শেয়ারFacebookWhatsApp

ইসহাক সাহেব গবেষণা পরিচালনায় যে পদ্ধতি প্রয়োগ করেছেন তার বৈশিষ্ট্যগুলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ইসহাক সাহেব গবেষণা পরিচালনায় পরীক্ষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করেছেন। পরীক্ষণ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্যসমূহ নিচে আলোচনা করা হলো- ১. পুনরাবৃত্তিতা: পরীক্ষণ পদ্ধতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর পুনরাবৃত্তিতা। গবেষক ইচ্ছা করলেই তাঁর পরীক্ষণের পুনরাবৃত্তি করতে পারেন। রসায়ন গবেষণাগারে বিশেষ অনুপাতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন মিশ্রণে পানি পাওয়া যায়। এটির পুনরাবৃত্তি যেকোনো গবেষণাগারে করা যায়। মনোবিজ্ঞানের গবেষণাগারেও এরূপ পুনরাবৃত্তি সম্ভব। যেমন- কোনো শিশুকে শিক্ষণের ক্ষেত্রে পুরষ্কৃতি করলে পরবর্তীতে শিক্ষণের উন্নতি দেখা যায়। এ পরীক্ষণটি মনোবিজ্ঞানের যেকোনো গবেষণাগারে করা যায়। ২. চল-এর পরিবর্তন: পরীক্ষণ পদ্ধতিতে গবেষক নিচের ইচ্ছা ও প্রয়োজনমত অনির্ভরশীল পরিবর্তন করতে পারেন এবং নির্ভরশীল চলের উপর তার প্রভাব লক্ষ্য করতে পারেন। ৩. চল-এর নিয়ন্ত্রণ: মানুষের আচরণ বেশ জটিল। কেননা কোনো আচরণকে নানা ঘটনা প্রভাবিত করতে পারে। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে অনির্ভরশীল চলের সাথে নির্ভরশীল চলের সম্পর্ক স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করার জন্য সব ধরনের বাহ্যিক চল নিয়ন্ত্রণ করে পরীক্ষণকার্য পরিচালনা করা যায়। অর্থাৎ গবেষণাগারে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে' পরীক্ষণ পদ্ধতি প্রয়োগ হয়ে থাকে। ৪. বস্তুনিষ্ঠতা: পরীক্ষণ পদ্ধতি অত্যন্ত বস্তুনিষ্ঠ। এখানে কোনো ব্যক্তির পছন্দ-অপছন্দ বা. ইচ্ছা-অনিচ্ছার মূল্য নেই। বস্তুনিষ্ঠভাবে পরীক্ষণ কাজ পরিচালিত হয়। ৫. যথার্থতা প্রমাণ: পরীক্ষণ পদ্ধতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো যথার্থতা প্রমাণ। যে কোনো গবেষক বারবার পরীক্ষণ করে প্রাপ্ত ফলাফলের সত্যতা যাচাই করতে পারেন। অথবা অন্য কারও গবেষণার ফলাফল একইভাবে পরীক্ষা করে তার সত্যতা যাচাই করতে পারেন। বিভিন্ন গবেষকের ফলাফল সঙ্গতিপূর্ণ হলে হবেই তা যথার্থ। ৬. সাধারণীকরণ: প্রতিনিধিত্বমূলক নমুনার উপর গবেষণা করে সাধারণ সত্যে 'উপনীত হওয়াকে সাধারণীকরণ বলে। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে মানুষের প্রতিনিধিত্বমূলক নমুনার উপর গবেষণা করে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে আসা হয়।

HSC Psychology 2nd Paper Chapter 7 : মনোবিজ্ঞানে গবেষণার পদ্ধতিসমূহ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Psychology 2nd Paper · Chapter 7 : মনোবিজ্ঞানে গবেষণার পদ্ধতিসমূহ · সৃজনশীল

ইসহাক সাহেব গবেষণা পরিচালনায় যে পদ্ধতি প্রয়োগ করেছেন তার বৈশিষ্ট্যগ…

উদ্দীপক

জনাব ইসহাক একজন মনোবিজ্ঞানের শিক্ষক। তিনি ছাত্রদের শিক্ষণের উপর গণ্ডগোলের প্রভাব দেখার জন্য ক্লাসের ছাত্রদের জোড়-বিজোড় রোল নম্বর এর ভিত্তিতে সমান সংখ্যক ছাত্র দিয়ে 'ক' দল এবং 'খ' দল গঠন করেন। তিনি 'ক' দলকে গণ্ডগোলযুক্ত পরিবেশে এবং 'খ' দলকে গণ্ডগোলমুক্ত পরিবেশে দুটি ভিন্ন কক্ষে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কতগুলো অর্থহীন শব্দ তালিকা মুখস্ত করতে দেন। জনাব ইসহাক সাহেব পরীক্ষণ শুরুর পূর্বে গণ্ডগোলযুক্ত পরিবেশের শিক্ষণ গণ্ডগোলমুক্ত পরিবেশের শিক্ষণের তুলনায় কম হবে বলে মন্তব্য করেন। পরীক্ষণ শেষে প্রাপ্ত ফলাফল ইসহাক সাহেবের মতামতের সাথে মিলে যায়।

