শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্র-১ এর গঠন বর্ণনা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্র-১ হলো নিউরন। নিচে নিউরনের গঠন বর্ণনা করা হলো- কোষদেহ প্লাজমামেমব্রেন, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস সমন্বয়ে গঠিত নিউরনের গোলাকার, তারকাকার, অথবা ডিম্বাকার অংশ কোষদেহ নামে পরিচিত। সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ডিয়া, গলজিবস্তু, লাইসোসোম, চর্বি, গ্লাইকোজেন, রঞ্জক কণাসহ অসংখ্য নিসল দানা থাকে। ২. প্রলম্বিত অংশ : কোষদেহ থেকে সৃষ্ট শাখা-প্রশাখাকেই প্রলম্বিত মা অংশ বলে । প্রলম্বিত অংশ দুই ধরনের। যথা: i.ডেনড্রাইট কোষদেহের চারদিকে শাখাযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রলম্বিত অংশকে ডেনড্রাইট বলে। একটি নিউরনে তা ডেনড্রাইট সংখ্যা শূন্য থেকে কয়েকটি পর্যন্ত হতে পারে ii. অ্যাক্সন : কোষদেহ থেকে উৎপন্ন বেশ লম্বা শাখাহীন তন্তুটির নাম অ্যাক্সন । এর চারদিকে পাতলা আবরণটিকে নিউরিলেমা বলে। নিউরিলেমা পরিবেষ্টিত অ্যাক্সনকে রাজার স্নায়ুতন্ত্র বলে। বহুসংখ্যক অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইট মিলিত হয়ে স্নায়ু গঠন করে। নিউরিলেমা ও অ্যাক্সনের মধ্যবর্তী অঞ্চলে স্নেহ পদার্থের একটি স্তর থাকে। [চিত্র] একে মায়োলিন বলে। আবরণীটি অবিচ্ছিন্ন নয়। নির্দিষ্ট দূরত্ব পর পর এটি সাধারণত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকে। এ বিচ্ছিন্ন অংশে। নিউরিলেমার সাথে অ্যাক্সনের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শ ঘটে। এ আবরণীবিহীন অংশটি র্যানভিয়ারের পর্ব নামে পরিচিত। অ্যাক্সনের মূল অক্ষের আবরণীকে অ্যাক্সলেমা বলে।

HSC Psychology 1st Paper Chapter 3 :আচরণের জৈবিক ভিত্তি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Psychology 1st Paper · Chapter 3 :আচরণের জৈবিক ভিত্তি · সৃজনশীল

উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্র-১ এর গঠন বর্ণনা কর।

উদ্দীপক

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর- question image

Dhaka · 2019

উত্তর

কোনো বাহ্যিক উদ্দীপক ইন্দ্রিয়কে উদ্দীপিত করলে প্রাণী তার প্রতি স্বতঃস্ফূর্তভাবে যে প্রতিক্রিয়া করে তাকে প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলে।

