অঞ্চলে অধিক কৃষিকাজ হয়ে থাকে।

উত্তর

উদ্দীপকের 'খ' অঞ্চলটি হলো প্রেইরি যেখানে ব্যাপকভাবে গম উৎপাদিত হয়। অভীক মিসিসিপি-মিসৌরী নদীবাহিত দেশ যুক্তরাষ্ট্রে বেড়াতে যায়। সেখানে মানুষের প্রধান খাদ্যশস্য গম। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে দানাদার শস্যের মধ্যে গম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান বিশ্বের মোট উৎপাদিত গমের প্রায় ১৬ শতাংশ বিশ্ববাজারে প্রবেশ করে। সারণি: প্রধান প্রধান দেশের গম আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ- ২০১৫ question image রপ্তানিকারক দেশসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ইতালি, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ইউক্রেন প্রধান গম রপ্তানিকারক দেশ। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা যথাক্রমে ১৪.৫ ও ১৬.২ শতাংশ রপ্তানি করে থাকে। আমদানিকারক দেশসমূহ : গম আমদানিকারক দেশগুলো অনিয়মিতভাবে বা অনির্ধারিতভাবে আমদানি করে থাকে। যেমন- ভারত, পাকিস্তান, কিউবা প্রভৃতি দেশে গম আমদানির পরিমাণ বাড়ছে। আবার আলজেরিয়া, চীনে কমছে। ২০১৫ সালে প্রধান গম আমদানিকারক দেশের মধ্যে রয়েছে ইতালি, মিশর, ব্রাজিল, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, আলজেরিয়া, স্পেন প্রভৃতি দেশ। গমের বিশ্ব বাণিজ্যে আরেকটি দিক হলো সাধারণত উন্নত দেশগুলো গম রপ্তানি করে। অন্যদিকে, উন্নয়নশীল দেশগুলো তা আমদানি করে।
HSCGeography 2nd PaperChapter 4 : কৃষি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2017

ক
মিশ্র কৃষি কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলে কৃষির ভৌগোলিক কোন নিয়ামকসমূহ বেশী প্রভাব বিস্তার করে- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের 'খ' অঞ্চলে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত খাদ্যশস্যটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম- ব্যাখ্যা করো।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.মিশ্র কৃষি কাকে বলে?

মিশ্র কৃষি কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

লাঙল-জোয়ালের বদলে ট্রাক্টরের ব্যবহার বর্তমান সময়ে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। খণ্ড খণ্ড জমিগুলোতে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ শুরু হয়েছে। ফলে গনি মিয়ার (প্রাচীন পদ্ধতির কৃষক) বংশধরগণ বর্তমানে ফসল উৎপাদনের সকল পর্যায়ে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পাশাপাশি সরকারি সহযোগিতার জন্য কৃষিক্ষেত্রের সুফল ভোগ করছে।

Dhaka · 2017

ক
কৃষিকাজ কাকে বলে?
খ
কানাডার প্রেইরী তৃণভূমিকে "পৃথিবীর রুটির ঝুড়ি" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয় কিভাবে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের উল্লিখিত দু'টি সময়ের কৃষি পদ্ধতির সুবিধা-অসুবিধা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

লাঙল-জোয়ালের বদলে ট্রাক্টরের ব্যবহার বর্তমান সময়ে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। খণ্ড খণ্ড জমিগুলোতে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ শুরু হয়েছে। ফলে গনি মিয়ার (প্রাচীন পদ্ধতির কৃষক) বংশধরগণ বর্তমানে ফসল উৎপাদনের সকল পর্যায়ে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পাশাপাশি সরকারি সহযোগিতার জন্য কৃষিক্ষেত্রের সুফল ভোগ করছে।

Dhaka · 2017

ক
কৃষিকাজ কাকে বলে?
খ
কানাডার প্রেইরী তৃণভূমিকে "পৃথিবীর রুটির ঝুড়ি" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয় কিভাবে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের উল্লিখিত দু'টি সময়ের কৃষি পদ্ধতির সুবিধা-অসুবিধা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.কানাডার প্রেইরী তৃণভূমিকে "পৃথিবীর রুটির ঝুড়ি" বলা হয় কেন?

