শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ২য় ও ৩য় অবস্থার পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ২য় ও ৩য় অবস্থাটি হলো যথাক্রমে সমভূমি বা মধ্যগতি এবং বদ্বীপ বা নিম্নগতি পর্যায়। নিচে নদীর এ দুই অবস্থার পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো: পার্বত্য অঞ্চলের পর নদী যখন সমভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন তার প্রবাহকে সমভূমি অবস্থা বা মধ্যগতি বলে। মধ্যগতিতে নদীর বিস্তার বেশি হয়। নদী অববাহিকা প্রশস্ত হয় ও উপত্যকাগুলোর গভীরতা কমে আসে। এ অংশে নদীর পানির পরিমাণ বেশি হয়। বহু উপনদী এ অংশে এসে মূল নদীর সাথে মিলিত হয়। নদী উপত্যকার গভীরতা হ্রাস পাওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতাও কমে যায়। ফলে বর্ষাকালে নদী স্ফীত হয়ে তার দুই দিকের নিম্নভূমিসমূহকে বন্যায় প্লাবিত করে। নদীবাহিত পলি দ্বারা ঐ নিম্নভূমিসমূহ ধীরে ধীরে উঁচু হয় এবং সমভূমির আকার ধারণ করে। একে প্লাবন সমভূমি বলে। সমভূমি অবস্থায় নদীর ক্ষয় ও পরিবহন কার্য তত প্রবল নয়। এ অবস্থায় নদীর সঞ্চয় কার্য শুরু হয়। অপরদিকে, নদীর শেষ অংশ বা নদীর নিম্নগতিকে ব-দ্বীপ অবস্থা বলা হয়। এ সময় স্রোতের বেগ খুবই কম থাকে। নদীর নিম্নক্ষয় বন্ধ হয়ে যায় এবং স্বল্প পরিমাণে পার্শ্বক্ষয় হতে থাকে। ফলে নদী উপত্যকা খুব চওড়া ও অগভীর হয়। নদীর এ অংশে স্রোতের বেগ কমে যাওয়ায় নদীবাহিত বালুকা, কর্দম ও পলি নদীগর্ভে ও মোহনায় সঞ্চিত হয়ে নদীর গতিপথে বাধার সৃষ্টি করে। নদীর গতি বাধা পেয়ে তা দুই দিক দিয়ে চলে যায়। কালক্রমে নদীমুখে এ পলি সঞ্চিত ভূভাগ উঁচু হয়ে মাত্রাহীন ডেল্টা '৪' অক্ষরের আকার ধারণ করে ত্রিকোণাকার 'Δ' দ্বীপের সৃষ্টি করে। একে ব-দ্বীপ বলে। ব-দ্বীপ গঠন ব্যতীত এ অংশে নদীর খাত পরিবর্তন, নদীর অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ, প্লাবন সমভূমি প্রভৃতি বিভিন্ন ভূমিরূপ দেখতে পাওয়া যায়।

HSC Geography 1st Paper Chapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · Chapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন · সৃজনশীল

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ২য় ও ৩য় অবস্থার পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2023

উত্তর

প্রবহমান দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলে।

উত্তর

বাংলাদেশের অধিকাংশ ভূমিই নদী বাহিত পলি দ্বারা গঠিত। বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টাসিনকালের সোপান বাদে বেশিরভাগ অঞ্চল সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, বহ্মপুত্র প্রভৃতি নদ-নদী এবং এদের শাখা ও উপনদীসমূহ পলিবাহিত পলি দ্বারা গঠিত। এ অঞ্চলের মোট আয়তন ১,২৪,২৬৬ বর্গ কি.মি. যার পুরোটাই পলিবাহিত পলি দ্বারা গঠিত। তাই বলা যায়, বাংলাদেশের অধিকাংশ ভূমি নদীবাহিত পলি দ্বারা গঠিত।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রথম অবস্থাটি হলো নদীর প্রাথমিক, অবস্থা অর্থাৎ পার্বত্য অবস্থা। নিচে এর বর্ণনা দেওয়া হলো- পর্বতের, উৎপত্তিস্থল হতে সমভূমিতে পৌঁছানো পর্যন্ত অংশকে নদীর পার্বত্য বা প্রাথমিক অবস্থা বলে। এ সময় এর গতিবেগ (২৪-৩২) কিমি পর্যন্ত হয়। পার্বত্য অঞ্চলে বৃষ্টি ও বরফ গলা পানি সরবরাহ খুব বেশি। পার্বত্য অঞ্চল থেকে ছোট ছোট স্রোতধারাগুলো পরস্পর মিলিত হয়ে একটি প্রবল স্রোত ধারার সৃষ্টি করে। ভূমির ঢাল খাড়া হওয়ায় প্রবল স্রোতধারাটি ক্ষয়সাধন করতে করতে অগ্রসর হয়। এ সময় নদী উপত্যকা গভীর হয়। প্রবল স্রোতের বেগ বড় বড় পাথর, নুড়ি প্রভৃতি স্রোতের সাথে বহন করে। এটি নদী সৃষ্টির প্রথম অবস্থা বলে একে প্রাথমিক অবস্থা বলে। এ সময় নদীর উদ্যম বেশি থাকে বলে যান্ত্রিক ও রাসায়নিক উভয় প্রকার ক্ষয় সাধিত হয়। শিলারাশির ঘর্ষণে নদীখাত গভীর হতে হতে গিরিখাত, ক্যানিয়ন প্রভৃতির সৃষ্টি হয়। এ সময় নদী উপত্যকার আকৃতি 'V′V^{\prime} অক্ষরের ন্যায় হয়। 'V′V^{\prime} আকৃতির উপত্যকার মধ্য দিয়ে নদী অগ্রসর হয়। নদীখাতের কোথাও কোথাও বর্তুলাকার গর্ত দেখা যায়। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রথম অবস্থাটি হলো নদীর প্রাথমিক অবস্থা।

