শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে দায়ীকৃত মানুষের কর্মকান্ডগুলো ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: উদ্দীপকে বায়ুমণ্ডলে যেসব গ্যাসের পরিমাণ হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটছে তার মূলে রয়েছে মানুষের কর্মকান্ড। নিয়ে এ সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো- অপরিকল্পিত নগরায়ণ: প্রাকৃতিক পরিবেশকে বিঘ্নিত করতে অন্যতম কারণ হলো অপরিকল্পিত নগরায়ণ। গ্রামীণ এলাকা থেকে মানুষ কর্মের সন্ধানে নগরে ছুটে আসে। ফলে অত্যধিক মানুষের চাপে নগরীয় পরিবেশ দূষিত হয়। একারণে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বাড়ছে। পাহাড় কর্তন: পাহাড় কর্তন বর্তমান সময়ে একটি বড় সমস্যা। অনেকেই অবৈধভাবে পাহাড় কর্তন করছে। এতে ভূমিক্ষয়, ভূমিধস হচ্ছে। ফলে গাছপালা নষ্ট হচ্ছে। এতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ অক্সিজেন কম হচ্ছে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে চলেছে। শিল্প বর্জ্য: শিল্প প্রতিষ্ঠানের অপরিশোধিত বর্জ্য যত্রতত্র নিষ্কাশনের ফলে পরিবেশ দূষণ ঘটে। এছাড়া কলকারখানা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া পরিবেশ দূষিত করছে। যার কারণে। বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড, সালফার ডাইঅক্সাইড প্রভৃতি গ্যাসের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে চলেছে। জ্বালানি দহনের নির্গত ধোঁয়া: যানবাহন, ইটভাটা, বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রভৃতিতে ব্যবহৃত কয়লা, পেট্রোল, ডিজেল, কেরোসিন, পারমাণবিক জ্বালানি, কাঠ প্রভৃতি থেকে নির্গত ক্ষতিকর ধোঁয়া ও গ্যাসের আধিক্য বাড়ছে। সুতরাং বলা যায় যে, উপরোল্লিখিত মানবীয় কর্মকান্ড ছাড়াও রাড়িতে রেফ্রিজারেটর, এসি প্রভৃতি ব্যবহারেও বায়ুমণ্ডলে গ্যাস হ্রাস-বৃদ্ধি হচ্ছে।

HSC Geography 1st Paper Chapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · Chapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ · সৃজনশীল

উদ্দীপকে দায়ীকৃত মানুষের কর্মকান্ডগুলো ব্যাখ্যা কর।

উদ্দীপক

বায়ু নানা ধরনের গ্যাসের সংমিশ্রণে গঠিত। জীবের জীবনধারণের জন্য যে গ্যাসের পরিমাণ যতটুকু দরকার, বায়ুতে গ্যাসগুলোর পরিমাণ ঠিক ততটুকুই রয়েছে। কিন্তু মানবজাতি বিশ্বপরিবেশকে অতিমাত্রায় তার অনুকূলে আনতে গিয়ে এমনসব কর্মকান্ড করে বসছে, যার দরুন বায়ুর এই গ্যাসসমূহের পরিমাণ কোথাও, কমে যাচ্ছে, আবার কোথাও অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাচ্ছে।

উত্তর

বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করার ক্ষমতাকে বায়ুর আর্দ্রতা বলে।

উত্তর

জীবের বেঁচে থাকার জন্য বায়ুমণ্ডলের সর্বচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ স্তর হলো ট্রপোস্ফিয়ার। কারণ মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় উত্তাপ, অক্সিজেন ও অন্যান্য গ্যাসীয় উপাদানের অনুপাত এ স্তরে বিদ্যামান। এছাড়া মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক উপসর্গগুলো এ স্তরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। সুতরাং বলা যায় যে, জীবনধারণের জন্য ট্রপোস্ফিয়ার স্তরটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

