শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত ফসলটির উৎপাদন ও বিশ্ববণ্টন ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকের ফসলটি চা। এশিয়া মহাদেশে বিশ্বের প্রায় ৮০% চা উৎপন্ন হয়। আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং ইউরোপে অবশিষ্ট চা (২০%) উৎপন্ন হয়। অধিকাংশ চা বাগান এশিয়ার বৃষ্টিবহুল মৌসুমি এবং নিরক্ষীয় অঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত। আফ্রিকার চা বাগানগুলো পূর্বাঞ্চলীয় বৃষ্টিবহুল পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত। বিশ্বব্যাপী চা উৎপাদন ও বণ্টন চা উৎপাদন সারা বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত। তবে এশিয়া, আফ্রিকায় মূলত চা উৎপাদন বণ্টিত। যেমন- ১. চীন: ধারণা করা হয়, চীনে সর্বপ্রথম বুনো অবস্থা থেকে চা গাছকে চায়ের আওতায় আনা হয়। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় চা উৎপাদনকারী দেশ চীন। এখানে প্রধানত পাঁচ ধরনের চা উৎপাদিত হয়। যথাঃ কালো, সবুজ, জেসমিন, ওলো এবং ইস্টক চা। প্রধানত রপ্তানির উদ্দেশ্যে দেশটিতে কালো চা উৎপাদন করা হয়। ইয়াংসি নদীর দক্ষিণে অবস্থিত সিচুয়ান, হুনান, আনছুই, ফুকিয়েন প্রদেশের বর্ষণমুখর পার্বত্য ঢালে অধিক চা বাগান গড়ে উঠেছে। ২. ভারত: বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষস্থানীয় চা উৎপাদনকারী দেশ ভারত। এ দেশে কয়েক হাজার চা বাগান রয়েছে। বেশিরভাগ বাগান আসাম এবং পশ্চিমবঙ্গের বৃষ্টিবহুল পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত। পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং এর চা বাগান থেকে বিশ্বমানের চা উৎপাদিত হয়। এখানকার চা বাগানগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২০০ মিটার বা তার চেয়ে বেশি উচ্চতায় অবস্থিত। মেঘালয় এবং দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু ও কেরালা রাজ্যে অবস্থিত বাগানগুলো থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চা পাতা সংগ্রহ করা হয়। সারণি: পৃথিবীর প্রধান প্রধান দেশের চা উৎপাদন (২০১৯) দেশ উৎপাদন (হাজার মেট্রিক টন) দেশ উৎপাদন (হাজার মেট্রিক টন) ১. চীন ২৭৯১ ৬. তুরস্ক ২৬১ ২. ভারত ১৩৯০ ৭. ইন্দোনেশিয়া ১৩৭ ৩. কেনিয়া ৪৫৯ ৮. মায়ানমার ১৩২ ৪. শ্রীলংকা ৩০০ ৯. ইরান ৯০ ৫. ভিয়েতনাম ২৬৯ ১০. বাংলাদেশ ৯০ উৎস: FAOSTAT. September, 2021 ৩. কেনিয়া: কেনিয়া বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম চা উৎপাদনকারী দেশ। দেশটির কেরিকু, বোমেট, নান্দি, কিয়াম্বো, মারাগুয়া, মেরু প্রভৃতি এলাকায় প্রচুর চা উৎপন্ন হয়ে থাকে। দেশটির উৎপাদিত চা এর মধ্যে 'ব্ল্য়াক টি' প্রধান এবং জনপ্রিয়। এছাড়া গ্রিন টি, ইয়েলো টি এবং হেয়াইট টিও দেশটিতে উৎপন্ন হয়। ৪. শ্রীলংকা: ভারত মহাসাগরের এই দ্বীপ দেশে অতি অল্প সময়ে চা চাষের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। শ্রীলঙ্কার পার্বত্য ভূপ্রকৃতি এবং ভৌগোলিক অবস্থান চা চাষে সহায়ক। এখানে পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে পাহাড়ের ঢালে প্রায় সারা বছরই বৃষ্টিপাত হয়। শ্রীলঙ্কার মধ্যভাগে অবস্থিত পর্বতকে ঘিরে চা বাগান গড়ে উঠেছে। নিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং আর্দ্রতার ঘাটতি না থাকায় বাগানের চা গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফলে সারা বছর ধরে সপ্তাহে অন্তত দুবার চা পাতা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। ৫. ভিয়েতনাম: চা উৎপাদনে ভিয়েতনাম বিশ্বে পঞ্চম। এখানে কালো, সবুজ এবং জেসমিন চা উৎপন্ন হয়। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ইরান, মায়ানমার, জাপান চা উৎপাদনে প্রসিদ্ধ।

HSC Geography 2nd Paper Chapter 4 : কৃষি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 4 : কৃষি · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত ফসলটির উৎপাদন ও বিশ্ববণ্টন ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা। প্রশ্ন নং ৪ বিশ্বের একটি অর্থকরী ফসল, যা পানীয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন হলেও গাছের গোড়ায় পানি দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে না।

উত্তর

গমের বৈজ্ঞানিক নাম Triticum aestivum.