উত্তর

শাব্দিক অর্থে সমস্যা হলো একটি প্রস্তাবিত প্রশ্ন যার সমাধান প্রয়োজন।

উত্তর

পরীক্ষণে প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ। 'বাস্তব ঘটনা বা তথ্যের দ্বারা যদি প্রকল্প যাচাই করা না যায়, তাহলে পরীক্ষণ. ভালোভাবে পরিচালনা করা যায় না। বাস্তব তথ্য দ্বারা প্রকল্প সত্যায়িত হতে হয়। অন্যদিকে পরীক্ষণে সুনির্দিষ্ট প্রকল্প অতীব জরুরি। একটি সুনির্দিষ্ট প্রকল্পের ধারণা পরীক্ষণকে সঠিকভাবে পরিচালিত হতে সাহায্য করে। কোনো সমস্যার প্রমাণ সাপেক্ষ সম্ভাব্য সমাধানই হচ্ছে প্রকল্প। কোনো সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে যখন পরীক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়, তখন পরীক্ষণটির রূপরেখা কী হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এ প্রকল্পের উপর ভিত্তি করেই পরীক্ষণ কার্য পরিচালিত হয়। তাই পরীক্ষণে প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তর

ইসহাক সাহেব গবেষণা পরিচালনায় পরীক্ষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করেছেন। পরীক্ষণ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্যসমূহ নিচে আলোচনা করা হলো- ১. পুনরাবৃত্তিতা: পরীক্ষণ পদ্ধতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর পুনরাবৃত্তিতা। গবেষক ইচ্ছা করলেই তাঁর পরীক্ষণের পুনরাবৃত্তি করতে পারেন। রসায়ন গবেষণাগারে বিশেষ অনুপাতে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন মিশ্রণে পানি পাওয়া যায়। এটির পুনরাবৃত্তি যেকোনো গবেষণাগারে করা যায়। মনোবিজ্ঞানের গবেষণাগারেও এরূপ পুনরাবৃত্তি সম্ভব। যেমন- কোনো শিশুকে শিক্ষণের ক্ষেত্রে পুরষ্কৃতি করলে পরবর্তীতে শিক্ষণের উন্নতি দেখা যায়। এ পরীক্ষণটি মনোবিজ্ঞানের যেকোনো গবেষণাগারে করা যায়। ২. চল-এর পরিবর্তন: পরীক্ষণ পদ্ধতিতে গবেষক নিচের ইচ্ছা ও প্রয়োজনমত অনির্ভরশীল পরিবর্তন করতে পারেন এবং নির্ভরশীল চলের উপর তার প্রভাব লক্ষ্য করতে পারেন। ৩. চল-এর নিয়ন্ত্রণ: মানুষের আচরণ বেশ জটিল। কেননা কোনো আচরণকে নানা ঘটনা প্রভাবিত করতে পারে। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে অনির্ভরশীল চলের সাথে নির্ভরশীল চলের সম্পর্ক স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করার জন্য সব ধরনের বাহ্যিক চল নিয়ন্ত্রণ করে পরীক্ষণকার্য পরিচালনা করা যায়। অর্থাৎ গবেষণাগারে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে' পরীক্ষণ পদ্ধতি প্রয়োগ হয়ে থাকে। ৪. বস্তুনিষ্ঠতা: পরীক্ষণ পদ্ধতি অত্যন্ত বস্তুনিষ্ঠ। এখানে কোনো ব্যক্তির পছন্দ-অপছন্দ বা. ইচ্ছা-অনিচ্ছার মূল্য নেই। বস্তুনিষ্ঠভাবে পরীক্ষণ কাজ পরিচালিত হয়। ৫. যথার্থতা প্রমাণ: পরীক্ষণ পদ্ধতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো যথার্থতা প্রমাণ। যে কোনো গবেষক বারবার পরীক্ষণ করে প্রাপ্ত ফলাফলের সত্যতা যাচাই করতে পারেন। অথবা অন্য কারও গবেষণার ফলাফল একইভাবে পরীক্ষা করে তার সত্যতা যাচাই করতে পারেন। বিভিন্ন গবেষকের ফলাফল সঙ্গতিপূর্ণ হলে হবেই তা যথার্থ। ৬. সাধারণীকরণ: প্রতিনিধিত্বমূলক নমুনার উপর গবেষণা করে সাধারণ সত্যে 'উপনীত হওয়াকে সাধারণীকরণ বলে। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে মানুষের প্রতিনিধিত্বমূলক নমুনার উপর গবেষণা করে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে আসা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে ইসহাক সাহেব পরীক্ষণ পরিচালনায় চল নিয়ন্ত্রণের যে যে কৌশল অবলম্বন করেছেন তা হলো- ১। অপসারণ, ২। অবস্থার ধ্রুবতা বা সমতা, ৩। তুল্যমূল্যায়ন,৪। প্রতি তুল্যমূল্যায়ন ও ৫। দৈবচয়ন। নিম্নে আলোচনা করা হলো- ১. অপসারণ: যে সকল অবাঞ্ছিত চল নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন, পরীক্ষণ পরিস্থিতি থেকে সেগুলোকে