উত্তর

উদ্দীপকে বায়ুমণ্ডলে যেসব গ্যাসের পরিমাণ হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটছে তার মূলে রয়েছে মানুষের কর্মকান্ড। নিয়ে এ সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো- অপরিকল্পিত নগরায়ণ: প্রাকৃতিক পরিবেশকে বিঘ্নিত করতে অন্যতম কারণ হলো অপরিকল্পিত নগরায়ণ। গ্রামীণ এলাকা থেকে মানুষ কর্মের সন্ধানে নগরে ছুটে আসে। ফলে অত্যধিক মানুষের চাপে নগরীয় পরিবেশ দূষিত হয়। একারণে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বাড়ছে। পাহাড় কর্তন: পাহাড় কর্তন বর্তমান সময়ে একটি বড় সমস্যা। অনেকেই অবৈধভাবে পাহাড় কর্তন করছে। এতে ভূমিক্ষয়, ভূমিধস হচ্ছে। ফলে গাছপালা নষ্ট হচ্ছে। এতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ অক্সিজেন কম হচ্ছে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে চলেছে। শিল্প বর্জ্য: শিল্প প্রতিষ্ঠানের অপরিশোধিত বর্জ্য যত্রতত্র নিষ্কাশনের ফলে পরিবেশ দূষণ ঘটে। এছাড়া কলকারখানা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া পরিবেশ দূষিত করছে। যার কারণে। বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড, সালফার ডাইঅক্সাইড প্রভৃতি গ্যাসের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে চলেছে। জ্বালানি দহনের নির্গত ধোঁয়া: যানবাহন, ইটভাটা, বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রভৃতিতে ব্যবহৃত কয়লা, পেট্রোল, ডিজেল, কেরোসিন, পারমাণবিক জ্বালানি, কাঠ প্রভৃতি থেকে নির্গত ক্ষতিকর ধোঁয়া ও গ্যাসের আধিক্য বাড়ছে। সুতরাং বলা যায় যে, উপরোল্লিখিত মানবীয় কর্মকান্ড ছাড়াও রাড়িতে রেফ্রিজারেটর, এসি প্রভৃতি ব্যবহারেও বায়ুমণ্ডলে গ্যাস হ্রাস-বৃদ্ধি হচ্ছে।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ বায়ু যা দূষণ বা অস্বাভাবিকত্ব হওয়ার ফলে মানবজীবনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ইতোমধ্যে প্রাকৃতিক পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বায়ু; যা দূষণের মাত্রা ব্যাপকতর হচ্ছে। এর ফলে আমাদের চারপাশের দূষিত পরিবেশ জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে এবং বিভিন্ন ধরনের রোগব্যাধি ছড়াচ্ছে। কলকারখানা হতে নির্গত কালো ধোঁয়া শ্বাস গ্রহণের সময় শরীরে প্রবেশ করে রক্ত চলাচলে বিঘ্ন ঘটায়। সর্দি-কাশির প্রকোপ বৃদ্ধি পায়, শ্বাস গ্রহণে বিঘ্ন ঘটে এবং বিভিন্ন ধরনের রোগ যেমন- অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিজ, মাথাব্যথা, চোখের সমস্যা, হাইপারটেনশন, রক্তের অক্সিজেন বহন ক্ষমতা হ্রাস, হৃদরোগ, অবসন্নতা, মাথা ঘুরা, আলসার, বমিবমি ভাব, খিচুনি প্রভৃতি রোগ দেখা দেয়। এছাড়া নাইট্রোজেনের অক্সাইডগুলোর বিষাক্ত প্রতিক্রিয়ায় ফুসফুস ফুলে যায় এবং পানি জমে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। অন্যদিকে গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধির ফলে ওজন স্তর নষ্ট হয়ে সূর্য হতে অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে আগমন করছে। ফলে এই রশ্মি মানুষের ত্বকে ক্যানসার সৃষ্টি করে, অন্ধত্ব বৃদ্ধি করে, মানুষসহ সকল প্রাণীর দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে। সুতরাং বলা যায় যে, মানুষের বিভিন্ন কর্মকান্ডের ফলে বায়ুতে গ্যাসসমূহের হ্রাস-বৃদ্ধি হওয়ায় উপরোল্লিখিত রোগসমূহের বিস্তার ক্রমান্বয়ে বেড়ে চলেছে। এছাড়া কিছু অঞ্চলে কার্বন ডাইঅক্সাইড হ্রাস পাওয়ার ফলে সেখানে সালোকসংশ্লেষণ তৈরিতে বিঘ্ন হচ্ছে। এতে প্রয়োজনীয় খাদ্য তৈরিতে বাধা হচ্ছে। এ কারণে মানুষের খাদ্যজনিত অভাবের কারণে পুষ্টিহীনতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
HSCGeography 1st PaperChapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্চতা ও উপাদানের পার্থক্যের কারণে তা কতকগুলো স্তরে বিভক্ত। যার একটি জীবকুলের আবাসস্থল আবার অন্য একটি স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকুলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে।

Rajshahi · 2017

ক
জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?
খ
জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্চতা ও উপাদানের পার্থক্যের কারণে তা কতকগুলো স্তরে বিভক্ত। যার একটি জীবকুলের আবাসস্থল আবার অন্য একটি স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকুলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে।

Rajshahi · 2017

ক
জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?
খ
জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।

জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?

জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইদানীং সময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্রচণ্ড গাড়ির চাপে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে। এছাড়া টঙ্গীর শিল্পাঞ্চল ও আশুলিয়াতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইটভাটা। এদের শিল্পবর্জ্য ও নির্গত গ্যাসীয় পদার্থ ক্রমাগত বায়ুতে মিশছে। মানুষ প্রায়শই কাপড়ে নাক, মুখ চেপে শ্বাসকষ্ট ও দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Dhaka · 2018

ক
দূষণ কী?
খ
গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইদানীং সময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্রচণ্ড গাড়ির চাপে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে। এছাড়া টঙ্গীর শিল্পাঞ্চল ও আশুলিয়াতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইটভাটা। এদের শিল্পবর্জ্য ও নির্গত গ্যাসীয় পদার্থ ক্রমাগত বায়ুতে মিশছে। মানুষ প্রায়শই কাপড়ে নাক, মুখ চেপে শ্বাসকষ্ট ও দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Dhaka · 2018

ক
দূষণ কী?
খ
গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।

গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.দূষণ কী?

দূষণ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

লোকমান স্যার ক্লাসে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর ব্যাখ্যা করে বোঝালেন। অতঃপর বায়ুমণ্ডলের ২০-২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিস্তৃত একটি গ্যাসীয় স্তরের বৈশিষ্ট্য পড়ালেন। তিনি বলেন, এ স্তর না থাকলে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত।

Dhaka · 2018

ক
বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?
খ
বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে স্তর দুইটির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

লোকমান স্যার ক্লাসে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর ব্যাখ্যা করে বোঝালেন। অতঃপর বায়ুমণ্ডলের ২০-২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিস্তৃত একটি গ্যাসীয় স্তরের বৈশিষ্ট্য পড়ালেন। তিনি বলেন, এ স্তর না থাকলে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত।

Dhaka · 2018

ক
বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?
খ
বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে স্তর দুইটির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।

বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?

বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।দূষণ কী?উদ্দীপকে স্তর দুইটির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।