শেয়ারFacebookWhatsApp

পৃথিবীর কোন কোন অঞ্চলে এ ধরনের ঘটনা নিয়মিত হয়ে থাকে তা আলোচনা করো

উত্তর: উদ্দীপকের ঘটনাটি হলো ভূমিকম্প। পৃথিবীর সর্বত্র ভূমিকম্পের প্রকোপ সমান নয়। বেশিরভাগ ভূমিকম্প (প্রায় ৯৫%) পৃথিবীর অল্পস্থান জুড়ে হয়ে থাকে, যা আয়তনে দীর্ঘ ও সরু। পৃথিবীর বৃত্তচাপীয় দ্বীপমালা (যেমনঃ জাপান, ফিলিপাইন), নবীন ভঙ্গিল পর্বতমালা, আগ্নেয় মেখলা অঞ্চল ও সামুদ্রিক শৈলশিরাসমূহে অধিক ভূমিকম্প সংঘটিত হয়ে থাকে। ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলগুলোকে তিনটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত করা যায় । ক. প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল : প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেটের বহিঃসীমানা বরাবর ভূমিকম্প প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। এখানে আগ্নেয়গিরিগুলো এ মহাসাগরকে মালার মতো বেষ্টন করে আছে বলে এ অঞ্চলকে আগ্নেয় মেখলা (Rings of Fire) বলা হয়ে থাকে। এ অঞ্চলের জাপান, ফিলিপাইন, চিলি, অ্যালিউসিয়ান দ্বীপপুঞ্জ এবং আলাস্কা প্রধান ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল। পৃথিবীর অধিক ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ জাপানও এ অঞ্চলে অবস্থিত। এদেশে বার্ষিক প্রায় ৭,৫০০ টি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়ে থাকে। এ অঞ্চলে অগভীর, মাঝারি ও গভীর কেন্দ্র বিশিষ্ট ভূমিকম্প সংঘটিত হয়ে থাকে। খ.ভূমধ্যসাগরীয় হিমালয় অঞ্চল : আল্পস পর্বত থেকে শুরু করে ভূমধ্যসাগরের উত্তর তীর হয়ে ককেশাস, ইরান মালভূমি, হিমালয় পর্বতমালা, ইন্দোচীন ও পূর্বভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ হয়ে নিউজিল্যান্ড পর্যন্ত এ অঞ্চলটি বিস্তৃত। অগভীর ও মাঝারি গভীরতার কেন্দ্র বিশিষ্ট ভূমিকম্প এ অঞ্চলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ ইতালি এ অঞ্চলে অবস্থিত। এদেশে বার্ষিক প্রায় ৫০০টি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়ে থাকে। গ. মধ্য আটলান্টিক-ভারত মহাসাগরীয় শৈলশিরা অঞ্চল : উত্তর-দক্ষিণ বরাবর মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা এবং ভারত মহাসাগরীয় শৈলশিরার সাথে মিলে এ অঞ্চলটি লোহিত সাগর বরাবর ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের সাথে মিশেছে। এ সমস্ত গভীর ভূমিকম্পকেন্দ্রের বেশিরভাগ স্বাভাবিক চ্যুতি বরাবর অবস্থিত।

HSC Geography 1st Paper Chapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Geography 1st Paper · Chapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন · সৃজনশীল

পৃথিবীর কোন কোন অঞ্চলে এ ধরনের ঘটনা নিয়মিত হয়ে থাকে তা আলোচনা করো

উদ্দীপক

রিপন রাতে ঘুমের মধ্যে অনুভব করল যে, তার খাট হঠাৎ কেঁপে উঠছে অল্প সময় পর কাঁপুনি বন্ধ হয়ে গেল। পরদিন সকালে শুনল রাতের ঘটনাটি ছিল একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বাবার কাছে সে জানতে চাইলে তিনি বললেন এটি একটি প্রাকৃতিক ঘটনা যার মাধ্যমে ভূমির আকস্মিক পরিবর্তন হয়ে থাকে।

উত্তর

সমুদ্রগর্ভে ভূআলোড়নের ফলে সমুদ্রের পানিতে যে তীব্র সামুদ্রিক ঢেউ বা কম্পনের সৃষ্টি হয় তাকে সুনামি বলে।