উত্তর

আয়তনগত দিক থেকে ব্যাপক কৃষি আধুনিক কৃষির একটি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ধরন। আধুনিক কৃষিযন্ত্রের সাহায্যে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ব্যাপক হারে যে কৃষিকাজ করা হয় তাকে ব্যাপক কৃষি (Extensive farming) বলে। যেসব এলাকায় জনবসতি বিরল অথচ বিস্তীর্ণ অঞ্চল চাষযোগ্য, সেখানে শ্রমিকের অভাবহেতু ব্যাপক চাষের ব্যবস্থা করা হয়। যেমন- যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার কৃষি।

উত্তর

উদ্দীপকের ইঙ্গিতপূর্ণ ফসল হলো চা, যা দেশের উত্তর-পূর্ব পাহাড়ি অঞ্চলে চাষ করা হয়। চা চাষের অনুকূল নিয়ামকগুলো নিচে উপস্থাপন করা হলো: i. চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর প্রয়োজন। ফলে অধিক উত্তাপ ও বৃষ্টিযুক্ত অঞ্চলে চায়ের আবাদ ভালো হয়। ii. চা মৌসুমি অঞ্চলের ফসল। এটি চাষের জন্য ২৩০-২৮০ সে. তাপমাত্রা প্রয়োজন হয়। iii. চা চাষের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। সাধারণত ১৭৫ থেকে ২৫০ সেমি. বৃষ্টিযুক্ত অঞ্চলে এর চাষ হয়। iv. উচ্চ ভূমিতে পানি নিষ্কাশন দ্রুত ও সহজে হয় বলে পৃথিবীর অধিকাংশ উৎকৃষ্ট চা বাগান উচ্চ ভূমিতে অবস্থিত। কারণ, চা গাছের গোড়ায় পানি জমলে তা সহজেই মরে যায়। এ কারণে পাহাড়ের ঢালে চায়ের চাষ ভালো হয়ে থাকে। v. উর্বর লৌহ মিশ্রিত দোআঁশ মাটি চা চাষের বিশেষ উপযোগী। উপরের বৈশিষ্ট্যের আলোকে বলা যায় যে, চা চাষের জন্য দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অনুকূল নিয়ামক বিদ্যমান।