উত্তর

পিটুইটারি গ্রন্থি নিঃসৃত শরীর বর্ধক হরমোনের কারণে মানুষ লম্বা বা বেঁটে হয়। শরীর বর্ধক হরমোন Growth hormone নামেও পরিচিত। এই হরমোন শারীরিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এই হরমোন। যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত ক্ষরিত হয় তাহলে শরীরের অতিরিক্ত বৃদ্ধি ঘটে এবং মানুষ দৈত্যের আকৃতি হয়। এ হরমোনের ক্ষরণের ফলে একটি অল্প বয়স্ক কিশোরকেও ৬ থেকে ৮ ফুট লম্বা একটা দৈত্য বলে মনে হয়। এ ধরনের মানুষকে পিটুইটারি দৈত্য বলে। আবার এ হরমোনের ক্ষরণ কম হলে দেহ খর্বাকৃতি হয়। এ ধরনের ব্যক্তিকে পিটুইটারি বামন বলা হয়। তাই বলা যায়, হরমোনের প্রভাবের কারণেই মানুষ লম্বা বা বেঁটে হয়।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্র-১ হলো নিউরন। নিচে নিউরনের গঠন বর্ণনা করা হলো- কোষদেহ প্লাজমামেমব্রেন, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস সমন্বয়ে গঠিত নিউরনের গোলাকার, তারকাকার, অথবা ডিম্বাকার অংশ কোষদেহ নামে পরিচিত। সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ডিয়া, গলজিবস্তু, লাইসোসোম, চর্বি, গ্লাইকোজেন, রঞ্জক কণাসহ অসংখ্য নিসল দানা থাকে। ২. প্রলম্বিত অংশ : কোষদেহ থেকে সৃষ্ট শাখা-প্রশাখাকেই প্রলম্বিত মা অংশ বলে । প্রলম্বিত অংশ দুই ধরনের। যথা: i.ডেনড্রাইট কোষদেহের চারদিকে শাখাযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রলম্বিত অংশকে ডেনড্রাইট বলে। একটি নিউরনে তা ডেনড্রাইট সংখ্যা শূন্য থেকে কয়েকটি পর্যন্ত হতে পারে ii. অ্যাক্সন : কোষদেহ থেকে উৎপন্ন বেশ লম্বা শাখাহীন তন্তুটির নাম অ্যাক্সন । এর চারদিকে পাতলা আবরণটিকে নিউরিলেমা বলে। নিউরিলেমা পরিবেষ্টিত অ্যাক্সনকে রাজার স্নায়ুতন্ত্র বলে। বহুসংখ্যক অ্যাক্সন ও ডেনড্রাইট মিলিত হয়ে স্নায়ু গঠন করে। নিউরিলেমা ও অ্যাক্সনের মধ্যবর্তী অঞ্চলে স্নেহ পদার্থের একটি স্তর থাকে। question image একে মায়োলিন বলে। আবরণীটি অবিচ্ছিন্ন নয়। নির্দিষ্ট দূরত্ব পর পর এটি সাধারণত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকে। এ বিচ্ছিন্ন অংশে। নিউরিলেমার সাথে অ্যাক্সনের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শ ঘটে। এ আবরণীবিহীন অংশটি র্যানভিয়ারের পর্ব নামে পরিচিত। অ্যাক্সনের মূল অক্ষের আবরণীকে অ্যাক্সলেমা বলে।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্র-১ এবং চিত্র-২ এ যথাক্রমে স্নায়ুকোষ ও সন্নিকর্ষকে দেখানো হয়েছে, যা শারীরবৃত্তীয় কাজে গভীর প্রভাব ফেলে। নিচে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হল— স্নায়ুকোষ তার বিভিন্ন কার্যাবলির দ্বারা মানব শারীরবৃত্তীয় কাজকে প্রভাবিত করে। স্নায়ুকোষকে যে তিনভাগে ভাগ করা যায় তার মধ্যে একটি হলো অন্তর্মুখী স্নায়ুতন্ত্র, যার কাজ হলো শরীরের বিভিন্ন ইন্দ্রিয় থেকে সংবেদন বা উদ্দীপনা বহন করে মস্তিষ্কে নিয়ে আসা। বহির্মুখী মায়ুকোষের মধ্যে রয়েছে গতিবাহী স্নায়ুকোষ যা মাংসপেশির সাথে যুক্ত থেকে পেশির সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে । এছাড়াও রয়েছে ক্ষরণশীল স্নায়ুকোষ, যা গ্রন্থির সাথে সংযুক্ত থেকে গ্রন্থিকে রাসায়নিক পদার্থ । ক্ষরণে উত্তেজিত করে । এছাড়াও কার্যবর্ধক স্নায়ুকোষ ও অবদমনকারী স্নায়ুকোষ রয়েছে, যা বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও মাংসপেশির কাজকে অবদমনের সাথে জড়িত থাকে। চিত্র-১ এর স্নায়ুকোষের মতো চিত্র-২ এর সন্নিকর্ষও মানব শারীরবৃত্তীয় কাজের ওপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে। সন্নিকর্ষের মেরুকরণ, বাধা ও ক্লান্তি এই তিনটি সন্নিকর্ষের প্রধান বৈশিষ্ট্য। সন্নিকর্ষের আরও একটি বৈশিষ্ট্য হলো— এক স্নায়ুকোষ থেকে উদ্দীপনা অপর একটি স্নায়ুকোষে হয় সম্পূর্ণ পরিবাহিত হবে, না হয় একেবারেই হবে না। এখানে মাঝামাঝি সঞ্চালন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। স্নায়ুকোষ থেকে উদ্দীপনা একের বেশি স্নায়ুকোষে সঞ্চালিত হতে পারে। আবার ঠিক একইভাবে অনেকগুলো স্নায়ুকোষের উদ্দীপনা একই সাথে একত্রিত হয়ে একটি স্নায়ুকোষে সঞ্চালিত হতে পারে। তবে সব সন্নিকর্ষ একমুখী নয়, বরং কতকগুলো সন্নিকর্ষের ক্ষেত্রে সংকেত উভয় দিকে প্রবাহিত হয়। এভাবে স্নায়ুকোষের মতো সন্নিকর্ষও মানব শারীরবৃত্তীয় কাজকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে । উপরোক্ত আলোচনা হতে বলা যায়, মানব শারীরবৃত্তীয় কাজের সাথে স্নায়ুতন্ত্র ও সন্নিকর্ষের সরাসরি প্রভাব রয়েছে। আর তাই মনোবিজ্ঞানের আলোচনার ক্ষেত্রে এ দু'টি বিষয় মানব শারীরবৃত্তীয় কাজের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।
HSCPsychology 1st PaperChapter 3 :আচরণের জৈবিক ভিত্তি
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুমন, রাজন, মোহন তিন বন্ধু। বন্ধুরা মিলে কক্সবাজার বেড়াতে যায় সুমন রাত ৮ টায় একাকী হোটেল থেকে বেরিয়ে সামনের রাস্তায় পায়চারী করছিল। হঠাৎ তার চোখে পড়ে একটি মেয়েকে টিজ করা হচ্ছে। তার মধ্যে ক্রোধ সৃষ্টি হয় এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মেয়েটিকে রক্ষা করে। মেয়েটি নিরাপদে হোটেলে ফিরে যায়। খবর পেয়ে রাজন ও মোহন দৌড়ে এসে দেখে সুমন সেখানে বসে আছে। তার বুক ধড়ফড় করছে এবং শরীর থেকে ঘাম ঝড়ছে । বন্ধুরা তাকে নিকটস্থ ডাক্তারখানায় নিয়ে যায়। তিনি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে সুমনকে বিশ্রাম নিতে বলেন। এক ঘণ্টা পর সুমন স্বাভাবিক হলে তারা হোটেলে ফিরে আসে ।