উত্তর

নদীর সঞ্জয়ক্রিয়ার ফলে গঠিত ভূমিরূপ হলো অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ । আঁকাবাঁকা নদীর মধ্যবর্তী সংকীর্ণ স্থান প্লাবনের সময় ক্ষয়প্রাপ্ত হলে ঐ নদী তার পুরাতন বাঁকা পথটি পরিত্যাগ করে নতুন এক সোজাপথে প্রবাহিত হয়। ফলে পুরাতন খাতটি একটি হ্রদে পরিণত হয়। এরূপ হ্রদের আকৃতি অনেকটা অশ্বের ক্ষুরের ন্যায় বলে একে অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ বলে । মিসিসিপি নদীতে এরূপ হ্রদ আছে ।

উত্তর

উদ্দীপকে ভূমিকম্পের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে । ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো— i. পৃথিবীর উপরিভাগের প্লেটসমূহের সঞ্চালন। ii. অগ্ন্যুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর সৃষ্ট কম্পন। এছাড়া কিছু অপ্রধান কারণ রয়েছে। যথা- i. শিলার চ্যুতি : শিলা চ্যুতি বা ফাটল বরাবর আকস্মিক ভূআলোড়ন হলে ভূমিকম্প হয় । ii. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত : আগ্নেয়গিরির লাভা প্রচণ্ড শক্তিতে ভূঅভ্যন্তর থেকে বের হয়ে আসার সময় পার্শ্ববর্তী স্থানে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়। iii. তাপ বিকিরণ : ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টি হয় । ফলে ভূমিকম্পন অনুভূত হয় ৷ iv. ভূপাত: হঠাৎ কোনো কারণে পাহাড় বা পর্বত থেকে বিশাল শিলাখন্ড ভূত্বকের উপর ধ্বসে পড়ে ভূমিকম্প হয় । v. ভূগর্ভস্থ বাষ্প : পৃথিবীর অভ্যন্তরে অত্যধিক তাপের কারণে বাষ্পের সৃষ্টি হলে তা ভূত্বকের নিম্নভাগে ধাক্কা দিলে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয় । vi. ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস: অনেক সময় ভূগর্ভে হঠাৎ চাপের হ্রাস হলে তার প্রভাবে ভূমিকম্প হয় । vii. হিমবাহের প্রভাব: হঠাৎ করে হিমবাহ পর্বতগাত্র থেকে নিচে পতিত হলে ভূপৃষ্ঠ কেঁপে ওঠে ভূমিকম্প হয় । viii. পার্বত্য অঞ্চলের বনভূমি ধ্বংস ও পাহাড় কাটা: পাহাড় কাটার ফলে ভূপৃষ্ঠের উপরের চাপ হ্রাস পায়। ফলে ভূত্বকের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে ভূমিকম্প হতে পারে ।

উত্তর

উদ্দীপকের ঘটনাটি হলো ভূমিকম্প। পৃথিবীর সর্বত্র ভূমিকম্পের প্রকোপ সমান নয়। বেশিরভাগ ভূমিকম্প (প্রায় ৯৫%) পৃথিবীর অল্পস্থান জুড়ে হয়ে থাকে, যা আয়তনে দীর্ঘ ও সরু। পৃথিবীর বৃত্তচাপীয় দ্বীপমালা (যেমনঃ জাপান, ফিলিপাইন), নবীন ভঙ্গিল পর্বতমালা, আগ্নেয় মেখলা অঞ্চল ও সামুদ্রিক শৈলশিরাসমূহে অধিক ভূমিকম্প সংঘটিত হয়ে থাকে। ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলগুলোকে তিনটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত করা যায় । ক. প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল : প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেটের বহিঃসীমানা বরাবর ভূমিকম্প প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। এখানে আগ্নেয়গিরিগুলো এ মহাসাগরকে মালার মতো বেষ্টন করে আছে বলে এ অঞ্চলকে আগ্নেয় মেখলা (Rings of Fire) বলা হয়ে থাকে। এ অঞ্চলের জাপান, ফিলিপাইন, চিলি, অ্যালিউসিয়ান দ্বীপপুঞ্জ এবং আলাস্কা প্রধান ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল। পৃথিবীর অধিক ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ জাপানও এ অঞ্চলে অবস্থিত। এদেশে বার্ষিক প্রায় ৭,৫০০ টি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়ে থাকে। এ অঞ্চলে অগভীর, মাঝারি ও গভীর কেন্দ্র বিশিষ্ট ভূমিকম্প সংঘটিত হয়ে থাকে। খ.ভূমধ্যসাগরীয় হিমালয় অঞ্চল : আল্পস পর্বত থেকে শুরু করে ভূমধ্যসাগরের উত্তর তীর হয়ে ককেশাস, ইরান মালভূমি, হিমালয় পর্বতমালা, ইন্দোচীন ও পূর্বভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ হয়ে নিউজিল্যান্ড পর্যন্ত এ অঞ্চলটি বিস্তৃত। অগভীর ও মাঝারি গভীরতার কেন্দ্র বিশিষ্ট ভূমিকম্প এ অঞ্চলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ ইতালি এ অঞ্চলে অবস্থিত। এদেশে বার্ষিক প্রায় ৫০০টি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়ে থাকে। গ. মধ্য আটলান্টিক-ভারত মহাসাগরীয় শৈলশিরা অঞ্চল : উত্তর-দক্ষিণ বরাবর মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা এবং ভারত মহাসাগরীয় শৈলশিরার সাথে মিলে এ অঞ্চলটি লোহিত সাগর বরাবর ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের সাথে মিশেছে। এ সমস্ত গভীর ভূমিকম্পকেন্দ্রের বেশিরভাগ স্বাভাবিক চ্যুতি বরাবর অবস্থিত।
HSCGeography 1st PaperChapter 3 : ভূমিরুপ পরিবর্তন
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