উত্তর

উদ্দীপকের ফসলটি চা। এশিয়া মহাদেশে বিশ্বের প্রায় ৮০% চা উৎপন্ন হয়। আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং ইউরোপে অবশিষ্ট চা (২০%) উৎপন্ন হয়। অধিকাংশ চা বাগান এশিয়ার বৃষ্টিবহুল মৌসুমি এবং নিরক্ষীয় অঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত। আফ্রিকার চা বাগানগুলো পূর্বাঞ্চলীয় বৃষ্টিবহুল পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত। বিশ্বব্যাপী চা উৎপাদন ও বণ্টন চা উৎপাদন সারা বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত। তবে এশিয়া, আফ্রিকায় মূলত চা উৎপাদন বণ্টিত। যেমন- ১. চীন: ধারণা করা হয়, চীনে সর্বপ্রথম বুনো অবস্থা থেকে চা গাছকে চায়ের আওতায় আনা হয়। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় চা উৎপাদনকারী দেশ চীন। এখানে প্রধানত পাঁচ ধরনের চা উৎপাদিত হয়। যথাঃ কালো, সবুজ, জেসমিন, ওলো এবং ইস্টক চা। প্রধানত রপ্তানির উদ্দেশ্যে দেশটিতে কালো চা উৎপাদন করা হয়। ইয়াংসি নদীর দক্ষিণে অবস্থিত সিচুয়ান, হুনান, আনছুই, ফুকিয়েন প্রদেশের বর্ষণমুখর পার্বত্য ঢালে অধিক চা বাগান গড়ে উঠেছে। ২. ভারত: বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষস্থানীয় চা উৎপাদনকারী দেশ ভারত। এ দেশে কয়েক হাজার চা বাগান রয়েছে। বেশিরভাগ বাগান আসাম এবং পশ্চিমবঙ্গের বৃষ্টিবহুল পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত। পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং এর চা বাগান থেকে বিশ্বমানের চা উৎপাদিত হয়। এখানকার চা বাগানগুলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১২০০ মিটার বা তার চেয়ে বেশি উচ্চতায় অবস্থিত। মেঘালয় এবং দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু ও কেরালা রাজ্যে অবস্থিত বাগানগুলো থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চা পাতা সংগ্রহ করা হয়। সারণি: পৃথিবীর প্রধান প্রধান দেশের চা উৎপাদন (২০১৯) দেশ উৎপাদন (হাজার মেট্রিক টন) দেশ উৎপাদন (হাজার মেট্রিক টন) ১. চীন ২৭৯১ ৬. তুরস্ক ২৬১ ২. ভারত ১৩৯০ ৭. ইন্দোনেশিয়া ১৩৭ ৩. কেনিয়া ৪৫৯ ৮. মায়ানমার ১৩২ ৪. শ্রীলংকা ৩০০ ৯. ইরান ৯০ ৫. ভিয়েতনাম ২৬৯ ১০. বাংলাদেশ ৯০ উৎস: FAOSTAT. September, 2021 ৩. কেনিয়া: কেনিয়া বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম চা উৎপাদনকারী দেশ। দেশটির কেরিকু, বোমেট, নান্দি, কিয়াম্বো, মারাগুয়া, মেরু প্রভৃতি এলাকায় প্রচুর চা উৎপন্ন হয়ে থাকে। দেশটির উৎপাদিত চা এর মধ্যে 'ব্ল্য়াক টি' প্রধান এবং জনপ্রিয়। এছাড়া গ্রিন টি, ইয়েলো টি এবং হেয়াইট টিও দেশটিতে উৎপন্ন হয়। ৪. শ্রীলংকা: ভারত মহাসাগরের এই দ্বীপ দেশে অতি অল্প সময়ে চা চাষের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। শ্রীলঙ্কার পার্বত্য ভূপ্রকৃতি এবং ভৌগোলিক অবস্থান চা চাষে সহায়ক। এখানে পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে পাহাড়ের ঢালে প্রায় সারা বছরই বৃষ্টিপাত হয়। শ্রীলঙ্কার মধ্যভাগে অবস্থিত পর্বতকে ঘিরে চা বাগান গড়ে উঠেছে। নিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং আর্দ্রতার ঘাটতি না থাকায় বাগানের চা গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফলে সারা বছর ধরে সপ্তাহে অন্তত দুবার চা পাতা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। ৫. ভিয়েতনাম: চা উৎপাদনে ভিয়েতনাম বিশ্বে পঞ্চম। এখানে কালো, সবুজ এবং জেসমিন চা উৎপন্ন হয়। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ইরান, মায়ানমার, জাপান চা উৎপাদনে প্রসিদ্ধ।
HSCGeography 2nd PaperChapter 4 : কৃষি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2017

ক
মিশ্র কৃষি কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলে কৃষির ভৌগোলিক কোন নিয়ামকসমূহ বেশী প্রভাব বিস্তার করে- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের 'খ' অঞ্চলে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত খাদ্যশস্যটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dinajpur · 2017

ক
মিশ্র কৃষি কাকে বলে?
খ
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলে কৃষির ভৌগোলিক কোন নিয়ামকসমূহ বেশী প্রভাব বিস্তার করে- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের 'খ' অঞ্চলে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত খাদ্যশস্যটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম- ব্যাখ্যা করো।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.মিশ্র কৃষি কাকে বলে?

মিশ্র কৃষি কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

লাঙল-জোয়ালের বদলে ট্রাক্টরের ব্যবহার বর্তমান সময়ে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। খণ্ড খণ্ড জমিগুলোতে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ শুরু হয়েছে। ফলে গনি মিয়ার (প্রাচীন পদ্ধতির কৃষক) বংশধরগণ বর্তমানে ফসল উৎপাদনের সকল পর্যায়ে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পাশাপাশি সরকারি সহযোগিতার জন্য কৃষিক্ষেত্রের সুফল ভোগ করছে।

Dhaka · 2017

ক
কৃষিকাজ কাকে বলে?
খ
কানাডার প্রেইরী তৃণভূমিকে "পৃথিবীর রুটির ঝুড়ি" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয় কিভাবে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের উল্লিখিত দু'টি সময়ের কৃষি পদ্ধতির সুবিধা-অসুবিধা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

