শেয়ারFacebookWhatsApp

তোমার পাঠ্য পুস্তকের আলোকে উক্ত দূষণ প্রতিরোধে করণীয় পদক্ষেপসমূহ বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: বায়ুদূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে । এজন্য করণীয় কিছু বিষয় হলো— i. জীবাশ্ম জাতীয় জ্বালানি যেমন— কয়লা, কাঠ ইত্যাদির ব্যবহার হ্রাস করা; ii. বৃক্ষ নিধন বন্ধ এবং ব্যাপকভাবে বন সৃষ্টি করা; iii. তাপবিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহার কমিয়ে জলবিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহারে প্ৰাধান্য দেয়া; iv. যানবাহনে সীসা মুক্ত জ্বালানি ব্যবহার করা: v. জৈব বর্জ্য বেশি জমতে না দেয়া; vi. কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনা; vii. যানবাহনে CNG (Compressed Natural Gas) ব্যবহার বৃদ্ধি করা; viii. ইটের ভাটায় কাঠের ব্যবহার বন্ধ করা; ix. কলকারখানায় ও ইটের ভাটায় চিমনি অনেক উঁচু করে দেয়া; X. কলকারখানা থেকে নির্গত বর্জ্য ও বিষাক্ত গ্যাস নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করা; xi. জনবসতি এলাকায় শিল্প-কারখানা স্থাপন বন্ধ করা; xii. পারমাণবিক বিস্ফোরণ, এর পরীক্ষা-নিরীক্ষা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা; এবং xiii. বায়ু দূষণের প্রভাব বা কুফল সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করা । আমি মনে করি সুতরাং, উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা গেলে বায়ুদূষণ অনেকখানি রোধ করা যাবে।

HSC Geography 1st Paper Chapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · Chapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ · সৃজনশীল

তোমার পাঠ্য পুস্তকের আলোকে উক্ত দূষণ প্রতিরোধে করণীয় পদক্ষেপসমূহ ব…

উদ্দীপক

মি. চৌধুরী পঁচিশ বছর ঢাকা শহরে বসবাসের পর গ্রামে ফিরে যেতে বাধ্য হন। কারণ সে শহরে কলকারখানা হতে নির্গত গ্যাস, গাড়ির কালো ধোঁয়া ইত্যাদির ফলে সৃষ্ট দূষণে শ্বাসনালীর প্রদাহজনিত অসুখে ভুগছে।

উত্তর

বস্তুকে রঙিন করার জন্য যেসব পদার্থ ব্যবহৃত হয় সেগুলোই রঞ্জক পদার্থ ।

উত্তর

থার্মোস্ফিয়ার আমাদের বেতার তরঙ্গ শুনতে সাহায্য করে । থামোস্ফিয়ার স্তরটি অতিরিক্ত তাপে অসংখ্য বিদ্যুৎযুক্ত কণা বা আয়ন ও ইলেকট্রনে পরিপূর্ণ থাকে। তাই এ স্তরকে আয়নোস্ফিয়ারও বলা হয়। এখানে পজিটিভ ও নেগেটিভ দু'ধরনের আয়নের প্রাচুর্য ঘটে। এর ফলে বেতার তরঙ্গ আয়নোস্ফিয়ারে প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। ফলে মানুষ নির্বিঘ্নে রেডিও শুনতে পায় ।

উত্তর

জীবনধারণ ও বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় উপাদান বায়ু। কিন্তু তা দূষিত হলে আমাদের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায় । উদ্দীপকে নজীব বায়ু দূষণের কারণে অস্বস্তির মধ্যে পড়ে। বায়ুদূষণের ফলে বিভিন্ন দূষক পদার্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। এতে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। যথা- i. যানবাহন থেকে নির্গত নানা ধরনের গ্যাসীয় পদার্থের মধ্যে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) উল্লেখযোগ্য। এ গ্যাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করলে রক্তের অক্সিজেন সঞ্চালন ক্ষমতা হ্রাস পায় । ii. জ্বালানি তেল ও কয়লা দহনের দরুন সালফার ডাই অক্সাইড (SO2) উৎপন্ন হয় । এতে শ্বাসকষ্ট, মাথা ধরা, বমি বমি ভাব হয় । iii. রাসায়নিক ও পেট্রোক্যামিকেল কারখানায় যেমন: ইনসুলেটর কারখানা থেকে উৎপন্ন হাইড্রোজেন সালফাইড (HS) গ্যাস চোখ ও গলার ক্ষতি করে । iv. তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্গত সূক্ষ্ম ধূলিকণা ক্যান্সার রোগ সৃষ্টি করে । v. বিস্ফোরক দ্রব্য, রঙ, সার প্রভৃতি উৎপাদনের সময় যে অ্যামোনিয়া (NH3) নির্গত হয়, তা মানুষের শ্বাসনালীর ক্ষতি করে । সুতরাং বলা যায় যে, বায়ু দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। এজন্য বায়ুদূষণ রোধে আমাদের সচেতন হতে হবে।