টেলিভিশনে একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখে সুপ্তি বুঝতে পারল, ভূমিরূপের ব্যাপক পরিবর্তনে মানুষের তেমন কোনো হাত নেই। কিন্তু ঐ পরিবর্তনে এক ধরনের প্রাকৃতিক শক্তি ক্রিয়াশীল যা খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটিত হয়। ইতিহাসে যার অনেক ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাবের নজির রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?
খ
ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।
ঘ
উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

টেলিভিশনে একটি প্রামাণ্য চিত্র দেখে সুপ্তি বুঝতে পারল, ভূমিরূপের ব্যাপক পরিবর্তনে মানুষের তেমন কোনো হাত নেই। কিন্তু ঐ পরিবর্তনে এক ধরনের প্রাকৃতিক শক্তি ক্রিয়াশীল যা খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটিত হয়। ইতিহাসে যার অনেক ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাবের নজির রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?
খ
ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।
ঘ
উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।

ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?

ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী অববাহিকায়। সে তার সহপাঠীদের নিয়ে মধুপুর বেড়াতে এসে বুঝতে পারে যে, তার নিজ এলাকার সাথে এখানকার ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
মালভূমি কাকে বলে?
খ
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

নিশুর বাড়ী সিরাজগঞ্জের যমুনা নদী অববাহিকায়। সে তার সহপাঠীদের নিয়ে মধুপুর বেড়াতে এসে বুঝতে পারে যে, তার নিজ এলাকার সাথে এখানকার ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে।

Rajshahi · 2017

ক
মালভূমি কাকে বলে?
খ
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.মালভূমি কাকে বলে?

মালভূমি কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?
খ
জলযোজন ব্যাখ্যা কর।
গ
চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2017

ক
গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?
খ
জলযোজন ব্যাখ্যা কর।
গ
চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।
ঘ
চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.জলযোজন ব্যাখ্যা কর।

জলযোজন ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

উদ্দীপকের শক্তিটি খণ্ড খণ্ড ভূ-ভাগের সীমানা বরাবর সংঘটনের কারণ বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকে উল্লিখিত শক্তিটির স্থানিক বিন্যাস মানচিত্রে দেখাও।ভূমিক্ষয় জীবজগতের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে- ব্যাখ্যা কর।ভূ-আলোড়ন কাকে বলে?উদ্দীপকে ইঙ্গিতপূর্ণ ভূমিরূপদ্বয়ের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।উদ্দীপকের নিশুর নিজ এলাকার ভূ-প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা কর।মালভূমি কাকে বলে?চিত্রের 'ক' ও 'খ' স্থানের ভূমিরূপ পরিবর্তন প্রক্রিয়ার বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ কর।চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের কোন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল- ব্যাখ্যা কর।জলযোজন ব্যাখ্যা কর।গিরিজনিক আলোড়ন কাকে বলে?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।