লাঙল-জোয়ালের বদলে ট্রাক্টরের ব্যবহার বর্তমান সময়ে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। খণ্ড খণ্ড জমিগুলোতে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ শুরু হয়েছে। ফলে গনি মিয়ার (প্রাচীন পদ্ধতির কৃষক) বংশধরগণ বর্তমানে ফসল উৎপাদনের সকল পর্যায়ে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পাশাপাশি সরকারি সহযোগিতার জন্য কৃষিক্ষেত্রের সুফল ভোগ করছে।

Dhaka · 2017

ক
কৃষিকাজ কাকে বলে?
খ
কানাডার প্রেইরী তৃণভূমিকে "পৃথিবীর রুটির ঝুড়ি" বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয় কিভাবে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে- ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকের উল্লিখিত দু'টি সময়ের কৃষি পদ্ধতির সুবিধা-অসুবিধা মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.কানাডার প্রেইরী তৃণভূমিকে "পৃথিবীর রুটির ঝুড়ি" বলা হয় কেন?

কানাডার প্রেইরী তৃণভূমিকে "পৃথিবীর রুটির ঝুড়ি" বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কৃষিকাজ কাকে বলে?

কৃষিকাজ কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাকির গ্রীষ্মের ছুটিতে মামা বাড়ি বেড়াতে গিয়ে সবুজে আচ্ছাদিত বাগানের মাঝে উঁচু উঁচু বৃক্ষ দেখতে পায়। ব্যাপক এলাকাব্যাপী চাষ হলেও সেখানকার ভূমিরূপ সমতল নয়। কারণ জানতে চাইলে তার মামা জানালেন যে, উক্ত ফসলের জন্য মাঝে মাঝে ছায়া এবং কিছু উঁচু জমির প্রয়োজন। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে উক্ত কৃষিপণ্যের যথেষ্ট অবদান রয়েছে।

Dhaka · 2017

ক
কৃষির সংজ্ঞা দাও।
খ
ভূমিরূপ কীভাবে ধান চাষকে প্রভাবিত করে?- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষিপণ্যটি বরিশাল অঞ্চলে কেন হয় না? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ কৃষিপণ্যটির বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

শাকির গ্রীষ্মের ছুটিতে মামা বাড়ি বেড়াতে গিয়ে সবুজে আচ্ছাদিত বাগানের মাঝে উঁচু উঁচু বৃক্ষ দেখতে পায়। ব্যাপক এলাকাব্যাপী চাষ হলেও সেখানকার ভূমিরূপ সমতল নয়। কারণ জানতে চাইলে তার মামা জানালেন যে, উক্ত ফসলের জন্য মাঝে মাঝে ছায়া এবং কিছু উঁচু জমির প্রয়োজন। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে উক্ত কৃষিপণ্যের যথেষ্ট অবদান রয়েছে।

Dhaka · 2017

ক
কৃষির সংজ্ঞা দাও।
খ
ভূমিরূপ কীভাবে ধান চাষকে প্রভাবিত করে?- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষিপণ্যটি বরিশাল অঞ্চলে কেন হয় না? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ কৃষিপণ্যটির বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.ভূমিরূপ কীভাবে ধান চাষকে প্রভাবিত করে?- ব্যাখ্যা করো।

ভূমিরূপ কীভাবে ধান চাষকে প্রভাবিত করে?- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কৃষির সংজ্ঞা দাও।

কৃষির সংজ্ঞা দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের 'খ' অঞ্চলে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত খাদ্যশস্যটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশ্লেষউদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলে কৃষির ভৌগোলিক কোন নিয়ামকসমূহ বেশী প্রভাব বিস্তার করে- ব্যাখ্বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম- ব্যাখ্যা করো।মিশ্র কৃষি কাকে বলে?উদ্দীপকের উল্লিখিত দু'টি সময়ের কৃষি পদ্ধতির সুবিধা-অসুবিধা মূল্যায়ন করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয় কিভাবে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে- ব্যাখ্যা করোকানাডার প্রেইরী তৃণভূমিকে "পৃথিবীর রুটির ঝুড়ি" বলা হয় কেন?কৃষিকাজ কাকে বলে?উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ কৃষিপণ্যটির বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান বিশ্লেষণ করো।উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষিপণ্যটি বরিশাল অঞ্চলে কেন হয় না? ব্যাখ্যা করো।ভূমিরূপ কীভাবে ধান চাষকে প্রভাবিত করে?- ব্যাখ্যা করো।কৃষির সংজ্ঞা দাও।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।