শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলে নদী সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চল হলো নদীর পার্বত্য পর্যায় বা উর্ধ্বগতি পার্বত্য অবস্থা থেকেই নদীর সৃষ্টি হয়। উঁচু পর্বত বা মালভূমি থেকে বৃষ্টি, প্রসবণ, হিমবাহ বা বরফ গলা পানিতে সৃষ্ট কোনো জলধারা যখন মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ভূমির ঢাল বরাবর প্রবাহিত হয়ে সমভূমি ও নিম্নভূমির উপর দিয়ে বয়ে গিয়ে অবশেষে কোনো বিশাল জলাশয় বা হ্রদ অথবা সমুদ্রে পতিত হয়, তখন তাকে নদী বলা হয় । নদীর উৎপত্তির জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ ও ঢালু জায়গা। পাহাড়িয়া অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টির পানি ও বরফগলা পানি পাওয়া যায় বলে পৃথিবীর অধিকাংশ নদীই পার্বত্য অঞ্চল হতে উৎপত্তি লাভ করেছে। এ ছাড়া পাহাড়ের প্রস্রবণের পানিও নদীর উৎপত্তিতে সহায়তা করে থাকে। পানিপ্রবাহ স্বভাবত নিম্নগামী; সে জন্য সব নদীই ভূভাগের ঢাল অনুসারে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র বা হ্রদ কিংবা অন্য কোনো নদীতে গিয়ে পড়ে । নদীর আকৃতি, প্রকৃতি ও এর বিভিন্ন প্রকারের কার্যের পরিমাণ বহুলাংশে নির্ভর করে তার উৎসস্থলের পানি সরবরাহের পরিমাণের ওপর। হিমালয় পর্বতে বৃষ্টি, বরফগলা পানি ও প্রস্রবণের পানি মিলিত হয়ে গঙ্গা নদীর সৃষ্টি হয়েছে।

HSC Geography 1st Paper Chapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · Chapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন · সৃজনশীল

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলে নদী সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

question image

উত্তর

সমুদ্রগর্ভে ভূআলোড়নের ফলে সমুদ্রের পানিতে যে তীব্র সামুদ্রিক ঢেউ বা কম্পনের সৃষ্টি হয় তাই সুনামি।

উত্তর

নদীর ক্ষয়জাত ভূমিরূপের দুটি উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো- i. সর্পিল বাঁক : মধ্যগতিতে নদী অববাহিকায় শিলা নরম থাকায় পানির স্রোতের আঘাতে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এমতাবস্থায় নদী এঁকেবেঁকে অগ্রসর হয়। নদীর গতিপথে এ ধরনের ভূমিরূপকে সর্পিল বাঁক বলা হয়। বাংলাদেশে বহু সর্পিল বাঁক বিশিষ্ট নদী রয়েছে। যেমন- সুরমা নদী ii. নদীছেদন : নদী আঁকাবাঁকা অবস্থায় চলতে থাকলে এবং বাঁকের বৃদ্ধি ঘটলে নদী আঁকাবাঁকা পথ ছেড়ে কোনো এক সময় হঠাৎ সোজা পথ বেছে নেয়। এ সোজা পথকেই নদীছেদন বলে। যেমন- পদ্মার শাখা মধুমতি নদী।