উত্তর

বায়ুদূষণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে । এজন্য করণীয় কিছু বিষয় হলো— i. জীবাশ্ম জাতীয় জ্বালানি যেমন— কয়লা, কাঠ ইত্যাদির ব্যবহার হ্রাস করা; ii. বৃক্ষ নিধন বন্ধ এবং ব্যাপকভাবে বন সৃষ্টি করা; iii. তাপবিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহার কমিয়ে জলবিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহারে প্ৰাধান্য দেয়া; iv. যানবাহনে সীসা মুক্ত জ্বালানি ব্যবহার করা: v. জৈব বর্জ্য বেশি জমতে না দেয়া; vi. কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনা; vii. যানবাহনে CNG (Compressed Natural Gas) ব্যবহার বৃদ্ধি করা; viii. ইটের ভাটায় কাঠের ব্যবহার বন্ধ করা; ix. কলকারখানায় ও ইটের ভাটায় চিমনি অনেক উঁচু করে দেয়া; X. কলকারখানা থেকে নির্গত বর্জ্য ও বিষাক্ত গ্যাস নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করা; xi. জনবসতি এলাকায় শিল্প-কারখানা স্থাপন বন্ধ করা; xii. পারমাণবিক বিস্ফোরণ, এর পরীক্ষা-নিরীক্ষা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা; এবং xiii. বায়ু দূষণের প্রভাব বা কুফল সম্পর্কে জনসাধারণকে সচেতন করা । আমি মনে করি সুতরাং, উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা গেলে বায়ুদূষণ অনেকখানি রোধ করা যাবে।
HSCGeography 1st PaperChapter 4 : বায়ুমন্ডল ও বায়ুদূষণ
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্চতা ও উপাদানের পার্থক্যের কারণে তা কতকগুলো স্তরে বিভক্ত। যার একটি জীবকুলের আবাসস্থল আবার অন্য একটি স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকুলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে।

Rajshahi · 2017

ক
জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?
খ
জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পৃথিবী একটি অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ দ্বারা পরিবেষ্টিত। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্চতা ও উপাদানের পার্থক্যের কারণে তা কতকগুলো স্তরে বিভক্ত। যার একটি জীবকুলের আবাসস্থল আবার অন্য একটি স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণের মাধ্যমে পৃথিবীতে জীবকুলের বসবাস উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে।

Rajshahi · 2017

ক
জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?
খ
জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।

জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?

জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইদানীং সময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্রচণ্ড গাড়ির চাপে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে। এছাড়া টঙ্গীর শিল্পাঞ্চল ও আশুলিয়াতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইটভাটা। এদের শিল্পবর্জ্য ও নির্গত গ্যাসীয় পদার্থ ক্রমাগত বায়ুতে মিশছে। মানুষ প্রায়শই কাপড়ে নাক, মুখ চেপে শ্বাসকষ্ট ও দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Dhaka · 2018

ক
দূষণ কী?
খ
গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

ইদানীং সময়ে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে প্রচণ্ড গাড়ির চাপে মানুষ অসহায় হয়ে পড়ছে। এছাড়া টঙ্গীর শিল্পাঞ্চল ও আশুলিয়াতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ইটভাটা। এদের শিল্পবর্জ্য ও নির্গত গ্যাসীয় পদার্থ ক্রমাগত বায়ুতে মিশছে। মানুষ প্রায়শই কাপড়ে নাক, মুখ চেপে শ্বাসকষ্ট ও দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

Dhaka · 2018

ক
দূষণ কী?
খ
গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।

গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.দূষণ কী?

দূষণ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

লোকমান স্যার ক্লাসে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর ব্যাখ্যা করে বোঝালেন। অতঃপর বায়ুমণ্ডলের ২০-২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিস্তৃত একটি গ্যাসীয় স্তরের বৈশিষ্ট্য পড়ালেন। তিনি বলেন, এ স্তর না থাকলে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত।

Dhaka · 2018

ক
বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?
খ
বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে স্তর দুইটির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

লোকমান স্যার ক্লাসে ভূপৃষ্ঠ সংলগ্ন বায়ুস্তর ব্যাখ্যা করে বোঝালেন। অতঃপর বায়ুমণ্ডলের ২০-২৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিস্তৃত একটি গ্যাসীয় স্তরের বৈশিষ্ট্য পড়ালেন। তিনি বলেন, এ স্তর না থাকলে প্রাণীর দেহ পুড়ে যেত এবং সমস্ত প্রাণিকুল অন্ধ হয়ে যেত।

Dhaka · 2018

ক
বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?
খ
বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে স্তর দুইটির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।

বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?

বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের শেষের স্তরটির গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে বায়বীয় আবরণের স্তরবিন্যাস চিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।জীববৈচিত্র্যের স্থানিক ভিন্নতার কারণ ব্যাখ্যা কর।জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?উদ্দীপকের দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ- বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দূষণের কারণ ব্যাখ্যা কর।গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের সাথে সম্পর্কযুক্ত- ব্যাখ্যা কর।দূষণ কী?উদ্দীপকে স্তর দুইটির মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে উল্লিখিত দ্বিতীয় আলোচিত স্তরের গঠন কাঠামো ব্যাখ্যা কর।বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাইঅক্সাইড-এর ভারসাম্য বজায় থাকে- ব্যাখ্যা কর।বাতাসে নাইট্রোজেনের শতকরা হার কত?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।