বর্জন বা অপসারণ করে নির্ভরশীল চলকে ঐ চলের প্রভাব থেকে মুক্ত রাখা হয়। যেমন, গবেষণা করার সময় বাইরের আওয়াজ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার সম্ভাবনা থাকলে পরীক্ষণটি শব্দ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে করা দরকার। ২. অবস্থার ধ্রুবকতা বা সমতা: সব চলকে সব সময় পরীক্ষণ পরিবেশ থেকে অপসারণ করা যায় না। এ সকল চলকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে লক্ষ করতে হবে যে, পরীক্ষণে অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষণপাত্রের উপরই যেন এগুলো অপরিবর্তনশীলভাবে ক্রিয়াশীল থাকে। যেমন, পরীক্ষণপাত্রের প্রতি নির্দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত যার উপর পরীক্ষণের ফলাফল বহুলাংশে নির্ভর করে। নির্দেশাবলি মুখে বলতে গেলে কোনো বিশেষ দিক বাদ পড়তে পারে বা বিভিন্ন পরীক্ষণপাত্রের নিকট নির্দেশাবলি বলা হুবহু একই রকম নাও হতে পারে। তাই পরীক্ষণ পরিস্থিতির অপরিবর্তনশীলতা রক্ষা করার জন্য সকল পরীক্ষণপাত্রকে একই লিখিত নির্দেশাবলি প্রদান করতে হবে। ৩. তুল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি: এমন কতকগুলো অবাঞ্ছিত চল আছে যেগুলোকে অপসারণ বা অবস্থার সমতাকরণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম কৌশল হলো ভারসাম্য সৃষ্টি করা। এ পদ্ধতিতে সকল বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে সমান সমান দুটি দল গঠন করা হয়। একটি দলকে পরীক্ষণ দল অন্যদলকে নিয়ন্ত্রিত দল বলা হয়। এ দুটি দল সব শর্তের দিক থেকে সমান বা সমতুল্য থাকবে; পার্থক্য শুধু এই যে, পরীক্ষণ দলে অনির্ভরশীল চল প্রয়োগ করা হয় কিন্তু নিয়ন্ত্রিত দলে উক্ত চল প্রয়োগ করা হয় না। ৪. প্রতি তুল্যমূল্যায়ন বা প্রতিভারসাম্য সৃষ্টি: কোনো পরীক্ষণে যখন একই পরীক্ষণপাত্রকে একাধিক পরীক্ষণমূলক অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়, তখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরীক্ষণপাত্রের প্রথম অধিবেশনের অভিজ্ঞতা তার দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রতিক্রিয়ার উপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে। ফলশ্রুতিতে ফলাফলে ভ্রান্তি দেখা দিতে পারে। প্রতিভারসাম্য পদ্ধতির সাহায্যে বিভিন্ন পরীক্ষামূলক অবস্থার প্রভাব সব পরীক্ষণপাত্রের মধ্যে সমানভাবে বিতরণ করা সম্ভব। প্রতিভারসাম্য পদ্ধতিতে অনুশীলন 'AB′AB^{\prime} 'BA′BA^{\prime} এ আকারে প্রকাশ করা হয়। ৫. দৈবচয়ন: এমন কিছু অবাঞ্ছিত চল আছে যা সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায় না এবং পূর্বোক্ত পদ্ধতিগুলোর সাহায্যেও নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, সেক্ষেত্রে দৈবচয়ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অবাঞ্ছিত চল নিয়ন্ত্রণের জন্য দৈবচয়ন পদ্ধতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উদ্দেশ্যবিহীন কৌশলে নমুনা নির্বাচনের পন্থা অবলম্বনকেই দৈবচয়ন পদ্ধতি বলে।
HSCPsychology 2nd PaperChapter 7 : মনোবিজ্ঞানে গবেষণার পদ্ধতিসমূহ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব ইসমাইল একজন মনোবিজ্ঞানের শিক্ষক। তিনি ছাত্রদের শিক্ষণের উপর গণ্ডগোলের প্রভাব দেখার জন্য তার ক্লাসের ছাত্রদের জোড়-বিজোড় রোল নম্বর এর ভিত্তিতে সমান সংখ্যক ছাত্র দিয়ে “ক” দল এবং “খ” দল গঠন করেন। তিনি “ক” দলকে গন্ডগোলযুক্ত পরিবেশে এবং “খ” দলকে গণ্ডগোলমুক্ত পরিবেশে দুটি ভিন্ন কক্ষে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কতকগুলো অর্থহীন শব্দ তালিকা মুখস্থ করতে দেন। পরীক্ষণ শুরুর পূর্বে গণ্ডগোলযুক্ত পরিবেশের শিক্ষণ গণ্ডগোলমুক্ত পরিবেশের শিক্ষণের তুলনায় কম হবে বলে মন্তব্য করেন। পরীক্ষণ শেষে ফলাফল ইসমাইল সাহেবের মতামতের সাথে মিলে যায়।