উত্তর

উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চল হলো নদীর পার্বত্য পর্যায় বা উর্ধ্বগতি পার্বত্য অবস্থা থেকেই নদীর সৃষ্টি হয়। উঁচু পর্বত বা মালভূমি থেকে বৃষ্টি, প্রসবণ, হিমবাহ বা বরফ গলা পানিতে সৃষ্ট কোনো জলধারা যখন মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ভূমির ঢাল বরাবর প্রবাহিত হয়ে সমভূমি ও নিম্নভূমির উপর দিয়ে বয়ে গিয়ে অবশেষে কোনো বিশাল জলাশয় বা হ্রদ অথবা সমুদ্রে পতিত হয়, তখন তাকে নদী বলা হয় । নদীর উৎপত্তির জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ ও ঢালু জায়গা। পাহাড়িয়া অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টির পানি ও বরফগলা পানি পাওয়া যায় বলে পৃথিবীর অধিকাংশ নদীই পার্বত্য অঞ্চল হতে উৎপত্তি লাভ করেছে। এ ছাড়া পাহাড়ের প্রস্রবণের পানিও নদীর উৎপত্তিতে সহায়তা করে থাকে। পানিপ্রবাহ স্বভাবত নিম্নগামী; সে জন্য সব নদীই ভূভাগের ঢাল অনুসারে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র বা হ্রদ কিংবা অন্য কোনো নদীতে গিয়ে পড়ে । নদীর আকৃতি, প্রকৃতি ও এর বিভিন্ন প্রকারের কার্যের পরিমাণ বহুলাংশে নির্ভর করে তার উৎসস্থলের পানি সরবরাহের পরিমাণের ওপর। হিমালয় পর্বতে বৃষ্টি, বরফগলা পানি ও প্রস্রবণের পানি মিলিত হয়ে গঙ্গা নদীর সৃষ্টি হয়েছে।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত 'খ' ও 'গ' অবস্থা যথাক্রমে নদীর মধ্যগতি ও নিম্নগতি। এদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান । পার্বত্য অঞ্চল পার হয়ে নদী যখন সমভূমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন এর প্রবাহকে মধ্যগতি বলে। আর নদীর জীবনচক্রের শেষ পর্যায় হলো নিম্নগতি। এ অবস্থায় স্রোত একেবারে কমে যায় । মধ্যগতিতে নদীর বিস্তার ঊর্ধ্বগতি অবস্থার তুলনায় অনেক বেশি হয় কিন্তু গভীরতা ঊর্ধ্বগতি অবস্থার তুলনায় অনেক কমে যায়। মধ্যগতি অবস্থায় নদীর সঞ্জয় কাজ শুরু হয় । মধ্যগতিতে নদীর দুদিকের নিম্নভূমি পলি দ্বারা ভরাট হয়ে প্রায় সমতলভূমিতে পরিণত হয়। একে প্লাবন সমভূমি বলে । অন্যদিকে নিম্নগতিতে নিম্নক্ষয় বন্ধ থাকে ও পার্শ্বক্ষয় হয় অল্প পরিমাণে । নদী উপত্যকা খুব চওড়া ও অগভীর হয়। স্রোতের বেগ কমে যাওয়ায় পানিবাহিত বালুকণা, কাদা নদীগর্ভে ও মোহনায় সঞ্চিত হয় । উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, নদীর মধ্য ও নিম্ন গতিতে নদীর শক্তি, কাজ ও সৃষ্ট ভূমিরূপের গঠন ও বৈশিষ্ট্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
HSCGeography 1st PaperChapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

টেলিভিশনে একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখে সুপ্তি বুঝতে পারল, ভূমিরূপের ব্যাপক পরিবর্তনে মানুষের তেমন কোনো হাত নেই। কিন্তু ঐ পরিবর্তনে এক ধরনের প্রাকৃতিক শক্তি ক্রিয়াশীল যা খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটিত হয়। ইতিহাসে যার অনেক ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাবের নজির রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?
খ
ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।
ঘ
উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

টেলিভিশনে একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখে সুপ্তি বুঝতে পারল, ভূমিরূপের ব্যাপক পরিবর্তনে মানুষের তেমন কোনো হাত নেই। কিন্তু ঐ পরিবর্তনে এক ধরনের প্রাকৃতিক শক্তি ক্রিয়াশীল যা খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটিত হয়। ইতিহাসে যার অনেক ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাবের নজির রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?
খ
ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।
ঘ
উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।

ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?

ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী অববাহিকায়। সে তার সহপাঠীদের নিয়ে মধুপুর বেড়াতে এসে বুঝতে পারে যে, তার নিজ এলাকার সাথে এখানকার ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
মালভূমি কাকে বলে?
খ
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী অববাহিকায়। সে তার সহপাঠীদের নিয়ে মধুপুর বেড়াতে এসে বুঝতে পারে যে, তার নিজ এলাকার সাথে এখানকার ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
মালভূমি কাকে বলে?
খ
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মালভূমি কাকে বলে?

মালভূমি কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?
খ
জলযোজন ব্যাখ্যা কর।
গ
চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?
খ
জলযোজন ব্যাখ্যা কর।
গ
চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জলযোজন ব্যাখ্যা কর।

জলযোজন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।মালভূমি কাকে বলে?চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।জলযোজন ব্যাখ্যা কর।গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।