কানাডার প্রেইরী তৃণভূমিকে "পৃথিবীর রুটির ঝুড়ি" বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কৃষিকাজ কাকে বলে?

কৃষিকাজ কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাকির গ্রীষ্মের ছুটিতে মামা বাড়ি বেড়াতে গিয়ে সবুজে আচ্ছাদিত বাগানের মাঝে উঁচু উঁচু বৃক্ষ দেখতে পায়। ব্যাপক এলাকাব্যাপী চাষ হলেও সেখানকার ভূমিরূপ সমতল নয়। কারণ জানতে চাইলে তার মামা জানালেন যে, উক্ত ফসলের জন্য মাঝে মাঝে ছায়া এবং কিছু উঁচু জমির প্রয়োজন। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে উক্ত কৃষিপণ্যের যথেষ্ট অবদান রয়েছে।

Dhaka · 2017

ক
কৃষির সংজ্ঞা দাও।
খ
ভূমিরূপ কীভাবে ধান চাষকে প্রভাবিত করে?- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষিপণ্যটি বরিশাল অঞ্চলে কেন হয় না? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ কৃষিপণ্যটির বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাকির গ্রীষ্মের ছুটিতে মামা বাড়ি বেড়াতে গিয়ে সবুজে আচ্ছাদিত বাগানের মাঝে উঁচু উঁচু বৃক্ষ দেখতে পায়। ব্যাপক এলাকাব্যাপী চাষ হলেও সেখানকার ভূমিরূপ সমতল নয়। কারণ জানতে চাইলে তার মামা জানালেন যে, উক্ত ফসলের জন্য মাঝে মাঝে ছায়া এবং কিছু উঁচু জমির প্রয়োজন। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে উক্ত কৃষিপণ্যের যথেষ্ট অবদান রয়েছে।

Dhaka · 2017

ক
কৃষির সংজ্ঞা দাও।
খ
ভূমিরূপ কীভাবে ধান চাষকে প্রভাবিত করে?- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষিপণ্যটি বরিশাল অঞ্চলে কেন হয় না? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ কৃষিপণ্যটির বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.ভূমিরূপ কীভাবে ধান চাষকে প্রভাবিত করে?- ব্যাখ্যা করো।

ভূমিরূপ কীভাবে ধান চাষকে প্রভাবিত করে?- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কৃষির সংজ্ঞা দাও।

কৃষির সংজ্ঞা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলাদেশের ছেলে অভীক মিসিসিপি-মিসৌরী নদীবাহিত দেশে বেড়াতে গিয়ে দেখলো, ওখানকার মানুষের প্রধান খাদ্যশস্যটি তার নিজ দেশে শীতকালে চাষ হয় এবং ঐ খাদ্যশস্যটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

Dhaka · 2017

ক
এশিয়ার অধিবাসীদের প্রধান খাদ্যশস্য কোনটি?
খ
স্থানান্তরিত কৃষি কাকে বলে?- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত অভীকের ভ্রমণকৃত দেশের প্রধান খাদ্যশস্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যাখ্যা করো।
ঘ
অভীকের নিজ দেশ ও ভ্রমণকৃত দেশের প্রধান খাদ্যশস্য উৎপাদনে জলবায়ুগত নিয়ামকের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের 'খ' অঞ্চলে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত খাদ্যশস্যটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশ্লেষবাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম- ব্যাখ্যা করো।মিশ্র কৃষি কাকে বলে?উদ্দীপকের উল্লিখিত দু'টি সময়ের কৃষি পদ্ধতির সুবিধা-অসুবিধা মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয় কিভাবে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে- ব্যাখ্যা করোকানাডার প্রেইরী তৃণভূমিকে "পৃথিবীর রুটির ঝুড়ি" বলা হয় কেন?কৃষিকাজ কাকে বলে?উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ কৃষিপণ্যটির বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষিপণ্যটি বরিশাল অঞ্চলে কেন হয় না? ব্যাখ্যা করো।ভূমিরূপ কীভাবে ধান চাষকে প্রভাবিত করে?- ব্যাখ্যা করো।কৃষির সংজ্ঞা দাও।অভীকের নিজ দেশ ও ভ্রমণকৃত দেশের প্রধান খাদ্যশস্য উৎপাদনে জলবায়ুগত নিয়ামকের তুলন

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।