শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের ঘটনাটি তোমার দেশে কীরূপ প্রভাব ফেলছে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি হলো বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাসসমূহের কারণে বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উক্ত ঘটনার ফলে বাংলাদেশে যে ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে তা বিশ্লেষণ করা হলো- বাংলাদেশের ভৌগোলিক গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, এদেশের ৮০% ভূমি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত। এদেশের বেশিরভাগ ভূমিই নদীবিধৌত নিম্ন সমভূমি। এছাড়া দক্ষিণে রয়েছে বঙ্গোপসাগর এবং উত্তরে রয়েছে হিমালয় পর্বত। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাস বৃদ্ধি পাওয়ায় বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাচ্ছে। এর ফলে পাহাড়িয়া অঞ্চলের জমাটবদ্ধ বরফখণ্ডগুলো গলে গিয়ে নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নভূমি তলিয়ে যাচ্ছে। যেমন- তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের হিমালয় পর্বতের বরফখণ্ডগুলো গলে গিয়ে নিম্নভূমির দিকে তথা বাংলাদেশের দিকে আসছে। এতে নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নভূমি প্লাবিত হচ্ছে। ফলে নিম্ন সমভূমিতে যেসব ফসল চাষ করা হয় তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং দেশের খাদ্য ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। ফলশ্রুতিতে দেশ অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আবার মেরু অঞ্চলের বরফগলার ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের নিম্নভূমির জেলাগুলো সমুদ্রে তলিয়ে যাচ্ছে। ভূতত্ত্ববিদরা মন্তব্য করেছেন আগামী ২০-২৫ বছরের মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের অনেক জেলা সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এতে ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে যাবে। ফসলি জমি সমুদ্রগর্ভে চলে গিয়ে মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে যাবে। এছাড়া তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় সামুদ্রিক ঝড়, সাইক্লোন, টর্নেডো প্রভৃতি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাসহ অন্যান্য জেলার গাছপালা নষ্ট হচ্ছে, ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। সুতরাং বলা যায় যে, বিশ্বব্যাপী উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাংলাদেশের মতো নিম্নঅঞ্চলের দেশ উল্লিখিত মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে চলেছে।

HSC Geography 1st Paper Chapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · Chapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ · সৃজনশীল

উদ্দীপকের ঘটনাটি তোমার দেশে কীরূপ প্রভাব ফেলছে বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

'ক' শীতল নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের একটি উন্নত দেশ। এ দেশে একধরনের বিশেষ ঘর রয়েছে। যে ঘরে শীতকালে সবুজ শাকসবজি চাষ করা হয়। এ দেশটিসহ বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশের শিল্পকারখানা থেকে প্রতিনিয়ত এমন গ্যাস নির্গত হচ্ছে যা পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।