Barisal · 2017

ক
স্নায়ুতন্ত্র কী ?
খ
অনালি গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলা হয় কেন ?
গ
সুমনের শারীরিক পরিবর্তনের মূলে প্রভাব বিস্তারকারী স্নায়ুতন্ত্রের বিবরণ দাও।
ঘ
রাজন ও মোহনের দৌড়ে আসার ঘটনা এবং সুমনের বিশ্রাম গ্রহণের মূলে নিহিত স্নায়ুতন্ত্রের পার্থক্য বিশ্লেষণ কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সুমন, রাজন, মোহন তিন বন্ধু। বন্ধুরা মিলে কক্সবাজার বেড়াতে যায় সুমন রাত ৮ টায় একাকী হোটেল থেকে বেরিয়ে সামনের রাস্তায় পায়চারী করছিল। হঠাৎ তার চোখে পড়ে একটি মেয়েকে টিজ করা হচ্ছে। তার মধ্যে ক্রোধ সৃষ্টি হয় এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মেয়েটিকে রক্ষা করে। মেয়েটি নিরাপদে হোটেলে ফিরে যায়। খবর পেয়ে রাজন ও মোহন দৌড়ে এসে দেখে সুমন সেখানে বসে আছে। তার বুক ধড়ফড় করছে এবং শরীর থেকে ঘাম ঝড়ছে । বন্ধুরা তাকে নিকটস্থ ডাক্তারখানায় নিয়ে যায়। তিনি স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে সুমনকে বিশ্রাম নিতে বলেন। এক ঘণ্টা পর সুমন স্বাভাবিক হলে তারা হোটেলে ফিরে আসে ।

Barisal · 2017

ক
স্নায়ুতন্ত্র কী ?
খ
অনালি গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলা হয় কেন ?
গ
সুমনের শারীরিক পরিবর্তনের মূলে প্রভাব বিস্তারকারী স্নায়ুতন্ত্রের বিবরণ দাও।
ঘ
রাজন ও মোহনের দৌড়ে আসার ঘটনা এবং সুমনের বিশ্রাম গ্রহণের মূলে নিহিত স্নায়ুতন্ত্রের পার্থক্য বিশ্লেষণ কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অনালি গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলা হয় কেন ?

অনালি গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলা হয় কেন ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.স্নায়ুতন্ত্র কী ?