Jessore · 2017

ক
সমস্যা কী?
খ
অনির্ভরশীল চল ব্যাখ্যা কর ।
গ
ইসমাইল সাহেবের পরীক্ষণ সম্পর্কিত মতামতটি পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে ইসমাইল সাহেব পরীক্ষণ পরিচালনায় চল নিয়ন্ত্রণের যে যে কৌশল অবলম্বন করেছেন সেগুলো আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব ইসমাইল একজন মনোবিজ্ঞানের শিক্ষক। তিনি ছাত্রদের শিক্ষণের উপর গণ্ডগোলের প্রভাব দেখার জন্য তার ক্লাসের ছাত্রদের জোড়-বিজোড় রোল নম্বর এর ভিত্তিতে সমান সংখ্যক ছাত্র দিয়ে “ক” দল এবং “খ” দল গঠন করেন। তিনি “ক” দলকে গন্ডগোলযুক্ত পরিবেশে এবং “খ” দলকে গণ্ডগোলমুক্ত পরিবেশে দুটি ভিন্ন কক্ষে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কতকগুলো অর্থহীন শব্দ তালিকা মুখস্থ করতে দেন। পরীক্ষণ শুরুর পূর্বে গণ্ডগোলযুক্ত পরিবেশের শিক্ষণ গণ্ডগোলমুক্ত পরিবেশের শিক্ষণের তুলনায় কম হবে বলে মন্তব্য করেন। পরীক্ষণ শেষে ফলাফল ইসমাইল সাহেবের মতামতের সাথে মিলে যায়।

Jessore · 2017

ক
সমস্যা কী?
খ
অনির্ভরশীল চল ব্যাখ্যা কর ।
গ
ইসমাইল সাহেবের পরীক্ষণ সম্পর্কিত মতামতটি পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে ইসমাইল সাহেব পরীক্ষণ পরিচালনায় চল নিয়ন্ত্রণের যে যে কৌশল অবলম্বন করেছেন সেগুলো আলোচনা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অনির্ভরশীল চল ব্যাখ্যা কর ।

অনির্ভরশীল চল ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সমস্যা কী?

সমস্যা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

কলেজে ক্রীড়া শিক্ষক ক্রিকেট টিম গঠনের জন্য ৩০ জনের একদল শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে ১, ২, ৩ এভাবে ৩০ পর্যন্ত ক্রমিক মান প্রদান করেন। অতঃপর জোড় এবং বিজোড় ক্রমিক মানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুটি ক্রিকেট টিম গঠন করলেন।

Dhaka · 2017

ক
চলের সংজ্ঞা দাও ।
খ
পরীক্ষক কোন ধরনের চলের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করেন ?
গ
ক্রীড়া শিক্ষক দল গঠনের ক্ষেত্রে যে কৌশল অবলম্বন করেন তার বর্ণনা দাও।
ঘ
ক্রীড়া শিক্ষক কী আরো উন্নত কোনো কৌশল অবলম্বন করতে পারতেন ? যুক্তি দেখাও