উত্তর

মৌসুমি বায়ুপ্রবাহের দ্বারা সৃষ্ট জলবায়ুকে মৌসুমি জলবায়ু বলে।

উত্তর

ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর ওপর পশ্চিমা বায়ু বা প্রত্যয়ন বায়ুর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার উত্তরে ৩০০−৪৫০৩০^০-৪৫^০ এর মধ্যে অবস্থিত। উত্তর গোলার্ধে যখন শীতকাল বিরাজ করে অর্থাৎ ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে সূর্য তখন মকরক্রান্তির নিকটবর্তী হয়। এ সময় চাপ বলয়গুলোও দক্ষিণ দিকে সরে যায়। তখন ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম প্রত্যয়ন রায়ুর বা দক্ষিণ-পশ্চিম পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত হয়। দক্ষিণে মহাসাগর থাকায় এ বায়ুর সাথে জলীয়বাষ্পের তাপের আদান-প্রদানের ফলে এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত হয়। একারণে বৃষ্টিবহুল শীতকাল ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ঘেরটি হলো 'গ্রিনহাউস'। এই ঘরের সাথে বায়ুমণ্ডলের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হলো- সাধারণতা উচ্চ। অক্ষাংপো শ্রীতপ্রধান উন্নত দেশসমূহে শাক-সবজি উৎপাদনের জন্য তৈরি বিশেষ এক ধরনের কাচের ঘরকে সবুজ ঘর বা গ্রিনহাউস বলা হয়ে থাকে। কাচ স্বাভাবিকভাবেই সূর্যের আগত ক্ষুদ্র তরঙ্গরশ্মিকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়, কিন্তু প্রতিফলিত দীর্ঘ তরঙ্গের সৌরবিকিরণকে কাচ কোনোভাবেই বাইরে বেরোতে দেয় না, ফলে এই ঘরের মধ্যে তাপমাত্রা আটকা পড়ে ক্রমশ ঘরের অভ্যন্তরস্থ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং শাক-সবজি বা গাছপালা জন্মানোর উপযুক্ত হয়ে উঠে। বর্তমানে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলও অনেকটা গ্রিনহাউসের মতো আচরণ করে। সূর্যকিরণ থেকে পৃথিবীতে যে পরিমাণ বিকিরণ আসে তার ৩৪% (২% ভূপৃষ্ঠ থেকে, ৭% বায়ুমণ্ডল থেকে এবং ২৫% মেঘপঞ্জ থেকে) বিকিরণ মেঘপুঞ্জ ধূলিকণা প্রভৃতি দ্বারা প্রতিফলিত হয়ে। মহাশূন্যে ফিরে যায়। পৃথিবী থেকে সূর্যরশ্মির প্রত্যাবর্তনের এই প্রাকৃতিক ঘটনাকে অ্যালবেডো (Albedo) বলে। এই প্রতিফলিত অ্যালবেডো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে কোনোভাবেই উত্তপ্ত করতে পারে না, ফলে তা পৃথিবীর তাপের ভারসাম্য রাখতে বিরাট ভূমিকা নেয়। কিন্তু বেশ কয়েক দশক ধরে বায়ুমণ্ডলে অবস্থিত কিছু গ্যাস ও অন্যান্য উপাদান (কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন, জলীয়বাষ্প, নাইট্রোজেন অক্সাইড প্রভৃতি) পৃথিবীর তাপমাত্রাকে ধরে রাখছে গ্রিনহাউসের কাচের দেওয়ালের মতো। কারণ, এই গ্যাসগুলোও গ্রিনহাউসের কাচের মতো সূর্যের আগত ক্ষুদ্র তরঙ্গরশ্মিকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়, কিন্তু প্রতিফলিত দীর্ঘ তরঙ্গের অ্যালবেডোকে পুরোপুরি বাইরে বেরোতে বাধা দিচ্ছে। ফলে এই বায়ুমণ্ডলসহ পৃথিবীর মধ্যে তাপমাত্রা আটকা পড়ে গড় তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুতরাং উল্লিখিত দুটি ঘটনা অর্থাৎ গ্রিনহাউস ও বায়ুমন্ডলের মধ্যকার ঘটনার মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি হলো বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাসসমূহের কারণে বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উক্ত ঘটনার ফলে বাংলাদেশে যে ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে তা বিশ্লেষণ করা হলো- বাংলাদেশের ভৌগোলিক গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, এদেশের ৮০% ভূমি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত। এদেশের বেশিরভাগ ভূমিই নদীবিধৌত নিম্ন সমভূমি। এছাড়া দক্ষিণে রয়েছে বঙ্গোপসাগর এবং উত্তরে রয়েছে হিমালয় পর্বত। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাস বৃদ্ধি পাওয়ায় বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাচ্ছে। এর ফলে পাহাড়িয়া অঞ্চলের জমাটবদ্ধ বরফখণ্ডগুলো গলে গিয়ে নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নভূমি তলিয়ে যাচ্ছে। যেমন- তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের হিমালয় পর্বতের বরফখণ্ডগুলো গলে গিয়ে নিম্নভূমির দিকে তথা বাংলাদেশের দিকে আসছে। এতে নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নভূমি প্লাবিত হচ্ছে। ফলে নিম্ন সমভূমিতে যেসব ফসল চাষ করা হয় তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং দেশের খাদ্য ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। ফলশ্রুতিতে দেশ অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আবার মেরু অঞ্চলের বরফগলার ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের নিম্নভূমির জেলাগুলো সমুদ্রে তলিয়ে যাচ্ছে। ভূতত্ত্ববিদরা মন্তব্য করেছেন আগামী ২০-২৫ বছরের মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের অনেক জেলা সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এতে ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে যাবে। ফসলি জমি সমুদ্রগর্ভে চলে গিয়ে মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে যাবে। এছাড়া তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় সামুদ্রিক ঝড়, সাইক্লোন, টর্নেডো প্রভৃতি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাসহ অন্যান্য জেলার গাছপালা নষ্ট হচ্ছে, ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। সুতরাং বলা যায় যে, বিশ্বব্যাপী উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাংলাদেশের মতো নিম্নঅঞ্চলের দেশ উল্লিখিত মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হতে চলেছে।
HSCGeography 1st PaperChapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্চতা ও উপাদানের পার্থক্যের কারণে তা কতকগুলো স্তরে বিভক্ত। যার একটি জীবকুলের আবাসস্থল আবার অন্য একটি স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকুলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে।

Rajshahi · 2017

ক
জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?
খ
জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্চতা ও উপাদানের পার্থক্যের কারণে তা কতকগুলো স্তরে বিভক্ত। যার একটি জীবকুলের আবাসস্থল আবার অন্য একটি স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকুলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে।

Rajshahi · 2017

ক
জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?
খ
জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।

জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?

জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইদানীং সময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্রচণ্ড গাড়ির চাপে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে। এছাড়া টঙ্গীর শিল্পাঞ্চল ও আশুলিয়াতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইটভাটা। এদের শিল্পবর্জ্য ও নির্গত গ্যাসীয় পদার্থ ক্রমাগত বায়ুতে মিশছে। মানুষ প্রায়শই কাপড়ে নাক, মুখ চেপে শ্বাসকষ্ট ও দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Dhaka · 2018

ক
দূষণ কী?
খ
গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইদানীং সময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্রচণ্ড গাড়ির চাপে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে। এছাড়া টঙ্গীর শিল্পাঞ্চল ও আশুলিয়াতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইটভাটা। এদের শিল্পবর্জ্য ও নির্গত গ্যাসীয় পদার্থ ক্রমাগত বায়ুতে মিশছে। মানুষ প্রায়শই কাপড়ে নাক, মুখ চেপে শ্বাসকষ্ট ও দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Dhaka · 2018

ক
দূষণ কী?
খ
গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।

গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.দূষণ কী?

দূষণ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

লোকমান স্যার ক্লাসে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর ব্যাখ্যা করে বোঝালেন। অতঃপর বায়ুমণ্ডলের ২০-২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিস্তৃত একটি গ্যাসীয় স্তরের বৈশিষ্ট্য পড়ালেন। তিনি বলেন, এ স্তর না থাকলে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত।

Dhaka · 2018

ক
বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?
খ
বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে স্তর দুইটির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

লোকমান স্যার ক্লাসে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর ব্যাখ্যা করে বোঝালেন। অতঃপর বায়ুমণ্ডলের ২০-২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিস্তৃত একটি গ্যাসীয় স্তরের বৈশিষ্ট্য পড়ালেন। তিনি বলেন, এ স্তর না থাকলে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত।

Dhaka · 2018

ক
বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?
খ
বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে স্তর দুইটির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।

বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?

বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।দূষণ কী?উদ্দীপকে স্তর দুইটির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।