স্নায়ুতন্ত্র কী ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

কাপড় ইস্ত্রি করার সময় গরম ইস্ত্রিতে নদীর হাত লেগে যায় এবং তাৎক্ষণিক হাতটি সরে আসে। সাগর ও সৈকত দুই বন্ধু হেঁটে বাড়ি ফিরছে। ফাঁকা রাস্তায় ছিনতাইকারী তাদের পথরোধ করে। ঘড়ি, মোবাইল, মানিব্যাগসহ সবকিছু ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ভয় পেয়ে সাগর দৌড়ে পালিয়ে যায়; কিন্তু সৈকত পাল্টা আক্রমণ করে । তার শক্তি ও সাহসের কাছে ছিনতাইকারীরা পরাস্ত হয়ে পালিয়ে যায় ।

Dhaka · 2017

ক
স্নায়ুতন্ত্র কী ?
খ
থ্যালামাসকে কেন রিলে কেন্দ্র বলা হয় ?
গ
উদ্দীপকে নদীর হাত সরে আসার ঘটনাটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সাগরের পালিয়ে যাওয়া এবং সৈকতের পাল্টা আক্রমণের বিষয়টিতে কী একই গ্রন্থির হরমোনের প্রভাব বিদ্যমান ? বিশ্লেষণ কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

কাপড় ইস্ত্রি করার সময় গরম ইস্ত্রিতে নদীর হাত লেগে যায় এবং তাৎক্ষণিক হাতটি সরে আসে। সাগর ও সৈকত দুই বন্ধু হেঁটে বাড়ি ফিরছে। ফাঁকা রাস্তায় ছিনতাইকারী তাদের পথরোধ করে। ঘড়ি, মোবাইল, মানিব্যাগসহ সবকিছু ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ভয় পেয়ে সাগর দৌড়ে পালিয়ে যায়; কিন্তু সৈকত পাল্টা আক্রমণ করে । তার শক্তি ও সাহসের কাছে ছিনতাইকারীরা পরাস্ত হয়ে পালিয়ে যায় ।

Dhaka · 2017

ক
স্নায়ুতন্ত্র কী ?
খ
থ্যালামাসকে কেন রিলে কেন্দ্র বলা হয় ?
গ
উদ্দীপকে নদীর হাত সরে আসার ঘটনাটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
সাগরের পালিয়ে যাওয়া এবং সৈকতের পাল্টা আক্রমণের বিষয়টিতে কী একই গ্রন্থির হরমোনের প্রভাব বিদ্যমান ? বিশ্লেষণ কর ।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.থ্যালামাসকে কেন রিলে কেন্দ্র বলা হয় ?

থ্যালামাসকে কেন রিলে কেন্দ্র বলা হয় ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.স্নায়ুতন্ত্র কী ?

স্নায়ুতন্ত্র কী ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর- question image

Dhaka · 2018

ক
নিউরন কী ?
খ
লালাগ্রন্থিকে বহিঃক্ষরা গ্রন্থি বলা হয় কেন ?
গ
উদ্দীপকে চিত্র-১ এর X গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সম্পর্কে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধি বিকাশে চিত্র-১ এবং চিত্র-২ কীভাবে ভূমিকা রাখে এর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর- question image

Dhaka · 2018

ক
নিউরন কী ?
খ
লালাগ্রন্থিকে বহিঃক্ষরা গ্রন্থি বলা হয় কেন ?
গ
উদ্দীপকে চিত্র-১ এর X গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সম্পর্কে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধি বিকাশে চিত্র-১ এবং চিত্র-২ কীভাবে ভূমিকা রাখে এর তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.লালাগ্রন্থিকে বহিঃক্ষরা গ্রন্থি বলা হয় কেন ?

লালাগ্রন্থিকে বহিঃক্ষরা গ্রন্থি বলা হয় কেন ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নিউরন কী ?

নিউরন কী ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

রাজন ও মোহনের দৌড়ে আসার ঘটনা এবং সুমনের বিশ্রাম গ্রহণের মূলে নিহিত স্নায়ুতন্ত্সুমনের শারীরিক পরিবর্তনের মূলে প্রভাব বিস্তারকারী স্নায়ুতন্ত্রের বিবরণ দাও।অনালি গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলা হয় কেন ?স্নায়ুতন্ত্র কী ?সাগরের পালিয়ে যাওয়া এবং সৈকতের পাল্টা আক্রমণের বিষয়টিতে কী একই গ্রন্থির হরমোনউদ্দীপকে নদীর হাত সরে আসার ঘটনাটি ব্যাখ্যা কর।থ্যালামাসকে কেন রিলে কেন্দ্র বলা হয় ?স্নায়ুতন্ত্র কী ?ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধি বিকাশে চিত্র-১ এবং চিত্র-২ কীভাবে ভূমিকা রাখে এর তুলনামূলক বউদ্দীপকে চিত্র-১ এর X গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সম্পর্কে ব্যাখ্যা কর।লালাগ্রন্থিকে বহিঃক্ষরা গ্রন্থি বলা হয় কেন ?নিউরন কী ?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।