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

কলেজে ক্রীড়া শিক্ষক ক্রিকেট টিম গঠনের জন্য ৩০ জনের একদল শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে ১, ২, ৩ এভাবে ৩০ পর্যন্ত ক্রমিক মান প্রদান করেন। অতঃপর জোড় এবং বিজোড় ক্রমিক মানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুটি ক্রিকেট টিম গঠন করলেন।

Dhaka · 2017

ক
চলের সংজ্ঞা দাও ।
খ
পরীক্ষক কোন ধরনের চলের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করেন ?
গ
ক্রীড়া শিক্ষক দল গঠনের ক্ষেত্রে যে কৌশল অবলম্বন করেন তার বর্ণনা দাও।
ঘ
ক্রীড়া শিক্ষক কী আরো উন্নত কোনো কৌশল অবলম্বন করতে পারতেন ? যুক্তি দেখাও

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.পরীক্ষক কোন ধরনের চলের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করেন ?

পরীক্ষক কোন ধরনের চলের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করেন ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.চলের সংজ্ঞা দাও ।

চলের সংজ্ঞা দাও ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব মাহমুদুল হাছান শিশুদের আচরণের বিকাশ এবং শিক্ষণ কার্যক্রমের উপর গবেষণা করেন। তিনি লক্ষ্য করেন শিশুদের বলবর্ধক প্রদান করা হলে নির্দিষ্ট আচরণটি করার প্রবণতা বৃদ্ধি পায় এবং বলবর্ধকের অনুপস্থিতিতে উদ্দীপকের সাথে প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক দুর্বল করে তোলে। জনাব মাহমুদুল হাছান তাঁর গবেষণাকার্য নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বস্তুনিষ্ঠভাবে পরিচালনা করেছেন।

Jessore · 2018

ক
সমস্যা কী?
খ
পরীক্ষণকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বলবর্ধক কোন ধরনের চল? ব্যাখ্য কর।
ঘ
জনাব, মাহমুদুল হাছান কোন পদ্ধতির সাহায্যে তাঁর পরীক্ষণ পরিচালনা করেছেন? এই পদ্ধতির বৈশিষ্ট্যগুলি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

জনাব মাহমুদুল হাছান শিশুদের আচরণের বিকাশ এবং শিক্ষণ কার্যক্রমের উপর গবেষণা করেন। তিনি লক্ষ্য করেন শিশুদের বলবর্ধক প্রদান করা হলে নির্দিষ্ট আচরণটি করার প্রবণতা বৃদ্ধি পায় এবং বলবর্ধকের অনুপস্থিতিতে উদ্দীপকের সাথে প্রতিক্রিয়ার সম্পর্ক দুর্বল করে তোলে। জনাব মাহমুদুল হাছান তাঁর গবেষণাকার্য নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বস্তুনিষ্ঠভাবে পরিচালনা করেছেন।

Jessore · 2018

ক
সমস্যা কী?
খ
পরীক্ষণকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয় কেন?
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত বলবর্ধক কোন ধরনের চল? ব্যাখ্য কর।
ঘ
জনাব, মাহমুদুল হাছান কোন পদ্ধতির সাহায্যে তাঁর পরীক্ষণ পরিচালনা করেছেন? এই পদ্ধতির বৈশিষ্ট্যগুলি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.পরীক্ষণকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয় কেন?

পরীক্ষণকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয় কেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সমস্যা কী?

সমস্যা কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকে ইসমাইল সাহেব পরীক্ষণ পরিচালনায় চল নিয়ন্ত্রণের যে যে কৌশল অবলম্বন করেছইসমাইল সাহেবের পরীক্ষণ সম্পর্কিত মতামতটি পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।অনির্ভরশীল চল ব্যাখ্যা কর ।সমস্যা কী?ক্রীড়া শিক্ষক কী আরো উন্নত কোনো কৌশল অবলম্বন করতে পারতেন ? যুক্তি দেখাওক্রীড়া শিক্ষক দল গঠনের ক্ষেত্রে যে কৌশল অবলম্বন করেন তার বর্ণনা দাও।পরীক্ষক কোন ধরনের চলের প্রভাব পর্যবেক্ষণ করেন ?চলের সংজ্ঞা দাও ।জনাব, মাহমুদুল হাছান কোন পদ্ধতির সাহায্যে তাঁর পরীক্ষণ পরিচালনা করেছেন? এই পদ্ধতউদ্দীপকে উল্লিখিত বলবর্ধক কোন ধরনের চল? ব্যাখ্য কর।পরীক্ষণকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয় কেন?সমস্যা কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।