উত্তর

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ২য় ও ৩য় অবস্থাটি হলো যথাক্রমে সমভূমি বা মধ্যগতি এবং বদ্বীপ বা নিম্নগতি পর্যায়। নিচে নদীর এ দুই অবস্থার পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো: পার্বত্য অঞ্চলের পর নদী যখন সমভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন তার প্রবাহকে সমভূমি অবস্থা বা মধ্যগতি বলে। মধ্যগতিতে নদীর বিস্তার বেশি হয়। নদী অববাহিকা প্রশস্ত হয় ও উপত্যকাগুলোর গভীরতা কমে আসে। এ অংশে নদীর পানির পরিমাণ বেশি হয়। বহু উপনদী এ অংশে এসে মূল নদীর সাথে মিলিত হয়। নদী উপত্যকার গভীরতা হ্রাস পাওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতাও কমে যায়। ফলে বর্ষাকালে নদী স্ফীত হয়ে তার দুই দিকের নিম্নভূমিসমূহকে বন্যায় প্লাবিত করে। নদীবাহিত পলি দ্বারা ঐ নিম্নভূমিসমূহ ধীরে ধীরে উঁচু হয় এবং সমভূমির আকার ধারণ করে। একে প্লাবন সমভূমি বলে। সমভূমি অবস্থায় নদীর ক্ষয় ও পরিবহন কার্য তত প্রবল নয়। এ অবস্থায় নদীর সঞ্চয় কার্য শুরু হয়। অপরদিকে, নদীর শেষ অংশ বা নদীর নিম্নগতিকে ব-দ্বীপ অবস্থা বলা হয়। এ সময় স্রোতের বেগ খুবই কম থাকে। নদীর নিম্নক্ষয় বন্ধ হয়ে যায় এবং স্বল্প পরিমাণে পার্শ্বক্ষয় হতে থাকে। ফলে নদী উপত্যকা খুব চওড়া ও অগভীর হয়। নদীর এ অংশে স্রোতের বেগ কমে যাওয়ায় নদীবাহিত বালুকা, কর্দম ও পলি নদীগর্ভে ও মোহনায় সঞ্চিত হয়ে নদীর গতিপথে বাধার সৃষ্টি করে। নদীর গতি বাধা পেয়ে তা দুই দিক দিয়ে চলে যায়। কালক্রমে নদীমুখে এ পলি সঞ্চিত ভূভাগ উঁচু হয়ে মাত্রাহীন ডেল্টা '৪' অক্ষরের আকার ধারণ করে ত্রিকোণাকার 'Δ' দ্বীপের সৃষ্টি করে। একে ব-দ্বীপ বলে। ব-দ্বীপ গঠন ব্যতীত এ অংশে নদীর খাত পরিবর্তন, নদীর অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ, প্লাবন সমভূমি প্রভৃতি বিভিন্ন ভূমিরূপ দেখতে পাওয়া যায়।
HSCGeography 1st PaperChapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

টেলিভিশনে একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখে সুপ্তি বুঝতে পারল, ভূমিরূপের ব্যাপক পরিবর্তনে মানুষের তেমন কোনো হাত নেই। কিন্তু ঐ পরিবর্তনে এক ধরনের প্রাকৃতিক শক্তি ক্রিয়াশীল যা খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটিত হয়। ইতিহাসে যার অনেক ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাবের নজির রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?
খ
ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।
ঘ
উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

টেলিভিশনে একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখে সুপ্তি বুঝতে পারল, ভূমিরূপের ব্যাপক পরিবর্তনে মানুষের তেমন কোনো হাত নেই। কিন্তু ঐ পরিবর্তনে এক ধরনের প্রাকৃতিক শক্তি ক্রিয়াশীল যা খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটিত হয়। ইতিহাসে যার অনেক ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাবের নজির রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?
খ
ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।
ঘ
উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।

ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?

ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী অববাহিকায়। সে তার সহপাঠীদের নিয়ে মধুপুর বেড়াতে এসে বুঝতে পারে যে, তার নিজ এলাকার সাথে এখানকার ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
মালভূমি কাকে বলে?
খ
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী অববাহিকায়। সে তার সহপাঠীদের নিয়ে মধুপুর বেড়াতে এসে বুঝতে পারে যে, তার নিজ এলাকার সাথে এখানকার ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
মালভূমি কাকে বলে?
খ
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মালভূমি কাকে বলে?

মালভূমি কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?
খ
জলযোজন ব্যাখ্যা কর।
গ
চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?
খ
জলযোজন ব্যাখ্যা কর।
গ
চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জলযোজন ব্যাখ্যা কর।

জলযোজন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।মালভূমি কাকে বলে?চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।জলযোজন ব্যাখ্যা কর।গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।